
০৩ জুন, ২০২৬ ১৩:৩৯
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ অভিযোগ করে বলেছেন, 'খাল খনন প্রকল্পে ব্যাপক লুটপাট চলছে। এলাকার প্রয়োজনীয় খালগুলো খনন না করে লুটপাটের স্বার্থে সরকারি অন্য দপ্তরের পূর্বে খনন করা খালেই আবার নতুন করে খাল খনন প্রকল্পের কাজ চলছে। অথচ যে খালগুলোর প্রকৃত খনন প্রয়োজন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যেগুলো খননের জন্য অর্থবরাদ্দ করা হয়েছিল সেগুলো বাতিল করা হচ্ছে। খাল খনন কর্মসূচির নামে সারাদেশে লুটপাটের স্বর্গরাজ্য কায়েম করেছে সরকারি দল। গতকাল বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ আড্ডা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ এসময় আরো বলেন, 'আমাদের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন এক কিলোমিটার খাল খননে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হওয়ার কথা নয়। কিন্তু অনেক প্রকল্পে এক কিলোমিটার খাল খননের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। নেতাকর্মীদের লুটপাটের জন্যই খান খননে এমন অস্বাভাবিক অর্থ বরাদ্দ করা হচ্ছে।' সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সমালোচনা করে ফুয়াদ বলেন, 'সরকার বিভিন্ন ধরনের কার্ড দিচ্ছে। সেই কার্ড বিতরণের খবর প্রচারের জন্য আবার ৪১২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে সারাদেশে ৪৪ হাজার বিলবোর্ড স্থাপন করা হবে। সরকার মানুষের জন্য ৫ টাকা ব্যয় করে, আবার সেই ৫ টাকার খবর প্রচারের জন্য ৫ হাজার টাকা খরচ করে। এগুলোই হলো লুটপাট প্রকল্প। এই বিলবোর্ড নির্মাণের কাজও সরকারি দলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাই পাবে। এই ৪১২ কোটি টাকা থেকে সরকারি দলের অনেক লোক কোটিপতি হয়ে যাবে।'
মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ফুয়াদ বলেন, 'দেশে মাদকের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রায় প্রতিটি মহল্লায় মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পরে গাঁজার গন্ধে অনেক রাস্তা দিয়ে হাঁটা যায় না। সরকারি দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহযোগিতা ছাড়া মাদক ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। একইভাবে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু লোক মাদক ব্যবসায় সহযোগিতা করে। তাই নিজে এবং সন্তানকে বাঁচানোর স্বার্থেই স্থানীয় এলাকাবাসীকে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। সোচ্চার হয়ে প্রতিবাদ করতে হবে।'
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক আব্দুল আজিজ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখার সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি এম রাব্বী, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক কর্নেল (অব.) আব্দুল খালেক, সদস্য সোহরাব হোসেন, মাধবপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, এবি পার্টির ইউনিয়ন সদস্য সচিব জামাল আকন, কামরুল ইসলাম প্রমুখ। সভা শেষে বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ড কমিটি ঘোষণা করা হয়। এছাড়াও স্থানীয় এক দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় পাঠ্যবই উপহার দেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী বলেন, 'জনগণ যতদিন তাদের নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন না হবে ততদিন তাদের উপরে শোষণ-জুলুম চলতেই থাকবে। রাজনীতির নামে কিছু নীতিহীন অসৎ নেতারা জনগণকে জিম্মি করে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিচ্ছে। একদল দীর্ঘদিন মানুষের অধিকার হরণ করে আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে অবশেষে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। আরেক দল ক্ষমতায় এসে একই পথে হাঁটা শুরু করেছে। জনগণ সোচ্চার না হলে এই সিস্টেমের পরিবর্তন অসম্ভব। #
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ অভিযোগ করে বলেছেন, 'খাল খনন প্রকল্পে ব্যাপক লুটপাট চলছে। এলাকার প্রয়োজনীয় খালগুলো খনন না করে লুটপাটের স্বার্থে সরকারি অন্য দপ্তরের পূর্বে খনন করা খালেই আবার নতুন করে খাল খনন প্রকল্পের কাজ চলছে। অথচ যে খালগুলোর প্রকৃত খনন প্রয়োজন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যেগুলো খননের জন্য অর্থবরাদ্দ করা হয়েছিল সেগুলো বাতিল করা হচ্ছে। খাল খনন কর্মসূচির নামে সারাদেশে লুটপাটের স্বর্গরাজ্য কায়েম করেছে সরকারি দল। গতকাল বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ আড্ডা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ এসময় আরো বলেন, 'আমাদের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন এক কিলোমিটার খাল খননে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হওয়ার কথা নয়। কিন্তু অনেক প্রকল্পে এক কিলোমিটার খাল খননের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। নেতাকর্মীদের লুটপাটের জন্যই খান খননে এমন অস্বাভাবিক অর্থ বরাদ্দ করা হচ্ছে।' সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সমালোচনা করে ফুয়াদ বলেন, 'সরকার বিভিন্ন ধরনের কার্ড দিচ্ছে। সেই কার্ড বিতরণের খবর প্রচারের জন্য আবার ৪১২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে সারাদেশে ৪৪ হাজার বিলবোর্ড স্থাপন করা হবে। সরকার মানুষের জন্য ৫ টাকা ব্যয় করে, আবার সেই ৫ টাকার খবর প্রচারের জন্য ৫ হাজার টাকা খরচ করে। এগুলোই হলো লুটপাট প্রকল্প। এই বিলবোর্ড নির্মাণের কাজও সরকারি দলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাই পাবে। এই ৪১২ কোটি টাকা থেকে সরকারি দলের অনেক লোক কোটিপতি হয়ে যাবে।'
মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ফুয়াদ বলেন, 'দেশে মাদকের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রায় প্রতিটি মহল্লায় মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পরে গাঁজার গন্ধে অনেক রাস্তা দিয়ে হাঁটা যায় না। সরকারি দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহযোগিতা ছাড়া মাদক ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। একইভাবে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু লোক মাদক ব্যবসায় সহযোগিতা করে। তাই নিজে এবং সন্তানকে বাঁচানোর স্বার্থেই স্থানীয় এলাকাবাসীকে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। সোচ্চার হয়ে প্রতিবাদ করতে হবে।'
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক আব্দুল আজিজ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখার সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি এম রাব্বী, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক কর্নেল (অব.) আব্দুল খালেক, সদস্য সোহরাব হোসেন, মাধবপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, এবি পার্টির ইউনিয়ন সদস্য সচিব জামাল আকন, কামরুল ইসলাম প্রমুখ। সভা শেষে বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ড কমিটি ঘোষণা করা হয়। এছাড়াও স্থানীয় এক দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় পাঠ্যবই উপহার দেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী বলেন, 'জনগণ যতদিন তাদের নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন না হবে ততদিন তাদের উপরে শোষণ-জুলুম চলতেই থাকবে। রাজনীতির নামে কিছু নীতিহীন অসৎ নেতারা জনগণকে জিম্মি করে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিচ্ছে। একদল দীর্ঘদিন মানুষের অধিকার হরণ করে আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে অবশেষে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। আরেক দল ক্ষমতায় এসে একই পথে হাঁটা শুরু করেছে। জনগণ সোচ্চার না হলে এই সিস্টেমের পরিবর্তন অসম্ভব। #

১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১২
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।

০৯ জুন, ২০২৬ ১৩:২৬
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.