Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৬
আসন্ন ঈদযাত্রায় কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই মানুষ যেন নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, রেলপথ, নৌপরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বহুল প্রতীক্ষিত গোমা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়বে, যা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সমন্বিতভাবে কাজ করায় এবার ঈদযাত্রা স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এখনও দুই লেনের হওয়ায় যান চলাচলে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই সড়কটি তুলনামূলকভাবে সরু হওয়ায় স্বাভাবিক চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। সরকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে এবং দ্রুত সড়কটি প্রশস্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি নিজে সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।
বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
গোমা সেতুর গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সেতু কেবল একটি এলাকার নয়, বরং বরিশাল ও পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন একটি অংশের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করবে। ফলে এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
অনুষ্ঠানে সড়ক প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানসহ সড়ক বিভাগ ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রায় এক দশক পর বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করে গোমা সেতু উদ্বোধনের পর বিকেল ৩টার পর সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বরিশালের লক্ষ্মীপাশা থেকে পটুয়াখালীর দুমকী সড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙামাটি নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে এই সেতু। প্রায় ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ ও দুমকী উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আগে এই পথে দুটি ফেরিঘাট থাকায় যাতায়াতে সময় বেশি লাগত। গোমা সেতু চালু হওয়ায় একটি ফেরির প্রয়োজনীয়তা কমে গিয়ে যাতায়াত আরও সহজ ও দ্রুত হবে।
২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর একনেক সভায় গোমা সেতু প্রকল্প অনুমোদন পায়। শুরুতে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫৭ কোটি ৬২ লাখ ১৫ হাজার টাকা। পরে সংশোধনের মাধ্যমে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৯২ কোটি ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকায়। সেতুর উচ্চতা বৃদ্ধি এবং নৌযান চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে কারিগরি পরিবর্তনের কারণে ব্যয় বৃদ্ধি পায়।
২৮৩ দশমিক ১৮৮ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুটি পিসি গার্ডার ও স্টিল ট্রাস কাঠামোয় নির্মিত হয়েছে। সেতুর সঙ্গে প্রায় ১ দশমিক ৯০ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় মোট ৬ দশমিক ৫১৮ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি চারটি ৮ মিটার এবং একটি ৬ মিটার আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। নদীর দুই পাড়ে প্রায় ১১ হাজার ৮৬০ বর্গমিটার এলাকায় নদী শাসনকাজ এবং ৩১ হাজার ৮৮৬ বর্গমিটার এলাকায় কংক্রিট স্লোপ প্রটেকশন করা হয়েছে।
গোমা সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে এবং নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
আসন্ন ঈদযাত্রায় কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই মানুষ যেন নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, রেলপথ, নৌপরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বহুল প্রতীক্ষিত গোমা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়বে, যা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সমন্বিতভাবে কাজ করায় এবার ঈদযাত্রা স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এখনও দুই লেনের হওয়ায় যান চলাচলে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই সড়কটি তুলনামূলকভাবে সরু হওয়ায় স্বাভাবিক চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। সরকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে এবং দ্রুত সড়কটি প্রশস্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি নিজে সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।
বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
গোমা সেতুর গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সেতু কেবল একটি এলাকার নয়, বরং বরিশাল ও পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন একটি অংশের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করবে। ফলে এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
অনুষ্ঠানে সড়ক প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানসহ সড়ক বিভাগ ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রায় এক দশক পর বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করে গোমা সেতু উদ্বোধনের পর বিকেল ৩টার পর সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বরিশালের লক্ষ্মীপাশা থেকে পটুয়াখালীর দুমকী সড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙামাটি নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে এই সেতু। প্রায় ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ ও দুমকী উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আগে এই পথে দুটি ফেরিঘাট থাকায় যাতায়াতে সময় বেশি লাগত। গোমা সেতু চালু হওয়ায় একটি ফেরির প্রয়োজনীয়তা কমে গিয়ে যাতায়াত আরও সহজ ও দ্রুত হবে।
২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর একনেক সভায় গোমা সেতু প্রকল্প অনুমোদন পায়। শুরুতে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫৭ কোটি ৬২ লাখ ১৫ হাজার টাকা। পরে সংশোধনের মাধ্যমে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৯২ কোটি ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকায়। সেতুর উচ্চতা বৃদ্ধি এবং নৌযান চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে কারিগরি পরিবর্তনের কারণে ব্যয় বৃদ্ধি পায়।
২৮৩ দশমিক ১৮৮ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুটি পিসি গার্ডার ও স্টিল ট্রাস কাঠামোয় নির্মিত হয়েছে। সেতুর সঙ্গে প্রায় ১ দশমিক ৯০ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় মোট ৬ দশমিক ৫১৮ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি চারটি ৮ মিটার এবং একটি ৬ মিটার আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। নদীর দুই পাড়ে প্রায় ১১ হাজার ৮৬০ বর্গমিটার এলাকায় নদী শাসনকাজ এবং ৩১ হাজার ৮৮৬ বর্গমিটার এলাকায় কংক্রিট স্লোপ প্রটেকশন করা হয়েছে।
গোমা সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে এবং নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

২৫ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৪৫
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনে অনিয়ম করায় বরিশালের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হক এবং ভোলার দৌলতখান উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তা এসএম ইশতিয়াক আহমাদকে যথাক্রমে বেতন বৃদ্ধি স্থগিত ও গ্রেড অবনমনের শাস্তি দিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (২৪ মার্চ) এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
বরিশালের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হকের ক্ষেত্রে জারি করা ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের অভিযোগে বরিশালের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ প্রাথমিক যাচাইয়ে সত্য প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’- এর অভিযোগ আনা হয়।
কারণ দর্শানোর জবাব ও ব্যক্তিগত শুনানি শেষে গঠিত তদন্ত বোর্ড অভিযোগ প্রমাণিত বলে প্রতিবেদন দেয়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফা কারণ দর্শানোর জবাবে তিনি অনিচ্ছাকৃত ভুলের কথা স্বীকার করেন। নথি পর্যালোচনা শেষে তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’ এবং এক বছরের জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। বিভাগীয় মামলা নম্বর-১৪/২০২৫ এর মাধ্যমে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।
এদিকে দৌলতখান উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম ইশতিয়াক আহমাদের ক্ষেত্রে জারি করা ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাচন অফিসার এস এম ইশতিয়াক আহমাদের বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তে দেখা যায়, প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত ও জন্ম সনদ থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করে তিনি নয়টি এনআইডি সংশোধনের আবেদন অনুমোদন করেন এবং প্রযোজ্য নির্দেশনাও অমান্য করেন।
এ ঘটনায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে শুনানি ও তদন্ত শেষে ‘অসদাচরণ’- এর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবসহ সবকিছু পর্যালোচনায় তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে বেতন গ্রেডের নিম্নতর ধাপে অবনমিত করা হয়েছে।
আদেশ অনুযায়ী, তার বর্তমান মূল বেতন ২১ হাজার ৪৭০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বিভাগীয় মামলা নম্বর-১৭/২০২৫ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।’

২৩ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৯

২৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২৩
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনে অনিয়ম করায় বরিশালের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হক এবং ভোলার দৌলতখান উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তা এসএম ইশতিয়াক আহমাদকে যথাক্রমে বেতন বৃদ্ধি স্থগিত ও গ্রেড অবনমনের শাস্তি দিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (২৪ মার্চ) এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
বরিশালের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হকের ক্ষেত্রে জারি করা ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের অভিযোগে বরিশালের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ প্রাথমিক যাচাইয়ে সত্য প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’- এর অভিযোগ আনা হয়।
কারণ দর্শানোর জবাব ও ব্যক্তিগত শুনানি শেষে গঠিত তদন্ত বোর্ড অভিযোগ প্রমাণিত বলে প্রতিবেদন দেয়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফা কারণ দর্শানোর জবাবে তিনি অনিচ্ছাকৃত ভুলের কথা স্বীকার করেন। নথি পর্যালোচনা শেষে তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’ এবং এক বছরের জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। বিভাগীয় মামলা নম্বর-১৪/২০২৫ এর মাধ্যমে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।
এদিকে দৌলতখান উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম ইশতিয়াক আহমাদের ক্ষেত্রে জারি করা ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাচন অফিসার এস এম ইশতিয়াক আহমাদের বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তে দেখা যায়, প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত ও জন্ম সনদ থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করে তিনি নয়টি এনআইডি সংশোধনের আবেদন অনুমোদন করেন এবং প্রযোজ্য নির্দেশনাও অমান্য করেন।
এ ঘটনায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে শুনানি ও তদন্ত শেষে ‘অসদাচরণ’- এর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবসহ সবকিছু পর্যালোচনায় তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে বেতন গ্রেডের নিম্নতর ধাপে অবনমিত করা হয়েছে।
আদেশ অনুযায়ী, তার বর্তমান মূল বেতন ২১ হাজার ৪৭০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বিভাগীয় মামলা নম্বর-১৭/২০২৫ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।’
বরিশালের বাবুগঞ্জে মাদক বেচাকেনার সময় হাতেনাতে আটক মাদকব্যবসায়ী এক ইয়াবা বিক্রেতাকে জরিমানসহ ১ বছরের কারাদণ্ড এবং তার মাদকসেবি ক্রেতাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় তাদের হেফাজত থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও বিক্রিত টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের লোহালিয়া গ্রামে ওই অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনা। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন লোহালিয়া গ্রামের মাদকব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন মিয়া (৪০) এবং মাদকসেবি জয়নাল আবেদীন (৪২)। দেলোয়ার লোহালিয়া গ্রামে মাদকসম্রাট নামে পরিচিত এবং স্থানীয় শাহজাহান মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
জানা যায়, উপজেলার লোহালিয়া গ্রামের একটি বাড়িতে মাদকের আস্তানা বসেছে এবং সেখানে ইয়াবা বেচাকেনা চলছে- গোপন সোর্সের মাধ্যমে এমন খবর পাওয়ার পরে সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় জয়নালের বাড়িতে বসে মাদকদ্রব্য বেচাকেনাকালে হাতেনাতে আটক হন লোহালিয়া গ্রামের কুখ্যাত মাদকসম্রাট ইয়াবা বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন মিয়া এবং তার মাদকসেবি ক্রেতা জয়নাল আবেদীন। তাদের কাছ থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও মাদক বিক্রির নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন মিয়াকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং ক্রেতা জয়নাল আবেদীনকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। রায় কার্যকর করে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্তদের বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক আসমা উল হুসনা বলেন, 'সোর্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আজ দুপুরে তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় লোহালিয়া গ্রামের কুখ্যাত মাদকসম্রাট দেলোয়ার এবং তার ক্রেতা জয়নালকে মাদকসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত আলামত, উপস্থিত সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং অভিযুক্তদের দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮'এর ৩৬(১) ধারা অনুযায়ী উভয়ে দোষী সাব্যস্ত হয়। এসময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিক্রেতা দেলোয়ারকে ১ বছরের কারাদণ্ড এবং ক্রেতা জয়নালকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়াও তাদের উভয়কেই যথাক্রমে ২ হাজার এবং ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের এই মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জে মাদক বেচাকেনার সময় হাতেনাতে আটক মাদকব্যবসায়ী এক ইয়াবা বিক্রেতাকে জরিমানসহ ১ বছরের কারাদণ্ড এবং তার মাদকসেবি ক্রেতাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় তাদের হেফাজত থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও বিক্রিত টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের লোহালিয়া গ্রামে ওই অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনা। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন লোহালিয়া গ্রামের মাদকব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন মিয়া (৪০) এবং মাদকসেবি জয়নাল আবেদীন (৪২)। দেলোয়ার লোহালিয়া গ্রামে মাদকসম্রাট নামে পরিচিত এবং স্থানীয় শাহজাহান মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
জানা যায়, উপজেলার লোহালিয়া গ্রামের একটি বাড়িতে মাদকের আস্তানা বসেছে এবং সেখানে ইয়াবা বেচাকেনা চলছে- গোপন সোর্সের মাধ্যমে এমন খবর পাওয়ার পরে সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় জয়নালের বাড়িতে বসে মাদকদ্রব্য বেচাকেনাকালে হাতেনাতে আটক হন লোহালিয়া গ্রামের কুখ্যাত মাদকসম্রাট ইয়াবা বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন মিয়া এবং তার মাদকসেবি ক্রেতা জয়নাল আবেদীন। তাদের কাছ থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও মাদক বিক্রির নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন মিয়াকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং ক্রেতা জয়নাল আবেদীনকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। রায় কার্যকর করে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্তদের বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক আসমা উল হুসনা বলেন, 'সোর্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আজ দুপুরে তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় লোহালিয়া গ্রামের কুখ্যাত মাদকসম্রাট দেলোয়ার এবং তার ক্রেতা জয়নালকে মাদকসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত আলামত, উপস্থিত সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং অভিযুক্তদের দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮'এর ৩৬(১) ধারা অনুযায়ী উভয়ে দোষী সাব্যস্ত হয়। এসময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিক্রেতা দেলোয়ারকে ১ বছরের কারাদণ্ড এবং ক্রেতা জয়নালকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়াও তাদের উভয়কেই যথাক্রমে ২ হাজার এবং ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের এই মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।' #

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের পল্লীতে সালিশ বৈঠকে পুলিশের সমক্ষে জনৈক শ্রমিককে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঈদের পর দিন অর্থাৎ রোববার বিকেলে সালিশ চলাকালে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পৌরসভার দক্ষিণ চরহোগলায় গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্ব খোরশেদকে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদার লোকজন নিয়ে এলোপাতাড়ি পিটুনি দিলে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ এবং বিএনপি নেতাদের সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকায় নদীবেষ্টিত মেহেন্দিগঞ্জের এই রোমহর্ষক ঘটনাটি বেশিমাত্রায় আলোচিত হচ্ছে। বিশেষ করে মারামারির বেশকিছু ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। শাসক দল বিএনপি এই বর্বরতার ঘটনায় তাদের দলীয় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারের পদ ইতিমধ্যে কেড়ে নিলেও থানা পুলিশ নিজেদের দায় এড়াতে বিভিন্ন কৌশল নিয়েছে।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের কাছে আড়াই লাখ টাকা পাবেন দাবি করে রোববার থানায় অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিকেলে ঘটনাস্থল ছুটে যান মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই নাজমুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ কর্মকর্তা নামজুল উভয়পক্ষের সাথে আলোচনা করে দুই প্রতিবেশি জাহাঙ্গীর এবং খোরশেদকে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকের ভিডিও ধারণ করছিলেন রাজধানী ঢাকার হাজারীবাগের ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের পক্ষের লোকজন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিএনপি নেতা এবং তার বাহিনী। একপার্যায়ে উভয়গ্রুপ এনিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। অন্তত আধা ঘণ্টার সংঘাত-সংষর্ষে ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের মৃত্যু হলে বিএনপি নেতাসহ ক্যাডার বাহিনী পালিয়ে যায়।
এই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, দুটি গ্রুপের লোকজন চেয়ার এবং লাঠিসোটা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পোশাক পরিহিত ৪/৫ জন পুলিশ সদস্য সংঘাত থামানোতো দূরের কথা, যেনো পুরো বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছেন। পুলিশের উপস্থিতিতে বিএনপির নেতা নেতৃত্বে ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষ হত্যার বিষয়টি বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব বলছে, সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনেক আগেই বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করেছেন জাহাঙ্গীর হাওলাদার, এই ঘটনায় তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়।
সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে পুলিশেরও নিষেধাজ্ঞা আছে, ইতিপূর্বে উচ্চআদালত অসংখ্যবার থানাসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমঝোতা বা আপস-মীমাংসায় অংশ নিতে বারণ করেছেন। এবং এই নির্দেশনা কঠোরভাবে প্রতিপালন করতেও পুলিশের উচ্চমহলকে জানানো হয়। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, পুলিশ আদালতের এই নির্দেশনার কোনো গুরুত্বই দেয় না, বরং থানাগুলোকে এক ধরনের সালিশ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের এই বর্বরতা হয়তো তারই জ¦লন্ত উদাহরণ বা খেসারত।
নিহতের ভাতিজা রাকিব সিকদার সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, আমার চাচাকে বিএনপি জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে তাকে খুন করা হয়, যা অসংখ্য মানুষ প্রত্যক্ষ করেছেন। কিন্তু কেউ তার জীবন রক্ষার্থে এগিয়ে আসেনি, কারণ বিএনপি নেতার সন্ত্রাসী বাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী এবং পুলিশ তাদের সহযোগিতা করে।
সালিশ বৈঠকে বসা এবং সেখানে খুন এই বিতর্কিত বিষয়ে জানতে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমানকে সোমবার অপরাহ্নে ফোন করেও পাওয়া যায়নি। তার অফিসিয়াল মোবাইলে রিং হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে ওসি এর আগে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলেছেন এবং জানান, ঘটনাটি তদন্ত করাসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। জেলা পুলিশের একটি সূত্র বলছে, এমনিতেই সালিশেতে পুলিশের অংশগ্রহণে বারণ আছে, তদুপরি সেখানে খুন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ওসি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের চাপের মুখে আছেন এবং মিডিয়াকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে সংবাদকর্মীদের ফোন তুলছেন।
তবে বরিশাল জেলা পুলিশ এজেড এম মোস্তাফিজুর রহমান এ প্রতিবেদককে যা বলছেন, তা স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সাথে অমিল রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তার দাবি, অভিযোগ এবং দু’গ্রুপের মধ্যেকার উত্তেজনার খবর পেয়ে রোববার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। তখন উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু একটি পক্ষ বিকালে ফোন করে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার বিষয়টি অবহিত করে, ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছানোর আগেই দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং এতে একজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় সোমবার নামধারী ৫ জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা করা হয়েছে এবং পুলিশ তাদের ধরতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে। পরিশেষে এসপি মন্তব্য করেন, পুলিশ সালিশ করেনি এবং করতেও পারে না।
মেহেন্দিগঞ্জ পল্লীর এই আলোচিত ঘটনায় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারকে বিএনপি থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। পৌর বিএনপির সদস্যসচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী (দিনু মিয়া) সাংবাদিকদের বলেন, বিশৃঙ্খলায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাহাঙ্গীরের পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের পল্লীতে সালিশ বৈঠকে পুলিশের সমক্ষে জনৈক শ্রমিককে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঈদের পর দিন অর্থাৎ রোববার বিকেলে সালিশ চলাকালে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পৌরসভার দক্ষিণ চরহোগলায় গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্ব খোরশেদকে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদার লোকজন নিয়ে এলোপাতাড়ি পিটুনি দিলে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ এবং বিএনপি নেতাদের সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকায় নদীবেষ্টিত মেহেন্দিগঞ্জের এই রোমহর্ষক ঘটনাটি বেশিমাত্রায় আলোচিত হচ্ছে। বিশেষ করে মারামারির বেশকিছু ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। শাসক দল বিএনপি এই বর্বরতার ঘটনায় তাদের দলীয় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারের পদ ইতিমধ্যে কেড়ে নিলেও থানা পুলিশ নিজেদের দায় এড়াতে বিভিন্ন কৌশল নিয়েছে।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের কাছে আড়াই লাখ টাকা পাবেন দাবি করে রোববার থানায় অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিকেলে ঘটনাস্থল ছুটে যান মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই নাজমুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ কর্মকর্তা নামজুল উভয়পক্ষের সাথে আলোচনা করে দুই প্রতিবেশি জাহাঙ্গীর এবং খোরশেদকে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকের ভিডিও ধারণ করছিলেন রাজধানী ঢাকার হাজারীবাগের ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের পক্ষের লোকজন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিএনপি নেতা এবং তার বাহিনী। একপার্যায়ে উভয়গ্রুপ এনিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। অন্তত আধা ঘণ্টার সংঘাত-সংষর্ষে ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের মৃত্যু হলে বিএনপি নেতাসহ ক্যাডার বাহিনী পালিয়ে যায়।
এই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, দুটি গ্রুপের লোকজন চেয়ার এবং লাঠিসোটা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পোশাক পরিহিত ৪/৫ জন পুলিশ সদস্য সংঘাত থামানোতো দূরের কথা, যেনো পুরো বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছেন। পুলিশের উপস্থিতিতে বিএনপির নেতা নেতৃত্বে ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষ হত্যার বিষয়টি বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব বলছে, সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনেক আগেই বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করেছেন জাহাঙ্গীর হাওলাদার, এই ঘটনায় তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়।
সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে পুলিশেরও নিষেধাজ্ঞা আছে, ইতিপূর্বে উচ্চআদালত অসংখ্যবার থানাসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমঝোতা বা আপস-মীমাংসায় অংশ নিতে বারণ করেছেন। এবং এই নির্দেশনা কঠোরভাবে প্রতিপালন করতেও পুলিশের উচ্চমহলকে জানানো হয়। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, পুলিশ আদালতের এই নির্দেশনার কোনো গুরুত্বই দেয় না, বরং থানাগুলোকে এক ধরনের সালিশ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের এই বর্বরতা হয়তো তারই জ¦লন্ত উদাহরণ বা খেসারত।
নিহতের ভাতিজা রাকিব সিকদার সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, আমার চাচাকে বিএনপি জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে তাকে খুন করা হয়, যা অসংখ্য মানুষ প্রত্যক্ষ করেছেন। কিন্তু কেউ তার জীবন রক্ষার্থে এগিয়ে আসেনি, কারণ বিএনপি নেতার সন্ত্রাসী বাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী এবং পুলিশ তাদের সহযোগিতা করে।
সালিশ বৈঠকে বসা এবং সেখানে খুন এই বিতর্কিত বিষয়ে জানতে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমানকে সোমবার অপরাহ্নে ফোন করেও পাওয়া যায়নি। তার অফিসিয়াল মোবাইলে রিং হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে ওসি এর আগে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলেছেন এবং জানান, ঘটনাটি তদন্ত করাসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। জেলা পুলিশের একটি সূত্র বলছে, এমনিতেই সালিশেতে পুলিশের অংশগ্রহণে বারণ আছে, তদুপরি সেখানে খুন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ওসি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের চাপের মুখে আছেন এবং মিডিয়াকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে সংবাদকর্মীদের ফোন তুলছেন।
তবে বরিশাল জেলা পুলিশ এজেড এম মোস্তাফিজুর রহমান এ প্রতিবেদককে যা বলছেন, তা স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সাথে অমিল রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তার দাবি, অভিযোগ এবং দু’গ্রুপের মধ্যেকার উত্তেজনার খবর পেয়ে রোববার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। তখন উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু একটি পক্ষ বিকালে ফোন করে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার বিষয়টি অবহিত করে, ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছানোর আগেই দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং এতে একজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় সোমবার নামধারী ৫ জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা করা হয়েছে এবং পুলিশ তাদের ধরতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে। পরিশেষে এসপি মন্তব্য করেন, পুলিশ সালিশ করেনি এবং করতেও পারে না।
মেহেন্দিগঞ্জ পল্লীর এই আলোচিত ঘটনায় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারকে বিএনপি থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। পৌর বিএনপির সদস্যসচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী (দিনু মিয়া) সাংবাদিকদের বলেন, বিশৃঙ্খলায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাহাঙ্গীরের পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’