
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩০
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট গণনাকালীন ভোলা চরসামাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এলাকায় পুলিশ ও ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের এজেন্টের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন জানা যায়, ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের নির্বাচনি এজেন্ট ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গণি ব্যাপারির ছেলে আ. মান্নান ভোট গণনার সময় কেন্দ্রের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়ান। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করে স্কুল কক্ষে নিয়ে যান।
এ সময় কেন্দ্রের বাইরে উপস্থিত ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের সমর্থকেরা পুলিশের ভাড়ায় চালিত একটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং কেন্দ্রের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের জেরে স্কুল ভবনের বেশ কয়েকটি কক্ষের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আটক ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নৈশপ্রহরী দীপংকর তাকে ফোনে বিষয়টি জানান। পরে তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের এজেন্টকে বিনা কারণে হেনস্তা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ভোলা মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, কেন্দ্রের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্বাচনকালীন পুলিশের ভাড়ায় চালিত গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা নম্বর ২২/২৬ দায়ের করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট গণনাকালীন ভোলা চরসামাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এলাকায় পুলিশ ও ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের এজেন্টের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন জানা যায়, ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের নির্বাচনি এজেন্ট ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গণি ব্যাপারির ছেলে আ. মান্নান ভোট গণনার সময় কেন্দ্রের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়ান। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করে স্কুল কক্ষে নিয়ে যান।
এ সময় কেন্দ্রের বাইরে উপস্থিত ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের সমর্থকেরা পুলিশের ভাড়ায় চালিত একটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং কেন্দ্রের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের জেরে স্কুল ভবনের বেশ কয়েকটি কক্ষের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আটক ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নৈশপ্রহরী দীপংকর তাকে ফোনে বিষয়টি জানান। পরে তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের এজেন্টকে বিনা কারণে হেনস্তা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ভোলা মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, কেন্দ্রের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্বাচনকালীন পুলিশের ভাড়ায় চালিত গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা নম্বর ২২/২৬ দায়ের করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছেন। ভোলা জেলার চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার এই কৃতী সন্তান বরিশাল বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে এবং সমগ্র বাংলাদেশে চতুর্থ সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
তিনি ভোলা-৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট। দু'জন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে এই ভোটের ব্যবধান প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার ৯১৪।
তার এই বিজয় শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়—এটি চরফ্যাশনের জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন বলে দাবি করছেন ভোলা-০৪ আসনের বিএনপি'র নেতা-কর্মি ও সমর্থকরা।
নয়নের এ জয়ে আনন্দের জোয়ার বইছে এলাকাজুড়ে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়নের মেধা, প্রজ্ঞা, যোগ্যতা ও রাজনৈতিক বিচক্ষনতা বিবেচনা করে তাকে মন্ত্রী পরিষদে স্থান করে দিতে হাই কমান্ডের প্রতি দাবী জানান নেতা-কর্মিরা।
বিপুল ভোটে নয়নের জয়ের ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা যুবদল আহবায়ক মোঃ সামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা বলেন, ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে বিশাল ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন এআসনের মাটি ও মানুষের আপনজন, প্রিয় নেতা নুরুল ইসলাম নয়ন ভাই। এ অবিস্মরনীয় জয়ে তৃনমূল থেকে শুরু করে সকল শ্রেনীর মানুষের আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে। এতে আমরা খুবই আনন্দিত। এবং নয়ন ভাইকে চরফ্যাশন মনপুরাবাসীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
এদিকে ভোলা জেলার আরেক আসন ভোলা-৩ আসনে বিএনপি'র মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের ডেভেলপমেন্ট পার্টির নিজামুল হক ফুলকপি প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৩৫১ ভোট। ব্যবধান ৮৮ হাজার ৬৩৯ ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছেন। ভোলা জেলার চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার এই কৃতী সন্তান বরিশাল বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে এবং সমগ্র বাংলাদেশে চতুর্থ সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
তিনি ভোলা-৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট। দু'জন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে এই ভোটের ব্যবধান প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার ৯১৪।
তার এই বিজয় শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়—এটি চরফ্যাশনের জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন বলে দাবি করছেন ভোলা-০৪ আসনের বিএনপি'র নেতা-কর্মি ও সমর্থকরা।
নয়নের এ জয়ে আনন্দের জোয়ার বইছে এলাকাজুড়ে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়নের মেধা, প্রজ্ঞা, যোগ্যতা ও রাজনৈতিক বিচক্ষনতা বিবেচনা করে তাকে মন্ত্রী পরিষদে স্থান করে দিতে হাই কমান্ডের প্রতি দাবী জানান নেতা-কর্মিরা।
বিপুল ভোটে নয়নের জয়ের ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা যুবদল আহবায়ক মোঃ সামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা বলেন, ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে বিশাল ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন এআসনের মাটি ও মানুষের আপনজন, প্রিয় নেতা নুরুল ইসলাম নয়ন ভাই। এ অবিস্মরনীয় জয়ে তৃনমূল থেকে শুরু করে সকল শ্রেনীর মানুষের আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে। এতে আমরা খুবই আনন্দিত। এবং নয়ন ভাইকে চরফ্যাশন মনপুরাবাসীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
এদিকে ভোলা জেলার আরেক আসন ভোলা-৩ আসনে বিএনপি'র মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের ডেভেলপমেন্ট পার্টির নিজামুল হক ফুলকপি প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৩৫১ ভোট। ব্যবধান ৮৮ হাজার ৬৩৯ ভোট।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১২
ভোলার চরফ্যাশনে তিন সন্তানের জননী এক গৃহবধূর ঘরে ঢুকে স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটের পর তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তিন যুবকের বিরুদ্ধে।
উপজেলার আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ চরফ্যাশন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্তরা হলেন—নুর করিম, হানিফ ও নাজমুল। অভিযুক্ত নুর করিম একই গ্রামের মৃত আবদুল কাদের মাঝির ছেলে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, ঘটনার দিন ওই গৃহবধূ ব্যাংক থেকে জমি কেনার জন্য ৪ লাখ টাকা তুলে বাড়ি ফেরেন। রাতে সন্তানদের সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ার পর গভীর রাতে তিন যুবক ঘরে প্রবেশ করে তার হাত-মুখ বেঁধে ফেলে।
তারা ঘর থেকে ৪ লাখ টাকা, ২ ভরি স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল লুট করে। এরপর শিশু সন্তানদের অস্ত্রের মুখে অন্য কক্ষে আটকে রেখে গৃহবধূকে শয়নকক্ষে অবরুদ্ধ করে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।
শিশুদের চিৎকারে অভিযুক্তরা পালিয়ে গেলে সন্তানরা তাদের মাকে উদ্ধার করে। পরে গৃহবধূ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্ত নুর করিম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার সঙ্গে তাদের বিরোধ রয়েছে। ওই রাতে আমার দোকান চুরি হয়েছে। ধর্ষণের বিষয়ে কিছু জানি না”।
চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মাখলুকুর রহমান জানান, ধর্ষণের শিকার এক নারী হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, “ভুক্তভোগী নারী তিনজনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত চলছে, প্রমাণ মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ভোলার চরফ্যাশনে তিন সন্তানের জননী এক গৃহবধূর ঘরে ঢুকে স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটের পর তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তিন যুবকের বিরুদ্ধে।
উপজেলার আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ চরফ্যাশন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্তরা হলেন—নুর করিম, হানিফ ও নাজমুল। অভিযুক্ত নুর করিম একই গ্রামের মৃত আবদুল কাদের মাঝির ছেলে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, ঘটনার দিন ওই গৃহবধূ ব্যাংক থেকে জমি কেনার জন্য ৪ লাখ টাকা তুলে বাড়ি ফেরেন। রাতে সন্তানদের সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ার পর গভীর রাতে তিন যুবক ঘরে প্রবেশ করে তার হাত-মুখ বেঁধে ফেলে।
তারা ঘর থেকে ৪ লাখ টাকা, ২ ভরি স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল লুট করে। এরপর শিশু সন্তানদের অস্ত্রের মুখে অন্য কক্ষে আটকে রেখে গৃহবধূকে শয়নকক্ষে অবরুদ্ধ করে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।
শিশুদের চিৎকারে অভিযুক্তরা পালিয়ে গেলে সন্তানরা তাদের মাকে উদ্ধার করে। পরে গৃহবধূ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্ত নুর করিম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার সঙ্গে তাদের বিরোধ রয়েছে। ওই রাতে আমার দোকান চুরি হয়েছে। ধর্ষণের বিষয়ে কিছু জানি না”।
চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মাখলুকুর রহমান জানান, ধর্ষণের শিকার এক নারী হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, “ভুক্তভোগী নারী তিনজনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত চলছে, প্রমাণ মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৭
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, সারা বাংলাদেশে বিএনপি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাবে।
বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠন করবে। সুখি-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর বিএনপি। সোমবার বিকেলে ভোলার লালমোহন উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের আয়োজনে সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ বলেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের বিরোধীতা করেছে। তখন তারা রাজাকার-আলবদর বাহিনী গঠন করে এ দেশের মানুষ হত্যা করেছে। এখন তারা ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি শুরু করেছে। তারা বলছে জামায়াতে ভোট দিলে বেহশতে যাওয়া যাবে। এটি জনগণের সঙ্গে তাদের প্রতারণা। কারণ কোনো মার্কায় ভোট দিয়ে বেহশতে যাওয়া যায় না। তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ভাগ্য নির্ধারণ করতে হবে। এ দেশ তালেবানি রাষ্ট্র হবে নাকি শহিদ জিয়াউর রহমানের কল্যাণ রাষ্ট্র হবে। ১২ তারিখে ভোট দিয়ে বিএনপিকে জয়ী করলে সারা বিশ্বে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে বাংলাদেশ। লালমোহন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে এ সময় উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শাহরুখ হাফিজ ডিকো, উপজেলা বিএনপি’র বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো. ফরিদ উদ্দিন, সোহেল আজিজ শাহীন, শফিউল্যাহ হাওলাদার, পৌরসভা বিএনপি’র সভাপতি ছাদেক মিয়া জান্টু, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারীসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মাছুম বিল্লাহ লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি ০১৭৩২৭৭৩৫৯৯ ছবির ক্যাপশন: লালমোহনে সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মেজর (অব.) হাফিজ
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, সারা বাংলাদেশে বিএনপি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাবে।
বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠন করবে। সুখি-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর বিএনপি। সোমবার বিকেলে ভোলার লালমোহন উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের আয়োজনে সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ বলেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের বিরোধীতা করেছে। তখন তারা রাজাকার-আলবদর বাহিনী গঠন করে এ দেশের মানুষ হত্যা করেছে। এখন তারা ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি শুরু করেছে। তারা বলছে জামায়াতে ভোট দিলে বেহশতে যাওয়া যাবে। এটি জনগণের সঙ্গে তাদের প্রতারণা। কারণ কোনো মার্কায় ভোট দিয়ে বেহশতে যাওয়া যায় না। তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ভাগ্য নির্ধারণ করতে হবে। এ দেশ তালেবানি রাষ্ট্র হবে নাকি শহিদ জিয়াউর রহমানের কল্যাণ রাষ্ট্র হবে। ১২ তারিখে ভোট দিয়ে বিএনপিকে জয়ী করলে সারা বিশ্বে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে বাংলাদেশ। লালমোহন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে এ সময় উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শাহরুখ হাফিজ ডিকো, উপজেলা বিএনপি’র বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো. ফরিদ উদ্দিন, সোহেল আজিজ শাহীন, শফিউল্যাহ হাওলাদার, পৌরসভা বিএনপি’র সভাপতি ছাদেক মিয়া জান্টু, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারীসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মাছুম বিল্লাহ লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি ০১৭৩২৭৭৩৫৯৯ ছবির ক্যাপশন: লালমোহনে সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মেজর (অব.) হাফিজ

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.