ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে খাবার খাওয়ানোর কথা বলে ৬০ বছর বয়সী এক নারীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বেল্লাল সিকদার ও নাসির নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ড থেকে ওই নারীকে খাবার খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে বের করা হয়। পরে তাকে মোটরসাইকেলে করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দুই ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
ভোরে ওই নারী হাসপাতালে ফিরে এসে কান্নাকাটি শুরু করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি করে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলে এবং ঘটনার বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। পরে অভিযান চালিয়ে বেল্লাল সিকদার ও নাসিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। নাসির ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলের চালক এবং বেল্লাল সিকদার অটোরিকশাচালক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার বলেন, ওই নারী হাসপাতালের ভর্তি রোগী ছিলেন না। ঘটনার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশকে জানানো হয়েছে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তার ডাক্তারি পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়েছে।
ঝালকাঠি সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান জানান, পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগী নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ছেলে ইউসুফ বাদী হয়ে গ্রেপ্তার দুইজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের মামলা করেছেন।

১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮
ঝালকাঠির রাজাপুরে বালুবাহী জাহাজের ধাক্কায় একটি আয়রন ব্রিজ ভেঙে তিন দিন ধরে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এতে রাজাপুর, ভান্ডারিয়া ও কাঁঠালিয়া উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে। বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে খেয়ায় পারাপার হচ্ছে স্থানীয়রা। জনপ্রতি দিতে হচ্ছে ৫ টাকা।
গত রোববার সকালে উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের পুটিয়াখালী মীরেরহাট থেকে আরুয়া-সোনারগাঁও সড়কের সংযোগ সড়কের জালোবাড়ি খালের ওপরের ব্রিজে বালুবাহী একটি জাহাজ ধাক্কা দিলে সেটি ভেঙে পড়ে। পরে জাহাজটি উদ্ধার করে সরিয়ে নেওয়া হলেও ব্রিজটি সংস্কার না হওয়ায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ব্রিজটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। দীর্ঘদিন ধরে এটি সংস্কারের প্রয়োজন হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, বালুবাহী জাহাজের চলাচলে বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এমন ঘটনা ঘটছে।
ব্রিজে ধাক্কা দেওয়া জাহাজটির মালিক উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের সোনারগাঁও এলাকার আব্দুল গনি সিকদারের ছেলে বাদশা সিকদার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ব্রিজটি সংস্কার করে যান চলাচল স্বাভাবিক করার পাশাপাশি বালুবাহী জাহাজের চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও নৌপথে নজরদারি বাড়াতে হবে।
রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি বলেন, স্থানীয়দের দুর্ভোগ লাঘব করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন, জাহাজের মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঝালকাঠির রাজাপুরে বালুবাহী জাহাজের ধাক্কায় একটি আয়রন ব্রিজ ভেঙে তিন দিন ধরে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এতে রাজাপুর, ভান্ডারিয়া ও কাঁঠালিয়া উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে। বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে খেয়ায় পারাপার হচ্ছে স্থানীয়রা। জনপ্রতি দিতে হচ্ছে ৫ টাকা।
গত রোববার সকালে উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের পুটিয়াখালী মীরেরহাট থেকে আরুয়া-সোনারগাঁও সড়কের সংযোগ সড়কের জালোবাড়ি খালের ওপরের ব্রিজে বালুবাহী একটি জাহাজ ধাক্কা দিলে সেটি ভেঙে পড়ে। পরে জাহাজটি উদ্ধার করে সরিয়ে নেওয়া হলেও ব্রিজটি সংস্কার না হওয়ায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ব্রিজটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। দীর্ঘদিন ধরে এটি সংস্কারের প্রয়োজন হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, বালুবাহী জাহাজের চলাচলে বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এমন ঘটনা ঘটছে।
ব্রিজে ধাক্কা দেওয়া জাহাজটির মালিক উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের সোনারগাঁও এলাকার আব্দুল গনি সিকদারের ছেলে বাদশা সিকদার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ব্রিজটি সংস্কার করে যান চলাচল স্বাভাবিক করার পাশাপাশি বালুবাহী জাহাজের চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও নৌপথে নজরদারি বাড়াতে হবে।
রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি বলেন, স্থানীয়দের দুর্ভোগ লাঘব করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন, জাহাজের মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩৬
ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী ভীমরুলীর ভাসমান পেয়ারাবাজার ও পেয়ারা বাগান পরিদর্শন করে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, ভীমরুলীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং ঐতিহ্যবাহী ভাসমান পেয়ারার বাজার আমাকে মুগ্ধ করেছে।
এখানকার বাজারের কর্মচাঞ্চল্য, কৃষকদের পরিশ্রম এবং উৎপাদিত পেয়ারার গুণগত মানও আমাকে আকৃষ্ট করেছে।
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক বাজারে পেয়ারা রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি তাঁর দেশের সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান।
আজ রোববার (০৯ অগাস্ট) সকালে স্ত্রী মিসেস ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে ঝালকাঠির ভীমরুলী এলাকার ভাসমান পেয়ারাবাজার ও বাগান ঘুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
এ সময় তিনি স্থানীয় পেয়ারাচাষি ও বাগান মালিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কাছ থেকে পেয়ারা চাষ, উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য জানেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন জানান, যুক্তরাষ্ট্রের উষ্ণ ও ক্রান্তীয় অঞ্চলেও পেয়ারা চাষ হয়ে থাকে। দেশটির ফ্লোরিডা, হাওয়াই এবং ক্যালিফোর্নিয়ার কিছু এলাকায় সীমিত পরিসরে পেয়ারা উৎপাদন করা হয়।
কিভাবে আরো উৎপাদন বাড়ানো যায়, তা দেখার জন্য ঝালকাঠির পেয়ারা বাগান ঘুরে দেখলাম। আমাদের খুবই ভালো লেগেছে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সফর উপলক্ষে ভীমরুলী এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরিদর্শনকালে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কাওছার হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভীমরুলীর ভাসমান পেয়ারার বাজার বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী কৃষিভিত্তিক পর্যটনকেন্দ্র।
বর্ষা মৌসুমে খাল-বিল ও জলপথে নৌকায় পেয়ারা কেনাবেচার দৃশ্য দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ পরিদর্শন স্থানীয় পেয়ারাচাষিদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি করেছে বলে জানিয়েছেন বাগান মালিকরা।’
ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী ভীমরুলীর ভাসমান পেয়ারাবাজার ও পেয়ারা বাগান পরিদর্শন করে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, ভীমরুলীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং ঐতিহ্যবাহী ভাসমান পেয়ারার বাজার আমাকে মুগ্ধ করেছে।
এখানকার বাজারের কর্মচাঞ্চল্য, কৃষকদের পরিশ্রম এবং উৎপাদিত পেয়ারার গুণগত মানও আমাকে আকৃষ্ট করেছে।
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক বাজারে পেয়ারা রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি তাঁর দেশের সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান।
আজ রোববার (০৯ অগাস্ট) সকালে স্ত্রী মিসেস ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে ঝালকাঠির ভীমরুলী এলাকার ভাসমান পেয়ারাবাজার ও বাগান ঘুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
এ সময় তিনি স্থানীয় পেয়ারাচাষি ও বাগান মালিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কাছ থেকে পেয়ারা চাষ, উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য জানেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন জানান, যুক্তরাষ্ট্রের উষ্ণ ও ক্রান্তীয় অঞ্চলেও পেয়ারা চাষ হয়ে থাকে। দেশটির ফ্লোরিডা, হাওয়াই এবং ক্যালিফোর্নিয়ার কিছু এলাকায় সীমিত পরিসরে পেয়ারা উৎপাদন করা হয়।
কিভাবে আরো উৎপাদন বাড়ানো যায়, তা দেখার জন্য ঝালকাঠির পেয়ারা বাগান ঘুরে দেখলাম। আমাদের খুবই ভালো লেগেছে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সফর উপলক্ষে ভীমরুলী এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরিদর্শনকালে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কাওছার হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভীমরুলীর ভাসমান পেয়ারার বাজার বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী কৃষিভিত্তিক পর্যটনকেন্দ্র।
বর্ষা মৌসুমে খাল-বিল ও জলপথে নৌকায় পেয়ারা কেনাবেচার দৃশ্য দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ পরিদর্শন স্থানীয় পেয়ারাচাষিদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি করেছে বলে জানিয়েছেন বাগান মালিকরা।’

০৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৪১
নিজ দলের নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন ঝালকাঠি–১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল। বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে রফিকুল ইসলাম লেখেন, ‘ঝালকাঠির বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীদের খাই খাই বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করছি। ছয় মাসে অনেক খেয়েছেন, আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের পাহারার বিনিময় খেয়েছেন, আওয়ামীদের পক্ষে ওকালতি করে খেয়েছেন, আওয়ামীদের বাড়িঘর পাহারা দিয়ে খেয়েছেন, ঠিকাদারি পাহারা দিয়ে খেয়েছেন। শেষ পর্যন্ত টাকার বিনিময়ে আওয়ামীদের দলে যোগদান করিয়েও খাচ্ছেন। মনে হচ্ছে আপনারা দলটাকেই খেয়ে ফেলবেন।’
পোস্টে বিএনপির এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, ‘লজ্জা থাকা উচিত। যাদের রক্তের বিনিময়ে আপনাদের এত খাওয়ার সুযোগ হয়েছে, সেই ৩৬ জুলাই শহীদদের জন্য ৫ আগস্ট একটু দোয়া–মোনাজাত করতে পারেননি। শুধু নেতা হতে পদের আকাঙ্ক্ষায় থাকলে দ্রুতই দল থেকে ঝরে পড়বেন।’
ঘটনার পরপরই রফিকুল ইসলাম জামালের ওই ফেসবুক পোস্ট নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়। দলীয় নেতা–কর্মীদের একটি অংশের ধারণা, কীর্তিপাশার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়েই তিনি এ ধরনের মন্তব্য করেছেন।
স্থানীয় বিএনপির নেতা–কর্মীদের অভিযোগ, গণ–অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতার বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ দেখভাল করছেন বিএনপির পদধারী যুবদল ও বিএনপির কয়েকজন নেতা। এ ছাড়া ঝালকাঠির আদালতে বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন বিএনপিপন্থী একাধিক আইনজীবী। তাঁদের দাবি, এসব বিষয়েও রফিকুল ইসলাম জামাল ক্ষুব্ধ।
সম্প্রতি ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহাদাৎ হোসেনের পাঠানো ৪১৭টি প্রকল্প স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সাময়িকভাবে স্থগিত করে। অভিযোগ রয়েছে, ঝালকাঠির দুটি আসনের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় না করে প্রকল্পগুলো অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ঝালকাঠি–১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ঝালকাঠি–২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা এলেন প্রকল্পগুলো বাতিলের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার (আধা সরকারি পত্র) দেন। জেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহাদাৎ হোসেনের সঙ্গে সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামালের আগে থেকেই দ্বন্দ্ব রয়েছে।
এ বিষয়ে রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, ‘নেতা–কর্মীদের নৈতিক অবক্ষয় ও দলের প্রতি আনুগত্য অক্ষুণ্ন রাখতে অনেকটা মনে কষ্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই মন্তব্য করেছি। আশা করি নেতা–কর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’
নিজ দলের নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন ঝালকাঠি–১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল। বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে রফিকুল ইসলাম লেখেন, ‘ঝালকাঠির বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীদের খাই খাই বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করছি। ছয় মাসে অনেক খেয়েছেন, আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের পাহারার বিনিময় খেয়েছেন, আওয়ামীদের পক্ষে ওকালতি করে খেয়েছেন, আওয়ামীদের বাড়িঘর পাহারা দিয়ে খেয়েছেন, ঠিকাদারি পাহারা দিয়ে খেয়েছেন। শেষ পর্যন্ত টাকার বিনিময়ে আওয়ামীদের দলে যোগদান করিয়েও খাচ্ছেন। মনে হচ্ছে আপনারা দলটাকেই খেয়ে ফেলবেন।’
পোস্টে বিএনপির এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, ‘লজ্জা থাকা উচিত। যাদের রক্তের বিনিময়ে আপনাদের এত খাওয়ার সুযোগ হয়েছে, সেই ৩৬ জুলাই শহীদদের জন্য ৫ আগস্ট একটু দোয়া–মোনাজাত করতে পারেননি। শুধু নেতা হতে পদের আকাঙ্ক্ষায় থাকলে দ্রুতই দল থেকে ঝরে পড়বেন।’
ঘটনার পরপরই রফিকুল ইসলাম জামালের ওই ফেসবুক পোস্ট নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়। দলীয় নেতা–কর্মীদের একটি অংশের ধারণা, কীর্তিপাশার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়েই তিনি এ ধরনের মন্তব্য করেছেন।
স্থানীয় বিএনপির নেতা–কর্মীদের অভিযোগ, গণ–অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতার বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ দেখভাল করছেন বিএনপির পদধারী যুবদল ও বিএনপির কয়েকজন নেতা। এ ছাড়া ঝালকাঠির আদালতে বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন বিএনপিপন্থী একাধিক আইনজীবী। তাঁদের দাবি, এসব বিষয়েও রফিকুল ইসলাম জামাল ক্ষুব্ধ।
সম্প্রতি ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহাদাৎ হোসেনের পাঠানো ৪১৭টি প্রকল্প স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সাময়িকভাবে স্থগিত করে। অভিযোগ রয়েছে, ঝালকাঠির দুটি আসনের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় না করে প্রকল্পগুলো অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ঝালকাঠি–১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ঝালকাঠি–২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা এলেন প্রকল্পগুলো বাতিলের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার (আধা সরকারি পত্র) দেন। জেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহাদাৎ হোসেনের সঙ্গে সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামালের আগে থেকেই দ্বন্দ্ব রয়েছে।
এ বিষয়ে রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, ‘নেতা–কর্মীদের নৈতিক অবক্ষয় ও দলের প্রতি আনুগত্য অক্ষুণ্ন রাখতে অনেকটা মনে কষ্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই মন্তব্য করেছি। আশা করি নেতা–কর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’

১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে খাবার খাওয়ানোর কথা বলে ৬০ বছর বয়সী এক নারীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বেল্লাল সিকদার ও নাসির নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ড থেকে ওই নারীকে খাবার খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে বের করা হয়। পরে তাকে মোটরসাইকেলে করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দুই ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
ভোরে ওই নারী হাসপাতালে ফিরে এসে কান্নাকাটি শুরু করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি করে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলে এবং ঘটনার বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। পরে অভিযান চালিয়ে বেল্লাল সিকদার ও নাসিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। নাসির ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলের চালক এবং বেল্লাল সিকদার অটোরিকশাচালক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার বলেন, ওই নারী হাসপাতালের ভর্তি রোগী ছিলেন না। ঘটনার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশকে জানানো হয়েছে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তার ডাক্তারি পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়েছে।
ঝালকাঠি সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান জানান, পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগী নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ছেলে ইউসুফ বাদী হয়ে গ্রেপ্তার দুইজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের মামলা করেছেন।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮
১১ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৬