ছবি- সংগৃহীত
বরিশাল নগরীর ৩০নং ওয়ার্ডস্থ কাশিপুরের চহঠা এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধর মামলায় আটকের পর জামিন নিয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে ওই এলাকার মৃত আক্তার তালুকদারের ছেলে মোঃ দেলোয়ার তালুকদারের বিরুদ্ধে। এতে বাদী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এদিকে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে ভুক্তভোগী পরিবার।
মামলার আসামীরা হলেন- মৃত আক্তার তালুকদারের ছেলে মোঃ দেলোয়ার তালুকদার (৬০) ও তার দুই ছেলে মোঃ প্রিন্স তালুকদার ও মোঃ শান্ত তালুকদার ও দেলোয়ার তালুকদারের স্ত্রী মোসাঃ শামসুর নাহার।
বাদীর পরিবার ও এজাহারে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মোঃ দেলোয়ার তালুকদারের সঙ্গে প্রতিবেশী আব্দুল হক হাওলাদারের বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকা বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আব্দুল হক হাওলাদারের সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মোঃ দেলোয়ার তালুকদার ও তার দুই ছেলে মোঃ প্রিন্স তালুকদার ও মোঃ শান্ত তালুকদার এবং স্ত্রী মোসাঃ শামসুর নাহার লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্র নিয়ে আব্দুল হক হাওলাদারের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় আব্দুল হক হাওলাদারের স্ত্রী ফুলি বেগমকে সামনে পেয়ে বেধম মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে আব্দুল হক হাওলাদার বাদী হয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়েরের পর রাতেই মোঃ দেলোয়ার তালুকদার ও তার দুই ছেলে মোঃ প্রিন্স তালুকদার, মোঃ শান্ত তালুকদারকে আটক করা হয়। পরে আদালতে পাঠালে তাদের জামিন মঞ্জুর করে বিচারক।
এদিকে জামিনে বের হয়েই আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেন মোঃ দেলোয়ার তালুকদার। মামলা তুলে নিতে বাদীকে খুন জখমের হুমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন মামলার বাদী আব্দুল হক হাওলাদার। এ অবস্থায় মামলার বাদী আব্দুল হক হাওলাদার ও তার পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
মামলার বাদী আব্দুল হক হাওলাদার বলেন, মোঃ দেলোয়ার তালুকদার ও তার ছেলেরা জামিনে বের হয়ে এসে আমাকে এবং পরিবারকে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তুলে নিতেন বলেন। তা না হলে তারা আমাকে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের খুন জখমের হুমকি দেন। এ অবস্থায় আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। আমি এর প্রতিকার চাই।
এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, চহঠা এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধরের মামলায় এজাহারভুক্ত তিনজন আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে বাদিকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই। এখন জামিনে বের হয়ে কোন আসামী বা অন্য কেউ যদি মামলার বাদিকে হত্যার হুমকি দিয়ে থাকে সেটাও তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৭
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে (৭৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের সেরাল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত ওই এলাকার ছেলে। তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। এ ছাড়া তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি সেরাল গ্রামে জনগণের মনে আতঙ্ক এবং ভীতি সৃষ্টি করে সড়কে মিছিল করার প্রস্তুতি নেয়। এতে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়। পরে এ ঘটনায় থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। সেই মামলায় পলাতক অজ্ঞাত আসামি হিসেবে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আগৈলঝাড়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে (৭৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের সেরাল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত ওই এলাকার ছেলে। তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। এ ছাড়া তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি সেরাল গ্রামে জনগণের মনে আতঙ্ক এবং ভীতি সৃষ্টি করে সড়কে মিছিল করার প্রস্তুতি নেয়। এতে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়। পরে এ ঘটনায় থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। সেই মামলায় পলাতক অজ্ঞাত আসামি হিসেবে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আগৈলঝাড়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমেনা নামে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনা এবং নার্সদের দায়িত্বে গাফিলতির কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বর্তা গ্রামের মহিন্দ্রাচালক মিলন তালুকদারের শিশুকন্যা আমেনাকে খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত সমস্যা নিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরও শিশুটির শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিতে চাইলেও হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। ফলে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই তাকে চিকিৎসাধীন রাখা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটে। বিষয়টি কর্মরত নার্সদের জানানো হলেও তারা যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেননি।
একপর্যায়ে গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
শিশুটির বাবা মিলন তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি করার পর তার মেয়েকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। নার্সদের কাছ থেকেও যথাযথ সেবা পাওয়া যায়নি। উল্টো রোগীর স্বজনদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনার কারণেই তার মেয়ের অকাল মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও নার্সদের দায়িত্ব পালন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনরা। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হামিদা আক্তার বলেন, ‘জন্ম-মৃত্যু আমাদের হাতে নেই।’ চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকালে সংশ্লিষ্টদের ডেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমেনা নামে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনা এবং নার্সদের দায়িত্বে গাফিলতির কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বর্তা গ্রামের মহিন্দ্রাচালক মিলন তালুকদারের শিশুকন্যা আমেনাকে খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত সমস্যা নিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরও শিশুটির শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিতে চাইলেও হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। ফলে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই তাকে চিকিৎসাধীন রাখা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটে। বিষয়টি কর্মরত নার্সদের জানানো হলেও তারা যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেননি।
একপর্যায়ে গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
শিশুটির বাবা মিলন তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি করার পর তার মেয়েকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। নার্সদের কাছ থেকেও যথাযথ সেবা পাওয়া যায়নি। উল্টো রোগীর স্বজনদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনার কারণেই তার মেয়ের অকাল মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও নার্সদের দায়িত্ব পালন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনরা। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হামিদা আক্তার বলেন, ‘জন্ম-মৃত্যু আমাদের হাতে নেই।’ চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকালে সংশ্লিষ্টদের ডেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
‘মাদককে বলি না, শিক্ষা ও সৃষ্টিশীলতায় এগিয়ে চলি সর্বদা’ -এ স্লোগানকে সামনে রেখে বাবুগঞ্জে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন শুরু করেছে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার কলেজ মিলনায়তনে এক মাদকবিরোধী সচেতনতা ও উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মাদক প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা।
রোববার সকালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওই উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম. আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক সামসুল আলম ফকির, কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহে আলম, সহকারী অধ্যাপক মো. গোলাম হোসেন, কলেজের গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য হারুন অর রশীদ, বাবুগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মাসুদ রানা প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক শাহ-ই আলম হাওলাদার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, 'মাদক আজ এক সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। মাদকের জন্য ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তাই সবার আগে আমাদের শিক্ষার্থী এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে। শুধু আইন প্রয়োগ করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। এজন্য পারিবারিক, সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতা সবচেয়ে বেশি জরুরি।'
মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন প্রসঙ্গে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম. আব্দুল হালিম জানান, মাদক আজ সর্বত্র সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে নিরাপদ রাখতে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের পক্ষ থেকে এই সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের সাথে এ বিষয়ে নিয়মিত মতবিনিময় ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম করা হবে। বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাস মাদকমুক্ত রাখাসহ অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যাতে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে সেজন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের নিয়ে একটি সমন্বিত উদ্যোগসহ বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। #
‘মাদককে বলি না, শিক্ষা ও সৃষ্টিশীলতায় এগিয়ে চলি সর্বদা’ -এ স্লোগানকে সামনে রেখে বাবুগঞ্জে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন শুরু করেছে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার কলেজ মিলনায়তনে এক মাদকবিরোধী সচেতনতা ও উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মাদক প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা।
রোববার সকালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওই উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম. আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক সামসুল আলম ফকির, কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহে আলম, সহকারী অধ্যাপক মো. গোলাম হোসেন, কলেজের গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য হারুন অর রশীদ, বাবুগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মাসুদ রানা প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক শাহ-ই আলম হাওলাদার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, 'মাদক আজ এক সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। মাদকের জন্য ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তাই সবার আগে আমাদের শিক্ষার্থী এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে। শুধু আইন প্রয়োগ করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। এজন্য পারিবারিক, সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতা সবচেয়ে বেশি জরুরি।'
মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন প্রসঙ্গে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম. আব্দুল হালিম জানান, মাদক আজ সর্বত্র সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে নিরাপদ রাখতে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের পক্ষ থেকে এই সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের সাথে এ বিষয়ে নিয়মিত মতবিনিময় ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম করা হবে। বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাস মাদকমুক্ত রাখাসহ অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যাতে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে সেজন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের নিয়ে একটি সমন্বিত উদ্যোগসহ বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। #

০৬ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশাল নগরীর ৩০নং ওয়ার্ডস্থ কাশিপুরের চহঠা এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধর মামলায় আটকের পর জামিন নিয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে ওই এলাকার মৃত আক্তার তালুকদারের ছেলে মোঃ দেলোয়ার তালুকদারের বিরুদ্ধে। এতে বাদী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এদিকে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে ভুক্তভোগী পরিবার।
মামলার আসামীরা হলেন- মৃত আক্তার তালুকদারের ছেলে মোঃ দেলোয়ার তালুকদার (৬০) ও তার দুই ছেলে মোঃ প্রিন্স তালুকদার ও মোঃ শান্ত তালুকদার ও দেলোয়ার তালুকদারের স্ত্রী মোসাঃ শামসুর নাহার।
বাদীর পরিবার ও এজাহারে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মোঃ দেলোয়ার তালুকদারের সঙ্গে প্রতিবেশী আব্দুল হক হাওলাদারের বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকা বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আব্দুল হক হাওলাদারের সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মোঃ দেলোয়ার তালুকদার ও তার দুই ছেলে মোঃ প্রিন্স তালুকদার ও মোঃ শান্ত তালুকদার এবং স্ত্রী মোসাঃ শামসুর নাহার লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্র নিয়ে আব্দুল হক হাওলাদারের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় আব্দুল হক হাওলাদারের স্ত্রী ফুলি বেগমকে সামনে পেয়ে বেধম মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে আব্দুল হক হাওলাদার বাদী হয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়েরের পর রাতেই মোঃ দেলোয়ার তালুকদার ও তার দুই ছেলে মোঃ প্রিন্স তালুকদার, মোঃ শান্ত তালুকদারকে আটক করা হয়। পরে আদালতে পাঠালে তাদের জামিন মঞ্জুর করে বিচারক।
এদিকে জামিনে বের হয়েই আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেন মোঃ দেলোয়ার তালুকদার। মামলা তুলে নিতে বাদীকে খুন জখমের হুমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন মামলার বাদী আব্দুল হক হাওলাদার। এ অবস্থায় মামলার বাদী আব্দুল হক হাওলাদার ও তার পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
মামলার বাদী আব্দুল হক হাওলাদার বলেন, মোঃ দেলোয়ার তালুকদার ও তার ছেলেরা জামিনে বের হয়ে এসে আমাকে এবং পরিবারকে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তুলে নিতেন বলেন। তা না হলে তারা আমাকে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের খুন জখমের হুমকি দেন। এ অবস্থায় আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। আমি এর প্রতিকার চাই।
এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, চহঠা এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধরের মামলায় এজাহারভুক্ত তিনজন আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে বাদিকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই। এখন জামিনে বের হয়ে কোন আসামী বা অন্য কেউ যদি মামলার বাদিকে হত্যার হুমকি দিয়ে থাকে সেটাও তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৪৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৩৫
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২২
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২০