
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে নির্বাচনী জনসভা ও গণমিছিল করেছেন বরিশাল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপি নগরীর সদর রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা আয়োজন করে। এ সময় গণমিছিল ও নির্বাচনী জনসভা জনস্রোতে রূপ নেয়। মিছিলে ধানের শীষের ভোট চেয়ে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।
প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক প্রকাশ করে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া প্রথম নির্বাচন। শোককে শক্তিকে রূপান্তর করে জনগণ তার প্রতি সম্মান এবং ভালোবাসা রেখে বিএনপিকে বিজয়ী করবে। ইনশাআল্লাহ আমরা বিজয়ী হয়ে ভোটের ফলাল নিয়েই ঘরে ফিরব।
তিনি আরও বলেন, দলের সকল পর্যায়ের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত কাজ করতে হবে।
গণমিছিলে বরিশাল মহানগরের ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে নির্বাচনী জনসভা ও গণমিছিল করেছেন বরিশাল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপি নগরীর সদর রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা আয়োজন করে। এ সময় গণমিছিল ও নির্বাচনী জনসভা জনস্রোতে রূপ নেয়। মিছিলে ধানের শীষের ভোট চেয়ে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।
প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক প্রকাশ করে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া প্রথম নির্বাচন। শোককে শক্তিকে রূপান্তর করে জনগণ তার প্রতি সম্মান এবং ভালোবাসা রেখে বিএনপিকে বিজয়ী করবে। ইনশাআল্লাহ আমরা বিজয়ী হয়ে ভোটের ফলাল নিয়েই ঘরে ফিরব।
তিনি আরও বলেন, দলের সকল পর্যায়ের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত কাজ করতে হবে।
গণমিছিলে বরিশাল মহানগরের ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবিধান অনুসরণ করে জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন- তা নিশ্চিতে কাজ করবে সেনাবাহিনী।
রোববার (০৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর বান্দ রোডে এলজিইজি কার্যালয়ের সভা কক্ষে এই সভা হয়।
সভায় সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসন ও অনান্য বাহিনীকে সহয়তা প্রদান করে আইনশৃংখলা রক্ষা, ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে না।
মেজর সৈকত বলেন, সেনাবাহিনীর একমাত্র লক্ষ্য সংবিধান অনুসরন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যাতে সকলে নিশ্চিন্তে, শান্তিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
এসময় বরিশালে শহর এলাকায় সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত এবং নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছে সেনাবাহিনী। এসময় তারা গণমাধ্যম কর্মীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় মেজর রাকিব, ক্যাপ্টেন মেহেদী, লেফটেন্যান্ট শাফিনসহ বরিশালের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবিধান অনুসরণ করে জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন- তা নিশ্চিতে কাজ করবে সেনাবাহিনী।
রোববার (০৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর বান্দ রোডে এলজিইজি কার্যালয়ের সভা কক্ষে এই সভা হয়।
সভায় সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসন ও অনান্য বাহিনীকে সহয়তা প্রদান করে আইনশৃংখলা রক্ষা, ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে না।
মেজর সৈকত বলেন, সেনাবাহিনীর একমাত্র লক্ষ্য সংবিধান অনুসরন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যাতে সকলে নিশ্চিন্তে, শান্তিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
এসময় বরিশালে শহর এলাকায় সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত এবং নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছে সেনাবাহিনী। এসময় তারা গণমাধ্যম কর্মীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় মেজর রাকিব, ক্যাপ্টেন মেহেদী, লেফটেন্যান্ট শাফিনসহ বরিশালের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৯
বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ক্যান্সার সচেতনতামূলক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষ্যে রোববার সকালে হাসপাতালের পিছনের গেট থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়।
এরপর কলেজের সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের উদ্যোগে এই কর্মসূচি হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের প্রধান ডা. আ ন ম মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তৃতা দেন, শেবাচিমের অধ্যক্ষ ডা. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. হানিফ হাওলাদার, ডা. ফারহানা খান, ডা. মহসিন হাওলাদার।
এসময় বক্তারা বলেন, ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়। সময়মতো শনাক্ত হলে অধিকাংশ ক্যান্সারই নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসাযোগ্য। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ধূমপান ও তামাক বর্জন করে সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শরীরে কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান চিকিৎসকরা।
বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ক্যান্সার সচেতনতামূলক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষ্যে রোববার সকালে হাসপাতালের পিছনের গেট থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়।
এরপর কলেজের সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের উদ্যোগে এই কর্মসূচি হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের প্রধান ডা. আ ন ম মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তৃতা দেন, শেবাচিমের অধ্যক্ষ ডা. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. হানিফ হাওলাদার, ডা. ফারহানা খান, ডা. মহসিন হাওলাদার।
এসময় বক্তারা বলেন, ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়। সময়মতো শনাক্ত হলে অধিকাংশ ক্যান্সারই নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসাযোগ্য। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ধূমপান ও তামাক বর্জন করে সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শরীরে কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান চিকিৎসকরা।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.