
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৮
মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশের জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা। এতে উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়লেন সাগরের মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা ভোলার প্রায় ৬৫ হাজার জেলে।
তবে নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই কর্মহীন জেলেদের সরকারি সহযোগিতার ভিজিএফ চালসহ এনজিওর ঋণের কিস্তি বন্ধের দাবি জেলদের। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বাংলাদেশের জলসীমায় ভারতীয় জেলেদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সরকারের কাছে কঠোর পদক্ষেপের দাবি ভোলার জেলেদের।
ভোলা জেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, সামুদ্রিক মৎস্য সংরক্ষণ ও টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় ১৪ এপ্রিল দিনগত মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া ৫৮ দিনের এ সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ১১ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত।
জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য মতে, ভোলার ৭ উপজেলায় নিবন্ধিত সাগরের জেলে রয়েছেন ৬৩ হাজার ৯৫৪ জন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩ হাজার ৬৯৮ জন, দৌলতখানে ১১ হাজার ৫৫০ জন, বোরহানউদ্দিনে ৭ হাজার ৬৫০ জন, লালমোহনে ৮ হাজার ৮০৪ জন, তজুমুদ্দিনে ৪ হাজার ৫০৬ জন, চরফ্যাশনে ১৭ হাজার ৫৬১ জন ও মনপুরায় উপজেলায় রয়েছেন ১০ হাজার ১৮৫ জন।
সরেজমিনে ভোলার ব্যস্ততম ভোলার খাল ঘুরে দেখা যায়, সাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় ইতোমধ্যে সব জেলেরা তাদের জাল-ট্রলার নিয়ে ঘাটে ফিরেছেন। এসব জেলেরা ঘাটে কেউ কেউ জাল-ট্রলার নিরাপদ স্থানে উঠিয়ে তা মেরামত শুরু করেছেন।
রিয়াজ ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, আজ মধ্যরাত থেকে সাগরে মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। সরকারের নিষেধাজ্ঞা মেনে আগেভাগেই জাল ট্রলার নিয়ে আমরা তীরে ফিরে এসেছি। অভিযান শেষ হলে ফের সাগরে মাছ ধরতে যাব। আসলে নিষেধাজ্ঞায় আমরা পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে গেলাম। কী করব অন্য কোনো কাজও জানি না, চরম কষ্টে দিনাতিপাত করতে হবে। সাগর থেকে ফিরে এখন জাল-ট্রলার মেরামত শুরু করেছি।
মো. ফারুক ও হাসান মাঝি বলেন, সরকারের অভিযান না মানার কোনো সুযোগ নেই। সরকারের কাছে নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই খাদ্য সহায়তার চাল চাই, না হলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। এছাড়া এনজিওর ঋণের কিস্তি বন্ধের দাবিও জানান তারা।
এছাড়া মো. হারুন ও তুহিন মাঝি অভিযোগ করে বলেন, সাগরের ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমরা বাংলাদেশের জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে না গেলেও ভারতের জেলেরা ঠিকই বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরে নিয়ে যায়। অভিযান তো অভিযান ই। আমরা চাই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ভারতের কোনো জেলে যেন আমাদের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরতে না পারে,এতে আমরা নিষেধাজ্ঞার শেষে সাগরে গিয়ে বেশি পরিমাণে মাছ পাব।
বঙ্গোপসাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে জেলা ও টাস্কফোর্স কমিটির মিটিংসহ গুরুত্বপূর্ণ মাছঘাটগুলোতে সচেতনমূলক সভা ও প্রচার প্রচারণা চালানো হয়েছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই প্রতি জন জেলেকে সরকারি সহযোগিতার ৭৭ কেজি করে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশের জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা। এতে উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়লেন সাগরের মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা ভোলার প্রায় ৬৫ হাজার জেলে।
তবে নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই কর্মহীন জেলেদের সরকারি সহযোগিতার ভিজিএফ চালসহ এনজিওর ঋণের কিস্তি বন্ধের দাবি জেলদের। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বাংলাদেশের জলসীমায় ভারতীয় জেলেদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সরকারের কাছে কঠোর পদক্ষেপের দাবি ভোলার জেলেদের।
ভোলা জেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, সামুদ্রিক মৎস্য সংরক্ষণ ও টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় ১৪ এপ্রিল দিনগত মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া ৫৮ দিনের এ সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ১১ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত।
জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য মতে, ভোলার ৭ উপজেলায় নিবন্ধিত সাগরের জেলে রয়েছেন ৬৩ হাজার ৯৫৪ জন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩ হাজার ৬৯৮ জন, দৌলতখানে ১১ হাজার ৫৫০ জন, বোরহানউদ্দিনে ৭ হাজার ৬৫০ জন, লালমোহনে ৮ হাজার ৮০৪ জন, তজুমুদ্দিনে ৪ হাজার ৫০৬ জন, চরফ্যাশনে ১৭ হাজার ৫৬১ জন ও মনপুরায় উপজেলায় রয়েছেন ১০ হাজার ১৮৫ জন।
সরেজমিনে ভোলার ব্যস্ততম ভোলার খাল ঘুরে দেখা যায়, সাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় ইতোমধ্যে সব জেলেরা তাদের জাল-ট্রলার নিয়ে ঘাটে ফিরেছেন। এসব জেলেরা ঘাটে কেউ কেউ জাল-ট্রলার নিরাপদ স্থানে উঠিয়ে তা মেরামত শুরু করেছেন।
রিয়াজ ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, আজ মধ্যরাত থেকে সাগরে মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। সরকারের নিষেধাজ্ঞা মেনে আগেভাগেই জাল ট্রলার নিয়ে আমরা তীরে ফিরে এসেছি। অভিযান শেষ হলে ফের সাগরে মাছ ধরতে যাব। আসলে নিষেধাজ্ঞায় আমরা পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে গেলাম। কী করব অন্য কোনো কাজও জানি না, চরম কষ্টে দিনাতিপাত করতে হবে। সাগর থেকে ফিরে এখন জাল-ট্রলার মেরামত শুরু করেছি।
মো. ফারুক ও হাসান মাঝি বলেন, সরকারের অভিযান না মানার কোনো সুযোগ নেই। সরকারের কাছে নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই খাদ্য সহায়তার চাল চাই, না হলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। এছাড়া এনজিওর ঋণের কিস্তি বন্ধের দাবিও জানান তারা।
এছাড়া মো. হারুন ও তুহিন মাঝি অভিযোগ করে বলেন, সাগরের ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমরা বাংলাদেশের জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে না গেলেও ভারতের জেলেরা ঠিকই বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরে নিয়ে যায়। অভিযান তো অভিযান ই। আমরা চাই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ভারতের কোনো জেলে যেন আমাদের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরতে না পারে,এতে আমরা নিষেধাজ্ঞার শেষে সাগরে গিয়ে বেশি পরিমাণে মাছ পাব।
বঙ্গোপসাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে জেলা ও টাস্কফোর্স কমিটির মিটিংসহ গুরুত্বপূর্ণ মাছঘাটগুলোতে সচেতনমূলক সভা ও প্রচার প্রচারণা চালানো হয়েছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই প্রতি জন জেলেকে সরকারি সহযোগিতার ৭৭ কেজি করে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়েছে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৫:১২
ভোলার মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া মাদরাসা শিক্ষার্থী মো. হাসিবের দুই দিনেও কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধানে কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি মাছঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
১১ বছর বয়সী হাসিব ওই এলাকার বাসিন্দা। সে স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম মো. হাফিজুল্লাহর একমাত্র ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে গ্রামে আসা আশপাশের ১০-১১ জন শিশুর সঙ্গে মেঘনা নদীতে গোসল করতে যায় হাসিব। এ সময় বন্ধুদের সঙ্গে মেঘনা নদীর মাঝের একটি চরে সাঁতরে যাওয়ার পর তীরে ফেরার পথে তীব্র স্রোতে পড়ে নিখোঁজ হয় হাসিব। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড।
নিখোঁজ শিশুটির বাবা মো. হাফিজুল্লাহ বলেন, ‘আমার ছেলে অন্য শিশুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে গিয়েছিল। সবাই তীরে ফিরলেও হাসিব আর ফিরতে পারেনি। খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। একজন বাবা হিসেবে আমি আমার ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছি। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, অন্তত আমার ছেলের মরদেহটি যেন খুঁজে দেয়।’
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধারে তাদের অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হাসিবের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ভোলা সদরের ইলিশা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, নিখোঁজ শিশুটির সন্ধানে নদীতে যৌথ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় হাসিবের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
ভোলার মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া মাদরাসা শিক্ষার্থী মো. হাসিবের দুই দিনেও কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধানে কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি মাছঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
১১ বছর বয়সী হাসিব ওই এলাকার বাসিন্দা। সে স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম মো. হাফিজুল্লাহর একমাত্র ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে গ্রামে আসা আশপাশের ১০-১১ জন শিশুর সঙ্গে মেঘনা নদীতে গোসল করতে যায় হাসিব। এ সময় বন্ধুদের সঙ্গে মেঘনা নদীর মাঝের একটি চরে সাঁতরে যাওয়ার পর তীরে ফেরার পথে তীব্র স্রোতে পড়ে নিখোঁজ হয় হাসিব। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড।
নিখোঁজ শিশুটির বাবা মো. হাফিজুল্লাহ বলেন, ‘আমার ছেলে অন্য শিশুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে গিয়েছিল। সবাই তীরে ফিরলেও হাসিব আর ফিরতে পারেনি। খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। একজন বাবা হিসেবে আমি আমার ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছি। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, অন্তত আমার ছেলের মরদেহটি যেন খুঁজে দেয়।’
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধারে তাদের অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হাসিবের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ভোলা সদরের ইলিশা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, নিখোঁজ শিশুটির সন্ধানে নদীতে যৌথ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় হাসিবের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

০১ জুন, ২০২৬ ১৬:২৪
সাবেক মন্ত্রী আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন। সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি বাধর্কজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।
বর্ণাঢ্য জীবন
তোফায়েল আহমেদ ৯ বার জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ তিনি ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী ও মা ফাতেমা বেগম। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও একমাত্র সন্তান ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীকে রেখে গেছেন।
অ্যাকাডেমিক জীবনে ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৬২ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৪ সালে বিএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি সম্পন্ন করেন।
রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদের হাতেখড়ি হয় ছাত্রলীগের মাধ্যমে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন ১৯৬৬-৬৭ মেয়াদে ইকবাল হলের (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) নির্বাচিত ভিপি ছিলেন।
১৯৬৮-৬৯-এ গণজাগরণ ও ছাত্র আন্দোলনে তিনি ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের কারণে শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামিকে মুক্তি দেয় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সেই বছরেরই ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ঘোষণা দেন তোফায়েল আহমেদ।
প্রথমবারের মতো ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয় লাভ করেন তিনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন।
দেশ স্বাধীনের পরের বছর ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব লাভ করেন।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নিজের জেলা ভোলা থেকে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন।
১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি শেখ হাসিনা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন।
রাজনৈতিক কারণে ১৯৭৫ সাল থেকে টানা ৩৩ মাস-সহ অসংখ্যবার কারাভোগ করেন এই নেতা।
সাবেক মন্ত্রী আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন। সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি বাধর্কজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।
বর্ণাঢ্য জীবন
তোফায়েল আহমেদ ৯ বার জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ তিনি ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী ও মা ফাতেমা বেগম। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও একমাত্র সন্তান ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীকে রেখে গেছেন।
অ্যাকাডেমিক জীবনে ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৬২ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৪ সালে বিএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি সম্পন্ন করেন।
রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদের হাতেখড়ি হয় ছাত্রলীগের মাধ্যমে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন ১৯৬৬-৬৭ মেয়াদে ইকবাল হলের (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) নির্বাচিত ভিপি ছিলেন।
১৯৬৮-৬৯-এ গণজাগরণ ও ছাত্র আন্দোলনে তিনি ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের কারণে শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামিকে মুক্তি দেয় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সেই বছরেরই ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ঘোষণা দেন তোফায়েল আহমেদ।
প্রথমবারের মতো ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয় লাভ করেন তিনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন।
দেশ স্বাধীনের পরের বছর ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব লাভ করেন।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নিজের জেলা ভোলা থেকে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন।
১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি শেখ হাসিনা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন।
রাজনৈতিক কারণে ১৯৭৫ সাল থেকে টানা ৩৩ মাস-সহ অসংখ্যবার কারাভোগ করেন এই নেতা।

২৭ মে, ২০২৬ ০৮:৫৮
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮