
০৪ অক্টোবর, ২০২৫ ২৩:৫০
ষাটের দশকের ছাত্ররাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্র, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান আর একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের অগ্রসৈনিক, আওয়ামী লীগের এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর গুঞ্জন উঠেছে। তবে তিনি যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, তারা জানিয়েছেন—মৃত্যুর খবরটি গুজব।
বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা নিয়ে ১০ দিন ধরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তোফায়েল আহমেদ। তার অবস্থা ‘ভালো নয়’ বলে শনিবার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ সিদ্দিক। তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর খবর সত্য নয়।’
শনিবার রাতে তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর খবর দেয় কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম। কেউ কেউ আবার পরে প্রত্যাহার করে নেয়। এর আগেও তার মৃত্যুর গুজব ছড়ায়।
এ বিষয়ে হাসপাতালের ‘কাস্টমার কেয়ার’ প্রতিনিধি মোরশেদুল রাত পৌনে ১১টার দিকে বলেন, ‘এ ধরনের খবর গত এক সপ্তাহ থেকেই ছড়াচ্ছে। আমাদের কাছেও অনেকে ফোন করে বিষয়টি জানতে চাইছেন। তিনি আমাদের হাসপাতালে সিসিইউতে ভর্তি আছেন। সেক্ষেত্রে ওনার সর্বশেষ পরিস্থিতি যারা চিকিৎসা দিচ্ছেন, তারাই বলতে পারবেন। তবে খারাপ কিছু হলে অবশ্যই আমাদের জানাবেন, সে সময় সাংবাদিকরাও জানতে পারবেন।
তার ব্যক্তিগত সহকারী আবুল খায়ের বলেন, সাবেক এ মন্ত্রীর অবস্থা ‘অপরিবর্তিত রয়েছে’।
এদিকে, তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে ওনার অবস্থা খারাপের দিকে চলে গিয়েছিল; প্রেশার ও পালস কমে গিয়েছিল। সেটা আবার সেটেল করেছে। ওনার অবস্থা ক্রিটিক্যাল। আগের চেয়েও অবনতি হয়েছে। তবে এখনো তিনি জীবিত আছেন।
পরিবারের এক সদস্য বলেন, কয়েক বছর ধরেই হুইলচেয়ারে চলাফেরা করেন তোফায়েল আহমেদ। স্ট্রোকের কারণে তার শরীরের একাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যায়। বাঁ হাত ও পা অবশ হয়ে পড়ায় তিনি চলাফেরায় অক্ষম হয়ে পড়েন।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা জেলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই রাজনীতিক ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন তখন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তোফায়েল আহমেদ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি ভোলা থেকে একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ আমলে শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। শেখ হাসিনা সরকারের তৃতীয় মেয়াদে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক।
ষাটের দশকের ছাত্ররাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্র, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান আর একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের অগ্রসৈনিক, আওয়ামী লীগের এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর গুঞ্জন উঠেছে। তবে তিনি যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, তারা জানিয়েছেন—মৃত্যুর খবরটি গুজব।
বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা নিয়ে ১০ দিন ধরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তোফায়েল আহমেদ। তার অবস্থা ‘ভালো নয়’ বলে শনিবার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ সিদ্দিক। তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর খবর সত্য নয়।’
শনিবার রাতে তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর খবর দেয় কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম। কেউ কেউ আবার পরে প্রত্যাহার করে নেয়। এর আগেও তার মৃত্যুর গুজব ছড়ায়।
এ বিষয়ে হাসপাতালের ‘কাস্টমার কেয়ার’ প্রতিনিধি মোরশেদুল রাত পৌনে ১১টার দিকে বলেন, ‘এ ধরনের খবর গত এক সপ্তাহ থেকেই ছড়াচ্ছে। আমাদের কাছেও অনেকে ফোন করে বিষয়টি জানতে চাইছেন। তিনি আমাদের হাসপাতালে সিসিইউতে ভর্তি আছেন। সেক্ষেত্রে ওনার সর্বশেষ পরিস্থিতি যারা চিকিৎসা দিচ্ছেন, তারাই বলতে পারবেন। তবে খারাপ কিছু হলে অবশ্যই আমাদের জানাবেন, সে সময় সাংবাদিকরাও জানতে পারবেন।
তার ব্যক্তিগত সহকারী আবুল খায়ের বলেন, সাবেক এ মন্ত্রীর অবস্থা ‘অপরিবর্তিত রয়েছে’।
এদিকে, তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে ওনার অবস্থা খারাপের দিকে চলে গিয়েছিল; প্রেশার ও পালস কমে গিয়েছিল। সেটা আবার সেটেল করেছে। ওনার অবস্থা ক্রিটিক্যাল। আগের চেয়েও অবনতি হয়েছে। তবে এখনো তিনি জীবিত আছেন।
পরিবারের এক সদস্য বলেন, কয়েক বছর ধরেই হুইলচেয়ারে চলাফেরা করেন তোফায়েল আহমেদ। স্ট্রোকের কারণে তার শরীরের একাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যায়। বাঁ হাত ও পা অবশ হয়ে পড়ায় তিনি চলাফেরায় অক্ষম হয়ে পড়েন।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা জেলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই রাজনীতিক ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন তখন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তোফায়েল আহমেদ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি ভোলা থেকে একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ আমলে শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। শেখ হাসিনা সরকারের তৃতীয় মেয়াদে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৫:১২
ভোলার মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া মাদরাসা শিক্ষার্থী মো. হাসিবের দুই দিনেও কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধানে কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি মাছঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
১১ বছর বয়সী হাসিব ওই এলাকার বাসিন্দা। সে স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম মো. হাফিজুল্লাহর একমাত্র ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে গ্রামে আসা আশপাশের ১০-১১ জন শিশুর সঙ্গে মেঘনা নদীতে গোসল করতে যায় হাসিব। এ সময় বন্ধুদের সঙ্গে মেঘনা নদীর মাঝের একটি চরে সাঁতরে যাওয়ার পর তীরে ফেরার পথে তীব্র স্রোতে পড়ে নিখোঁজ হয় হাসিব। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড।
নিখোঁজ শিশুটির বাবা মো. হাফিজুল্লাহ বলেন, ‘আমার ছেলে অন্য শিশুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে গিয়েছিল। সবাই তীরে ফিরলেও হাসিব আর ফিরতে পারেনি। খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। একজন বাবা হিসেবে আমি আমার ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছি। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, অন্তত আমার ছেলের মরদেহটি যেন খুঁজে দেয়।’
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধারে তাদের অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হাসিবের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ভোলা সদরের ইলিশা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, নিখোঁজ শিশুটির সন্ধানে নদীতে যৌথ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় হাসিবের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
ভোলার মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া মাদরাসা শিক্ষার্থী মো. হাসিবের দুই দিনেও কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধানে কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি মাছঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
১১ বছর বয়সী হাসিব ওই এলাকার বাসিন্দা। সে স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম মো. হাফিজুল্লাহর একমাত্র ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে গ্রামে আসা আশপাশের ১০-১১ জন শিশুর সঙ্গে মেঘনা নদীতে গোসল করতে যায় হাসিব। এ সময় বন্ধুদের সঙ্গে মেঘনা নদীর মাঝের একটি চরে সাঁতরে যাওয়ার পর তীরে ফেরার পথে তীব্র স্রোতে পড়ে নিখোঁজ হয় হাসিব। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড।
নিখোঁজ শিশুটির বাবা মো. হাফিজুল্লাহ বলেন, ‘আমার ছেলে অন্য শিশুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে গিয়েছিল। সবাই তীরে ফিরলেও হাসিব আর ফিরতে পারেনি। খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। একজন বাবা হিসেবে আমি আমার ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছি। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, অন্তত আমার ছেলের মরদেহটি যেন খুঁজে দেয়।’
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধারে তাদের অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হাসিবের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ভোলা সদরের ইলিশা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, নিখোঁজ শিশুটির সন্ধানে নদীতে যৌথ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় হাসিবের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

০১ জুন, ২০২৬ ১৬:২৪
সাবেক মন্ত্রী আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন। সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি বাধর্কজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।
বর্ণাঢ্য জীবন
তোফায়েল আহমেদ ৯ বার জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ তিনি ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী ও মা ফাতেমা বেগম। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও একমাত্র সন্তান ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীকে রেখে গেছেন।
অ্যাকাডেমিক জীবনে ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৬২ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৪ সালে বিএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি সম্পন্ন করেন।
রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদের হাতেখড়ি হয় ছাত্রলীগের মাধ্যমে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন ১৯৬৬-৬৭ মেয়াদে ইকবাল হলের (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) নির্বাচিত ভিপি ছিলেন।
১৯৬৮-৬৯-এ গণজাগরণ ও ছাত্র আন্দোলনে তিনি ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের কারণে শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামিকে মুক্তি দেয় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সেই বছরেরই ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ঘোষণা দেন তোফায়েল আহমেদ।
প্রথমবারের মতো ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয় লাভ করেন তিনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন।
দেশ স্বাধীনের পরের বছর ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব লাভ করেন।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নিজের জেলা ভোলা থেকে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন।
১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি শেখ হাসিনা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন।
রাজনৈতিক কারণে ১৯৭৫ সাল থেকে টানা ৩৩ মাস-সহ অসংখ্যবার কারাভোগ করেন এই নেতা।
সাবেক মন্ত্রী আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন। সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি বাধর্কজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।
বর্ণাঢ্য জীবন
তোফায়েল আহমেদ ৯ বার জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ তিনি ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী ও মা ফাতেমা বেগম। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও একমাত্র সন্তান ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীকে রেখে গেছেন।
অ্যাকাডেমিক জীবনে ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৬২ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৪ সালে বিএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি সম্পন্ন করেন।
রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদের হাতেখড়ি হয় ছাত্রলীগের মাধ্যমে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন ১৯৬৬-৬৭ মেয়াদে ইকবাল হলের (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) নির্বাচিত ভিপি ছিলেন।
১৯৬৮-৬৯-এ গণজাগরণ ও ছাত্র আন্দোলনে তিনি ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের কারণে শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামিকে মুক্তি দেয় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সেই বছরেরই ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ঘোষণা দেন তোফায়েল আহমেদ।
প্রথমবারের মতো ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয় লাভ করেন তিনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন।
দেশ স্বাধীনের পরের বছর ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব লাভ করেন।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নিজের জেলা ভোলা থেকে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন।
১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি শেখ হাসিনা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন।
রাজনৈতিক কারণে ১৯৭৫ সাল থেকে টানা ৩৩ মাস-সহ অসংখ্যবার কারাভোগ করেন এই নেতা।

২৭ মে, ২০২৬ ০৮:৫৮
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮