
০৯ নভেম্বর, ২০২৫ ১৯:৩২
শনিবার (৮ নভেম্বর) মধ্যরাতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার উপসচিব আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তিনি মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের উপসচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
অন্যদিকে ভোলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মো. আজাদ জাহানকে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
শনিবার (৮ নভেম্বর) মধ্যরাতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার উপসচিব আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তিনি মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের উপসচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
অন্যদিকে ভোলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মো. আজাদ জাহানকে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৭
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৭
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৭
ভোলার লালমোহন উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের বিরুদ্ধে সমঝোতার মাধ্যমে সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে চাল ও গমের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) বিতরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সমর্থনে টাকার লেনদেনসংক্রান্ত একাধিক গোপন ভিডিও ফুটেজও এই প্রতিনিধির হাতে পৌঁছেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে চাল বা গম বরাদ্দের ছাড়পত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলার বা কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দপ্রাপ্তরা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে ডিও নিতে গেলে তাদের কাছ থেকে প্রতি টনে সর্বনিম্ন ৫শ থেকে সর্বোচ্চ একহাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। নির্ধারিত এই সমঝোতার টাকা পরিশোধের পরই দ্রুত ডিও ইস্যু করা হয় এবং বরাদ্দকৃত চাল-গম উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়।
গোপন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৯ টন চালের ডিও প্রদানের জন্য ৪ হাজার ৫শ টাকা গ্রহণ করা হচ্ছে। টাকা গ্রহণের পরপরই দ্রুততার সঙ্গে ডিও লেটার প্রস্তুত ও ইস্যু করা হয়। ফুটেজে এ সংক্রান্ত কথোপকথনের কিছু অংশও ধরা পড়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সমঝোতার টাকা পেলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক কিস্তির ডিও একবারেই প্রস্তুত করে দেওয়া হয়, যা সরকারি বিধিমালার পরিপন্থী বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের কাছে অভিযোগ ও গোপন ভিডিও প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওরা খুশি হয়ে যা দেয়, তা আমি রাখি। আমি কাউকে জোর করি না।
তবে পরবর্তীতে কথোপকথনের একপর্যায়ে সমঝোতার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে তদন্তের দাবি উঠেছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের বিরুদ্ধে সমঝোতার মাধ্যমে সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে চাল ও গমের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) বিতরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সমর্থনে টাকার লেনদেনসংক্রান্ত একাধিক গোপন ভিডিও ফুটেজও এই প্রতিনিধির হাতে পৌঁছেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে চাল বা গম বরাদ্দের ছাড়পত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলার বা কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দপ্রাপ্তরা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে ডিও নিতে গেলে তাদের কাছ থেকে প্রতি টনে সর্বনিম্ন ৫শ থেকে সর্বোচ্চ একহাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। নির্ধারিত এই সমঝোতার টাকা পরিশোধের পরই দ্রুত ডিও ইস্যু করা হয় এবং বরাদ্দকৃত চাল-গম উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়।
গোপন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৯ টন চালের ডিও প্রদানের জন্য ৪ হাজার ৫শ টাকা গ্রহণ করা হচ্ছে। টাকা গ্রহণের পরপরই দ্রুততার সঙ্গে ডিও লেটার প্রস্তুত ও ইস্যু করা হয়। ফুটেজে এ সংক্রান্ত কথোপকথনের কিছু অংশও ধরা পড়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সমঝোতার টাকা পেলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক কিস্তির ডিও একবারেই প্রস্তুত করে দেওয়া হয়, যা সরকারি বিধিমালার পরিপন্থী বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের কাছে অভিযোগ ও গোপন ভিডিও প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওরা খুশি হয়ে যা দেয়, তা আমি রাখি। আমি কাউকে জোর করি না।
তবে পরবর্তীতে কথোপকথনের একপর্যায়ে সমঝোতার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে তদন্তের দাবি উঠেছে।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৮
দীর্ঘ ১৫ বছর পর ভোলা প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল হোসেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৪৬ সদস্যের মধ্যে ৪৫ জন এতে ভোট দেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে নজরুল হক অনু ২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। সহ-সভাপতি পদে মো. সুলাইমান ১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন ২১ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন।
এ ছাড়া অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন—যুগ্ম সম্পাদক পদে কামরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পদে নুরে আলম ফয়জুল্লাহ। দপ্তর সম্পাদক পদে ছোটন সাহা ও নির্বাহী সদস্য পদে মোতাছিন বিল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে প্রার্থী না থাকায় ক্রীড়া সম্পাদক, পাঠাগার সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং নির্বাহী সদস্যের একটি পদ এখনো শূন্য রয়েছে।
জানা গেছে, প্রেস ক্লাবের মোট ৪৬ জন সদস্যের মধ্যে সাতটি পদের বিপরীতে ১৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ৩ জন, সহ-সভাপতি পদে ৩ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নবনির্বাচিত কমিটি আগামী দুই বছর ভোলা প্রেস ক্লাবের দায়িত্ব পালন করবে।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর ভোলা প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল হোসেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৪৬ সদস্যের মধ্যে ৪৫ জন এতে ভোট দেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে নজরুল হক অনু ২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। সহ-সভাপতি পদে মো. সুলাইমান ১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন ২১ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন।
এ ছাড়া অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন—যুগ্ম সম্পাদক পদে কামরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পদে নুরে আলম ফয়জুল্লাহ। দপ্তর সম্পাদক পদে ছোটন সাহা ও নির্বাহী সদস্য পদে মোতাছিন বিল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে প্রার্থী না থাকায় ক্রীড়া সম্পাদক, পাঠাগার সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং নির্বাহী সদস্যের একটি পদ এখনো শূন্য রয়েছে।
জানা গেছে, প্রেস ক্লাবের মোট ৪৬ জন সদস্যের মধ্যে সাতটি পদের বিপরীতে ১৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ৩ জন, সহ-সভাপতি পদে ৩ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নবনির্বাচিত কমিটি আগামী দুই বছর ভোলা প্রেস ক্লাবের দায়িত্ব পালন করবে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
ভোলার মনপুরা উপজেলায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়। বুধবার (০৮ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ ভবন গ্রাউন্ডে এ বিজ্ঞান মেলা অনুৃষ্ঠিত হয়।
উক্ত মেলার উদ্বোধনের পর মেলায় অংশগ্রহনকারি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টল ঘুরে দেখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা।
মেলায় উপজেলার ৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি কলেজ অংশ নেয়।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ডিভাইস ও গবেষণামূলক প্রজেক্ট প্রদর্শন করেন। শিক্ষার্থীদের তৈরী প্রজেক্টগুলো দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।
মেলায় আগত দর্শনার্থীরা জানান, মেলায় শিক্ষার্থীদের উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর ডিভাইস ও প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা বলেন,“একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে তথ্যপ্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ছোটবেলা থেকেই স্কুল-কলেজে বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তুলতে পারলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন সমস্যার সহজ সমাধান দিতে পারবে।”
ভোলার মনপুরা উপজেলায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়। বুধবার (০৮ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ ভবন গ্রাউন্ডে এ বিজ্ঞান মেলা অনুৃষ্ঠিত হয়।
উক্ত মেলার উদ্বোধনের পর মেলায় অংশগ্রহনকারি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টল ঘুরে দেখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা।
মেলায় উপজেলার ৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি কলেজ অংশ নেয়।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ডিভাইস ও গবেষণামূলক প্রজেক্ট প্রদর্শন করেন। শিক্ষার্থীদের তৈরী প্রজেক্টগুলো দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।
মেলায় আগত দর্শনার্থীরা জানান, মেলায় শিক্ষার্থীদের উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর ডিভাইস ও প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা বলেন,“একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে তথ্যপ্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ছোটবেলা থেকেই স্কুল-কলেজে বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তুলতে পারলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন সমস্যার সহজ সমাধান দিতে পারবে।”
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.