
২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৪
বরগুনার তালতলী উপজেলায় তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে যান চলাচল। পেট্রোল ও অকটেনের অভাবে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে আয়ের চাকা থেমে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন চালক ও শ্রমজীবী মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার থেকে সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। চালকরা তেলের আশায় এক বাজার থেকে আরেক বাজারে ছুটেও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাচ্ছেন না।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. আরিফ বলেন, কয়েকদিন ধরে পেট্রোল পাচ্ছি না। গাড়ি নিয়ে বের হলেও তেল না পেয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে। কোনো আয় নেই। অসুস্থ বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের না খেয়ে থাকার অবস্থা হবে।
স্থানীয় জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী হারুন ফরাজি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। গত পাঁচদিন ধরে তেল প্রায় নেই বললেই চলে। দোকান খুলে বসে থাকলেও বিক্রি করার মতো তেল নেই। এতে আমরাও বেকার হয়ে বসে আছি এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।
তালতলী সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আঃ হালিম সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে গেলে সামাজিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। বেকারত্ব বৃদ্ধি পেলে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের ঝুঁকি তৈরি হয়। একইসঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এবং জরুরি সেবাও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। তাই দ্রুত জ্বালানি সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তালতলী থানার ওসি আসাদুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোথাও যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। এতে শুধু যান চলাচল নয়, বরং পুরো এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: বরিশাল টাইমস
বরগুনার তালতলী উপজেলায় তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে যান চলাচল। পেট্রোল ও অকটেনের অভাবে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে আয়ের চাকা থেমে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন চালক ও শ্রমজীবী মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার থেকে সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। চালকরা তেলের আশায় এক বাজার থেকে আরেক বাজারে ছুটেও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাচ্ছেন না।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. আরিফ বলেন, কয়েকদিন ধরে পেট্রোল পাচ্ছি না। গাড়ি নিয়ে বের হলেও তেল না পেয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে। কোনো আয় নেই। অসুস্থ বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের না খেয়ে থাকার অবস্থা হবে।
স্থানীয় জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী হারুন ফরাজি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। গত পাঁচদিন ধরে তেল প্রায় নেই বললেই চলে। দোকান খুলে বসে থাকলেও বিক্রি করার মতো তেল নেই। এতে আমরাও বেকার হয়ে বসে আছি এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।
তালতলী সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আঃ হালিম সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে গেলে সামাজিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। বেকারত্ব বৃদ্ধি পেলে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের ঝুঁকি তৈরি হয়। একইসঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এবং জরুরি সেবাও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। তাই দ্রুত জ্বালানি সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তালতলী থানার ওসি আসাদুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোথাও যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। এতে শুধু যান চলাচল নয়, বরং পুরো এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৪৭
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেড় বছর পর বরগুনা শহরে প্রকাশ্যে মিছিল করেছে জেলা ছাত্রলীগ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে শহরের জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিল নিয়ে শহরের কয়েকটি সড়ক ঘুরে রাসেল স্কয়ার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এই মিছিলকে কেন্দ্র করে শহরে রাজনৈতিক কর্মসূচির উপস্থিতি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
স্থানীয়রা বলছেন, গত ১৯ মাসে প্রকাশ্যে এ ধরনের মিছিল দেখা যায়নি। মিছিলে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ফাহাদ হাসান তানিম এবং বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম ফাহাদকে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের আরও কয়েকজন নেতাকর্মী অংশ নেন।
মিছিল শেষে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় ফাহাদ হাসান তানিম বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।
দেশের স্বার্থে তাকে আবার নেতৃত্বে দেখতে চায় ছাত্রলীগ।’
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেড় বছর পর বরগুনা শহরে প্রকাশ্যে মিছিল করেছে জেলা ছাত্রলীগ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে শহরের জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিল নিয়ে শহরের কয়েকটি সড়ক ঘুরে রাসেল স্কয়ার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এই মিছিলকে কেন্দ্র করে শহরে রাজনৈতিক কর্মসূচির উপস্থিতি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
স্থানীয়রা বলছেন, গত ১৯ মাসে প্রকাশ্যে এ ধরনের মিছিল দেখা যায়নি। মিছিলে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ফাহাদ হাসান তানিম এবং বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম ফাহাদকে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের আরও কয়েকজন নেতাকর্মী অংশ নেন।
মিছিল শেষে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় ফাহাদ হাসান তানিম বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।
দেশের স্বার্থে তাকে আবার নেতৃত্বে দেখতে চায় ছাত্রলীগ।’

২৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪২
বরগুনার বেতাগী উপজেলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আয়োজনে প্যান্ডেল সাজিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। উপজেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপজেলা ও জেলার প্রায় ৫ শতাধিক ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতাকর্মী অংশ নেয়। রোববার (২২ মার্চ) অপরাহ্নে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সবুজ কানন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ঈদ পুনর্মিলনীর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজা। স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীদের দাবি, প্রশাসনের গোপন সহায়তায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এমন কর্মসূচি পালন করেছে।
বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সিফাত সিকদার তার ফেসবুকে ওই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের ৪ মিনিটের একটি ভিডিও আপলোড করেন। এতে তিনি লিখেছেন ‘ছাত্রলীগ ঐক্যবদ্ধ, ছাত্রলীগ অপ্রতিরোধ্য।’
এই ভিডিওতে দেখা যায়, প্যান্ডেল করে চেয়ার-টেবিল সাজিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মুঠোফোনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ঈদ শুভেচ্ছা জানান বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌশিকুর রহমান ইমরান, বেতাগী উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাকসুদুর রহমান ফোরকান এবং বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম গোলাম কবির।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, রোববার ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিন বেতাগী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সবুজ কানন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে প্যান্ডেল সাজিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল আমিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক সিফাত শিকদার। এই অনুষ্ঠানে বেতাগী পৌরসভাসহ উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৫ শতাধিক ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহন করেন। দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি চলে। এ সময় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের জেলা শাখার বিভিন্ন নেতাকর্মীকে উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সিফাত সিকদার বলেন, ‘দীর্ঘদিন নেতাকর্মীদের নিয়ে একসাথে বসা হয়নি। তাই তাদের উজ্জীবিত করতে উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে এই ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও আয়োজনটি সফল করায় সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এই আয়োজনকে ঘিরে ক্ষোভে ফুঁসছেন জেলা বিএনপির শীর্ষনেতারা। এনিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব হুমায়ূন হাসান শাহীন সাংবাদিকদের বলেন, বেতাগীর ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কিভাবে প্রকাশ্যে এসে এমন একটি আয়োজন করেছেন এটা আমাদের বোধগম্য নয়। ছাত্রলীগের এমন অনুষ্ঠানে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা রয়েছে বলে আমরা মনে করি। এছাড়া আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতা থাকতে পারে বলে মনে হচ্ছে। বিষয়টি আমরা জোরালোভাবে দেখবো।
তবে ছাত্রলীগের প্রকাশ্য এই মহড়াকে অস্বীকার করেছেন বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগে যে অনুষ্ঠানের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে, তা অনেক পুরানো।’
বরগুনার বেতাগী উপজেলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আয়োজনে প্যান্ডেল সাজিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। উপজেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপজেলা ও জেলার প্রায় ৫ শতাধিক ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতাকর্মী অংশ নেয়। রোববার (২২ মার্চ) অপরাহ্নে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সবুজ কানন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ঈদ পুনর্মিলনীর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজা। স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীদের দাবি, প্রশাসনের গোপন সহায়তায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এমন কর্মসূচি পালন করেছে।
বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সিফাত সিকদার তার ফেসবুকে ওই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের ৪ মিনিটের একটি ভিডিও আপলোড করেন। এতে তিনি লিখেছেন ‘ছাত্রলীগ ঐক্যবদ্ধ, ছাত্রলীগ অপ্রতিরোধ্য।’
এই ভিডিওতে দেখা যায়, প্যান্ডেল করে চেয়ার-টেবিল সাজিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মুঠোফোনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ঈদ শুভেচ্ছা জানান বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌশিকুর রহমান ইমরান, বেতাগী উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাকসুদুর রহমান ফোরকান এবং বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম গোলাম কবির।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, রোববার ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিন বেতাগী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সবুজ কানন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে প্যান্ডেল সাজিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল আমিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক সিফাত শিকদার। এই অনুষ্ঠানে বেতাগী পৌরসভাসহ উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৫ শতাধিক ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহন করেন। দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি চলে। এ সময় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের জেলা শাখার বিভিন্ন নেতাকর্মীকে উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সিফাত সিকদার বলেন, ‘দীর্ঘদিন নেতাকর্মীদের নিয়ে একসাথে বসা হয়নি। তাই তাদের উজ্জীবিত করতে উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে এই ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও আয়োজনটি সফল করায় সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এই আয়োজনকে ঘিরে ক্ষোভে ফুঁসছেন জেলা বিএনপির শীর্ষনেতারা। এনিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব হুমায়ূন হাসান শাহীন সাংবাদিকদের বলেন, বেতাগীর ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কিভাবে প্রকাশ্যে এসে এমন একটি আয়োজন করেছেন এটা আমাদের বোধগম্য নয়। ছাত্রলীগের এমন অনুষ্ঠানে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা রয়েছে বলে আমরা মনে করি। এছাড়া আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতা থাকতে পারে বলে মনে হচ্ছে। বিষয়টি আমরা জোরালোভাবে দেখবো।
তবে ছাত্রলীগের প্রকাশ্য এই মহড়াকে অস্বীকার করেছেন বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগে যে অনুষ্ঠানের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে, তা অনেক পুরানো।’

১৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৭
বরগুনার আমতলী উপজেলায় এক বৃদ্ধকে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মানসিক ভারসাম্যহীন মোতালেব আকন (৭০) বাড়ি থেকে বের হয়ে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) উপজেলার চাউলাপাড়া এলাকায় পিটুনির শিকার হন।
মোতালেব আকন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের মিশ্রীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) কাউকে কিছু না জানিয়ে মোতালেব আকন নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে চাকামইয়া এবং পরে তালতলী আত্মীয় বাড়িতে যান। এরপর থেকে তার স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একদিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা মোতালেব আকনের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারেন।
পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ, মোতালেব আকনকে আমতলী উপজেলার ৪ নম্বর সারিকখালী ইউনিয়নের চাউলাপাড়া এলাকায় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ১০টার দিকে স্থানীয়রা চোর সন্দেহে আটক করে। পরে নীরব (২৭), জহির হাং (২৮), আল-আমিনসহ (৩০) কয়েকজন তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে বরিশাল এবং সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোর ৬টার দিকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ভারসাম্যহীন বৃদ্ধকে পিটিয়ে মারার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। এভাবে নিরাপদ মানুষকে পিটিয়ে হত্যায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান বলেন, নিহতের বড় ছেলে মোয়াজ্জেম আকন বাদী হয়ে তালতলী থানায় মামলা করেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরগুনার আমতলী উপজেলায় এক বৃদ্ধকে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মানসিক ভারসাম্যহীন মোতালেব আকন (৭০) বাড়ি থেকে বের হয়ে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) উপজেলার চাউলাপাড়া এলাকায় পিটুনির শিকার হন।
মোতালেব আকন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের মিশ্রীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) কাউকে কিছু না জানিয়ে মোতালেব আকন নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে চাকামইয়া এবং পরে তালতলী আত্মীয় বাড়িতে যান। এরপর থেকে তার স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একদিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা মোতালেব আকনের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারেন।
পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ, মোতালেব আকনকে আমতলী উপজেলার ৪ নম্বর সারিকখালী ইউনিয়নের চাউলাপাড়া এলাকায় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ১০টার দিকে স্থানীয়রা চোর সন্দেহে আটক করে। পরে নীরব (২৭), জহির হাং (২৮), আল-আমিনসহ (৩০) কয়েকজন তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে বরিশাল এবং সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোর ৬টার দিকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ভারসাম্যহীন বৃদ্ধকে পিটিয়ে মারার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। এভাবে নিরাপদ মানুষকে পিটিয়ে হত্যায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান বলেন, নিহতের বড় ছেলে মোয়াজ্জেম আকন বাদী হয়ে তালতলী থানায় মামলা করেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.