
০৫ জুন, ২০২৬ ১৮:৫২
পটুয়াখালীর গলাচিপায় মার্জিয়া নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের চর সুহুরী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মার্জিয়া (২০) গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা মো. আলতাফ হোসেন হাওলাদার বাদী হয়ে শুক্রবার গলাচিপা থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় মার্জিয়ার স্বামী রাসেল হাওলাদার ও রাসেলের বন্ধু লিমনকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়।
মামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার।
আসামিরা হলেন স্বামী রাসেল হাওলাদার (২৫), রাসেলের বন্ধু লিমন (২৫) রাসেলের বাবা মো. বাচ্চু হাওলাদার (৪৭) ও মা মোসা. মাসুমা বেগম (৪৪)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের মো. রাসেল হাওলাদারের সঙ্গে একই এলাকার আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে মার্জিয়ার প্রায় আড়াই বছর আগে বিয়ে হয়।
বিয়ের পর থেকেই রাসেলের বাবা বাচ্চু হাওলাদার ও মা মাসুমা বেগম প্রায়ই মার্জিয়াকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করত। এতে মার্জিয়া মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
এদিকে, মার্জিয়ার স্বামী রাসেল ও তার বন্ধু লিমন দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে মাদক সেবন করে আসছিল। মার্জিয়া তার স্বামীকে মাদক সেবন ও বন্ধু লিমনের সঙ্গে মিশতে বাধা দেয়।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাসেল মার্জিয়াকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। পরবর্তীতে মার্জিয়া বিষয়টি তার শ্বশুর ও শ্বাশুড়িকে জানালে তারা বিষয়টি আমলে না নিয়ে উল্টো তাকে (মার্জিয়া) বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথা শুনাত।
মামলায় আরো বলা হয়, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাসেলের বন্ধু লিমন তাদের (রাসেলের) ঘরে আসে। তখন মার্জিয়া লিমনকে ঘরে দেখতে পেয়ে স্বামীর কাছে জানতে চায়-লিমন কেন ঘরে এসেছে? তখন রাসেল উত্তেজিত হয়ে মার্জিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথাবার্তা বলেন।
এর পর বন্ধু লিমনকে নিয়ে বাইরে যাওয়ার সময় মার্জিয়া যেতে বাধা দেয়। এ সময় রাসেল আবারও মার্জিয়াকে গালাগাল করে।
ঘটনাটি শ্বশুর ও শাশুড়িকে জানালে তারাও গালাগালসহ অপমানজনক কথাবার্তা বলেন। এতে অভিমানে মার্জিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়।
পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা আলতাফ হোসেন গলাচিপা থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর গলাচিপায় মার্জিয়া নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের চর সুহুরী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মার্জিয়া (২০) গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা মো. আলতাফ হোসেন হাওলাদার বাদী হয়ে শুক্রবার গলাচিপা থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় মার্জিয়ার স্বামী রাসেল হাওলাদার ও রাসেলের বন্ধু লিমনকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়।
মামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার।
আসামিরা হলেন স্বামী রাসেল হাওলাদার (২৫), রাসেলের বন্ধু লিমন (২৫) রাসেলের বাবা মো. বাচ্চু হাওলাদার (৪৭) ও মা মোসা. মাসুমা বেগম (৪৪)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের মো. রাসেল হাওলাদারের সঙ্গে একই এলাকার আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে মার্জিয়ার প্রায় আড়াই বছর আগে বিয়ে হয়।
বিয়ের পর থেকেই রাসেলের বাবা বাচ্চু হাওলাদার ও মা মাসুমা বেগম প্রায়ই মার্জিয়াকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করত। এতে মার্জিয়া মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
এদিকে, মার্জিয়ার স্বামী রাসেল ও তার বন্ধু লিমন দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে মাদক সেবন করে আসছিল। মার্জিয়া তার স্বামীকে মাদক সেবন ও বন্ধু লিমনের সঙ্গে মিশতে বাধা দেয়।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাসেল মার্জিয়াকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। পরবর্তীতে মার্জিয়া বিষয়টি তার শ্বশুর ও শ্বাশুড়িকে জানালে তারা বিষয়টি আমলে না নিয়ে উল্টো তাকে (মার্জিয়া) বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথা শুনাত।
মামলায় আরো বলা হয়, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাসেলের বন্ধু লিমন তাদের (রাসেলের) ঘরে আসে। তখন মার্জিয়া লিমনকে ঘরে দেখতে পেয়ে স্বামীর কাছে জানতে চায়-লিমন কেন ঘরে এসেছে? তখন রাসেল উত্তেজিত হয়ে মার্জিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথাবার্তা বলেন।
এর পর বন্ধু লিমনকে নিয়ে বাইরে যাওয়ার সময় মার্জিয়া যেতে বাধা দেয়। এ সময় রাসেল আবারও মার্জিয়াকে গালাগাল করে।
ঘটনাটি শ্বশুর ও শাশুড়িকে জানালে তারাও গালাগালসহ অপমানজনক কথাবার্তা বলেন। এতে অভিমানে মার্জিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়।
পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা আলতাফ হোসেন গলাচিপা থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৮:০৭
পটুয়াখালীর বাউফলে মায়ের মৃত্যুর পর যেন থমকে গেছে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তিন ভাইয়ের জীবন। ক্ষুধা লাগলে নির্বাক এই তিন ভাই হাতে খাবারের প্লেট নিয়ে বসে থাকেন মায়ের চিতার পাশে।
মানবেতর জীবনযাপন করা এই তিন ভাই এখন বেঁচে আছেন কেবল প্রতিবেশীদের সহায়তার ওপর ভর করে। বাউফল উপজেলার ধূলিয়া ইউনিয়নের চাদকাঠী গ্রামের দাসনগর এলাকায় একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘরে বসবাস করেন রিপন দাস (৪৫),সাধন দাস (৩৮) ও নিদু দাস (৩৫)।
জন্ম থেকেই নানা প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বেড়ে ওঠা এই তিন ভাইয়ের মধ্যে সাধন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, আর রিপন ও নিদু বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ক্ষুধা লাগলে তারা ঠিকমতো খাবারও চাইতে পারেন না।
এক সময় বাবা রতন চন্দ্র দাস ও মা সরস্বতী রানীর স্নেহ-ভালোবাসায় কোনোমতে চলছিল তাদের জীবন। কিন্তু ২০২৫ সালে বাবা মারা যাওয়ার পর সংসারের পুরো দায়িত্ব এসে পড়ে তার মায়ের কাঁধে।
অসুস্থ শরীর নিয়েও তিন সন্তানকে আগলে রেখেছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন লিভার ও কিডনি রোগে ভুগে গত মে মাসে মারা যান মা সরস্বতী রানীও। এরপর থেকেই আশ্রয়হীন হয়ে পড়েন তিন প্রতিবন্ধী ভাই।
পরিবারের পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে বড় বোন প্রায় ২০ বছর আগে ভারতে চলে যান। অপর এক ভাই দিনমজুরের কাজ করে নিজের সংসার চালাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। ফলে তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার মতো সামর্থ্য তারও নেই।
সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা জানান, এখন তাদের জীবন চলে প্রতিবেশীদের দেওয়া খাবারে। কেউ খাবার দিলে তারা খেতে পারেন, না দিলে অনেক সময় না খেয়েই দিন কাটাতে হয়। ক্ষুধার কষ্টে কখনও কখনও তারা খাবারের প্লেট হাতে মায়ের চিতার (কবর) পাশে গিয়ে বসে থাকেন।
স্থানীয় জামাল নামে এক বাসিন্দা বলেন, ‘এক বেলা খাবার খাইলে দুই বেলা না খাইয়া থাকতে হয় তাদের। আমরা যদি খাবার না দেই, তাইলে না খাইয়া দিন কাটে। প্রতিবেশীরা তো সবসময় সাহায্য করতে পারে না।
সমাজের বিত্তবান মানুষ যদি এগিয়ে আসে, তাহলে তাদের একটু উপকার হয়’ আরেক প্রতিবেশী বিমল বলেন, ‘ওদের বাবা মারা যাওয়ার পরও তাদের মা অনেক কষ্ট করে তিন সন্তানকে আগলে রাখছিলেন।
কিন্তু মা মারা যাওয়ার পর তারা একেবারে অসহায় হয়ে গেছে। এখন দুই বেলা খাবার দেওয়ার মতোও কেউ নাই। কেউ দিলে খায়, না দিলে না খাইয়াই থাকতে হয়।’
এদিকে, তিন ভাইয়ের দুর্দশার খবর পেয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, ‘তিন প্রতিবন্ধী ভাই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫০ কেজি চাল ও ১০ হাজার টাকা সহায়াতা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও তাদের পরিবারের যে সুস্থ ভাই আছেন, তার জন্য একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশাসন সবসময় তাদের পাশে থাকবে।’
মা-বাবা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের জীবনে এখন সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা দুবেলা খাবার। ক্ষণস্থায়ী সরকারি সহায়তা মিললেও দীর্ঘমেয়াদে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন স্থায়ী সহযোগিতা ব্যবস্থা করা। স্থানীয়দের আশা, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও মানবিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবেন এ তিন প্রতিবন্ধী ভাই।
পটুয়াখালীর বাউফলে মায়ের মৃত্যুর পর যেন থমকে গেছে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তিন ভাইয়ের জীবন। ক্ষুধা লাগলে নির্বাক এই তিন ভাই হাতে খাবারের প্লেট নিয়ে বসে থাকেন মায়ের চিতার পাশে।
মানবেতর জীবনযাপন করা এই তিন ভাই এখন বেঁচে আছেন কেবল প্রতিবেশীদের সহায়তার ওপর ভর করে। বাউফল উপজেলার ধূলিয়া ইউনিয়নের চাদকাঠী গ্রামের দাসনগর এলাকায় একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘরে বসবাস করেন রিপন দাস (৪৫),সাধন দাস (৩৮) ও নিদু দাস (৩৫)।
জন্ম থেকেই নানা প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বেড়ে ওঠা এই তিন ভাইয়ের মধ্যে সাধন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, আর রিপন ও নিদু বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ক্ষুধা লাগলে তারা ঠিকমতো খাবারও চাইতে পারেন না।
এক সময় বাবা রতন চন্দ্র দাস ও মা সরস্বতী রানীর স্নেহ-ভালোবাসায় কোনোমতে চলছিল তাদের জীবন। কিন্তু ২০২৫ সালে বাবা মারা যাওয়ার পর সংসারের পুরো দায়িত্ব এসে পড়ে তার মায়ের কাঁধে।
অসুস্থ শরীর নিয়েও তিন সন্তানকে আগলে রেখেছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন লিভার ও কিডনি রোগে ভুগে গত মে মাসে মারা যান মা সরস্বতী রানীও। এরপর থেকেই আশ্রয়হীন হয়ে পড়েন তিন প্রতিবন্ধী ভাই।
পরিবারের পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে বড় বোন প্রায় ২০ বছর আগে ভারতে চলে যান। অপর এক ভাই দিনমজুরের কাজ করে নিজের সংসার চালাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। ফলে তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার মতো সামর্থ্য তারও নেই।
সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা জানান, এখন তাদের জীবন চলে প্রতিবেশীদের দেওয়া খাবারে। কেউ খাবার দিলে তারা খেতে পারেন, না দিলে অনেক সময় না খেয়েই দিন কাটাতে হয়। ক্ষুধার কষ্টে কখনও কখনও তারা খাবারের প্লেট হাতে মায়ের চিতার (কবর) পাশে গিয়ে বসে থাকেন।
স্থানীয় জামাল নামে এক বাসিন্দা বলেন, ‘এক বেলা খাবার খাইলে দুই বেলা না খাইয়া থাকতে হয় তাদের। আমরা যদি খাবার না দেই, তাইলে না খাইয়া দিন কাটে। প্রতিবেশীরা তো সবসময় সাহায্য করতে পারে না।
সমাজের বিত্তবান মানুষ যদি এগিয়ে আসে, তাহলে তাদের একটু উপকার হয়’ আরেক প্রতিবেশী বিমল বলেন, ‘ওদের বাবা মারা যাওয়ার পরও তাদের মা অনেক কষ্ট করে তিন সন্তানকে আগলে রাখছিলেন।
কিন্তু মা মারা যাওয়ার পর তারা একেবারে অসহায় হয়ে গেছে। এখন দুই বেলা খাবার দেওয়ার মতোও কেউ নাই। কেউ দিলে খায়, না দিলে না খাইয়াই থাকতে হয়।’
এদিকে, তিন ভাইয়ের দুর্দশার খবর পেয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, ‘তিন প্রতিবন্ধী ভাই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫০ কেজি চাল ও ১০ হাজার টাকা সহায়াতা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও তাদের পরিবারের যে সুস্থ ভাই আছেন, তার জন্য একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশাসন সবসময় তাদের পাশে থাকবে।’
মা-বাবা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের জীবনে এখন সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা দুবেলা খাবার। ক্ষণস্থায়ী সরকারি সহায়তা মিললেও দীর্ঘমেয়াদে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন স্থায়ী সহযোগিতা ব্যবস্থা করা। স্থানীয়দের আশা, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও মানবিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবেন এ তিন প্রতিবন্ধী ভাই।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৭:০২
পর্যটকদের অসচেতনতা এবং যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতের বিভিন্ন স্থানে প্রতিনিয়ত জমা হচ্ছে প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, খাবারের মোড়কসহ নানা ধরনের কঠিন বর্জ্য। এসব বর্জ্য শুধু সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করছে না, বরং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও উপকূলীয় পরিবেশের জন্যও মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠছে। তাই বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ‘প্লাস্টিকমুক্ত কুয়াকাটা’ শীর্ষক পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছেন বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী।
আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সুইচ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ও কোলস গ্লোবালের আয়োজনে সৈকতের ২ কিলোমিটার এলাকায় এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়। পাশাপাশি সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখতে পর্যটকদের সচেতনতার জন্য প্রচারণা চালানো হয়।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) খলিল আহমেদ। এ ছাড়া কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পর্যটকদের অসচেতনতা এবং যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতের বিভিন্ন স্থানে প্রতিনিয়ত জমা হচ্ছে প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, খাবারের মোড়কসহ নানা ধরনের কঠিন বর্জ্য। এসব বর্জ্য শুধু সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করছে না, বরং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও উপকূলীয় পরিবেশের জন্যও মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠছে। তাই বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ‘প্লাস্টিকমুক্ত কুয়াকাটা’ শীর্ষক পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছেন বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী।
আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সুইচ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ও কোলস গ্লোবালের আয়োজনে সৈকতের ২ কিলোমিটার এলাকায় এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়। পাশাপাশি সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখতে পর্যটকদের সচেতনতার জন্য প্রচারণা চালানো হয়।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) খলিল আহমেদ। এ ছাড়া কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৫:৪৫
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় পানিতে পড়ে যাওয়া ফুফাতো বোনকে উদ্ধার করতে গিয়ে সাত বছর বয়সী শিশু সুরাইয়ার মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের জুগির হাওলা সংলগ্ন কাটাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুরাইয়া ওই এলাকার অনিক কাজীর মেয়ে। জীবিত উদ্ধার হওয়া শিশু হুমায়রা (৪) উপজেলার হাপুয়াখালী গ্রামের রাকিব হাওলাদারের মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সুরাইয়ার চাচার বিয়ে অনুষ্ঠান ছিল। ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হুমায়রা তার বাবা-মায়ের সঙ্গে মামাতো বোন সুরাইয়ার বাড়িতে বেড়াতে আসে।
পরিবারের লোকজনের ধারণা, বিকেল থেকে বাড়ির আঙ্গিনায় মামাতো-ফুফাতো বোন একসঙ্গে খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে হুমায়রা পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। বিষয়টি দেখতে পেয়ে হয়তো সুরাইয়া পুকুরে নেমে তাকে উদ্ধার করে তীরে তুলতে সক্ষম হয়। তবে এ সময় নিজেই পানিতে তলিয়ে যায়।
এদিকে হুমায়রাকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে হুমায়রাকে পুকুরপাড়ের পানিতে ভেজা জামা-কাপড়ে দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়।
হুমায়রাকে উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যরা সুরাইয়াকে দেখতে না পেয়ে তাকেও খুঁজতে শুরু করেন। পরে পুকুর থেকে তাকে উদ্ধার করে একই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল কর্মকর্তা আল আমিন বলেন, ‘হুমায়রা সুস্থ আছে। তার কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু তার মামাতো বোনকে মৃত অবস্থায়ই আমাদের কাছে নিয়ে আসা হয়েছে।’
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে রাঙ্গাবালী থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি শুনে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় পানিতে পড়ে যাওয়া ফুফাতো বোনকে উদ্ধার করতে গিয়ে সাত বছর বয়সী শিশু সুরাইয়ার মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের জুগির হাওলা সংলগ্ন কাটাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুরাইয়া ওই এলাকার অনিক কাজীর মেয়ে। জীবিত উদ্ধার হওয়া শিশু হুমায়রা (৪) উপজেলার হাপুয়াখালী গ্রামের রাকিব হাওলাদারের মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সুরাইয়ার চাচার বিয়ে অনুষ্ঠান ছিল। ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হুমায়রা তার বাবা-মায়ের সঙ্গে মামাতো বোন সুরাইয়ার বাড়িতে বেড়াতে আসে।
পরিবারের লোকজনের ধারণা, বিকেল থেকে বাড়ির আঙ্গিনায় মামাতো-ফুফাতো বোন একসঙ্গে খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে হুমায়রা পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। বিষয়টি দেখতে পেয়ে হয়তো সুরাইয়া পুকুরে নেমে তাকে উদ্ধার করে তীরে তুলতে সক্ষম হয়। তবে এ সময় নিজেই পানিতে তলিয়ে যায়।
এদিকে হুমায়রাকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে হুমায়রাকে পুকুরপাড়ের পানিতে ভেজা জামা-কাপড়ে দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়।
হুমায়রাকে উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যরা সুরাইয়াকে দেখতে না পেয়ে তাকেও খুঁজতে শুরু করেন। পরে পুকুর থেকে তাকে উদ্ধার করে একই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল কর্মকর্তা আল আমিন বলেন, ‘হুমায়রা সুস্থ আছে। তার কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু তার মামাতো বোনকে মৃত অবস্থায়ই আমাদের কাছে নিয়ে আসা হয়েছে।’
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে রাঙ্গাবালী থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি শুনে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.