
২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:৪৬
দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্যসেবাকে ঘরে ঘরে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের প্রধান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেছেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে প্রাথমিক পর্যায়েই অধিকাংশ রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত হবে এবং জেলা হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য খুব পরিষ্কার- স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। একজন মানুষ যেন সামান্য চিকিৎসার জন্য দূরে যেতে বাধ্য না হয়, সেটিই আমরা নিশ্চিত করতে চাই।'
তিনি বলেন, 'প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে সমন্বিত স্বাস্থ্য ইউনিট গড়ে তোলা হবে। সেখানে একজন চিকিৎসক, ডিপ্লোমাধারী উপসহকারী, মিডওয়াইফ, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ফার্মাসিস্ট থাকবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক হাব থাকবে।'
ড. হায়দার আরও বলেন, 'ইউনিট পর্যায়ে চিকিৎসা সম্ভব না হলে রোগীদের উপজেলা বা জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করা হবে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং বড় হাসপাতালগুলো জটিল রোগীদের সেবা দিতে বেশি মনোযোগ দিতে পারবে।'
তিনি জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে করে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার হবে এবং প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ শনাক্ত করা সহজ হবে।
সরকারি হাসপাতালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'সরকারি হাসপাতালগুলো সাধারণ মানুষের প্রধান ভরসাস্থল। তাই এখানে সেবার মান আরও উন্নত করা জরুরি। জনবল, অবকাঠামো ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয় ঘটিয়ে স্বাস্থ্যসেবাকে কার্যকর করতে হবে।'
এর আগে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, নারী ও শিশু ওয়ার্ড, মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা এবং হাসপাতালের পরিবেশ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেন।
পরিদর্শনকালে রোগী ও স্বজনরা চিকিৎসকদের আন্তরিকতার প্রশংসা করলেও শয্যা সংকট, ওষুধের স্বল্পতা, কক্ষের জায়গা সংকট ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে শুনে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
পরে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. খালিদ মাহমুদ শাকিল, ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মাসুম ইফতেখার, কনসালটেন্ট ডা. মাহামুদ হাসান ও ডা. আবুয়াল হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যাপ্ত জনবল, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে আরও কার্যকর ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান সম্ভব হবে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। ছবি :সংগ্রহীত
দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্যসেবাকে ঘরে ঘরে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের প্রধান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেছেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে প্রাথমিক পর্যায়েই অধিকাংশ রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত হবে এবং জেলা হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য খুব পরিষ্কার- স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। একজন মানুষ যেন সামান্য চিকিৎসার জন্য দূরে যেতে বাধ্য না হয়, সেটিই আমরা নিশ্চিত করতে চাই।'
তিনি বলেন, 'প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে সমন্বিত স্বাস্থ্য ইউনিট গড়ে তোলা হবে। সেখানে একজন চিকিৎসক, ডিপ্লোমাধারী উপসহকারী, মিডওয়াইফ, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ফার্মাসিস্ট থাকবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক হাব থাকবে।'
ড. হায়দার আরও বলেন, 'ইউনিট পর্যায়ে চিকিৎসা সম্ভব না হলে রোগীদের উপজেলা বা জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করা হবে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং বড় হাসপাতালগুলো জটিল রোগীদের সেবা দিতে বেশি মনোযোগ দিতে পারবে।'
তিনি জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে করে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার হবে এবং প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ শনাক্ত করা সহজ হবে।
সরকারি হাসপাতালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'সরকারি হাসপাতালগুলো সাধারণ মানুষের প্রধান ভরসাস্থল। তাই এখানে সেবার মান আরও উন্নত করা জরুরি। জনবল, অবকাঠামো ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয় ঘটিয়ে স্বাস্থ্যসেবাকে কার্যকর করতে হবে।'
এর আগে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, নারী ও শিশু ওয়ার্ড, মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা এবং হাসপাতালের পরিবেশ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেন।
পরিদর্শনকালে রোগী ও স্বজনরা চিকিৎসকদের আন্তরিকতার প্রশংসা করলেও শয্যা সংকট, ওষুধের স্বল্পতা, কক্ষের জায়গা সংকট ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে শুনে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
পরে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. খালিদ মাহমুদ শাকিল, ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মাসুম ইফতেখার, কনসালটেন্ট ডা. মাহামুদ হাসান ও ডা. আবুয়াল হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যাপ্ত জনবল, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে আরও কার্যকর ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান সম্ভব হবে।
বরিশাল টাইমস
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩
২৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১৪

২৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০০
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:২২
ভোলার মনপুরার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে রাজা ইলিশ। মাছটির ওজন দুই কেজি ৮০০ গ্রাম। মাছটি নিলামে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ মৎস্য ঘাটে আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে বিক্রি করা হয়।
আড়তের ম্যানেজার নাহিদ বলেন, শনিবার সকালে কলাতলীচর আবাসন খালের কামাল মাঝিসহ সঙ্গীয় জেলেরা রামনেওয়াজ সংলগ্ন মেঘনায় মাছ শিকার করছিল। এই সময় জারে ওঠে আসে রাজা ইলিশ মাছটি। উপকূলের জেলে ও মৎস্য আড়তদাররা বড় সাইজের ইলিশকে রাজা মাছ বলে।
মৎস্য ঘাটের বেপারি আইয়ুব পাটোয়ারী বলেন, আমিসহ অন্য বেপারির উপস্থিতিতে মাছটি আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হয়। পরে সর্বোচ্চ দাম ৯ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী।
ব্যবসায়ী রাজিব চৌধুরী বলেন, ঢাকার পাইকারি আড়তে বড় সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি। ঢাকার পাইকারি আড়তে বেশি দামে মাছটি বিক্রি করতে পারব বলে আশাবাদী।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক বলেন, প্রতিবছর ইলিশ প্রজনন মৌসুম সফল হওয়ায় জেলের জালে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়েছে। সামনে বর্ষায় বৃষ্টিপাত বাড়লে আরও বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশাবাদী।
ভোলার মনপুরার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে রাজা ইলিশ। মাছটির ওজন দুই কেজি ৮০০ গ্রাম। মাছটি নিলামে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ মৎস্য ঘাটে আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে বিক্রি করা হয়।
আড়তের ম্যানেজার নাহিদ বলেন, শনিবার সকালে কলাতলীচর আবাসন খালের কামাল মাঝিসহ সঙ্গীয় জেলেরা রামনেওয়াজ সংলগ্ন মেঘনায় মাছ শিকার করছিল। এই সময় জারে ওঠে আসে রাজা ইলিশ মাছটি। উপকূলের জেলে ও মৎস্য আড়তদাররা বড় সাইজের ইলিশকে রাজা মাছ বলে।
মৎস্য ঘাটের বেপারি আইয়ুব পাটোয়ারী বলেন, আমিসহ অন্য বেপারির উপস্থিতিতে মাছটি আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হয়। পরে সর্বোচ্চ দাম ৯ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী।
ব্যবসায়ী রাজিব চৌধুরী বলেন, ঢাকার পাইকারি আড়তে বড় সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি। ঢাকার পাইকারি আড়তে বেশি দামে মাছটি বিক্রি করতে পারব বলে আশাবাদী।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক বলেন, প্রতিবছর ইলিশ প্রজনন মৌসুম সফল হওয়ায় জেলের জালে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়েছে। সামনে বর্ষায় বৃষ্টিপাত বাড়লে আরও বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশাবাদী।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৫
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.