Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ জুন, ২০২৬ ১৬:১৮
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী কারাগারে থাকার সময় নিয়মিত গানের আসর বসতো, আর সেই আসরের প্রধান শিল্পী ছিলেন সংগীতশিল্পী ও সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর নিজ বাসভবনে জেলজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরতে গিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছেন আইভী।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে স্কুলজীবনের কয়েকজন পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে আলাপকালে আইভী জানান, কারাগারে প্রায়ই সাংস্কৃতিক পরিবেশে সময় কাটতো। সেখানে মমতাজ বেগম বিভিন্ন গান পরিবেশন করতেন এবং বন্দিদের মন ভালো রাখার চেষ্টা করতেন।
তবে একটি নির্দিষ্ট গান গাইতে মমতাজকে বারণ করেছিলেন আইভী। ‘আমার ভাইয়েরে কইও নাইওর আনতো গিয়া’ গানটি শুনলেই তার মনে পড়ে যেত সদ্যপ্রয়াত ছোট ভাই আহমদ আলী রেজা রিপনের কথা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান রিপন। এরপর এক মাসের ব্যবধানে গ্রেফতার হন আইভী।
আইভী জানান, ভাইয়ের মৃত্যুর স্মৃতি এতটাই তীব্র ছিল যে ওই গান শুনলেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তেন। তাই তিনি মমতাজকে বলেছিলেন, কারামুক্তির দিন চাইলে গানটি গাইতে পারবেন। কাকতালীয়ভাবে তার মুক্তির দিন বিকেলেই কারাগারের গানের আসরে মমতাজ সেই গানটি পরিবেশন করেন। তখনও আইভী জানতেন না, কয়েক ঘণ্টা পরই তিনি মুক্তি পেতে যাচ্ছেন।
জেলজীবনে তিনি একটি কবিতাও লিখেছেন বলে জানা গেছে। সেই কবিতায় সুর দিয়েছেন মমতাজ বেগম। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, উপযুক্ত সময়ে গানটি জনসমক্ষে পরিবেশন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কবিতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইভী হেসে বলেন, ‘আমি আবার কী কবিতা লিখি! খুব সাধারণ কিছু লেখা। মমতাজ আপা গুণী শিল্পী বলেই সেটাকে গান বানানোর চেষ্টা করেছেন।’
এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আইভীর বাসভবনে দেখা করতে যান সাবেক নারী কাউন্সিলর মিনুয়ারা বেগমসহ কয়েকজন নেতাকর্মী। তাদের সঙ্গে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ছোট ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আইভী। একসময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী কারাগারে থাকার সময় নিয়মিত গানের আসর বসতো, আর সেই আসরের প্রধান শিল্পী ছিলেন সংগীতশিল্পী ও সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর নিজ বাসভবনে জেলজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরতে গিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছেন আইভী।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে স্কুলজীবনের কয়েকজন পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে আলাপকালে আইভী জানান, কারাগারে প্রায়ই সাংস্কৃতিক পরিবেশে সময় কাটতো। সেখানে মমতাজ বেগম বিভিন্ন গান পরিবেশন করতেন এবং বন্দিদের মন ভালো রাখার চেষ্টা করতেন।
তবে একটি নির্দিষ্ট গান গাইতে মমতাজকে বারণ করেছিলেন আইভী। ‘আমার ভাইয়েরে কইও নাইওর আনতো গিয়া’ গানটি শুনলেই তার মনে পড়ে যেত সদ্যপ্রয়াত ছোট ভাই আহমদ আলী রেজা রিপনের কথা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান রিপন। এরপর এক মাসের ব্যবধানে গ্রেফতার হন আইভী।
আইভী জানান, ভাইয়ের মৃত্যুর স্মৃতি এতটাই তীব্র ছিল যে ওই গান শুনলেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তেন। তাই তিনি মমতাজকে বলেছিলেন, কারামুক্তির দিন চাইলে গানটি গাইতে পারবেন। কাকতালীয়ভাবে তার মুক্তির দিন বিকেলেই কারাগারের গানের আসরে মমতাজ সেই গানটি পরিবেশন করেন। তখনও আইভী জানতেন না, কয়েক ঘণ্টা পরই তিনি মুক্তি পেতে যাচ্ছেন।
জেলজীবনে তিনি একটি কবিতাও লিখেছেন বলে জানা গেছে। সেই কবিতায় সুর দিয়েছেন মমতাজ বেগম। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, উপযুক্ত সময়ে গানটি জনসমক্ষে পরিবেশন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কবিতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইভী হেসে বলেন, ‘আমি আবার কী কবিতা লিখি! খুব সাধারণ কিছু লেখা। মমতাজ আপা গুণী শিল্পী বলেই সেটাকে গান বানানোর চেষ্টা করেছেন।’
এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আইভীর বাসভবনে দেখা করতে যান সাবেক নারী কাউন্সিলর মিনুয়ারা বেগমসহ কয়েকজন নেতাকর্মী। তাদের সঙ্গে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ছোট ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আইভী। একসময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
বরিশাল টাইমস

০৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৩১

০৩ জুন, ২০২৬ ১৩:৩৯

২৬ মে, ২০২৬ ১৬:২৩
সাভারে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ইজারা ছাড়াই গরুর হাট বসিয়েছেন।
এতে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে হাসিলের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। তবে, ইজারা ছাড়া হাট বসানোর দুইদিন পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে সাদুল্ল্যাপুর বাজারে বাসানো হয়েছে ওই অবৈধ পশুর হাটটি। সাভার থেকে গরু কিনতে এসেছেন হামিদুল ইসলাম। তিনি জানান, সাভারের বিরুলিয়ার সাদুল্ল্যাপুর বাজারের হাটে অনেক গরু ও ছাগল ওঠেছে। সেখানে তুলনামূলক দাম ঠিক আছে।
এ সময় ক্রেতাদের থেকে হাসিল কত করে নেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, হাটের সামনেই হাসিল ঘর বসিয়েছে। সেখানে শতকরা ৪ শতাংশ করে হাসিল নিচ্ছে হাট কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে শরীফ নামে আরও এক ক্রেতা জানান, এ বছর এই হাটের কোনো ইজারা হয়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন মিলে হাট বসিয়েছে।
পশু কিনে বের হওয়ার সময় হাটের সামনেই গেটে হাসিল ঘরে বসিয়ে জাহাঙ্গীর হাসিলের টাকা নিচ্ছেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারা প্রভাবশালী তাই ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেউ হাটে কিছু বলতে পারে না বলে জানান তিনি।
হাটের বিষয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই হাটের কোনো ইজারা আমরা নেইনি। তবে, আমরা র্দীঘ ১৭ বছর পালিয়ে ছিলাম।
অনেক মামলার শিকার হয়েছি। এখন আমাদের দল ক্ষমতায়। তারপরেও যদি আমরা হাট না করতে পারি, তাহলে আর কি হল। উপজেলায় পরে আমরা হাটের বিষয়টি জানিয়ে দিব বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা অবহিত হয়েছি। ওইখানে কোনো হাটের ইজারা দেওয়া হয়নি। তবে, ওই হাট থেকে খাস কালেকশন করা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আগামী কয়েক দশকের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বিশ্বের ১৭টি অঞ্চল পৃথিবীর মানচিত্র থেকে চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩২ থেকে ৮৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বিষয়টি অনেক নিচু দ্বীপরাষ্ট্র ও উপকূলীয় শহরের জন্য অস্তিত্বের সংকট তৈরি করবে। এ তালিকায় আছে বাংলাদেশও।
দ্য জেরুজালেম পোস্ট গবেষণাটির সারসংক্ষেপ প্রকাশ করেছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সংকটাপন্ন অঞ্চলগুলোর ব্যাপারে প্রতিবেদনটিতে কী বলা হয়েছে :
নিচু দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর অস্তিত্ব সংকট
মালদ্বীপ : বিশ্বের সর্বনিম্ন উচ্চতার এই দেশটিতে সমুদ্রের উচ্চতা বাড়লে ২০৫০ সালের মধ্যে এর ১,১০০টি দ্বীপের প্রায় ৮০ শতাংশ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠতে পারে।
টুভালু ও কিরিবাতি : টুভালুর প্রায় ৯৫ শতাংশ এলাকা ২১০০ সালের মধ্যে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কিরিবাতিতে সমুদ্রের উচ্চতা বিশ্বব্যাপী গড়ের চেয়ে চারগুণ দ্রুত বাড়ছে।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও সলোমন দ্বীপপুঞ্জ : এই অঞ্চলের অনেক দ্বীপ ইতিমধ্যে সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে।
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার ঝুঁকি
এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ বাংলাদেশ তার মোট ভূখণ্ডের প্রায় ১৭ শতাংশ হারাতে পারে। এর ফলে প্রায় ২০ মিলিয়ন (২ কোটি) মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ছাড়া লবণাক্ত পানি প্রবেশ এবং ঘন ঘন ঝড়ের কারণে কৃষি কাজ ব্যাহত হচ্ছে, যা মানুষকে অভিবাসনে বাধ্য করছে।
হুমকির মুখে ঐতিহাসিক শহর ও উন্নত দেশ
ভেনিস (ইতালি) : পর্যটকদের প্রিয় এই শহরটি প্রতি বছর ১-২ মিলিমিটার করে তলিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে শহরটি ১৮টি ভয়াবহ বন্যার সম্মুখীন হয়েছে।
মিয়ামি (যুক্তরাষ্ট্র) : নিচু এলাকা এবং ছিদ্রযুক্ত চুনাপাথরের ওপর শহরটি গঠিত হওয়ায় নিচ থেকে পানি উঠে আসার মাধ্যমে এটি দীর্ঘমেয়াদী বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
নেদারল্যান্ডস : উন্নত দেশ হওয়া সত্ত্বেও এর চারভাগের একভাগ এলাকা সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে এবং ৬০ শতাংশ মানুষ বন্যার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বাস করে।
এ ছাড়া তালিকায় রয়েছে নাউরু, টরেস প্রণালী দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, ভানুয়াতু, সেশেলস, সামোয়া, ফিজি, বাহামাস-সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
পর্যটন ও পরিবেশগত সতর্কতা
প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলগুলো হারিয়ে গেলে গোটা পৃথিবীর জীববৈচিত্রে পরিবর্তন ঘটবে। পরিবেশের ক্ষতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে। সমুদ্রপৃষ্ঠের এই পরিবর্তন কেবল ভূরাজনীতিই বদলে দেবে না, বরং লাখ লাখ মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপন্ন করে তুলবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আগামী কয়েক দশকের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বিশ্বের ১৭টি অঞ্চল পৃথিবীর মানচিত্র থেকে চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩২ থেকে ৮৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বিষয়টি অনেক নিচু দ্বীপরাষ্ট্র ও উপকূলীয় শহরের জন্য অস্তিত্বের সংকট তৈরি করবে। এ তালিকায় আছে বাংলাদেশও।
দ্য জেরুজালেম পোস্ট গবেষণাটির সারসংক্ষেপ প্রকাশ করেছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সংকটাপন্ন অঞ্চলগুলোর ব্যাপারে প্রতিবেদনটিতে কী বলা হয়েছে :
নিচু দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর অস্তিত্ব সংকট
মালদ্বীপ : বিশ্বের সর্বনিম্ন উচ্চতার এই দেশটিতে সমুদ্রের উচ্চতা বাড়লে ২০৫০ সালের মধ্যে এর ১,১০০টি দ্বীপের প্রায় ৮০ শতাংশ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠতে পারে।
টুভালু ও কিরিবাতি : টুভালুর প্রায় ৯৫ শতাংশ এলাকা ২১০০ সালের মধ্যে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কিরিবাতিতে সমুদ্রের উচ্চতা বিশ্বব্যাপী গড়ের চেয়ে চারগুণ দ্রুত বাড়ছে।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও সলোমন দ্বীপপুঞ্জ : এই অঞ্চলের অনেক দ্বীপ ইতিমধ্যে সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে।
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার ঝুঁকি
এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ বাংলাদেশ তার মোট ভূখণ্ডের প্রায় ১৭ শতাংশ হারাতে পারে। এর ফলে প্রায় ২০ মিলিয়ন (২ কোটি) মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ছাড়া লবণাক্ত পানি প্রবেশ এবং ঘন ঘন ঝড়ের কারণে কৃষি কাজ ব্যাহত হচ্ছে, যা মানুষকে অভিবাসনে বাধ্য করছে।
হুমকির মুখে ঐতিহাসিক শহর ও উন্নত দেশ
ভেনিস (ইতালি) : পর্যটকদের প্রিয় এই শহরটি প্রতি বছর ১-২ মিলিমিটার করে তলিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে শহরটি ১৮টি ভয়াবহ বন্যার সম্মুখীন হয়েছে।
মিয়ামি (যুক্তরাষ্ট্র) : নিচু এলাকা এবং ছিদ্রযুক্ত চুনাপাথরের ওপর শহরটি গঠিত হওয়ায় নিচ থেকে পানি উঠে আসার মাধ্যমে এটি দীর্ঘমেয়াদী বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
নেদারল্যান্ডস : উন্নত দেশ হওয়া সত্ত্বেও এর চারভাগের একভাগ এলাকা সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে এবং ৬০ শতাংশ মানুষ বন্যার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বাস করে।
এ ছাড়া তালিকায় রয়েছে নাউরু, টরেস প্রণালী দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, ভানুয়াতু, সেশেলস, সামোয়া, ফিজি, বাহামাস-সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
পর্যটন ও পরিবেশগত সতর্কতা
প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলগুলো হারিয়ে গেলে গোটা পৃথিবীর জীববৈচিত্রে পরিবর্তন ঘটবে। পরিবেশের ক্ষতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে। সমুদ্রপৃষ্ঠের এই পরিবর্তন কেবল ভূরাজনীতিই বদলে দেবে না, বরং লাখ লাখ মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপন্ন করে তুলবে।
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ অভিযোগ করে বলেছেন, 'খাল খনন প্রকল্পে ব্যাপক লুটপাট চলছে। এলাকার প্রয়োজনীয় খালগুলো খনন না করে লুটপাটের স্বার্থে সরকারি অন্য দপ্তরের পূর্বে খনন করা খালেই আবার নতুন করে খাল খনন প্রকল্পের কাজ চলছে। অথচ যে খালগুলোর প্রকৃত খনন প্রয়োজন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যেগুলো খননের জন্য অর্থবরাদ্দ করা হয়েছিল সেগুলো বাতিল করা হচ্ছে। খাল খনন কর্মসূচির নামে সারাদেশে লুটপাটের স্বর্গরাজ্য কায়েম করেছে সরকারি দল। গতকাল বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ আড্ডা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ এসময় আরো বলেন, 'আমাদের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন এক কিলোমিটার খাল খননে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হওয়ার কথা নয়। কিন্তু অনেক প্রকল্পে এক কিলোমিটার খাল খননের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। নেতাকর্মীদের লুটপাটের জন্যই খান খননে এমন অস্বাভাবিক অর্থ বরাদ্দ করা হচ্ছে।' সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সমালোচনা করে ফুয়াদ বলেন, 'সরকার বিভিন্ন ধরনের কার্ড দিচ্ছে। সেই কার্ড বিতরণের খবর প্রচারের জন্য আবার ৪১২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে সারাদেশে ৪৪ হাজার বিলবোর্ড স্থাপন করা হবে। সরকার মানুষের জন্য ৫ টাকা ব্যয় করে, আবার সেই ৫ টাকার খবর প্রচারের জন্য ৫ হাজার টাকা খরচ করে। এগুলোই হলো লুটপাট প্রকল্প। এই বিলবোর্ড নির্মাণের কাজও সরকারি দলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাই পাবে। এই ৪১২ কোটি টাকা থেকে সরকারি দলের অনেক লোক কোটিপতি হয়ে যাবে।'
মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ফুয়াদ বলেন, 'দেশে মাদকের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রায় প্রতিটি মহল্লায় মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পরে গাঁজার গন্ধে অনেক রাস্তা দিয়ে হাঁটা যায় না। সরকারি দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহযোগিতা ছাড়া মাদক ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। একইভাবে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু লোক মাদক ব্যবসায় সহযোগিতা করে। তাই নিজে এবং সন্তানকে বাঁচানোর স্বার্থেই স্থানীয় এলাকাবাসীকে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। সোচ্চার হয়ে প্রতিবাদ করতে হবে।'
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক আব্দুল আজিজ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখার সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি এম রাব্বী, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক কর্নেল (অব.) আব্দুল খালেক, সদস্য সোহরাব হোসেন, মাধবপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, এবি পার্টির ইউনিয়ন সদস্য সচিব জামাল আকন, কামরুল ইসলাম প্রমুখ। সভা শেষে বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ড কমিটি ঘোষণা করা হয়। এছাড়াও স্থানীয় এক দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় পাঠ্যবই উপহার দেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী বলেন, 'জনগণ যতদিন তাদের নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন না হবে ততদিন তাদের উপরে শোষণ-জুলুম চলতেই থাকবে। রাজনীতির নামে কিছু নীতিহীন অসৎ নেতারা জনগণকে জিম্মি করে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিচ্ছে। একদল দীর্ঘদিন মানুষের অধিকার হরণ করে আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে অবশেষে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। আরেক দল ক্ষমতায় এসে একই পথে হাঁটা শুরু করেছে। জনগণ সোচ্চার না হলে এই সিস্টেমের পরিবর্তন অসম্ভব। #
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ অভিযোগ করে বলেছেন, 'খাল খনন প্রকল্পে ব্যাপক লুটপাট চলছে। এলাকার প্রয়োজনীয় খালগুলো খনন না করে লুটপাটের স্বার্থে সরকারি অন্য দপ্তরের পূর্বে খনন করা খালেই আবার নতুন করে খাল খনন প্রকল্পের কাজ চলছে। অথচ যে খালগুলোর প্রকৃত খনন প্রয়োজন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যেগুলো খননের জন্য অর্থবরাদ্দ করা হয়েছিল সেগুলো বাতিল করা হচ্ছে। খাল খনন কর্মসূচির নামে সারাদেশে লুটপাটের স্বর্গরাজ্য কায়েম করেছে সরকারি দল। গতকাল বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ আড্ডা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ এসময় আরো বলেন, 'আমাদের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন এক কিলোমিটার খাল খননে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হওয়ার কথা নয়। কিন্তু অনেক প্রকল্পে এক কিলোমিটার খাল খননের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। নেতাকর্মীদের লুটপাটের জন্যই খান খননে এমন অস্বাভাবিক অর্থ বরাদ্দ করা হচ্ছে।' সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সমালোচনা করে ফুয়াদ বলেন, 'সরকার বিভিন্ন ধরনের কার্ড দিচ্ছে। সেই কার্ড বিতরণের খবর প্রচারের জন্য আবার ৪১২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে সারাদেশে ৪৪ হাজার বিলবোর্ড স্থাপন করা হবে। সরকার মানুষের জন্য ৫ টাকা ব্যয় করে, আবার সেই ৫ টাকার খবর প্রচারের জন্য ৫ হাজার টাকা খরচ করে। এগুলোই হলো লুটপাট প্রকল্প। এই বিলবোর্ড নির্মাণের কাজও সরকারি দলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাই পাবে। এই ৪১২ কোটি টাকা থেকে সরকারি দলের অনেক লোক কোটিপতি হয়ে যাবে।'
মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ফুয়াদ বলেন, 'দেশে মাদকের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রায় প্রতিটি মহল্লায় মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পরে গাঁজার গন্ধে অনেক রাস্তা দিয়ে হাঁটা যায় না। সরকারি দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহযোগিতা ছাড়া মাদক ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। একইভাবে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু লোক মাদক ব্যবসায় সহযোগিতা করে। তাই নিজে এবং সন্তানকে বাঁচানোর স্বার্থেই স্থানীয় এলাকাবাসীকে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। সোচ্চার হয়ে প্রতিবাদ করতে হবে।'
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক আব্দুল আজিজ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখার সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি এম রাব্বী, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক কর্নেল (অব.) আব্দুল খালেক, সদস্য সোহরাব হোসেন, মাধবপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, এবি পার্টির ইউনিয়ন সদস্য সচিব জামাল আকন, কামরুল ইসলাম প্রমুখ। সভা শেষে বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ড কমিটি ঘোষণা করা হয়। এছাড়াও স্থানীয় এক দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় পাঠ্যবই উপহার দেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী বলেন, 'জনগণ যতদিন তাদের নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন না হবে ততদিন তাদের উপরে শোষণ-জুলুম চলতেই থাকবে। রাজনীতির নামে কিছু নীতিহীন অসৎ নেতারা জনগণকে জিম্মি করে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিচ্ছে। একদল দীর্ঘদিন মানুষের অধিকার হরণ করে আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে অবশেষে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। আরেক দল ক্ষমতায় এসে একই পথে হাঁটা শুরু করেছে। জনগণ সোচ্চার না হলে এই সিস্টেমের পরিবর্তন অসম্ভব। #
সাভারে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ইজারা ছাড়াই গরুর হাট বসিয়েছেন।
এতে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে হাসিলের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। তবে, ইজারা ছাড়া হাট বসানোর দুইদিন পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে সাদুল্ল্যাপুর বাজারে বাসানো হয়েছে ওই অবৈধ পশুর হাটটি। সাভার থেকে গরু কিনতে এসেছেন হামিদুল ইসলাম। তিনি জানান, সাভারের বিরুলিয়ার সাদুল্ল্যাপুর বাজারের হাটে অনেক গরু ও ছাগল ওঠেছে। সেখানে তুলনামূলক দাম ঠিক আছে।
এ সময় ক্রেতাদের থেকে হাসিল কত করে নেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, হাটের সামনেই হাসিল ঘর বসিয়েছে। সেখানে শতকরা ৪ শতাংশ করে হাসিল নিচ্ছে হাট কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে শরীফ নামে আরও এক ক্রেতা জানান, এ বছর এই হাটের কোনো ইজারা হয়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন মিলে হাট বসিয়েছে।
পশু কিনে বের হওয়ার সময় হাটের সামনেই গেটে হাসিল ঘরে বসিয়ে জাহাঙ্গীর হাসিলের টাকা নিচ্ছেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারা প্রভাবশালী তাই ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেউ হাটে কিছু বলতে পারে না বলে জানান তিনি।
হাটের বিষয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই হাটের কোনো ইজারা আমরা নেইনি। তবে, আমরা র্দীঘ ১৭ বছর পালিয়ে ছিলাম।
অনেক মামলার শিকার হয়েছি। এখন আমাদের দল ক্ষমতায়। তারপরেও যদি আমরা হাট না করতে পারি, তাহলে আর কি হল। উপজেলায় পরে আমরা হাটের বিষয়টি জানিয়ে দিব বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা অবহিত হয়েছি। ওইখানে কোনো হাটের ইজারা দেওয়া হয়নি। তবে, ওই হাট থেকে খাস কালেকশন করা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।