
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৪
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ সামরিক আঘাতের পর প্রতিবেশী দেশ ও প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মিত্ররা শনিবার এর নিন্দা জানিয়েছে। স্পেন শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে দেশছাড়া করেছে।
ভেনেজুয়েলা সরকার এটিকে ওয়াশিংটনের ‘চরম গুরুতর সামরিক আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। একই সঙ্গে কারাকাসের ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েক নেতা মার্কিন পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন।
ইরান
তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইরান বলেছে, তারা ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার ‘কঠোর নিন্দা’ জানায়—এটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রকাশ্য লঙ্ঘন।
কলম্বিয়া
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো একে লাতিন আমেরিকার সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে অভিহিত করে সতর্ক করেন, এতে মানবিক সংকট তৈরি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক তাৎক্ষণিকভাবে আহ্বান করার আহ্বান জানান তিনি।
কিউবা
প্রথাগত মিত্র কিউবা একে ‘সাহসী ভেনেজুয়েলান জনগণের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া কামনা করেছে।
রাশিয়া
রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ‘সশস্ত্র আগ্রাসন’ বলে নিন্দা করে বলেছে, এই পদক্ষেপের কোনো গ্রহণযোগ্য অজুহাত নেই এবং আদর্শগত শত্রুতা কূটনীতিকে ছাপিয়ে গেছে।
স্পেন
স্পেন উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, তারা গণতান্ত্রিক, আলোচনাভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মধ্যস্থতায় প্রস্তুত।
জার্মানি
জার্মানি জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখেছে।
ইতালি
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির কার্যালয় বলেছে, তারা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে এবং কারাকাসে অবস্থানরত ইতালীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে।
বেলজিয়াম
বেলজিয়াম ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করছে বলে শনিবার জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ট্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী কমলা পার্সাদ-বিসেসর
ট্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী কমলা পার্সাদ-বিসেসর বলেছেন, ‘শনিবার, ৩ জানুয়ারি ২০২৬ সালের আজ সকালে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ভেতরে সামরিক অভিযান শুরু করেছে। ট্রিনিদাদ ও টোবাগো চলমান এসব সামরিক অভিযানের কোনো অংশ নয়।
ভেনেজুয়েলার জনগণের সঙ্গে ট্রিনিদাদ ও টোবাগো শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে।’
ইন্দোনেশিয়া
ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইয়ভন মিউয়েংকাং বলেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইন্দোনেশিয়া।
তিনি বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে উত্তেজনা প্রশমন ও সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানায় এবং বেসামরিক মানুষের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে বলে।’
মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটররা
ডেমোক্র্যাট সিনেটর ব্রায়ান শ্যাটজ বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় যুদ্ধে যাওয়ার মতো কোনো জাতীয় স্বার্থ যুক্তরাষ্ট্রের নেই। সিনেটর রুবেন গালেগো লিখেছেন, এই যুদ্ধ বেআইনি—এক বছরেরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘বিশ্ব পুলিশ’ থেকে ‘বিশ্বের বুলি’তে পরিণত হয়েছে।
বলিভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মোরালেস
ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র সাবেক প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস যুক্তরাষ্ট্রের ‘বোমা হামলা’ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ সামরিক আঘাতের পর প্রতিবেশী দেশ ও প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মিত্ররা শনিবার এর নিন্দা জানিয়েছে। স্পেন শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে দেশছাড়া করেছে।
ভেনেজুয়েলা সরকার এটিকে ওয়াশিংটনের ‘চরম গুরুতর সামরিক আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। একই সঙ্গে কারাকাসের ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েক নেতা মার্কিন পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন।
ইরান
তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইরান বলেছে, তারা ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার ‘কঠোর নিন্দা’ জানায়—এটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রকাশ্য লঙ্ঘন।
কলম্বিয়া
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো একে লাতিন আমেরিকার সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে অভিহিত করে সতর্ক করেন, এতে মানবিক সংকট তৈরি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক তাৎক্ষণিকভাবে আহ্বান করার আহ্বান জানান তিনি।
কিউবা
প্রথাগত মিত্র কিউবা একে ‘সাহসী ভেনেজুয়েলান জনগণের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া কামনা করেছে।
রাশিয়া
রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ‘সশস্ত্র আগ্রাসন’ বলে নিন্দা করে বলেছে, এই পদক্ষেপের কোনো গ্রহণযোগ্য অজুহাত নেই এবং আদর্শগত শত্রুতা কূটনীতিকে ছাপিয়ে গেছে।
স্পেন
স্পেন উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, তারা গণতান্ত্রিক, আলোচনাভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মধ্যস্থতায় প্রস্তুত।
জার্মানি
জার্মানি জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখেছে।
ইতালি
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির কার্যালয় বলেছে, তারা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে এবং কারাকাসে অবস্থানরত ইতালীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে।
বেলজিয়াম
বেলজিয়াম ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করছে বলে শনিবার জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ট্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী কমলা পার্সাদ-বিসেসর
ট্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী কমলা পার্সাদ-বিসেসর বলেছেন, ‘শনিবার, ৩ জানুয়ারি ২০২৬ সালের আজ সকালে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ভেতরে সামরিক অভিযান শুরু করেছে। ট্রিনিদাদ ও টোবাগো চলমান এসব সামরিক অভিযানের কোনো অংশ নয়।
ভেনেজুয়েলার জনগণের সঙ্গে ট্রিনিদাদ ও টোবাগো শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে।’
ইন্দোনেশিয়া
ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইয়ভন মিউয়েংকাং বলেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইন্দোনেশিয়া।
তিনি বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে উত্তেজনা প্রশমন ও সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানায় এবং বেসামরিক মানুষের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে বলে।’
মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটররা
ডেমোক্র্যাট সিনেটর ব্রায়ান শ্যাটজ বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় যুদ্ধে যাওয়ার মতো কোনো জাতীয় স্বার্থ যুক্তরাষ্ট্রের নেই। সিনেটর রুবেন গালেগো লিখেছেন, এই যুদ্ধ বেআইনি—এক বছরেরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘বিশ্ব পুলিশ’ থেকে ‘বিশ্বের বুলি’তে পরিণত হয়েছে।
বলিভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মোরালেস
ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র সাবেক প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস যুক্তরাষ্ট্রের ‘বোমা হামলা’ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
১৮ জুলাই, ২০২৬ ০২:৩৩
১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৮
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৭

১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:৫১
ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে ১৪ জন কথিত ‘গো-রক্ষককে’ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পর তীব্র সাম্প্রদায়িক আক্রমণ ও হত্যার হুমকির শিকার হয়েছেন মুসলিম নারী বিচারক তাবাসসুম খান। বিচারকের রায়ের আইনি পর্যালোচনার পরিবর্তে তার ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
গত ১২ জুন মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের একটি আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান ১৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যার চেষ্টা, দাঙ্গািএবং বেআইনিভাবে মানুষকে আটকে রাখার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ রায়ে দেওয়া হয়।
২০২২ সালে মধ্যপ্রদেশের নর্মদাপুরম জেলায় একটি ট্রাকে গরু বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন নাজির আহমেদ নামে এক ট্রাকচালক। এ সময় লাঠি ও রড হাতে থাকা একদল স্বঘোষিত ‘গোরক্ষক’ তাকে আটকায়।
গরু পাচারের সন্দেহে ওই ব্যক্তিরা নাজির ও তার দুই সঙ্গীকে গাড়ি থেকে টেনে বের করে আনে এবং তাদের ওপর নৃশংসভাবে হামলা চালায়। পরে নাজির তার আঘাতের কারণে মারা যান, কিন্তু তার সঙ্গীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। পরে আদালতে তারা ঘটনাটি বর্ণনা করেন।
১২ জুন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মেডিকেল রিপোর্টের ভিত্তিতে এই হত্যাকাণ্ডকে ‘চরম বর্বর ও নৃশংস’ আখ্যা দিয়ে ১৪ জন অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।
রায় ঘোষণার পরই কট্টরপন্থি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরা আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করেন এবং বিচারকের কুশপুত্তলিকা পোড়ান। পরবর্তীতে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে বিচারককে উদ্দেশ্য করে চরম আপত্তিকর মন্তব্য, হত্যার হুমকি এবং ধর্ষণ ও সহিংসতার উসকানিমূলক ভিডিও ছড়ানো হয়।
বিচারকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে হস্তক্ষেপ করেছে এবং পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। এরই মধ্যে ঘৃণাসূচক মন্তব্য ছড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা খর্ব করার এই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ও সুপ্রিম কোর্ট অ্যাডভোকেটস-অন-রেকর্ড অ্যাসোসিয়েশনের মতো শীর্ষ আইনি সংস্থাগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিচারকের পাশে দাঁড়িয়েছে।’
সূত্র: বিবিসি
ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে ১৪ জন কথিত ‘গো-রক্ষককে’ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পর তীব্র সাম্প্রদায়িক আক্রমণ ও হত্যার হুমকির শিকার হয়েছেন মুসলিম নারী বিচারক তাবাসসুম খান। বিচারকের রায়ের আইনি পর্যালোচনার পরিবর্তে তার ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
গত ১২ জুন মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের একটি আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান ১৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যার চেষ্টা, দাঙ্গািএবং বেআইনিভাবে মানুষকে আটকে রাখার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ রায়ে দেওয়া হয়।
২০২২ সালে মধ্যপ্রদেশের নর্মদাপুরম জেলায় একটি ট্রাকে গরু বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন নাজির আহমেদ নামে এক ট্রাকচালক। এ সময় লাঠি ও রড হাতে থাকা একদল স্বঘোষিত ‘গোরক্ষক’ তাকে আটকায়।
গরু পাচারের সন্দেহে ওই ব্যক্তিরা নাজির ও তার দুই সঙ্গীকে গাড়ি থেকে টেনে বের করে আনে এবং তাদের ওপর নৃশংসভাবে হামলা চালায়। পরে নাজির তার আঘাতের কারণে মারা যান, কিন্তু তার সঙ্গীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। পরে আদালতে তারা ঘটনাটি বর্ণনা করেন।
১২ জুন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মেডিকেল রিপোর্টের ভিত্তিতে এই হত্যাকাণ্ডকে ‘চরম বর্বর ও নৃশংস’ আখ্যা দিয়ে ১৪ জন অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।
রায় ঘোষণার পরই কট্টরপন্থি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরা আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করেন এবং বিচারকের কুশপুত্তলিকা পোড়ান। পরবর্তীতে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে বিচারককে উদ্দেশ্য করে চরম আপত্তিকর মন্তব্য, হত্যার হুমকি এবং ধর্ষণ ও সহিংসতার উসকানিমূলক ভিডিও ছড়ানো হয়।
বিচারকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে হস্তক্ষেপ করেছে এবং পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। এরই মধ্যে ঘৃণাসূচক মন্তব্য ছড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা খর্ব করার এই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ও সুপ্রিম কোর্ট অ্যাডভোকেটস-অন-রেকর্ড অ্যাসোসিয়েশনের মতো শীর্ষ আইনি সংস্থাগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিচারকের পাশে দাঁড়িয়েছে।’
সূত্র: বিবিসি

১১ জুলাই, ২০২৬ ২০:০৬
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সাকিশিমা দ্বীপপুঞ্জে ভারী বর্ষণ ও প্রচণ্ড ঝোড়োহাওয়ার আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বাভি’। পরে এটি তাইওয়ানের দিকে অগ্রসর হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বন্যা ও ভূমিধসের বিষয়ে কঠোর সতর্কতা জারি করেছে। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
টাইফুনটি চীনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান শহর ওয়েনঝো ও এর আশপাশের এলাকার দিকে ধেয়ে আসার আশঙ্কায় শনিবার (১১ জুলাই) ১৮ লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ওকিনাওয়া প্রিফেকচারের অংশ ইশিগাকি দ্বীপে ঝড়ের তাণ্ডবে রাস্তায় ধ্বংসাবশেষ উড়ে যেতে দেখা গেছে। ঝোড়ো বাতাস ও ভারী বৃষ্টির মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি যানবাহন ছাড়া রাস্তাঘাট ছিল প্রায় জনশূন্য।
টাইফুনের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠেছে। ঝড়ের কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৯৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ইশিগাকি দ্বীপে শনিবার সারাদিন সব ধরনের ফ্লাইট ও ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন বিমান সংস্থা ৩৪৫টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। ওকিনাওয়া অঞ্চলে ২৪ হাজারের বেশি বাড়িঘর বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।
এদিকে টাইফুন বাভির প্রভাবে তাইওয়ানের পার্বত্য এলাকা থেকে ১৪ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে দেশটির সরকার। ঝড়টি সরাসরি তাইওয়ানে আঘাত না হানলেও কয়েকটি এলাকায় প্রায় এক মিটার (প্রায় তিন ফুট) বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার তাইওয়ানের বেশির ভাগ শহর ও কাউন্টিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া ৯২০টি আন্তর্জাতিক এবং ২৮০টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। উত্তর-দক্ষিণ হাই-স্পিড রেল চলাচল চালু থাকলেও সেবার পরিধি কমিয়ে আনা হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল রোববার ভোরে টাইফুন বাভি চীনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ওয়েনঝোতে আঘাত হানতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক কোটি জনসংখ্যার এই শহরে দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।'
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সাকিশিমা দ্বীপপুঞ্জে ভারী বর্ষণ ও প্রচণ্ড ঝোড়োহাওয়ার আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বাভি’। পরে এটি তাইওয়ানের দিকে অগ্রসর হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বন্যা ও ভূমিধসের বিষয়ে কঠোর সতর্কতা জারি করেছে। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
টাইফুনটি চীনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান শহর ওয়েনঝো ও এর আশপাশের এলাকার দিকে ধেয়ে আসার আশঙ্কায় শনিবার (১১ জুলাই) ১৮ লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ওকিনাওয়া প্রিফেকচারের অংশ ইশিগাকি দ্বীপে ঝড়ের তাণ্ডবে রাস্তায় ধ্বংসাবশেষ উড়ে যেতে দেখা গেছে। ঝোড়ো বাতাস ও ভারী বৃষ্টির মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি যানবাহন ছাড়া রাস্তাঘাট ছিল প্রায় জনশূন্য।
টাইফুনের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠেছে। ঝড়ের কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৯৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ইশিগাকি দ্বীপে শনিবার সারাদিন সব ধরনের ফ্লাইট ও ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন বিমান সংস্থা ৩৪৫টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। ওকিনাওয়া অঞ্চলে ২৪ হাজারের বেশি বাড়িঘর বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।
এদিকে টাইফুন বাভির প্রভাবে তাইওয়ানের পার্বত্য এলাকা থেকে ১৪ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে দেশটির সরকার। ঝড়টি সরাসরি তাইওয়ানে আঘাত না হানলেও কয়েকটি এলাকায় প্রায় এক মিটার (প্রায় তিন ফুট) বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার তাইওয়ানের বেশির ভাগ শহর ও কাউন্টিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া ৯২০টি আন্তর্জাতিক এবং ২৮০টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। উত্তর-দক্ষিণ হাই-স্পিড রেল চলাচল চালু থাকলেও সেবার পরিধি কমিয়ে আনা হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল রোববার ভোরে টাইফুন বাভি চীনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ওয়েনঝোতে আঘাত হানতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক কোটি জনসংখ্যার এই শহরে দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।'

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৩:০৩
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, তাকে হত্যা বা হত্যার চেষ্টা করা হলে ইরানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে ভয়াবহ সামরিক হামলা চালানো হবে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, বর্তমানে ইরানকে লক্ষ্য করে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি লেখেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের দিকে ১,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র তাক করে রাখা হয়েছে। যদি ইরান সরকার বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেওয়া তাদের হুমকি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে এক্ষেত্রে আমাকে হত্যা বা হত্যার চেষ্টা করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আরও কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হবে।’
ট্রাম্প জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা আগেই দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন সামরিক বাহিনী আগামী এক বছর এবং প্রয়োজনে তারও বেশি সময় ধরে ইরানের সব এলাকা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে প্রস্তুত ও সক্ষম।’
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়া কিছু বিক্ষোভকারীর হাতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের আহ্বানসংবলিত ব্যানার প্রদর্শনের পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে এই হুঁশিয়ারি আসে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, তাকে হত্যা বা হত্যার চেষ্টা করা হলে ইরানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে ভয়াবহ সামরিক হামলা চালানো হবে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, বর্তমানে ইরানকে লক্ষ্য করে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি লেখেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের দিকে ১,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র তাক করে রাখা হয়েছে। যদি ইরান সরকার বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেওয়া তাদের হুমকি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে এক্ষেত্রে আমাকে হত্যা বা হত্যার চেষ্টা করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আরও কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হবে।’
ট্রাম্প জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা আগেই দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন সামরিক বাহিনী আগামী এক বছর এবং প্রয়োজনে তারও বেশি সময় ধরে ইরানের সব এলাকা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে প্রস্তুত ও সক্ষম।’
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়া কিছু বিক্ষোভকারীর হাতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের আহ্বানসংবলিত ব্যানার প্রদর্শনের পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে এই হুঁশিয়ারি আসে।’