
২৩ জুলাই, ২০২৫ ১৩:২৮
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঘটনার প্রকৃত তথ্য নিশ্চিত করতে দুজন উপদেষ্টা মাইলস্টোন কলেজ কর্তৃপক্ষকে ক্যাম্পাসেই একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) স্থাপন করার নির্দেশ দিয়েছেন।
এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে আহত ও মৃতের সংখ্যা জানানো হবে এবং তা কলেজের রেজিস্ট্রারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। বুধবার (২৩ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি।
প্রেস সচিব জানান, গতকাল তিনি মাইলস্টোন কলেজ পরিদর্শন করেছেন শোকাহত পরিবার, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করতে। তিনি বলেন, এখনো সবাই ভয়াবহ ওই ঘটনার শোক ও আতঙ্কে ভুগছেন।
পুরো কলেজ চত্বরেই বিরাজ করছিল এক বিষণ্ণ ও উত্তপ্ত পরিবেশ। অনেক শিক্ষার্থী নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছে এবং নিহতের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রকাশ হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
প্রেস সচিব আরও বলেন, ২০০২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশে ঘটে যাওয়া বহু বড় দুর্ঘটনার সংবাদ তিনি সরাসরি কভার করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, বাংলাদেশে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা গোপন রাখা প্রায় অসম্ভব। সাধারণত দুর্ঘটনার পরপরই পরিবারগুলো প্রিয়জনদের নিখোঁজ বলে জানায়। তবে হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা স্বজনদের খুঁজে পায়।
তিনি বলেন, মাইলস্টোন কলেজ চাইলে প্রতিদিনের উপস্থিতি খাতা বিশ্লেষণ করে সহজেই শনাক্ত করতে পারে কারা এখনো অনুপস্থিত রয়েছেন। সঠিক তথ্য নিশ্চিত করতে দুজন উপদেষ্টা কলেজ কর্তৃপক্ষকে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন।
এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে আহত ও নিহতের সংখ্যা নিয়মিতভাবে প্রকাশ করা হবে এবং কলেজের রেজিস্ট্রারের তালিকার সঙ্গে এসব তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে। উপদেষ্টারা বিশেষভাবে পরামর্শ দিয়েছেন, কক্ষটির কার্যক্রমে বর্তমান শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদেরও সম্পৃক্ত করতে।
প্রেস সচিব জানান, আজকের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণ কক্ষটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ছাড়া, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের অবস্থা নিয়ে নিয়মিত তথ্য দিচ্ছে এবং সেনাবাহিনীও এই উদ্যোগে সহায়তা করছে।
প্রেস সচিব জোর দিয়ে বলেন, সরকার নিহত বা আহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করার কোনো কারণ বা উদ্দেশ্য রাখে না। তিনি জানান, গতকাল উপদেষ্টারা প্রায় নয় ঘণ্টা কলেজে অবস্থান করেছেন। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের লক্ষ্যে তারা কখনোই বলপ্রয়োগের পথ নেননি। যতক্ষণ প্রয়োজন ছিল, ততক্ষণ তারা ছিলেন, এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারা বিদায় নেন।
তিনি বলেন, যেসব শিক্ষক-শিক্ষার্থী এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের জন্য জাতি গভীরভাবে শোকাহত। তাদের ‘শহীদ’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এটি একটি জাতীয় ট্র্যাজেডি। আমরা চাই, সবাই মিলে একযোগে কাজ করি যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।
আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে হবে। সরকার জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার এবং আকাশপথে দুর্ঘটনার সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঘটনার প্রকৃত তথ্য নিশ্চিত করতে দুজন উপদেষ্টা মাইলস্টোন কলেজ কর্তৃপক্ষকে ক্যাম্পাসেই একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) স্থাপন করার নির্দেশ দিয়েছেন।
এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে আহত ও মৃতের সংখ্যা জানানো হবে এবং তা কলেজের রেজিস্ট্রারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। বুধবার (২৩ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি।
প্রেস সচিব জানান, গতকাল তিনি মাইলস্টোন কলেজ পরিদর্শন করেছেন শোকাহত পরিবার, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করতে। তিনি বলেন, এখনো সবাই ভয়াবহ ওই ঘটনার শোক ও আতঙ্কে ভুগছেন।
পুরো কলেজ চত্বরেই বিরাজ করছিল এক বিষণ্ণ ও উত্তপ্ত পরিবেশ। অনেক শিক্ষার্থী নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছে এবং নিহতের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রকাশ হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
প্রেস সচিব আরও বলেন, ২০০২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশে ঘটে যাওয়া বহু বড় দুর্ঘটনার সংবাদ তিনি সরাসরি কভার করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, বাংলাদেশে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা গোপন রাখা প্রায় অসম্ভব। সাধারণত দুর্ঘটনার পরপরই পরিবারগুলো প্রিয়জনদের নিখোঁজ বলে জানায়। তবে হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা স্বজনদের খুঁজে পায়।
তিনি বলেন, মাইলস্টোন কলেজ চাইলে প্রতিদিনের উপস্থিতি খাতা বিশ্লেষণ করে সহজেই শনাক্ত করতে পারে কারা এখনো অনুপস্থিত রয়েছেন। সঠিক তথ্য নিশ্চিত করতে দুজন উপদেষ্টা কলেজ কর্তৃপক্ষকে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন।
এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে আহত ও নিহতের সংখ্যা নিয়মিতভাবে প্রকাশ করা হবে এবং কলেজের রেজিস্ট্রারের তালিকার সঙ্গে এসব তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে। উপদেষ্টারা বিশেষভাবে পরামর্শ দিয়েছেন, কক্ষটির কার্যক্রমে বর্তমান শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদেরও সম্পৃক্ত করতে।
প্রেস সচিব জানান, আজকের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণ কক্ষটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ছাড়া, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের অবস্থা নিয়ে নিয়মিত তথ্য দিচ্ছে এবং সেনাবাহিনীও এই উদ্যোগে সহায়তা করছে।
প্রেস সচিব জোর দিয়ে বলেন, সরকার নিহত বা আহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করার কোনো কারণ বা উদ্দেশ্য রাখে না। তিনি জানান, গতকাল উপদেষ্টারা প্রায় নয় ঘণ্টা কলেজে অবস্থান করেছেন। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের লক্ষ্যে তারা কখনোই বলপ্রয়োগের পথ নেননি। যতক্ষণ প্রয়োজন ছিল, ততক্ষণ তারা ছিলেন, এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারা বিদায় নেন।
তিনি বলেন, যেসব শিক্ষক-শিক্ষার্থী এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের জন্য জাতি গভীরভাবে শোকাহত। তাদের ‘শহীদ’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এটি একটি জাতীয় ট্র্যাজেডি। আমরা চাই, সবাই মিলে একযোগে কাজ করি যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।
আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে হবে। সরকার জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার এবং আকাশপথে দুর্ঘটনার সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বক্তব্য দেওয়ার সময় ওয়াক আউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তারা। এর আগে ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ দেখান। সে সময় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের দলগুলো আগে থেকেই সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।সংসদে কোনো ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে বিরোধী দল বা কোনো সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করলে তাকে ‘ওয়াক আউট’ বলা হয়।
এদিন সকালে শপথ নিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। প্রথমে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং এরপরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বক্তব্য দেওয়ার সময় ওয়াক আউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তারা। এর আগে ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ দেখান। সে সময় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের দলগুলো আগে থেকেই সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।সংসদে কোনো ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে বিরোধী দল বা কোনো সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করলে তাকে ‘ওয়াক আউট’ বলা হয়।
এদিন সকালে শপথ নিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। প্রথমে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং এরপরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (সদর–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
অধিবেশনে সভাপতি জানান, ডেপুটি স্পিকার পদে একমাত্র মনোনয়ন পেয়েছেন কায়সার কামাল। তিনি বর্তমানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্যে সভাপতিত্বের জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটির প্রতি সমর্থন জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তাহের।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এরই মধ্যে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে। এর মধ্যে বিএনপি একাই পেয়েছে ২০৯টি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭৬টি আসন, যার মধ্যে জামায়াতে ইসলামী একাই পেয়েছে ৬৮টি আসন। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার গঠনের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (সদর–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
অধিবেশনে সভাপতি জানান, ডেপুটি স্পিকার পদে একমাত্র মনোনয়ন পেয়েছেন কায়সার কামাল। তিনি বর্তমানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্যে সভাপতিত্বের জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটির প্রতি সমর্থন জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তাহের।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এরই মধ্যে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে। এর মধ্যে বিএনপি একাই পেয়েছে ২০৯টি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭৬টি আসন, যার মধ্যে জামায়াতে ইসলামী একাই পেয়েছে ৬৮টি আসন। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার গঠনের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১২
পবিত্র রমজান মাসে টানা ১২ দিন আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮টি আরব ও মুসলিম দেশ। দেশগুলো হলো কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাত।
বুধবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, পূর্ব জেরুজালেমের পুরোনো শহর ও উপাসনালয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত অবৈধ ও অযৌক্তিক। একই সঙ্গে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং মুসল্লিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপেরও তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
দেশগুলো আরও বলেছে, দখলকৃত জেরুজালেম বা সেখানে অবস্থিত ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই। আল-আকসা মসজিদের পুরো এলাকা কেবল মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত বলেও তারা উল্লেখ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আল-আকসা মসজিদের দেখভাল ও প্রশাসনের আইনগত দায়িত্ব জর্ডানের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জেরুজালেম ওয়াকফ বিভাগের।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলকে অবিলম্বে আল-আকসা মসজিদের ফটক খুলে দিতে, জেরুজালেমের পুরোনো শহরে প্রবেশে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে এবং মুসল্লিদের বাধাহীন প্রবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি চলমান লঙ্ঘন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থা হিসেবে এসব সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। একইভাবে হামাসও আল-আকসা বন্ধ রাখাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপজ্জনক নজির বলে আখ্যা দিয়েছে।
পবিত্র রমজান মাসে টানা ১২ দিন আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮টি আরব ও মুসলিম দেশ। দেশগুলো হলো কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাত।
বুধবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, পূর্ব জেরুজালেমের পুরোনো শহর ও উপাসনালয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত অবৈধ ও অযৌক্তিক। একই সঙ্গে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং মুসল্লিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপেরও তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
দেশগুলো আরও বলেছে, দখলকৃত জেরুজালেম বা সেখানে অবস্থিত ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই। আল-আকসা মসজিদের পুরো এলাকা কেবল মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত বলেও তারা উল্লেখ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আল-আকসা মসজিদের দেখভাল ও প্রশাসনের আইনগত দায়িত্ব জর্ডানের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জেরুজালেম ওয়াকফ বিভাগের।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলকে অবিলম্বে আল-আকসা মসজিদের ফটক খুলে দিতে, জেরুজালেমের পুরোনো শহরে প্রবেশে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে এবং মুসল্লিদের বাধাহীন প্রবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি চলমান লঙ্ঘন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থা হিসেবে এসব সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। একইভাবে হামাসও আল-আকসা বন্ধ রাখাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপজ্জনক নজির বলে আখ্যা দিয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.