
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৭
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের জনপ্রিয় টকশো ‘জনতার দরবার’ অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকতার নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল-৫ আসনের প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত এবং গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী মনীষা বুধবার রাতে ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্যে এ প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেন তিনি।
বাসদ এর বরিশাল জেলা কমিটির সমন্বয়ক ও প্রার্থী মনীষার অভিযোগ, অনুষ্ঠান পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট চ্যানেলটি পেশাদারত্ব বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এক ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণকে প্রশ্রয় দিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, অনুষ্ঠানের মাঝপথে তাঁকে মঞ্চ থেকে সরে যেতে বলা হয়। এ সময় চ্যানেল কর্তৃপক্ষ তাঁকে জানায়, প্রতি পর্বে একজন অতিথি পর্যায়ক্রমে বাইরে যাবেন এবং পরে আবার যুক্ত হবেন।
কিন্তু পরে মনীষা লক্ষ্য করেন, অন্য কোনো অতিথির ক্ষেত্রে এমনটি ঘটেনি। তাঁর মতে, ‘এটি ছিল একটি মিথ্যা অজুহাত, যা স্বচ্ছতা ও সততার ঘাটতিরই প্রমাণ’। আরো গুরুতর অভিযোগ হিসেবে তিনি নারীবিদ্বেষকে প্রশ্রয় দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।
ডা. মনীষার ভাষ্য অনুযায়ী, বরিশাল-৫ আসনের চরমোনাইয়ের একজন প্রার্থী একজন নারীর সঙ্গে একই মঞ্চে বসে আলোচনা করতে অস্বস্তি বোধ করায় তাঁকে (মনীষা) সরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘এটি নারীবিদ্বেষের একটি চরম বহিঃপ্রকাশ, আর চ্যানেল কর্তৃপক্ষ সেই মনোভাবকে সমর্থন করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ তিনি এটিকে সাংবাদিকতার নৈতিকতার পরিপন্থী, অসৌজন্যমূলক ও অনভিপ্রেত আচরণ হিসেবে আখ্যা দেন।
কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই একজন আমন্ত্রিত অতিথিকে এভাবে সরিয়ে দেওয়া পেশাদার সাংবাদিকতার মানদণ্ডের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ডা. মনীষা আরো বলেন, যদি আগে থেকেই তাঁকে জানানো হতো যে অনুষ্ঠানে এমন একজন অতিথি থাকবেন, যিনি নারীর সঙ্গে বসতে অনিচ্ছুক এবং সেই কারণে তাঁকে সরে যেতে হতে পারে, তাহলে তিনি ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন না।
অতিথিকে এমন শর্ত বা পরিস্থিতি সম্পর্কে আগাম না জানানোও সাংবাদিকতার নৈতিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করেন তিনি।
বক্তব্যের শেষাংশে ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী বলেন, যিনি জনসংখ্যার অর্ধেক অংশ, অর্থাৎ নারীদের সঙ্গে বসে আলোচনা করতে পারেন না, তিনি আদৌ সব মানুষের প্রতিনিধি হতে পারেন কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন। তাঁর মতে, এমন মনোভাবকে জায়গা দিয়ে সংশ্লিষ্ট চ্যানেল একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ নজির স্থাপন করেছে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বাসদের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের জনপ্রিয় টকশো ‘জনতার দরবার’ অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকতার নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল-৫ আসনের প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত এবং গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী মনীষা বুধবার রাতে ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্যে এ প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেন তিনি।
বাসদ এর বরিশাল জেলা কমিটির সমন্বয়ক ও প্রার্থী মনীষার অভিযোগ, অনুষ্ঠান পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট চ্যানেলটি পেশাদারত্ব বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এক ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণকে প্রশ্রয় দিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, অনুষ্ঠানের মাঝপথে তাঁকে মঞ্চ থেকে সরে যেতে বলা হয়। এ সময় চ্যানেল কর্তৃপক্ষ তাঁকে জানায়, প্রতি পর্বে একজন অতিথি পর্যায়ক্রমে বাইরে যাবেন এবং পরে আবার যুক্ত হবেন।
কিন্তু পরে মনীষা লক্ষ্য করেন, অন্য কোনো অতিথির ক্ষেত্রে এমনটি ঘটেনি। তাঁর মতে, ‘এটি ছিল একটি মিথ্যা অজুহাত, যা স্বচ্ছতা ও সততার ঘাটতিরই প্রমাণ’। আরো গুরুতর অভিযোগ হিসেবে তিনি নারীবিদ্বেষকে প্রশ্রয় দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।
ডা. মনীষার ভাষ্য অনুযায়ী, বরিশাল-৫ আসনের চরমোনাইয়ের একজন প্রার্থী একজন নারীর সঙ্গে একই মঞ্চে বসে আলোচনা করতে অস্বস্তি বোধ করায় তাঁকে (মনীষা) সরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘এটি নারীবিদ্বেষের একটি চরম বহিঃপ্রকাশ, আর চ্যানেল কর্তৃপক্ষ সেই মনোভাবকে সমর্থন করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ তিনি এটিকে সাংবাদিকতার নৈতিকতার পরিপন্থী, অসৌজন্যমূলক ও অনভিপ্রেত আচরণ হিসেবে আখ্যা দেন।
কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই একজন আমন্ত্রিত অতিথিকে এভাবে সরিয়ে দেওয়া পেশাদার সাংবাদিকতার মানদণ্ডের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ডা. মনীষা আরো বলেন, যদি আগে থেকেই তাঁকে জানানো হতো যে অনুষ্ঠানে এমন একজন অতিথি থাকবেন, যিনি নারীর সঙ্গে বসতে অনিচ্ছুক এবং সেই কারণে তাঁকে সরে যেতে হতে পারে, তাহলে তিনি ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন না।
অতিথিকে এমন শর্ত বা পরিস্থিতি সম্পর্কে আগাম না জানানোও সাংবাদিকতার নৈতিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করেন তিনি।
বক্তব্যের শেষাংশে ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী বলেন, যিনি জনসংখ্যার অর্ধেক অংশ, অর্থাৎ নারীদের সঙ্গে বসে আলোচনা করতে পারেন না, তিনি আদৌ সব মানুষের প্রতিনিধি হতে পারেন কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন। তাঁর মতে, এমন মনোভাবকে জায়গা দিয়ে সংশ্লিষ্ট চ্যানেল একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ নজির স্থাপন করেছে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বাসদের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৬
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট জিতলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন জোটের প্রধান দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড্ডায় ঢাকা-১১ আসনে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কেউ ঠেকাতে পারবে না।
এদেশের মানুষ মেধাবী এবং পরিশ্রমী। অতীতের নেতৃত্বের মধ্যে সততার অভাব ছিল। তাদের মধ্যে দুর্নীতি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার সেই শপথ ছিল না।
দেশের প্রতি দায় ছিল না। এই জন্যেই বাংলাদেশ আগাতে পারেনি। আমরা আশা করবো, যুবকরা আমাদের হতাশ করবে না। তারা আমাদের সামনে নিয়ে এগিয়ে যাবে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, এখানে দুইজন প্রার্থী আছেন, দুইজনকে আপনারা চিনেন। নাহিদ ইসলামের জন্ম এখানে, বেড়ে ওঠাও। এখানে আমি মার কাছে মাসির গল্প শোনাতে চাই না।
আমার চাইতে নাহিদকে আপনারা ভালো চিনেন। কিন্তু এটা বলতে চাই, ইনসাফের বাংলাদেশের পক্ষে জনগণের রায় আল্লাহর মেহেরবানিতে যদি অর্জিত হয়, তাহলে সেই সরকারে অবশ্যই নাহিদ ইসলামকে আপনারা একজন মন্ত্রী হিসেবে দেখবেন, ইনশাআল্লাহ।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৯
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আজকে যারা দাঁড়িপাল্লা নিয়ে আসছে তারা স্বার্থন্বেষী মহল। তারা বলেন, দাঁড়িপাল্লা ইনসাফের প্রতীক।
হ্যাঁ; কোন ইনসাফ! দাঁড়িপাল্লার পাল্লা দুইটা। এক পাল্লায় দেখি গোপনে আমেরিকা, অন্য পাল্লায় দেখি গোপনে ভারত। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, আমরা বাংলাদেশের মানুষ। আমরা আমেরিকার ইনসাফ দেখতে চাই না, আমরা ভারতে ইনসাফ দেখতে চাই না। আমরা ইসলামের ইনসাফ দেখতে চাই।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত কেউ বলেনি আমরা ইসলামভিক্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। তারা বলেছে, প্রচলিত ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবো।
আমরা বলেছি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যদি বিজয়ী হয়, তাহলে আমরা ইসলামভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। ৫৪ বছর দেশ স্বাধীন হলো। প্রচলিত এই আইনের কারণেই দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে চোরের দেশে পরিণত হয়েছে।
এই আইনের কারণেই এই দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে বিদেশে বেগমপাড়া তৈরি হয়েছে। এই আইনের কারণেই অন্য দেশের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নয়নের ফুলঝুরি দেখাতে পারবো না। আমরা দেখেছি যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন বিএনপি ঘর ছেড়ে পালায়, যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখন আওয়ামী লীগ ঘর ছেড়ে পালায়।
ইসলামী আন্দোলন যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কোনো নিরপরাধ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে হবে না। এ সময় হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে বলেন, হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে যদি একটা ভোট পড়ে তাহলে ইসলামের পক্ষে একটা শক্তি বাড়ে।
তাই নতুন ভোটারসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।উপজেলার পাবলিক মাঠে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা কমিটির সভাপতি ও হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারী।
আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা নাসির আহমেদ কাউসার, হাবিবুর রহমান মিসবাহ, বাউফল উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব আবুল হোসেন হাওলাদার এবং মাওলানা নুরুল আমিন প্রমুখ।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৭
দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ভোটের হারানো দিনের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছে বলেন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে এবার সময় এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন আর দেশ পুনর্গঠনে হাত দেওয়ার।
তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়তে চাই, এজন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে নারীরা স্বাবলম্বী হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষক সহজে ঋণ-সার-ফসলের বীজ পাবেন।
১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।
তিনি বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আইটি সেক্টরেও হাব তৈরি করা হবে।
পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়।
এসময় নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট জিতলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন জোটের প্রধান দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড্ডায় ঢাকা-১১ আসনে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কেউ ঠেকাতে পারবে না।
এদেশের মানুষ মেধাবী এবং পরিশ্রমী। অতীতের নেতৃত্বের মধ্যে সততার অভাব ছিল। তাদের মধ্যে দুর্নীতি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার সেই শপথ ছিল না।
দেশের প্রতি দায় ছিল না। এই জন্যেই বাংলাদেশ আগাতে পারেনি। আমরা আশা করবো, যুবকরা আমাদের হতাশ করবে না। তারা আমাদের সামনে নিয়ে এগিয়ে যাবে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, এখানে দুইজন প্রার্থী আছেন, দুইজনকে আপনারা চিনেন। নাহিদ ইসলামের জন্ম এখানে, বেড়ে ওঠাও। এখানে আমি মার কাছে মাসির গল্প শোনাতে চাই না।
আমার চাইতে নাহিদকে আপনারা ভালো চিনেন। কিন্তু এটা বলতে চাই, ইনসাফের বাংলাদেশের পক্ষে জনগণের রায় আল্লাহর মেহেরবানিতে যদি অর্জিত হয়, তাহলে সেই সরকারে অবশ্যই নাহিদ ইসলামকে আপনারা একজন মন্ত্রী হিসেবে দেখবেন, ইনশাআল্লাহ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আজকে যারা দাঁড়িপাল্লা নিয়ে আসছে তারা স্বার্থন্বেষী মহল। তারা বলেন, দাঁড়িপাল্লা ইনসাফের প্রতীক।
হ্যাঁ; কোন ইনসাফ! দাঁড়িপাল্লার পাল্লা দুইটা। এক পাল্লায় দেখি গোপনে আমেরিকা, অন্য পাল্লায় দেখি গোপনে ভারত। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, আমরা বাংলাদেশের মানুষ। আমরা আমেরিকার ইনসাফ দেখতে চাই না, আমরা ভারতে ইনসাফ দেখতে চাই না। আমরা ইসলামের ইনসাফ দেখতে চাই।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত কেউ বলেনি আমরা ইসলামভিক্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। তারা বলেছে, প্রচলিত ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবো।
আমরা বলেছি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যদি বিজয়ী হয়, তাহলে আমরা ইসলামভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। ৫৪ বছর দেশ স্বাধীন হলো। প্রচলিত এই আইনের কারণেই দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে চোরের দেশে পরিণত হয়েছে।
এই আইনের কারণেই এই দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে বিদেশে বেগমপাড়া তৈরি হয়েছে। এই আইনের কারণেই অন্য দেশের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নয়নের ফুলঝুরি দেখাতে পারবো না। আমরা দেখেছি যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন বিএনপি ঘর ছেড়ে পালায়, যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখন আওয়ামী লীগ ঘর ছেড়ে পালায়।
ইসলামী আন্দোলন যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কোনো নিরপরাধ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে হবে না। এ সময় হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে বলেন, হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে যদি একটা ভোট পড়ে তাহলে ইসলামের পক্ষে একটা শক্তি বাড়ে।
তাই নতুন ভোটারসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।উপজেলার পাবলিক মাঠে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা কমিটির সভাপতি ও হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারী।
আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা নাসির আহমেদ কাউসার, হাবিবুর রহমান মিসবাহ, বাউফল উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব আবুল হোসেন হাওলাদার এবং মাওলানা নুরুল আমিন প্রমুখ।
দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ভোটের হারানো দিনের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছে বলেন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে এবার সময় এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন আর দেশ পুনর্গঠনে হাত দেওয়ার।
তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়তে চাই, এজন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে নারীরা স্বাবলম্বী হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষক সহজে ঋণ-সার-ফসলের বীজ পাবেন।
১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।
তিনি বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আইটি সেক্টরেও হাব তৈরি করা হবে।
পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়।
এসময় নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২