
০২ মার্চ, ২০২৬ ১০:০১
বরগুনায় এক হাজার ৬৫০ বস্তা সিমেন্টবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবে যাওয়ার তিনদিন পার হলেও এখনো উদ্ধার হয়নি ডুবে থাকা জাহাজটি। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিরোধের জেরে উদ্ধার কার্যক্রমে গড়িমসি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নৌযানটি ডুবে থাকায় খাকদন নদীতে চলাচলরত ছোট-বড় নৌযানের ক্ষেত্রে যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এদিকে নৌবন্দরের ৩০০ মিটারের মধ্যে পণ্যবাহী কার্গো ডুবির ঘটনা ঘটলেও এ বিষয়ে নীরব নৌবন্দর কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১ মার্চ) কার্গো জাহাজটির মালিক ও মাঝি মো. শমসের ঘরামী অভিযোগ করেন, সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় তিনি কার্গোটি উদ্ধারে বাধা দিচ্ছেন। এছাড়াও ওই ব্যবসায়ী বরগুনা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে বরগুনা পৌর শহরের নদীবন্দর এলাকার কাঁচাবাজার সংলগ্ন খাকদন নদীতে নোঙর করা অবস্থায় ‘এমভি মা-বাবার দোয়া’ নামের কার্গো জাহাজটি ডুবে যায়। গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটায় তাৎক্ষণিক বিষয়টি তেমন জানাজানি হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার ‘অগ্রণী ট্রেডার্স’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক মো. ইউনুস খান এক হাজার ৯০০ বস্তা বসুন্ধরা সিমেন্ট পরিবহনের জন্য ‘এমভি মা-বাবার দোয়া’ নামের একটি ছোট কার্গো জাহাজের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। পরে বাগেরহাটের মোংলা থেকে সিমেন্টবোঝাই করে জাহাজ চালিয়ে বৃহস্পতিবার বরগুনার পণ্য পরিবহন ঘাটে আসেন জাহাজ মালিক শমসের ঘরামী।
এরপর জাহাজ থেকে সিমেন্ট মালিকের ঘাট শ্রমিকরা ২৫০ বস্তা সিমেন্ট উত্তোলনের পর কাজ বন্ধ রাখেন। পরে ওইদিন দিবাগত রাত ৩টার দিকে বাকি এক হাজার ৬৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ঘাটে নোঙর করা জাহাজটি ডুবে যায়।
ডুবে যাওয়া জাহাজের মালিক ও মাঝি শমসের ঘরামী বলেন, জাহাজ নিয়ে ঘাটে এসে সিমেন্ট মালিককে জানালে শ্রমিকরা সিমেন্ট উত্তোলন শুরু করেন। অন্য সকল জায়গায় একদিনের মধ্যে জাহাজ খালি করা হলেও এখানে প্রথমদিন জাহাজের সামনে থেকে ২৫০ বস্তা সিমেন্ট উত্তোলন করায় পেছনের দিকে বেশি ওজন থেকে যায়। পরে তাদের বিষয়টি জানালে পেছন থেকে বস্তা সরিয়ে সামনের দিকে সমান করার কথা বললেও তারা তা করেনি। পরে আমি জাহাজে থাকাকালীন রাত তিনটার দিকে জাহাজটি ডুবে যায়।
তিনি আরও বলেন, অন্য আরেকজনের সঙ্গে আমি টাকা ঋণ নিয়ে জাহাজটি নির্মাণ করেছি। এখন একদিকে জাহাজটি উদ্ধার করার সামর্থ্যও আমার নেই, অপরদিকে সিমেন্ট মালিক মো. ইউনুস খান থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও ক্ষতির বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ উদ্ধার করা যাবে না বলেও জানিয়েছেন সিমেন্ট মালিক।
ডুবে যাওয়া কার্গো জাহাজটি উদ্ধারে বাধা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান বলেন, সম্পূর্ণ মাঝির গাফিলতির কারণে জাহাজটি ডুবে গেছে। বিষয়টি থানায় অবহিত করেছি। থানা থেকে বলা হয়েছে, উদ্ধারের আগে আপনারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন। জাহাজের ভেতরে যে বস্তাগুলো আছে তা কী করবেন, কোথায় ফেলবেন সে সিদ্ধান্ত নেন। আমি এ আলোচনার জন্য তাদের ডেকেছি, কিন্তু তারা আসেনি। তবে ডুবে যাওয়া জাহাজটি উঠাতে আমরা কখনো কাউকে নিষেধ করিনি। আমি চাই জাহাজ ওঠানোর পর প্রয়োজনে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে, কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে একটি সুষ্ঠু সমাধান করা হোক। জাহাজে থাকা সিমেন্ট ডুবে প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডুবে থাকা জাহাজটির কারণে ঘাট ও চলাচলরত নৌযান ঝুঁকিতে রয়েছে জানিয়ে বরগুনা বাজার শ্রমিক সমিতির সভাপতি মো. জালাল মোল্লা বলেন, সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান থানায় অভিযোগ করলেও ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত তিনি জাহাজটি উদ্ধার করতে দিচ্ছেন না। তিনদিন ধরে জাহাজটি ঘাট এলাকায় ডুবে আছে। প্রতিদিন ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে ছোট-বড় নৌযান এ ঘাটে আসে। জাহাজটি ঘাট ও নদীর মাঝখানে ডুবে থাকায় যে কোনো সময় বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরগুনা নদীবন্দরের সহকারী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, কার্গো জাহাজ ডুবির বিষয়টি আজ আমাকে অবহিত করা হয়েছে। এর আগে জানানো হয়নি। এছাড়াও তারা নিজেরা জাহাজটি উদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জেনেছি। তবে অন্য সব নৌযান চলাচলে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে সে বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছি।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম জাগো নিউজকে বলেন, থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। পণ্য মালিকের প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। জাহাজ মালিকের সঙ্গেও কথা বলে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস
ডুবে যাওয়া সিমেন্টবোঝাই কার্গো জাহাজ। ছবি: সংগৃহীত
বরগুনায় এক হাজার ৬৫০ বস্তা সিমেন্টবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবে যাওয়ার তিনদিন পার হলেও এখনো উদ্ধার হয়নি ডুবে থাকা জাহাজটি। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিরোধের জেরে উদ্ধার কার্যক্রমে গড়িমসি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নৌযানটি ডুবে থাকায় খাকদন নদীতে চলাচলরত ছোট-বড় নৌযানের ক্ষেত্রে যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এদিকে নৌবন্দরের ৩০০ মিটারের মধ্যে পণ্যবাহী কার্গো ডুবির ঘটনা ঘটলেও এ বিষয়ে নীরব নৌবন্দর কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১ মার্চ) কার্গো জাহাজটির মালিক ও মাঝি মো. শমসের ঘরামী অভিযোগ করেন, সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় তিনি কার্গোটি উদ্ধারে বাধা দিচ্ছেন। এছাড়াও ওই ব্যবসায়ী বরগুনা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে বরগুনা পৌর শহরের নদীবন্দর এলাকার কাঁচাবাজার সংলগ্ন খাকদন নদীতে নোঙর করা অবস্থায় ‘এমভি মা-বাবার দোয়া’ নামের কার্গো জাহাজটি ডুবে যায়। গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটায় তাৎক্ষণিক বিষয়টি তেমন জানাজানি হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার ‘অগ্রণী ট্রেডার্স’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক মো. ইউনুস খান এক হাজার ৯০০ বস্তা বসুন্ধরা সিমেন্ট পরিবহনের জন্য ‘এমভি মা-বাবার দোয়া’ নামের একটি ছোট কার্গো জাহাজের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। পরে বাগেরহাটের মোংলা থেকে সিমেন্টবোঝাই করে জাহাজ চালিয়ে বৃহস্পতিবার বরগুনার পণ্য পরিবহন ঘাটে আসেন জাহাজ মালিক শমসের ঘরামী।
এরপর জাহাজ থেকে সিমেন্ট মালিকের ঘাট শ্রমিকরা ২৫০ বস্তা সিমেন্ট উত্তোলনের পর কাজ বন্ধ রাখেন। পরে ওইদিন দিবাগত রাত ৩টার দিকে বাকি এক হাজার ৬৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ঘাটে নোঙর করা জাহাজটি ডুবে যায়।
ডুবে যাওয়া জাহাজের মালিক ও মাঝি শমসের ঘরামী বলেন, জাহাজ নিয়ে ঘাটে এসে সিমেন্ট মালিককে জানালে শ্রমিকরা সিমেন্ট উত্তোলন শুরু করেন। অন্য সকল জায়গায় একদিনের মধ্যে জাহাজ খালি করা হলেও এখানে প্রথমদিন জাহাজের সামনে থেকে ২৫০ বস্তা সিমেন্ট উত্তোলন করায় পেছনের দিকে বেশি ওজন থেকে যায়। পরে তাদের বিষয়টি জানালে পেছন থেকে বস্তা সরিয়ে সামনের দিকে সমান করার কথা বললেও তারা তা করেনি। পরে আমি জাহাজে থাকাকালীন রাত তিনটার দিকে জাহাজটি ডুবে যায়।
তিনি আরও বলেন, অন্য আরেকজনের সঙ্গে আমি টাকা ঋণ নিয়ে জাহাজটি নির্মাণ করেছি। এখন একদিকে জাহাজটি উদ্ধার করার সামর্থ্যও আমার নেই, অপরদিকে সিমেন্ট মালিক মো. ইউনুস খান থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও ক্ষতির বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ উদ্ধার করা যাবে না বলেও জানিয়েছেন সিমেন্ট মালিক।
ডুবে যাওয়া কার্গো জাহাজটি উদ্ধারে বাধা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান বলেন, সম্পূর্ণ মাঝির গাফিলতির কারণে জাহাজটি ডুবে গেছে। বিষয়টি থানায় অবহিত করেছি। থানা থেকে বলা হয়েছে, উদ্ধারের আগে আপনারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন। জাহাজের ভেতরে যে বস্তাগুলো আছে তা কী করবেন, কোথায় ফেলবেন সে সিদ্ধান্ত নেন। আমি এ আলোচনার জন্য তাদের ডেকেছি, কিন্তু তারা আসেনি। তবে ডুবে যাওয়া জাহাজটি উঠাতে আমরা কখনো কাউকে নিষেধ করিনি। আমি চাই জাহাজ ওঠানোর পর প্রয়োজনে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে, কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে একটি সুষ্ঠু সমাধান করা হোক। জাহাজে থাকা সিমেন্ট ডুবে প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডুবে থাকা জাহাজটির কারণে ঘাট ও চলাচলরত নৌযান ঝুঁকিতে রয়েছে জানিয়ে বরগুনা বাজার শ্রমিক সমিতির সভাপতি মো. জালাল মোল্লা বলেন, সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান থানায় অভিযোগ করলেও ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত তিনি জাহাজটি উদ্ধার করতে দিচ্ছেন না। তিনদিন ধরে জাহাজটি ঘাট এলাকায় ডুবে আছে। প্রতিদিন ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে ছোট-বড় নৌযান এ ঘাটে আসে। জাহাজটি ঘাট ও নদীর মাঝখানে ডুবে থাকায় যে কোনো সময় বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরগুনা নদীবন্দরের সহকারী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, কার্গো জাহাজ ডুবির বিষয়টি আজ আমাকে অবহিত করা হয়েছে। এর আগে জানানো হয়নি। এছাড়াও তারা নিজেরা জাহাজটি উদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জেনেছি। তবে অন্য সব নৌযান চলাচলে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে সে বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছি।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম জাগো নিউজকে বলেন, থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। পণ্য মালিকের প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। জাহাজ মালিকের সঙ্গেও কথা বলে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৮
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৭
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯