
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪২
পবিত্র রমজানে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ব্যতিক্রমী এক আয়োজন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।
তার সংসদীয় আসন বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) এ ব্যক্তিগত উদ্যোগে খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে ইফতার সামগ্রীসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির কার্যক্রম শুরু করেছেন।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ বাজার পরিচালনা করছেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাতারহাট বন্দরের উত্তর বাজারে (পুরোনো টলঘরে) গিয়ে দেখা যায় প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের উদ্যোগে চালু করা এই অস্থায়ী স্বল্পমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে শাকসবজি, ফলমূলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। এই বাজার থেকে সাধারণ বাজারের তুলনায় অনেকটা কম দামে পণ্য ক্রয় করতে পারছেন ক্রেতারা। ফলে স্বস্তি ফিরে এসেছে এখানকার সাধারণ মানুষের মধ্যে।
জানা গেছে, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে এ কার্যক্রম চালু করেছেন সংসদ সদস্য রাজিব আহসান, যা চলবে ৩০ রমজান পর্যন্ত। অস্থায়ী এই বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ টাকা, রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি, ছোলা ৮০ টাকা, লেবু ৩৫ টাকা হালি, শসা ৪৫ টাকা, আলু ১২ টাকা, গাজর ৩০ টাকা ও কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আর ইফতার সামগ্রীর মধ্যে খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৫০ টাকা কেজি, মাল্টা ৩০০, আপেল ৩০০ টাকা, কমলা ৩০০ টাকা কেজি দরে।
সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। জানা সত্ত্বেও অনেকটা বাধ্য হয়েই চড়া দামে পণ্য কিনছেন তারা। কিন্তু রাজিব আহসানের এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সাধারণ ক্রেতারা।
ক্রেতারা জানান, একদিন আগে পাতারহাট বাজারে প্রতি কেজি শসা ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর বাজার চালুর পর শসার দাম ৪৫ টাকায় নেমে এসেছে। শুধু শসা নয়, এই বাজারের প্রভাবে অনেক পণ্যের দাম কমে এসেছে।
তাই শুধু রমজান নয়, বছরের প্রতিটি দিনই সরকারি উদ্যোগে এমন বাজার চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন সুফলভোগীরা। বাজারটিতে ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে প্রান্তিক মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
বিএনপির স্থানীয় নেতারা জানান, রমজানে বাজার সিন্ডিকেট ঠেকাতেই প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ন্যায্যমূল্যের এই বাজার চালু করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এখানে বেচাকেনা চলবে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন দীপেন বলেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখার পাশাপাশি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভাঙার লক্ষ্যে নিজ উদ্যোগে ন্যায্যমূল্যের এই বাজার চালু করা হয়েছে, যা শেষ রমজান অবধি চলমান থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস বিক্রির এবং ১৫০ টাকা কেজিতে মুরগি মাংস বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছি। হয়ত দু’একদিনর মধ্যেই তা বাস্তবায়ন হবে।
পবিত্র রমজানে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ব্যতিক্রমী এক আয়োজন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।
তার সংসদীয় আসন বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) এ ব্যক্তিগত উদ্যোগে খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে ইফতার সামগ্রীসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির কার্যক্রম শুরু করেছেন।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ বাজার পরিচালনা করছেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাতারহাট বন্দরের উত্তর বাজারে (পুরোনো টলঘরে) গিয়ে দেখা যায় প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের উদ্যোগে চালু করা এই অস্থায়ী স্বল্পমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে শাকসবজি, ফলমূলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। এই বাজার থেকে সাধারণ বাজারের তুলনায় অনেকটা কম দামে পণ্য ক্রয় করতে পারছেন ক্রেতারা। ফলে স্বস্তি ফিরে এসেছে এখানকার সাধারণ মানুষের মধ্যে।
জানা গেছে, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে এ কার্যক্রম চালু করেছেন সংসদ সদস্য রাজিব আহসান, যা চলবে ৩০ রমজান পর্যন্ত। অস্থায়ী এই বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ টাকা, রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি, ছোলা ৮০ টাকা, লেবু ৩৫ টাকা হালি, শসা ৪৫ টাকা, আলু ১২ টাকা, গাজর ৩০ টাকা ও কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আর ইফতার সামগ্রীর মধ্যে খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৫০ টাকা কেজি, মাল্টা ৩০০, আপেল ৩০০ টাকা, কমলা ৩০০ টাকা কেজি দরে।
সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। জানা সত্ত্বেও অনেকটা বাধ্য হয়েই চড়া দামে পণ্য কিনছেন তারা। কিন্তু রাজিব আহসানের এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সাধারণ ক্রেতারা।
ক্রেতারা জানান, একদিন আগে পাতারহাট বাজারে প্রতি কেজি শসা ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর বাজার চালুর পর শসার দাম ৪৫ টাকায় নেমে এসেছে। শুধু শসা নয়, এই বাজারের প্রভাবে অনেক পণ্যের দাম কমে এসেছে।
তাই শুধু রমজান নয়, বছরের প্রতিটি দিনই সরকারি উদ্যোগে এমন বাজার চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন সুফলভোগীরা। বাজারটিতে ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে প্রান্তিক মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
বিএনপির স্থানীয় নেতারা জানান, রমজানে বাজার সিন্ডিকেট ঠেকাতেই প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ন্যায্যমূল্যের এই বাজার চালু করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এখানে বেচাকেনা চলবে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন দীপেন বলেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখার পাশাপাশি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভাঙার লক্ষ্যে নিজ উদ্যোগে ন্যায্যমূল্যের এই বাজার চালু করা হয়েছে, যা শেষ রমজান অবধি চলমান থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস বিক্রির এবং ১৫০ টাকা কেজিতে মুরগি মাংস বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছি। হয়ত দু’একদিনর মধ্যেই তা বাস্তবায়ন হবে।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৬
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১