০৭ আগস্ট, ২০২৫ ১২:১২
বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। দক্ষিণাঞ্চলের মাছের বড় মোকাম কুয়াকাটা-আলীপুর-মহিপুর ইলিশে সয়লাব হয়ে গেছে। এতে হাসি ফুটেছে ট্রলার মালিক, আড়তদার ব্যবসায়ী ও জেলেদের মুখে। কর্মচাঞ্চল্য ফিরছে উপকূলের মৎস্যবন্দরগুলোতে। জেলে পরিবারের দীর্ঘদিনের হতাশা কেটে গেছে। উপকূলের জেলেপাড়ায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, দেশে মাছের বড় মোকাম কুয়াকাটা-আলীপুর-মহিপুর মৎস্যপল্লিতে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ উঠেছে। সাগর থেকে ইলিশভর্তি সারি সারি ট্রলার ঘাটে ভিড়েছে। ওইসব ট্রলার থেকে ইলিশ নামানো হচ্ছে।
পাইকারদের নিকট মাছ বিক্রি করছেন আড়তদাররা। কেউ কেউ মাছের সাইজ আলাদা করছেন। কেউ ইলিশ মাছের ঝুড়ি টানছেন, প্যাকেট করছেন, আবার সেই ডোল (প্যাকেট) দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে তুলে দিচ্ছেন ট্রাকে।
অন্যদিকে খুচরা মাছবাজার ঘুরে দেখা গেছে পর্যাপ্ত ইলিশের সরবরাহ। কয়েক দিন ধরে গড়ে এ মোকাম থেকে ৪৫-৫০ টন ইলিশ দেশের বিভিন্ন মোকামে যাচ্ছে। ইলিশের পাশাপাশি অন্যান্য মাছও শিকার করছে জেলেরা। তবে বড় সাইজের ইলিশের পরিমাণ কিছুটা কম। ছোট সাইজের ইলিশ প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৩০ হাজার টাকা দরে।
ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফিরে আসা জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাগরে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ আছে। জাল ফেললেই ধরা পড়ছে ইলিশ। তবে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়ছে কম। দীর্ঘদিন পর ইলিশের দেখা পেয়ে তারা অনেক খুশি। এদিকে সামনে পূর্ণিমার জো (পূর্ণিমা তিথিতে সংঘটিত জোয়ার) থাকায় জেলেরা ঘাটে ফিরতে শুরু করেছেন।
কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলতেই এক জেলের জালে ধরা পড়ল ৬০ মণ ইলিশ। দীর্ঘদিন পরে এমন মাছ পেয়ে উচ্ছ্বসিত জেলেরা। আলীপুর মৎস্যবন্দরের মনি ফিসে এসব মাছ নিলামের মাধ্যমে সাড়ে ৩৫ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়।
গত চার দিন আগে এফবি জামাল নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার ১৮ জন জেলে নিয়ে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যাত্রা করেন জাহাঙ্গীর মাঝি। বুধবার (০৬ আগস্ট) বঙ্গোপসাগরের পায়রা বন্দরের শেষ বয়ার এসব মাছ ধরা পড়ে।
এফবি জামাল ট্রলারের মাঝি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে ছোট সাইজের ইলিশ ধরা পড়ছে। বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়ছে তুলনামূলক অনেক কম। ট্রলিং ট্রলার বন্ধ করলে মাছ বাড়বে। আমরা ৪ দিন আগে ১৮ জন জেলে সাগরে গেছিলাম। দুদিন ফিশিং করার পর বুধবার সন্ধায় ৮ হাজার ইলিশ নিয়ে ঘাটে। আলীপুর মনি ফিস মৎস্য আড়তে ৩৫ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, সাগরে বেশ কিছুদিন ইলিশের খরা চলছিল। বর্তমানে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। বৃষ্টি থাকলে আরও বেশি ইলিশ ধরা পড়বে। বন্দরে ইলিশ সংশ্লিষ্ট সবাই লাভবান হবে।
বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। দক্ষিণাঞ্চলের মাছের বড় মোকাম কুয়াকাটা-আলীপুর-মহিপুর ইলিশে সয়লাব হয়ে গেছে। এতে হাসি ফুটেছে ট্রলার মালিক, আড়তদার ব্যবসায়ী ও জেলেদের মুখে। কর্মচাঞ্চল্য ফিরছে উপকূলের মৎস্যবন্দরগুলোতে। জেলে পরিবারের দীর্ঘদিনের হতাশা কেটে গেছে। উপকূলের জেলেপাড়ায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, দেশে মাছের বড় মোকাম কুয়াকাটা-আলীপুর-মহিপুর মৎস্যপল্লিতে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ উঠেছে। সাগর থেকে ইলিশভর্তি সারি সারি ট্রলার ঘাটে ভিড়েছে। ওইসব ট্রলার থেকে ইলিশ নামানো হচ্ছে।
পাইকারদের নিকট মাছ বিক্রি করছেন আড়তদাররা। কেউ কেউ মাছের সাইজ আলাদা করছেন। কেউ ইলিশ মাছের ঝুড়ি টানছেন, প্যাকেট করছেন, আবার সেই ডোল (প্যাকেট) দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে তুলে দিচ্ছেন ট্রাকে।
অন্যদিকে খুচরা মাছবাজার ঘুরে দেখা গেছে পর্যাপ্ত ইলিশের সরবরাহ। কয়েক দিন ধরে গড়ে এ মোকাম থেকে ৪৫-৫০ টন ইলিশ দেশের বিভিন্ন মোকামে যাচ্ছে। ইলিশের পাশাপাশি অন্যান্য মাছও শিকার করছে জেলেরা। তবে বড় সাইজের ইলিশের পরিমাণ কিছুটা কম। ছোট সাইজের ইলিশ প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৩০ হাজার টাকা দরে।
ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফিরে আসা জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাগরে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ আছে। জাল ফেললেই ধরা পড়ছে ইলিশ। তবে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়ছে কম। দীর্ঘদিন পর ইলিশের দেখা পেয়ে তারা অনেক খুশি। এদিকে সামনে পূর্ণিমার জো (পূর্ণিমা তিথিতে সংঘটিত জোয়ার) থাকায় জেলেরা ঘাটে ফিরতে শুরু করেছেন।
কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলতেই এক জেলের জালে ধরা পড়ল ৬০ মণ ইলিশ। দীর্ঘদিন পরে এমন মাছ পেয়ে উচ্ছ্বসিত জেলেরা। আলীপুর মৎস্যবন্দরের মনি ফিসে এসব মাছ নিলামের মাধ্যমে সাড়ে ৩৫ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়।
গত চার দিন আগে এফবি জামাল নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার ১৮ জন জেলে নিয়ে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যাত্রা করেন জাহাঙ্গীর মাঝি। বুধবার (০৬ আগস্ট) বঙ্গোপসাগরের পায়রা বন্দরের শেষ বয়ার এসব মাছ ধরা পড়ে।
এফবি জামাল ট্রলারের মাঝি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে ছোট সাইজের ইলিশ ধরা পড়ছে। বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়ছে তুলনামূলক অনেক কম। ট্রলিং ট্রলার বন্ধ করলে মাছ বাড়বে। আমরা ৪ দিন আগে ১৮ জন জেলে সাগরে গেছিলাম। দুদিন ফিশিং করার পর বুধবার সন্ধায় ৮ হাজার ইলিশ নিয়ে ঘাটে। আলীপুর মনি ফিস মৎস্য আড়তে ৩৫ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, সাগরে বেশ কিছুদিন ইলিশের খরা চলছিল। বর্তমানে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। বৃষ্টি থাকলে আরও বেশি ইলিশ ধরা পড়বে। বন্দরে ইলিশ সংশ্লিষ্ট সবাই লাভবান হবে।
৩০ আগস্ট, ২০২৫ ২০:৪৩
গনঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে পটুয়াখালীর বাউফলে গনঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩০ আগষ্ট) বিকেল ৫ টার দিকে বাউফল থানা সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
মিছিল শেষে দলীয় অফিসের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, গনঅধিকার পরিষদের বাউফল উপজেলা শাখার আহ্ধসঢ়;বায়ক মো. হাবিবুর রহমান, সদস্য সচিব সাকিল আহম্মেদ, ছাত্র অধিকার পরিষদের বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাশেদুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসান মাহমুদ, পটুয়াখালী জেলা বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের যুগ্ম আহ্ধসঢ়;বায়ক মো. রুহুল আমিন প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা ভিভি নুরুল হক নূরের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
গনঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে পটুয়াখালীর বাউফলে গনঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩০ আগষ্ট) বিকেল ৫ টার দিকে বাউফল থানা সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
মিছিল শেষে দলীয় অফিসের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, গনঅধিকার পরিষদের বাউফল উপজেলা শাখার আহ্ধসঢ়;বায়ক মো. হাবিবুর রহমান, সদস্য সচিব সাকিল আহম্মেদ, ছাত্র অধিকার পরিষদের বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাশেদুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসান মাহমুদ, পটুয়াখালী জেলা বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের যুগ্ম আহ্ধসঢ়;বায়ক মো. রুহুল আমিন প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা ভিভি নুরুল হক নূরের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
৩০ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:০৬
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের “শান্তির ঠিকানা” গণকবরস্থানে চাঁদার দাবিতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে জড়িতদের দ্রæত গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সারে ১১টায় বাউফল প্রেসক্লাব বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার মিলনায়তন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে “শান্তির ঠিকানা” গণকবরস্থানের কর্তৃপক্ষ।
লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের প্রতিনিধি মো. মুশফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১১ ফেব্রæয়ারি দুপুরে কবরস্থানের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সময় আবুবকর শিপন, নাহিদ, কালাম, সোহেল ও জব্বার মৃধাসহ আরও কয়েকজন ব্যক্তি দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
এতে প্রায় তিন লাখ ছাপান্ন হাজার টাকার মালামাল লুট হয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি। এসময় স্থানীয় মদনপুরা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাঁধা দিলে হামলাকারীরা তাদের উপরও চড়াও হয়।
পরে ১৪ ফেব্রæয়ারি বাউফল থানায় দ্রæত বিচার আইনের ৪ ও ৫ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। অভিযুক্ত আবুবকর শিপন বলেন, “ঘটনার তদন্ত করছেন থানার তদন্ত কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম।
কিন্তু তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই আমাদের বিরুদ্ধে বারবার ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।” বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে চাঁদাবাজি ও হামলার প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের “শান্তির ঠিকানা” গণকবরস্থানে চাঁদার দাবিতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে জড়িতদের দ্রæত গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সারে ১১টায় বাউফল প্রেসক্লাব বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার মিলনায়তন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে “শান্তির ঠিকানা” গণকবরস্থানের কর্তৃপক্ষ।
লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের প্রতিনিধি মো. মুশফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১১ ফেব্রæয়ারি দুপুরে কবরস্থানের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সময় আবুবকর শিপন, নাহিদ, কালাম, সোহেল ও জব্বার মৃধাসহ আরও কয়েকজন ব্যক্তি দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
এতে প্রায় তিন লাখ ছাপান্ন হাজার টাকার মালামাল লুট হয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি। এসময় স্থানীয় মদনপুরা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাঁধা দিলে হামলাকারীরা তাদের উপরও চড়াও হয়।
পরে ১৪ ফেব্রæয়ারি বাউফল থানায় দ্রæত বিচার আইনের ৪ ও ৫ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। অভিযুক্ত আবুবকর শিপন বলেন, “ঘটনার তদন্ত করছেন থানার তদন্ত কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম।
কিন্তু তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই আমাদের বিরুদ্ধে বারবার ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।” বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে চাঁদাবাজি ও হামলার প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৬:৪৬
পটুয়াখালীর লোহালিয়া নদীর ওপর নির্মিত হতে যাচ্ছে চার লেনবিশিষ্ট বাউফলের বগা-দুমকি সেতু যা দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা স্থানীয়দের।
সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ১.৩৪৮ কিলোমিটার এবং দুই প্রান্তে ১.২৭২ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে প্রায় ২.৬২ কিলোমিটার। সেতুটিতে থাকবে ২৯টি পিলার এবং ১৫.০২ মিটার প্রস্থের ডেকে চলবে চার লেনের যানবাহন।
পাশাপাশি থাকবে ফুটপাত, যা পথচারীদের যাতায়াতকে আরও নিরাপদ করবে। উল্লম্ব উচ্চতা ১৮.৩ মিটার হওয়ায় বড় নৌযানগুলো নির্বিঘ্ধেসঢ়;ন চলাচল করতে পারবে, যা বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সেতুর লে-আউট প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বগা সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্ধসঢ়;বায়ক অ্যাড. মুজাহীদুল ইসলাম শাহীন ও সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ রুমান বলেন, এটি দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের বহু প্রতীক্ষিত স্বপ্ন পূরণের দিকে এক বড় পদক্ষেপ।
তাদের মতে, সেতুটি নির্মিত হলে কৃষি, ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা ও পর্যটনসহ নানা খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এই সেতু হবে শুধু একটি অবকাঠামো নয়, বরং একটি উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রতীক।
পটুয়াখালীর লোহালিয়া নদীর ওপর নির্মিত হতে যাচ্ছে চার লেনবিশিষ্ট বাউফলের বগা-দুমকি সেতু যা দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা স্থানীয়দের।
সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ১.৩৪৮ কিলোমিটার এবং দুই প্রান্তে ১.২৭২ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে প্রায় ২.৬২ কিলোমিটার। সেতুটিতে থাকবে ২৯টি পিলার এবং ১৫.০২ মিটার প্রস্থের ডেকে চলবে চার লেনের যানবাহন।
পাশাপাশি থাকবে ফুটপাত, যা পথচারীদের যাতায়াতকে আরও নিরাপদ করবে। উল্লম্ব উচ্চতা ১৮.৩ মিটার হওয়ায় বড় নৌযানগুলো নির্বিঘ্ধেসঢ়;ন চলাচল করতে পারবে, যা বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সেতুর লে-আউট প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বগা সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্ধসঢ়;বায়ক অ্যাড. মুজাহীদুল ইসলাম শাহীন ও সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ রুমান বলেন, এটি দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের বহু প্রতীক্ষিত স্বপ্ন পূরণের দিকে এক বড় পদক্ষেপ।
তাদের মতে, সেতুটি নির্মিত হলে কৃষি, ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা ও পর্যটনসহ নানা খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এই সেতু হবে শুধু একটি অবকাঠামো নয়, বরং একটি উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রতীক।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.