
০৪ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৪
পটুয়াখালীর বাউফলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিন হাওলাদার (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিদের বসতঘরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (৩ জুন) রাত ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড উত্তর কালাইয়া গ্রামের লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা মামলার আসামিদের একটি বসতঘরে আগুন দেয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়। আগুন লাগার ঘটনায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত রবীন হাওলাদারের ভাই শুভঙ্কর হাওলাদার (৩৫) বলেন, তার ভাইয়ের ময়নাতদন্ত শেষে লাশ রাত ৯টার দিকে বাড়ির উঠানে পারিবারিক শ্মশানে অন্তেষ্টিক্রিয়া করার শেষ দিকে আসামীদের ঘরে একটি বিকট শব্দ হয়।
মুহুর্তেই ঘরটিতে আগুন ছড়িয়ে পরে। শুভঙ্করের অভিযোগ, আসামী অথবা আসামী পক্ষের লোকজন রাতের অন্ধকারে তাদের নিজ বসতঘরে আগুন দিয়ে আমাদের ফাসানোর কৌশল করেছেন।
এ বিষয়ে আসামী ও তাদের স্বজনরা পলাতক থাকায় তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের ধারনা নিহত রবিন হাওলাদালের ছেলে রনি হাওলাদার তার বাবার মৃত্যুতে অনেক উত্তেজিত ছিলো।
রাগে ক্ষোভে এমনটা হতে পারে। উল্লেখ্য এর আগে একই দিন (বুধবার) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির উঠানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ বিরোধের জেরে রবিন হাওলাদার (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় তার স্ত্রী ঠাকুর রানী হাওলাদার (৪৫) এবং দুই ছেলে রনি হাওলাদার (২২) ও হৃদয় হাওলাদার (২৪) গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে হৃদয় হাওলাদার বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
এ ঘটনায় পুলিশ আনন্দ ব্যাপারী (৬০), তার স্ত্রী কুসুম ব্যাপারী (৫০), ছেলে রতন ব্যাপারী (৩২) ও প্রদীপ ব্যাপারী (২৭), সুশান্ত ব্যাপারী (৬৫) এবং তার ছেলে সুজন ব্যাপারী (২৬) কে গ্রেফতার করে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিন হাওলাদার (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিদের বসতঘরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (৩ জুন) রাত ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড উত্তর কালাইয়া গ্রামের লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা মামলার আসামিদের একটি বসতঘরে আগুন দেয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়। আগুন লাগার ঘটনায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত রবীন হাওলাদারের ভাই শুভঙ্কর হাওলাদার (৩৫) বলেন, তার ভাইয়ের ময়নাতদন্ত শেষে লাশ রাত ৯টার দিকে বাড়ির উঠানে পারিবারিক শ্মশানে অন্তেষ্টিক্রিয়া করার শেষ দিকে আসামীদের ঘরে একটি বিকট শব্দ হয়।
মুহুর্তেই ঘরটিতে আগুন ছড়িয়ে পরে। শুভঙ্করের অভিযোগ, আসামী অথবা আসামী পক্ষের লোকজন রাতের অন্ধকারে তাদের নিজ বসতঘরে আগুন দিয়ে আমাদের ফাসানোর কৌশল করেছেন।
এ বিষয়ে আসামী ও তাদের স্বজনরা পলাতক থাকায় তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের ধারনা নিহত রবিন হাওলাদালের ছেলে রনি হাওলাদার তার বাবার মৃত্যুতে অনেক উত্তেজিত ছিলো।
রাগে ক্ষোভে এমনটা হতে পারে। উল্লেখ্য এর আগে একই দিন (বুধবার) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির উঠানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ বিরোধের জেরে রবিন হাওলাদার (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় তার স্ত্রী ঠাকুর রানী হাওলাদার (৪৫) এবং দুই ছেলে রনি হাওলাদার (২২) ও হৃদয় হাওলাদার (২৪) গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে হৃদয় হাওলাদার বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
এ ঘটনায় পুলিশ আনন্দ ব্যাপারী (৬০), তার স্ত্রী কুসুম ব্যাপারী (৫০), ছেলে রতন ব্যাপারী (৩২) ও প্রদীপ ব্যাপারী (২৭), সুশান্ত ব্যাপারী (৬৫) এবং তার ছেলে সুজন ব্যাপারী (২৬) কে গ্রেফতার করে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৮:১৯
ইসলামী ব্যাংকে আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের অপসারণের দাবিতে বাউফলে মানববন্ধন ও এক ঘণ্টার কলম বিরতি পালন করেছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম।
বুধবার (৪ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলার হাসপাতাল রোডস্থ ইসলামী ব্যাংক শাখার সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধন শেষে এক ঘণ্টার কলম বিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনের নেতারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক মুজাহিদুল ইসলাম, মোস্তফা শিবলী, মাওলানা আব্দুস সোবাহান, রাসেল মাহমুদ ও ফেরদৌসী বেগম।
এ সময় বক্তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ শুধু দেশের নয় দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সফল ও লাভজনক ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, ত্যাগ ও গ্রাহকদের আস্থার ভিত্তিতেই ব্যাংকটি এ অবস্থানে পৌঁছেছে।
কিন্তু বিগত সরকারের আমলে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকসহ একাধিক ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাট চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। এর ফলে শুধু ব্যাংকিং খাত নয়, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি তাদের।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, এস আলমের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এবং সাবেক বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর খোরশেদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে বসিয়ে পুনরায় ব্যাংকটিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে।
অবিলম্বে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে একটি গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ পরিচালনা কাঠামো গঠনের দাবি জানান তারা। তারা বলেন, “আমাদের কষ্টার্জিত আমানত রক্ষার জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ। গ্রাহকদের স্বার্থবিরোধী যেকোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত রাখব।”
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ইসলামী ব্যাংকের স্বাধীন, স্বচ্ছতা ও গ্রাহকদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
ইসলামী ব্যাংকে আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের অপসারণের দাবিতে বাউফলে মানববন্ধন ও এক ঘণ্টার কলম বিরতি পালন করেছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম।
বুধবার (৪ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলার হাসপাতাল রোডস্থ ইসলামী ব্যাংক শাখার সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধন শেষে এক ঘণ্টার কলম বিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনের নেতারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক মুজাহিদুল ইসলাম, মোস্তফা শিবলী, মাওলানা আব্দুস সোবাহান, রাসেল মাহমুদ ও ফেরদৌসী বেগম।
এ সময় বক্তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ শুধু দেশের নয় দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সফল ও লাভজনক ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, ত্যাগ ও গ্রাহকদের আস্থার ভিত্তিতেই ব্যাংকটি এ অবস্থানে পৌঁছেছে।
কিন্তু বিগত সরকারের আমলে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকসহ একাধিক ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাট চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। এর ফলে শুধু ব্যাংকিং খাত নয়, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি তাদের।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, এস আলমের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এবং সাবেক বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর খোরশেদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে বসিয়ে পুনরায় ব্যাংকটিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে।
অবিলম্বে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে একটি গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ পরিচালনা কাঠামো গঠনের দাবি জানান তারা। তারা বলেন, “আমাদের কষ্টার্জিত আমানত রক্ষার জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ। গ্রাহকদের স্বার্থবিরোধী যেকোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত রাখব।”
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ইসলামী ব্যাংকের স্বাধীন, স্বচ্ছতা ও গ্রাহকদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৩
ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যেই ব্যতিক্রমী এক ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন পটুয়াখালীর ব্যথা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মো. হাবিবুর রহমান।
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত এই চিকিৎসক ঘোষণা দিয়েছেন, উনার চেম্বারে আর্জেন্টিনার জার্সি পরে চিকিৎসা নিতে এলে রোগীদের ভিজিট ফি অর্ধেক নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘পুরো বিশ্বকাপজুড়ে আমার চেম্বারে চলবে বিশেষ অফার। আর্জেন্টিনার জার্সি পরে চেম্বারে এলে ভিজিট হাফ।’ পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, উনার চেম্বার পটুয়াখালী শহরের কাজীপাড়ায় অবস্থিত গ্রিনভিউ হাসপাতাল।
ঘোষণাটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়ে। অনেকেই বিষয়টিকে বিশ্বকাপ উন্মাদনার মজার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ কেউ চিকিৎসাসেবার সঙ্গে ফুটবল সমর্থনকে যুক্ত করাকে ভিন্নধর্মী উদ্যোগ হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
এই চিকিৎসক বর্তমানে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এনেস্থেশিয়া বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি ব্যথা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক। বিশ্বকাপ এলেই ফুটবল নিয়ে মানুষের মধ্যে আলাদা এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।
সেই আনন্দকে আরও একটু ভিন্নভাবে উদযাপন করার চিন্তা থেকেই এই অফারের ঘোষণা দিয়েছি। বিষয়টি সম্পূর্ণ আনন্দ ও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা থেকে করা হয়েছে।’ তার মূল ভিজিট ৬০০ টাকা হলেও তার ঘোষিত অফার অনুযায়ী আর্জেন্টিনা জার্সি পরিহিত রোগীদের জন্য ৩০০ টাকা রাখা হবে।
তিনি বলেন, ‘এটি মূলত বিশ্বকাপ উপলক্ষে আমার পক্ষ থেকে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য একটি বিশেষ শুভেচ্ছা। এতে কেউ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না, বরং ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আনন্দ ভাগাভাগির একটি উপলক্ষ তৈরি হবে বলে আমি মনে করি।’
এদিকে তার এমন ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে বেশ উৎসাহ দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টটি শেয়ার করে অনেকে ইতোমধ্যে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
পটুয়াখালী শহরের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বকাপকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অফার দেখা যায়, তবে কোনো চিকিৎসকের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা সত্যিই ব্যতিক্রমী। বিষয়টি বেশ মজার এবং ইতিবাচক বলে মনে হয়েছে।’
আরেক ফুটবলপ্রেমী রিয়াজ হোসেন বলেন, ‘আমি নিজেও আর্জেন্টিনা সমর্থক। ডাক্তারের এই উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আনন্দের খোরাক জুগিয়েছে। বিশ্বকাপের আমেজ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।’
বিশ্বকাপ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজন ও অফারের খবর মিললেও চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে ফুটবল দলের জার্সির ভিত্তিতে ভিজিট ফি কমানোর এমন ঘোষণা তুলনামূলক বিরল বলেই মনে করছেন অনেকে। ফলে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।
ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যেই ব্যতিক্রমী এক ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন পটুয়াখালীর ব্যথা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মো. হাবিবুর রহমান।
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত এই চিকিৎসক ঘোষণা দিয়েছেন, উনার চেম্বারে আর্জেন্টিনার জার্সি পরে চিকিৎসা নিতে এলে রোগীদের ভিজিট ফি অর্ধেক নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘পুরো বিশ্বকাপজুড়ে আমার চেম্বারে চলবে বিশেষ অফার। আর্জেন্টিনার জার্সি পরে চেম্বারে এলে ভিজিট হাফ।’ পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, উনার চেম্বার পটুয়াখালী শহরের কাজীপাড়ায় অবস্থিত গ্রিনভিউ হাসপাতাল।
ঘোষণাটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়ে। অনেকেই বিষয়টিকে বিশ্বকাপ উন্মাদনার মজার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ কেউ চিকিৎসাসেবার সঙ্গে ফুটবল সমর্থনকে যুক্ত করাকে ভিন্নধর্মী উদ্যোগ হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
এই চিকিৎসক বর্তমানে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এনেস্থেশিয়া বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি ব্যথা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক। বিশ্বকাপ এলেই ফুটবল নিয়ে মানুষের মধ্যে আলাদা এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।
সেই আনন্দকে আরও একটু ভিন্নভাবে উদযাপন করার চিন্তা থেকেই এই অফারের ঘোষণা দিয়েছি। বিষয়টি সম্পূর্ণ আনন্দ ও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা থেকে করা হয়েছে।’ তার মূল ভিজিট ৬০০ টাকা হলেও তার ঘোষিত অফার অনুযায়ী আর্জেন্টিনা জার্সি পরিহিত রোগীদের জন্য ৩০০ টাকা রাখা হবে।
তিনি বলেন, ‘এটি মূলত বিশ্বকাপ উপলক্ষে আমার পক্ষ থেকে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য একটি বিশেষ শুভেচ্ছা। এতে কেউ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না, বরং ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আনন্দ ভাগাভাগির একটি উপলক্ষ তৈরি হবে বলে আমি মনে করি।’
এদিকে তার এমন ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে বেশ উৎসাহ দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টটি শেয়ার করে অনেকে ইতোমধ্যে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
পটুয়াখালী শহরের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বকাপকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অফার দেখা যায়, তবে কোনো চিকিৎসকের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা সত্যিই ব্যতিক্রমী। বিষয়টি বেশ মজার এবং ইতিবাচক বলে মনে হয়েছে।’
আরেক ফুটবলপ্রেমী রিয়াজ হোসেন বলেন, ‘আমি নিজেও আর্জেন্টিনা সমর্থক। ডাক্তারের এই উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আনন্দের খোরাক জুগিয়েছে। বিশ্বকাপের আমেজ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।’
বিশ্বকাপ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজন ও অফারের খবর মিললেও চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে ফুটবল দলের জার্সির ভিত্তিতে ভিজিট ফি কমানোর এমন ঘোষণা তুলনামূলক বিরল বলেই মনে করছেন অনেকে। ফলে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

০৩ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৮
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ ঘিরে তর্কের জেরে সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বুধবার সকাল ৮টার দিকে ঘটনাটি ঘটে উপজেলার কালাইয়া লঞ্চঘাটের পূর্ব পাশে হাওলাদার বাড়ি এলাকায়।
নিহতের নাম রবিন হাওলাদার (৫৫)। তিনি থাকতেন হাওলাদার বাড়িতে।
আহত সদস্যরা হলেন— রবিনের স্ত্রী ঠাকুর রানী হাওলাদার (৪৫), তার বড় ছেলে হৃদয় হাওলাদার (২২) এবং ছেলে রনি হাওলাদার (২০)। অন্য পক্ষের আহতরা হলেন— আনন্দ ব্যাপারী (৫৫), কুসুম রানী (৪৫), প্রদীপ ব্যাপারী (২৭) এবং রতন ব্যাপারী (২৫)।
এসব তথ্য বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন বাউফল থানা পুলিশের ওসি সিরাজুল ইসলাম।
পুলিশ জানিয়েছে, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই জলাবদ্ধতা। পানি সরানোর জন্য একটি পাইপ স্থাপনের উদ্যোগ নেন রবিন হাওলাদার। এ কাজে প্রতিবেশীদের কাছে চান আর্থিক সহযোগিতা। তবে রতন ব্যাপারী টাকা দিতে না চাইলে গতকাল মঙ্গলবার দুই পরিবারের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।
এর জেরে বুধবার সকালে এলাকার পুকুরপাড়ে রবিন ও রতনের মধ্যে আবারও তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, রতন ব্যাপারীর নেতৃত্বে কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে রবিন গুরুতর আহত হন।
পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত হৃদয়, ঠাকুর রানী ও রনিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানিয়েছেন এসব।
ওসি সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আনন্দ ব্যাপারী ও তার দুই ছেলেকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অন্য আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ ঘিরে তর্কের জেরে সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বুধবার সকাল ৮টার দিকে ঘটনাটি ঘটে উপজেলার কালাইয়া লঞ্চঘাটের পূর্ব পাশে হাওলাদার বাড়ি এলাকায়।
নিহতের নাম রবিন হাওলাদার (৫৫)। তিনি থাকতেন হাওলাদার বাড়িতে।
আহত সদস্যরা হলেন— রবিনের স্ত্রী ঠাকুর রানী হাওলাদার (৪৫), তার বড় ছেলে হৃদয় হাওলাদার (২২) এবং ছেলে রনি হাওলাদার (২০)। অন্য পক্ষের আহতরা হলেন— আনন্দ ব্যাপারী (৫৫), কুসুম রানী (৪৫), প্রদীপ ব্যাপারী (২৭) এবং রতন ব্যাপারী (২৫)।
এসব তথ্য বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন বাউফল থানা পুলিশের ওসি সিরাজুল ইসলাম।
পুলিশ জানিয়েছে, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই জলাবদ্ধতা। পানি সরানোর জন্য একটি পাইপ স্থাপনের উদ্যোগ নেন রবিন হাওলাদার। এ কাজে প্রতিবেশীদের কাছে চান আর্থিক সহযোগিতা। তবে রতন ব্যাপারী টাকা দিতে না চাইলে গতকাল মঙ্গলবার দুই পরিবারের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।
এর জেরে বুধবার সকালে এলাকার পুকুরপাড়ে রবিন ও রতনের মধ্যে আবারও তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, রতন ব্যাপারীর নেতৃত্বে কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে রবিন গুরুতর আহত হন।
পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত হৃদয়, ঠাকুর রানী ও রনিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানিয়েছেন এসব।
ওসি সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আনন্দ ব্যাপারী ও তার দুই ছেলেকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অন্য আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:২৭
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:১৪
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:০৬
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:০৪