পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের যৌথবাহিনীর অভিযানে ২৫০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক করা হয়েছে। মির্জাগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন রাফিন এম একতিদার ও থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ নজরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সহ বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) ভোর ৪টায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় উপজেলার পূর্ব সুবিদখালীর মোঃ আলতাফ মৃধার বসতঘরের মধ্যে হতে অনুমানিক ৭৫০০০ টাকা মূল্যের ২৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির ২৩৮০ টাকা,মাদক সেবনের জন্য ০৪ টি দিয়াশলাই,০৫ টি সিরিঞ্জ,০১টি কসটেপ,০১ টি কেচি,০৩পিস ফয়েল পেপার টুকরা,০৪ টি প্লাষ্টিকের আঙ্গুলের ক্যাপ, ১০ টাকার নোট দিয়ে তৈরীকৃত মাদক সেবনের পাইপ,০২টি নীল কালারের পলিথিনের জিপার ব্যাগ সহ তিনজন কারবারিকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন পূর্ব সুবিদখালীর জিন্নাত মৃধার পুত্র মাদক কারবারি আলতাফ মৃধা (৪৫) ও শাকিল আহম্মেদ (২৪),উত্তর আমড়াগাছিয়া গ্রামের তরিকুল ইসলামের পুত্র মাদক ব্যবসায়ী মোঃ তানভীর উর ইসলাম (২৫)।
মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। দুপুরে কোর্ট-হাজতে প্রেরণ করা হয়। তিনি আরও জানান, যৌথ বাহিনীর এ অভিযান চলমান থাকবে।

২৮ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৪৩
পটুয়াখালীর দুমকিতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদধারী ও পদবঞ্চিত নেতাদের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের উপজেলা পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষ হয়। এতে পথচারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। এবং ভাঙচুর করা হয়েছে চারটি মোটরসাইকেল।
এর আগে গত বুধবার দুপুরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে জেলার দুমকি উপজেলায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পদবঞ্চিত নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির রাজনীতিতে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপির অনুসারীদের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটনের অনুসারীদের। নতুন কমিটিতে পদ পেয়েছেন আলতাফ হোসেন চৌধুরীর অনুসারীরা।
যুবদল সূত্র জানায়, কমিটি ঘোষণার পর থেকেই শহরে টানটান উত্তেজনা দেখা দেয়। দুই পক্ষই মহড়ার মাধ্যমে নিজ শক্তি দেখানোর প্রস্তুতি নেয়। শুক্রবার বিকেলে পদধারী নেতারা আনন্দ মিছিলের জন্য উপজেলা পরিষদের পশ্চিম গেটে অবস্থান নেন। মিছিল প্রতিহত করতে মাঠে নামেন পদবঞ্চিতরাও। তারা উপজেলা পরিষদের পূর্ব গেটে অবস্থান নেন।
দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে। একপর্যায়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বেধে যায়। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পদবঞ্চিত অংশের নেতাকর্মীদের ধাওয়ায় নবগঠিত কমিটির পদধারী গ্রুপটি পিছু হটে। সর্বশেষ সংবাদ পাওয়া পর্যন্ত পুরো শহরের নিয়ন্ত্রণ নেন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা।
দুমকি উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ও পদবঞ্চিত নেতা মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘যুবদলের ঘোষিত পকেট কমিটি আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। এ কমিটি বাতিলের দাবিতে আমরা আন্দোলন করছি। এ অযোগ্য কমিটি যতদিন পর্যন্ত বাতিল না হয় ততদিন পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।’
উপজেলা যুবদলের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ ইসলাম রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংঘর্ষে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে, কতজন আহত হয়েছেন, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। গুরুতর আহত আব্দুল ওহাব নামে এক কর্মীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্তারিত মন্তব্য পরে করব।’
দুমকী থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন জানান, যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদবঞ্চিত ও পদধারীরা একই জায়গায় কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ কারণে বড় কোনো ঘটনা ঘটতে দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি যুবদলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। পটুয়াখালীতে যুবদলের কমিটির বিরোধে দফায় দফায় সংঘাত, আহত ১২
পটুয়াখালীর দুমকিতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদধারী ও পদবঞ্চিত নেতাদের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের উপজেলা পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষ হয়। এতে পথচারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে চারটি মোটরসাইকেল।
গত বুধবার দুপুরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে জেলার দুমকী উপজেলায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পদবঞ্চিত নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির রাজনীতিতে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপির অনুসারীদের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটনের অনুসারীদের। নতুন কমিটিতে পদ পেয়েছেন আলতাফ হোসেন চৌধুরীর অনুসারীরা।
যুবদল সূত্র জানায়, কমিটি ঘোষণার পর থেকেই শহরে টানটান উত্তেজনা দেখা দেয়। দুই পক্ষই মহড়ার মাধ্যমে নিজ শক্তি দেখানোর প্রস্তুতি নেয়। শুক্রবার বিকেলে পদধারী নেতারা আনন্দ মিছিলের জন্য উপজেলা পরিষদের পশ্চিম গেটে অবস্থান নেন। মিছিল প্রতিহত করতে মাঠে নামেন পদবঞ্চিতরাও। তারা উপজেলা পরিষদের পূর্ব গেটে অবস্থান নেন।
দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে। এক পর্যায়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বেধে যায়। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পদবঞ্চিত অংশের নেতাকর্মীদের ধাওয়ায় নবগঠিত কমিটির পদধারী গ্রুপটি পিছু হটে। সর্বশেষ সংবাদ পাওয়া পর্যন্ত পুরো শহরের নিয়ন্ত্রণ নেন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা।
দুমকী উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ও পদবঞ্চিত নেতা মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার বলেন, ‘যুবদলের ঘোষিত পকেট কমিটি আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। এ কমিটি বাতিলের দাবিতে আমরা আন্দোলন করছি। এ অযোগ্য কমিটি যতদিন পর্যন্ত বাতিল না হয় ততদিন পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।’
উপজেলা যুবদলের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ ইসলাম রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংঘর্ষে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে, কতজন আহত হয়েছেন, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। গুরুতর আহত আব্দুল ওহাব নামে এক কর্মীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্তারিত মন্তব্য পরে করব।’
দুমকি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদবঞ্চিত ও পদধারীরা একই জায়গায় কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ কারণে বড় কোনো ঘটনা ঘটতে দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি যুবদলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।’
পটুয়াখালীর দুমকিতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদধারী ও পদবঞ্চিত নেতাদের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের উপজেলা পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষ হয়। এতে পথচারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। এবং ভাঙচুর করা হয়েছে চারটি মোটরসাইকেল।
এর আগে গত বুধবার দুপুরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে জেলার দুমকি উপজেলায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পদবঞ্চিত নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির রাজনীতিতে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপির অনুসারীদের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটনের অনুসারীদের। নতুন কমিটিতে পদ পেয়েছেন আলতাফ হোসেন চৌধুরীর অনুসারীরা।
যুবদল সূত্র জানায়, কমিটি ঘোষণার পর থেকেই শহরে টানটান উত্তেজনা দেখা দেয়। দুই পক্ষই মহড়ার মাধ্যমে নিজ শক্তি দেখানোর প্রস্তুতি নেয়। শুক্রবার বিকেলে পদধারী নেতারা আনন্দ মিছিলের জন্য উপজেলা পরিষদের পশ্চিম গেটে অবস্থান নেন। মিছিল প্রতিহত করতে মাঠে নামেন পদবঞ্চিতরাও। তারা উপজেলা পরিষদের পূর্ব গেটে অবস্থান নেন।
দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে। একপর্যায়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বেধে যায়। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পদবঞ্চিত অংশের নেতাকর্মীদের ধাওয়ায় নবগঠিত কমিটির পদধারী গ্রুপটি পিছু হটে। সর্বশেষ সংবাদ পাওয়া পর্যন্ত পুরো শহরের নিয়ন্ত্রণ নেন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা।
দুমকি উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ও পদবঞ্চিত নেতা মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘যুবদলের ঘোষিত পকেট কমিটি আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। এ কমিটি বাতিলের দাবিতে আমরা আন্দোলন করছি। এ অযোগ্য কমিটি যতদিন পর্যন্ত বাতিল না হয় ততদিন পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।’
উপজেলা যুবদলের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ ইসলাম রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংঘর্ষে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে, কতজন আহত হয়েছেন, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। গুরুতর আহত আব্দুল ওহাব নামে এক কর্মীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্তারিত মন্তব্য পরে করব।’
দুমকী থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন জানান, যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদবঞ্চিত ও পদধারীরা একই জায়গায় কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ কারণে বড় কোনো ঘটনা ঘটতে দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি যুবদলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। পটুয়াখালীতে যুবদলের কমিটির বিরোধে দফায় দফায় সংঘাত, আহত ১২
পটুয়াখালীর দুমকিতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদধারী ও পদবঞ্চিত নেতাদের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের উপজেলা পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষ হয়। এতে পথচারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে চারটি মোটরসাইকেল।
গত বুধবার দুপুরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে জেলার দুমকী উপজেলায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পদবঞ্চিত নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির রাজনীতিতে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপির অনুসারীদের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটনের অনুসারীদের। নতুন কমিটিতে পদ পেয়েছেন আলতাফ হোসেন চৌধুরীর অনুসারীরা।
যুবদল সূত্র জানায়, কমিটি ঘোষণার পর থেকেই শহরে টানটান উত্তেজনা দেখা দেয়। দুই পক্ষই মহড়ার মাধ্যমে নিজ শক্তি দেখানোর প্রস্তুতি নেয়। শুক্রবার বিকেলে পদধারী নেতারা আনন্দ মিছিলের জন্য উপজেলা পরিষদের পশ্চিম গেটে অবস্থান নেন। মিছিল প্রতিহত করতে মাঠে নামেন পদবঞ্চিতরাও। তারা উপজেলা পরিষদের পূর্ব গেটে অবস্থান নেন।
দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে। এক পর্যায়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বেধে যায়। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পদবঞ্চিত অংশের নেতাকর্মীদের ধাওয়ায় নবগঠিত কমিটির পদধারী গ্রুপটি পিছু হটে। সর্বশেষ সংবাদ পাওয়া পর্যন্ত পুরো শহরের নিয়ন্ত্রণ নেন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা।
দুমকী উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ও পদবঞ্চিত নেতা মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার বলেন, ‘যুবদলের ঘোষিত পকেট কমিটি আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। এ কমিটি বাতিলের দাবিতে আমরা আন্দোলন করছি। এ অযোগ্য কমিটি যতদিন পর্যন্ত বাতিল না হয় ততদিন পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।’
উপজেলা যুবদলের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ ইসলাম রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংঘর্ষে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে, কতজন আহত হয়েছেন, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। গুরুতর আহত আব্দুল ওহাব নামে এক কর্মীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্তারিত মন্তব্য পরে করব।’
দুমকি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদবঞ্চিত ও পদধারীরা একই জায়গায় কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ কারণে বড় কোনো ঘটনা ঘটতে দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি যুবদলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।’

২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৫৬
পটুয়াখালীর দুমকিতে আব্দুল হাই ফাউন্ডেশনের আয়োজনে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে বাকেরগঞ্জ একাদশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দুমকি একাদশ।
গতকাল বিকেলে সরকারি জনতা কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে দুমকি একাদশ। ধারাবাহিক আক্রমণ থেকে তারা তিনটি গোল আদায় করে নেয়। বিপরীতে একাধিক সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেনি বাকেরগঞ্জ একাদশ।
খেলা শেষে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম। খেলার উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান টোটন।
এ সময় পবিপ্রবির প্রো-ভিসি এবিএম সাইফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. জামাল হোসেন, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিলন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী, থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, যুব সমাজকে ক্রীড়ামুখী করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে আব্দুল হাই ফাউন্ডেশনের আয়োজনে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে বাকেরগঞ্জ একাদশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দুমকি একাদশ।
গতকাল বিকেলে সরকারি জনতা কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে দুমকি একাদশ। ধারাবাহিক আক্রমণ থেকে তারা তিনটি গোল আদায় করে নেয়। বিপরীতে একাধিক সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেনি বাকেরগঞ্জ একাদশ।
খেলা শেষে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম। খেলার উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান টোটন।
এ সময় পবিপ্রবির প্রো-ভিসি এবিএম সাইফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. জামাল হোসেন, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিলন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী, থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, যুব সমাজকে ক্রীড়ামুখী করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

২৬ আগস্ট, ২০২৬ ০১:৩৩
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীর এই হামলায় পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তত ১২ সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেটিসংলগ্ন বটতলা বাজার এলাকায় ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধার নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়।
আহতদের মধ্যে রেজাউল প্যাদা (৪০), হীরন প্যাদা (৩৫), ইমাম প্যাদা (৩০), খোকন (২৫) এবং হাসানকে (২০) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের অভিযোগ, ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধার নেতৃত্বে ৭-৮ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান।
শ্রমিকরা জানান, মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে জাহাজের মালামাল বোঝাই ও খালাস কার্যক্রমে সরকার নিবন্ধিত সংগঠন পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন তারা। পরে বিকেল ৩টার দিকে কলাপাড়া থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় সাময়িকভাবে আন্দোলন স্থগিত করা হয়। তবে কয়েকজন শ্রমিক বটতলা বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
শ্রমিকদের অভিযোগ, বিকেল ৫টার দিকে যুবদল নেতা তপন মৃধার নেতৃত্বে ৭-৮ জন সেখানে এসে অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যান।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধা বলেন, ‘ঘটনাস্থলে প্রশাসনের লোকজন ছিলেন। তারা যদি বলেন, আমি মারধরের সঙ্গে জড়িত ছিলাম, তাহলে আমি অপরাধী। মারধরের পর ঘটনা শুনে আমি সেখানে গিয়েছি। কারা কারা মারামারি করেছে, তা আমি জানি না।’
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীর এই হামলায় পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তত ১২ সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেটিসংলগ্ন বটতলা বাজার এলাকায় ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধার নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়।
আহতদের মধ্যে রেজাউল প্যাদা (৪০), হীরন প্যাদা (৩৫), ইমাম প্যাদা (৩০), খোকন (২৫) এবং হাসানকে (২০) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের অভিযোগ, ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধার নেতৃত্বে ৭-৮ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান।
শ্রমিকরা জানান, মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে জাহাজের মালামাল বোঝাই ও খালাস কার্যক্রমে সরকার নিবন্ধিত সংগঠন পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন তারা। পরে বিকেল ৩টার দিকে কলাপাড়া থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় সাময়িকভাবে আন্দোলন স্থগিত করা হয়। তবে কয়েকজন শ্রমিক বটতলা বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
শ্রমিকদের অভিযোগ, বিকেল ৫টার দিকে যুবদল নেতা তপন মৃধার নেতৃত্বে ৭-৮ জন সেখানে এসে অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যান।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধা বলেন, ‘ঘটনাস্থলে প্রশাসনের লোকজন ছিলেন। তারা যদি বলেন, আমি মারধরের সঙ্গে জড়িত ছিলাম, তাহলে আমি অপরাধী। মারধরের পর ঘটনা শুনে আমি সেখানে গিয়েছি। কারা কারা মারামারি করেছে, তা আমি জানি না।’
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

১৭ জুলাই, ২০২৫ ১৩:০৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের যৌথবাহিনীর অভিযানে ২৫০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক করা হয়েছে। মির্জাগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন রাফিন এম একতিদার ও থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ নজরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সহ বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) ভোর ৪টায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় উপজেলার পূর্ব সুবিদখালীর মোঃ আলতাফ মৃধার বসতঘরের মধ্যে হতে অনুমানিক ৭৫০০০ টাকা মূল্যের ২৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির ২৩৮০ টাকা,মাদক সেবনের জন্য ০৪ টি দিয়াশলাই,০৫ টি সিরিঞ্জ,০১টি কসটেপ,০১ টি কেচি,০৩পিস ফয়েল পেপার টুকরা,০৪ টি প্লাষ্টিকের আঙ্গুলের ক্যাপ, ১০ টাকার নোট দিয়ে তৈরীকৃত মাদক সেবনের পাইপ,০২টি নীল কালারের পলিথিনের জিপার ব্যাগ সহ তিনজন কারবারিকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন পূর্ব সুবিদখালীর জিন্নাত মৃধার পুত্র মাদক কারবারি আলতাফ মৃধা (৪৫) ও শাকিল আহম্মেদ (২৪),উত্তর আমড়াগাছিয়া গ্রামের তরিকুল ইসলামের পুত্র মাদক ব্যবসায়ী মোঃ তানভীর উর ইসলাম (২৫)।
মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। দুপুরে কোর্ট-হাজতে প্রেরণ করা হয়। তিনি আরও জানান, যৌথ বাহিনীর এ অভিযান চলমান থাকবে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬