
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৮
ঝিনাইদহে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকায় নিজের ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন এক বাবা। গত সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হলফনামার মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন মো. আবু জাফর।
হলফনামা সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটী ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আবু জাফর তার ছেলে মো. নাহিদ হাসান সবুজকে ত্যাজ্যপুত্র হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
অভিযুক্ত নাহিদ হাসান সবুজ ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
হলফনামায় মো. আবু জাফর উল্লেখ করেন, তার পুত্র দীর্ঘদিন ধরে তার অবাধ্য এবং অবান্তর জীবনযাপন করে আসছিলেন। তিনি বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন না এবং নিজের খেয়ালখুশিমতো আলাদা থাকেন।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও নাহিদ হাসান এই সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে লিপ্ত ছিলেন।
বিশেষ করে গত ২১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়ায় সবুজের সক্রিয় অংশগ্রহণের সংবাদ পাওয়ার পর তাকে নিজ বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেন আবু জাফর।
হলফনামায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, আজ থেকে নাহিদ হাসান সবুজের কোনো প্রকার আয়-রোজগার, দায়-দেনা বা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পিতা বা তার পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের সম্পর্ক থাকবে না। তার কোনো অপকর্মের দায়ভার পরিবার বহন করবে না। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে পরিবারের সকল প্রকার রক্ত সম্পর্কীয় ও আইনি বিচ্ছেদ বজায় থাকবে।
আবু জাফর বলেন, ‘দেশের আইন ও নীতিমালার পরিপন্থী কোনো কাজ আমার সন্তান করুক তা আমি চাই না। বারবার সতর্ক করার পরও সে শোধরায়নি, তাই বাধ্য হয়ে আমি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
ঝিনাইদহে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকায় নিজের ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন এক বাবা। গত সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হলফনামার মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন মো. আবু জাফর।
হলফনামা সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটী ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আবু জাফর তার ছেলে মো. নাহিদ হাসান সবুজকে ত্যাজ্যপুত্র হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
অভিযুক্ত নাহিদ হাসান সবুজ ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
হলফনামায় মো. আবু জাফর উল্লেখ করেন, তার পুত্র দীর্ঘদিন ধরে তার অবাধ্য এবং অবান্তর জীবনযাপন করে আসছিলেন। তিনি বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন না এবং নিজের খেয়ালখুশিমতো আলাদা থাকেন।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও নাহিদ হাসান এই সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে লিপ্ত ছিলেন।
বিশেষ করে গত ২১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়ায় সবুজের সক্রিয় অংশগ্রহণের সংবাদ পাওয়ার পর তাকে নিজ বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেন আবু জাফর।
হলফনামায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, আজ থেকে নাহিদ হাসান সবুজের কোনো প্রকার আয়-রোজগার, দায়-দেনা বা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পিতা বা তার পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের সম্পর্ক থাকবে না। তার কোনো অপকর্মের দায়ভার পরিবার বহন করবে না। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে পরিবারের সকল প্রকার রক্ত সম্পর্কীয় ও আইনি বিচ্ছেদ বজায় থাকবে।
আবু জাফর বলেন, ‘দেশের আইন ও নীতিমালার পরিপন্থী কোনো কাজ আমার সন্তান করুক তা আমি চাই না। বারবার সতর্ক করার পরও সে শোধরায়নি, তাই বাধ্য হয়ে আমি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৯
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আমি সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসে এসে আশাহত হয়েছি। কারণ সকাল ৯টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও সেটা হয়নি।
দেখলাম একজন কর্মকর্তা পৌনে দশটা এবং আরেকজন দশটার পড়ে এসেছেন। এ ব্যাপারে আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিবো।
আমাদের সরকার জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার অর্থাৎ জনগণের সরকার। আমরা চেয়ারে বসা মাত্রই অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করার কথা বলেছি।
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে ভূমি অফিস পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশের প্রতিটি ভূমি অফিস প্রশ্নবিদ্ধ। মানুষের অভাব, অভিযোগসহ অনেক কিছুই রয়েছে। বিশেষ করে দুর্নীতির অভিযোগ এক নম্বরে রয়েছে।
তাই প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বিষয়গুলো তদন্ত করার চেষ্টা করছি। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এখানে এসে দেখতে পেয়েছি যে ভূমি অফিসের সেবাদানকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেবা গ্রহীতাদের ব্যাপক গ্যাপ কাজ করছে।
এখানকার কর্মকর্তারা সেবা গ্রহীতাদের সঠিকভাবে জানাচ্ছে না যে কোন কাজটায় কতটা সময় লাগতে পারে অর্থাৎ তাদের মধ্যে গ্যাপ অনেক। এককথায় বলাচলে আমলাতান্ত্রিক যে মনোভাব এটা এখনো বিরাজমান।
মূলত প্রজাতন্ত্রে কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে জনগণের সঙ্গে যে সম্পৃক্ততা থাকার কথা সেটা হয়ে উঠছে না। সেইসব বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখবো।
আজ পরিদর্শনে এসে যে সমস্যাগুলো চোখে পড়েছে সেগুলো বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিবো। আমাদের এই পরিদর্শনের কার্যক্রম সারাদেশে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
এর আগে সকাল ৯টার আগ মুহূর্তে আকস্মিক কাউকে না জানিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
পরিদর্শনে গিয়ে তিনি দেখতে পান যে সরকারি নির্ধারিত সময়ে কার্যালয়ে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী এসে পৌঁছাননি এবং অফিসও তালাবদ্ধ ছিল। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর কেউ একজন এসে কার্যালয়ের তালা খুলে দিলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আমি সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসে এসে আশাহত হয়েছি। কারণ সকাল ৯টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও সেটা হয়নি।
দেখলাম একজন কর্মকর্তা পৌনে দশটা এবং আরেকজন দশটার পড়ে এসেছেন। এ ব্যাপারে আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিবো।
আমাদের সরকার জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার অর্থাৎ জনগণের সরকার। আমরা চেয়ারে বসা মাত্রই অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করার কথা বলেছি।
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে ভূমি অফিস পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশের প্রতিটি ভূমি অফিস প্রশ্নবিদ্ধ। মানুষের অভাব, অভিযোগসহ অনেক কিছুই রয়েছে। বিশেষ করে দুর্নীতির অভিযোগ এক নম্বরে রয়েছে।
তাই প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বিষয়গুলো তদন্ত করার চেষ্টা করছি। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এখানে এসে দেখতে পেয়েছি যে ভূমি অফিসের সেবাদানকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেবা গ্রহীতাদের ব্যাপক গ্যাপ কাজ করছে।
এখানকার কর্মকর্তারা সেবা গ্রহীতাদের সঠিকভাবে জানাচ্ছে না যে কোন কাজটায় কতটা সময় লাগতে পারে অর্থাৎ তাদের মধ্যে গ্যাপ অনেক। এককথায় বলাচলে আমলাতান্ত্রিক যে মনোভাব এটা এখনো বিরাজমান।
মূলত প্রজাতন্ত্রে কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে জনগণের সঙ্গে যে সম্পৃক্ততা থাকার কথা সেটা হয়ে উঠছে না। সেইসব বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখবো।
আজ পরিদর্শনে এসে যে সমস্যাগুলো চোখে পড়েছে সেগুলো বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিবো। আমাদের এই পরিদর্শনের কার্যক্রম সারাদেশে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
এর আগে সকাল ৯টার আগ মুহূর্তে আকস্মিক কাউকে না জানিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
পরিদর্শনে গিয়ে তিনি দেখতে পান যে সরকারি নির্ধারিত সময়ে কার্যালয়ে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী এসে পৌঁছাননি এবং অফিসও তালাবদ্ধ ছিল। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর কেউ একজন এসে কার্যালয়ের তালা খুলে দিলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন।

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:১৮
নরসিংদীর মনোহরদীতে বিলের পানিতে নেমে একটি পুরোনো গ্রেনেড পেয়েছেন শিখা বেগম নামের এক নারী। সোমবার (০২ মার্চ) বিকেলে উপজেলার দিগাকান্দি এলাকায় দুয়ার বিলে গ্রেনেডটি পান তিনি।
জানা গেছে, উপজেলার শুকুন্দী ইউনিয়নের দিগাকান্দি এলাকার দুয়ার বিলে সোমবার বিকেলে মাছ ধরতে নামে শিশুরা। এ সময় শিখা বেগম তার সন্তানকে বিল থেকে তুলে আনতে পানিতে নামেন।
পায়ের নিচে শক্ত কিছু পড়েছে ভেবে তুলে নেন। বস্তুটি তুলে ধুয়ে পরিষ্কার করে গুপ্তধন ভেবে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ এটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
শিখা বেগম বলেন, আমার বাচ্চারা মাছ ধরতে বিলে যায়। আমি তাদের আনতে বিলের পানিতে নামতেই শক্ত কিছু একটা আমার পায়ে লাগে। পরে তা উঠিয়ে দেখি ভারি লোহার মত কিছু।
প্রথমে ভেবেছি গুপ্তধন, পরে ভাবলাম লোহা যেহেতু বাড়ি নিয়ে বিক্রি করতে পারব। এ ভেবেই আমি বাড়ি নিয়ে আসছি, এর চেয়ে বেশি কিছু জানি না। এলাকার কয়েকজন এটাকে গ্রেনেড বলতে থাকে। পুলিশে খবর দিলে তারা এটা নিয়ে যায়।
মনোহরদী থানার ওসি শাহিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে গ্রেনেড সদৃশ বস্তুটি উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে জানিয়েছি। টিম আসার পর বিস্তারিত বলা যাবে। তবে এখনো টিম আসেনি।
নরসিংদীর মনোহরদীতে বিলের পানিতে নেমে একটি পুরোনো গ্রেনেড পেয়েছেন শিখা বেগম নামের এক নারী। সোমবার (০২ মার্চ) বিকেলে উপজেলার দিগাকান্দি এলাকায় দুয়ার বিলে গ্রেনেডটি পান তিনি।
জানা গেছে, উপজেলার শুকুন্দী ইউনিয়নের দিগাকান্দি এলাকার দুয়ার বিলে সোমবার বিকেলে মাছ ধরতে নামে শিশুরা। এ সময় শিখা বেগম তার সন্তানকে বিল থেকে তুলে আনতে পানিতে নামেন।
পায়ের নিচে শক্ত কিছু পড়েছে ভেবে তুলে নেন। বস্তুটি তুলে ধুয়ে পরিষ্কার করে গুপ্তধন ভেবে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ এটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
শিখা বেগম বলেন, আমার বাচ্চারা মাছ ধরতে বিলে যায়। আমি তাদের আনতে বিলের পানিতে নামতেই শক্ত কিছু একটা আমার পায়ে লাগে। পরে তা উঠিয়ে দেখি ভারি লোহার মত কিছু।
প্রথমে ভেবেছি গুপ্তধন, পরে ভাবলাম লোহা যেহেতু বাড়ি নিয়ে বিক্রি করতে পারব। এ ভেবেই আমি বাড়ি নিয়ে আসছি, এর চেয়ে বেশি কিছু জানি না। এলাকার কয়েকজন এটাকে গ্রেনেড বলতে থাকে। পুলিশে খবর দিলে তারা এটা নিয়ে যায়।
মনোহরদী থানার ওসি শাহিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে গ্রেনেড সদৃশ বস্তুটি উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে জানিয়েছি। টিম আসার পর বিস্তারিত বলা যাবে। তবে এখনো টিম আসেনি।

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:১৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে চরম অব্যবস্থাপনার চিত্র দেখেছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ওই কার্যালয়ে যান তিনি।
সরেজমিনে তিনি দেখেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তাই কর্মস্থলে উপস্থিত হননি। পরে তিনি প্রায় ৩০ মিনিট অফিসের বারান্দায় বসে কর্মকর্তাদের জন্য অপেক্ষা করেন।
নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও ভূমি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল কাউকে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী। তিনি উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে এ ধরনের ঘটনাকে অত্যন্ত ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে অভিহিত করেন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা রাষ্ট্রীয় অর্পিত দায়িত্বে অবহেলা করবেন এবং জনগণের সেবায় বিঘ্ন ঘটাবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এমন উদাসীনতা সরকারের জনসেবামূলক লক্ষ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং এ সরকার সরাসরি জনগণের জন্য কাজ করতে দায়বদ্ধ। সরকারি দপ্তরে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা দায়িত্বহীনতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে চরম অব্যবস্থাপনার চিত্র দেখেছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ওই কার্যালয়ে যান তিনি।
সরেজমিনে তিনি দেখেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তাই কর্মস্থলে উপস্থিত হননি। পরে তিনি প্রায় ৩০ মিনিট অফিসের বারান্দায় বসে কর্মকর্তাদের জন্য অপেক্ষা করেন।
নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও ভূমি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল কাউকে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী। তিনি উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে এ ধরনের ঘটনাকে অত্যন্ত ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে অভিহিত করেন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা রাষ্ট্রীয় অর্পিত দায়িত্বে অবহেলা করবেন এবং জনগণের সেবায় বিঘ্ন ঘটাবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এমন উদাসীনতা সরকারের জনসেবামূলক লক্ষ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং এ সরকার সরাসরি জনগণের জন্য কাজ করতে দায়বদ্ধ। সরকারি দপ্তরে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা দায়িত্বহীনতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৯
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২৮
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৬
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫