
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০০
পুরস্কারপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি সাংবাদিক বিসান ওউদা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বিনিয়োগকারীদের হাতে টিকটক অধিগ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই তার টিকটক অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
গাজা থেকে কাজ করা এমি অ্যাওয়ার্ডজয়ী এই সাংবাদিক আল জাজিরার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এজে+ –এর সঙ্গে কাজ করেন। বুধবার তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম ও এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও শেয়ার করে বিষয়টি জানান।
ভিডিওতে ওউদা বলেন, টিকটক আমার অ্যাকাউন্ট মুছে দিয়েছে। সেখানে আমার ১৪ লাখ অনুসারী ছিল, আর চার বছর ধরে আমি এই প্ল্যাটফর্মটি গড়ে তুলেছি।
তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম, আগের মতোই হয়তো কিছু সীমাবদ্ধতা দেওয়া হবে, কিন্তু পুরোপুরি চিরতরে নিষিদ্ধ করে দেবে—এটা আশা করিনি।
আল জাজিরা এ বিষয়ে টিকটকের কাছে প্রশ্ন পাঠিয়েছে এবং এখনও তাদের জবাবের অপেক্ষায় আছে।
ওউদার ভিডিও প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর টিকটকে একই ধরনের একটি ব্যবহারকারীর নাম দেখা যায়, যেখানে একটি বার্তা ছিল— ‘কিছু ব্যবহারকারীর কাছে অস্বস্তিকর মনে হতে পারে এমন পোস্টগুলো অপ্রবেশযোগ্য।’
ওই অ্যাকাউন্টে সর্বশেষ দৃশ্যমান পোস্টটি ছিল ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালের, অর্থাৎ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের পর ঘোষিত যুদ্ধবিরতির প্রায় তিন সপ্তাহ আগের।
বুধবারের ভিডিওতে বিসান ওউদা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক মন্তব্য এবং টিকটকের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নতুন সিইও অ্যাডাম প্রেসারের বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এগুলোই হয়তো তার অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হওয়ার সম্ভাব্য কারণ।
পুরস্কারপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি সাংবাদিক বিসান ওউদা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বিনিয়োগকারীদের হাতে টিকটক অধিগ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই তার টিকটক অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
গাজা থেকে কাজ করা এমি অ্যাওয়ার্ডজয়ী এই সাংবাদিক আল জাজিরার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এজে+ –এর সঙ্গে কাজ করেন। বুধবার তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম ও এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও শেয়ার করে বিষয়টি জানান।
ভিডিওতে ওউদা বলেন, টিকটক আমার অ্যাকাউন্ট মুছে দিয়েছে। সেখানে আমার ১৪ লাখ অনুসারী ছিল, আর চার বছর ধরে আমি এই প্ল্যাটফর্মটি গড়ে তুলেছি।
তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম, আগের মতোই হয়তো কিছু সীমাবদ্ধতা দেওয়া হবে, কিন্তু পুরোপুরি চিরতরে নিষিদ্ধ করে দেবে—এটা আশা করিনি।
আল জাজিরা এ বিষয়ে টিকটকের কাছে প্রশ্ন পাঠিয়েছে এবং এখনও তাদের জবাবের অপেক্ষায় আছে।
ওউদার ভিডিও প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর টিকটকে একই ধরনের একটি ব্যবহারকারীর নাম দেখা যায়, যেখানে একটি বার্তা ছিল— ‘কিছু ব্যবহারকারীর কাছে অস্বস্তিকর মনে হতে পারে এমন পোস্টগুলো অপ্রবেশযোগ্য।’
ওই অ্যাকাউন্টে সর্বশেষ দৃশ্যমান পোস্টটি ছিল ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালের, অর্থাৎ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের পর ঘোষিত যুদ্ধবিরতির প্রায় তিন সপ্তাহ আগের।
বুধবারের ভিডিওতে বিসান ওউদা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক মন্তব্য এবং টিকটকের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নতুন সিইও অ্যাডাম প্রেসারের বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এগুলোই হয়তো তার অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হওয়ার সম্ভাব্য কারণ।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৮
পবিত্র মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফ কাটার চেষ্টা করার অভিযোগে তুরস্ক থেকে আগত এক নারীকে আটক করেছে দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনী। তিনি একটি হজ্ব কাফেলার সদস্য হিসেবে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ওই নারী কাবা শরিফের গায়ে থাকা পবিত্র গিলাফ থেকে একটি অংশ কাঁচি দিয়ে কেটে নেওয়ার চেষ্টা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সেটিকে ব্যক্তিগত স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করতে চেয়েছিলেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত মুসল্লিরা বিষয়টি লক্ষ্য করে দ্রুত তাকে সতর্ক করেন। তারা তাকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, এ ধরনের কাজ শরিয়তের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অনেকেই উচ্চস্বরে তাকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
মুসল্লিদের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে তিনি যখন তার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন, তখন দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ওই নারীকে আটক করেন এবং সেখান থেকে সরিয়ে নেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, ঘটনাটি ঘটার সময় আশপাশে উপস্থিতদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই নারীর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ তাকে মিশরের নাগরিক বলে দাবি করেন।
তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত দ্যা ইসলামিক ইনফরমেশনের প্রতিবেদক উতাইবি নিশ্চিত করেন, তিনি তুরস্কের নাগরিক এবং একটি তুর্কি হজ্ব দলের সঙ্গেই এসেছিলেন। ফলে মিশরীয় হওয়ার তথ্যটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়।
এদিকে, আটক হওয়ার পর ওই নারীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এখনো কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কাবা শরিফের গিলাফ ইসলামের অন্যতম পবিত্র নিদর্শন। কালো রঙের এই গিলাফ সোনালি সুতার কাজে পবিত্র কুরআনের আয়াত দ্বারা সজ্জিত থাকে, যা মুসলমানদের কাছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক।
এর কোনো অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে নেওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত করা বা অপসারণ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সৌদি আরবের প্রচলিত আইনে এ ধরনের কাজ গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় এবং এর জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।
পবিত্র মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফ কাটার চেষ্টা করার অভিযোগে তুরস্ক থেকে আগত এক নারীকে আটক করেছে দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনী। তিনি একটি হজ্ব কাফেলার সদস্য হিসেবে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ওই নারী কাবা শরিফের গায়ে থাকা পবিত্র গিলাফ থেকে একটি অংশ কাঁচি দিয়ে কেটে নেওয়ার চেষ্টা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সেটিকে ব্যক্তিগত স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করতে চেয়েছিলেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত মুসল্লিরা বিষয়টি লক্ষ্য করে দ্রুত তাকে সতর্ক করেন। তারা তাকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, এ ধরনের কাজ শরিয়তের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অনেকেই উচ্চস্বরে তাকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
মুসল্লিদের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে তিনি যখন তার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন, তখন দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ওই নারীকে আটক করেন এবং সেখান থেকে সরিয়ে নেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, ঘটনাটি ঘটার সময় আশপাশে উপস্থিতদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই নারীর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ তাকে মিশরের নাগরিক বলে দাবি করেন।
তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত দ্যা ইসলামিক ইনফরমেশনের প্রতিবেদক উতাইবি নিশ্চিত করেন, তিনি তুরস্কের নাগরিক এবং একটি তুর্কি হজ্ব দলের সঙ্গেই এসেছিলেন। ফলে মিশরীয় হওয়ার তথ্যটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়।
এদিকে, আটক হওয়ার পর ওই নারীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এখনো কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কাবা শরিফের গিলাফ ইসলামের অন্যতম পবিত্র নিদর্শন। কালো রঙের এই গিলাফ সোনালি সুতার কাজে পবিত্র কুরআনের আয়াত দ্বারা সজ্জিত থাকে, যা মুসলমানদের কাছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক।
এর কোনো অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে নেওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত করা বা অপসারণ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সৌদি আরবের প্রচলিত আইনে এ ধরনের কাজ গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় এবং এর জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ০১:৩৬
ইরানের উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে হামলার পর, এখন আর চোখের বদলে চোখ নীতি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এয়ারোস্পেস কমান্ডার সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স -এ দেওয়া এক বার্তায় মুসাভি বলেন, ‘ইরানের উৎপাদন স্থাপনায় হামলার পর পরিস্থিতি আগের মতো চোখের বদলে চোখ নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘তোমরা আগেও আমাদের পরীক্ষা করেছো। বিশ্ব আবার দেখেছে যে তোমরাই আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করেছো এবং অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছো।’
মুসাভি হুঁশিয়ারি দেন, ‘এবার সমীকরণ আর ‘চোখের বদলে চোখ’ থাকবে না! অপেক্ষা করুন এবং দেখুন!’ তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকান এবং জায়নবাদী শাসনের সাথে যুক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের উচিত নিজেদের জীবন বিপন্ন করা এড়াতে দ্রুত তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করা।’
ইরানের উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে হামলার পর, এখন আর চোখের বদলে চোখ নীতি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এয়ারোস্পেস কমান্ডার সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স -এ দেওয়া এক বার্তায় মুসাভি বলেন, ‘ইরানের উৎপাদন স্থাপনায় হামলার পর পরিস্থিতি আগের মতো চোখের বদলে চোখ নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘তোমরা আগেও আমাদের পরীক্ষা করেছো। বিশ্ব আবার দেখেছে যে তোমরাই আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করেছো এবং অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছো।’
মুসাভি হুঁশিয়ারি দেন, ‘এবার সমীকরণ আর ‘চোখের বদলে চোখ’ থাকবে না! অপেক্ষা করুন এবং দেখুন!’ তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকান এবং জায়নবাদী শাসনের সাথে যুক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের উচিত নিজেদের জীবন বিপন্ন করা এড়াতে দ্রুত তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করা।’

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৫
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকায় রুশ দূতাবাস থেকে টেলিগ্রামে এ তথ্য জানানো হয়।
রুশ দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
অভিনন্দন বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আগামীতেও উত্তরোত্তর সুদৃঢ় হবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকায় রুশ দূতাবাস থেকে টেলিগ্রামে এ তথ্য জানানো হয়।
রুশ দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
অভিনন্দন বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আগামীতেও উত্তরোত্তর সুদৃঢ় হবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.