
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৩
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা আমাদের ৩১ দফার মাধ্যমে একটি প্রস্তাব জাতির সামনে অনেক আগেই দিয়েছিলাম। সেই প্রস্তাবটি হচ্ছে— যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার পদের মেয়াদ ১০ বছরের বেশি হবে না।
পরবর্তীতে সরকার গঠিত রিফর্ম কমিশনের সঙ্গে অন্যান্য অনেক দল আলোচনা করেছে, কিন্তু এই প্রস্তাবটি সর্বপ্রথম বিএনপি দিয়েছিল। এটি নথিবদ্ধ (ডকুমেন্টেড)। কাজেই এই কৃতিত্ব অবশ্যই আমরা গ্রহণ করতে চাই। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ইনশাআল্লাহ আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হলে অবশ্যই দেশের আইনের মধ্যে এই বিষয়টি প্রবর্তন করব যে, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার কার্যকাল অতিবাহিত করতে পারবেন।
তিনি বলেন, সাংবিধানিক সংস্কারের অনেক বিষয় আছে। আমাদের অনেক কিছু হয়তো করা প্রয়োজন। একটি বিষয় নিয়ে সুশীল সমাজ ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন মহলে দীর্ঘদিনের আলোচনা ছিল— সেটি হচ্ছে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ।
এটি নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক ও বিতর্ক ছিল। ৩১ দফা যেদিন আমরা উপস্থাপন করি, সেখানে আমরা বলেছিলাম যে, অবশ্যই আমরা এই ৭০ অনুচ্ছেদ বিষয়টিকে পর্যায়ক্রমিকভাবে একটি যৌক্তিক অবস্থানে নিয়ে আসতে চাই। দুই-একটি বিষয় ছাড়া এটি সম্পূর্ণভাবে ধীরে ধীরে আমরা উন্মুক্ত করে দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে যদি গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে হয়, তাহলে যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক চর্চা অর্থাৎ ভোটাধিকার বা ভোটের বিষয়টি আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে। অবশ্যই তা হতে হবে নিরপেক্ষ ভোট— যে ব্যবস্থার ওপর দেশের মানুষের পূর্ণ আস্থা থাকবে।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষের মনে করার কারণ আছে যে ৯১, ৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনের মতো নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা একমাত্র অরাজনৈতিক সরকার অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারই দিতে পারে।
সেজন্যই আমরা ৩১ দফা উপস্থাপনের সময় বলেছি যে, আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাই। পরবর্তীতে বিষয়টি অনেকেই বলেছেন এবং বর্তমান সরকারের সংস্কার কমিশনেও এটি আলোচিত হয়েছে।
দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি এই কৃতিত্ব নিতেই চাইব যে, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম আমরাই এই কথাটি বলেছি। অর্থাৎ, স্বৈরাচারের সময়ে আজ থেকে প্রায় আড়াই বছর আগে যখন আমরা ৩১ দফা উপস্থাপন করি, সেখানে পরিষ্কারভাবে বলেছি— বিএনপি দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে এবং সংসদে প্রয়োজনীয় শক্তি থাকলে আমরা অবশ্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করব।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা আমাদের ৩১ দফার মাধ্যমে একটি প্রস্তাব জাতির সামনে অনেক আগেই দিয়েছিলাম। সেই প্রস্তাবটি হচ্ছে— যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার পদের মেয়াদ ১০ বছরের বেশি হবে না।
পরবর্তীতে সরকার গঠিত রিফর্ম কমিশনের সঙ্গে অন্যান্য অনেক দল আলোচনা করেছে, কিন্তু এই প্রস্তাবটি সর্বপ্রথম বিএনপি দিয়েছিল। এটি নথিবদ্ধ (ডকুমেন্টেড)। কাজেই এই কৃতিত্ব অবশ্যই আমরা গ্রহণ করতে চাই। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ইনশাআল্লাহ আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হলে অবশ্যই দেশের আইনের মধ্যে এই বিষয়টি প্রবর্তন করব যে, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার কার্যকাল অতিবাহিত করতে পারবেন।
তিনি বলেন, সাংবিধানিক সংস্কারের অনেক বিষয় আছে। আমাদের অনেক কিছু হয়তো করা প্রয়োজন। একটি বিষয় নিয়ে সুশীল সমাজ ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন মহলে দীর্ঘদিনের আলোচনা ছিল— সেটি হচ্ছে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ।
এটি নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক ও বিতর্ক ছিল। ৩১ দফা যেদিন আমরা উপস্থাপন করি, সেখানে আমরা বলেছিলাম যে, অবশ্যই আমরা এই ৭০ অনুচ্ছেদ বিষয়টিকে পর্যায়ক্রমিকভাবে একটি যৌক্তিক অবস্থানে নিয়ে আসতে চাই। দুই-একটি বিষয় ছাড়া এটি সম্পূর্ণভাবে ধীরে ধীরে আমরা উন্মুক্ত করে দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে যদি গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে হয়, তাহলে যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক চর্চা অর্থাৎ ভোটাধিকার বা ভোটের বিষয়টি আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে। অবশ্যই তা হতে হবে নিরপেক্ষ ভোট— যে ব্যবস্থার ওপর দেশের মানুষের পূর্ণ আস্থা থাকবে।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষের মনে করার কারণ আছে যে ৯১, ৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনের মতো নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা একমাত্র অরাজনৈতিক সরকার অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারই দিতে পারে।
সেজন্যই আমরা ৩১ দফা উপস্থাপনের সময় বলেছি যে, আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাই। পরবর্তীতে বিষয়টি অনেকেই বলেছেন এবং বর্তমান সরকারের সংস্কার কমিশনেও এটি আলোচিত হয়েছে।
দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি এই কৃতিত্ব নিতেই চাইব যে, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম আমরাই এই কথাটি বলেছি। অর্থাৎ, স্বৈরাচারের সময়ে আজ থেকে প্রায় আড়াই বছর আগে যখন আমরা ৩১ দফা উপস্থাপন করি, সেখানে পরিষ্কারভাবে বলেছি— বিএনপি দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে এবং সংসদে প্রয়োজনীয় শক্তি থাকলে আমরা অবশ্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করব।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪৮
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আফজাল নাছের ২০০৭ সালের এক-এগারো সরকারের সময় ডিজিএফআইয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
ডিবির একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে ওয়ান-ইলেভেনের সময় সরকারের দুই কুশীলব, বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
তারা বর্তমানে ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন। গ্রেপ্তার মো. আফজাল নাছের ২০০৭ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ে দায়িত্বরত ছিলেন।
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আফজাল নাছের ২০০৭ সালের এক-এগারো সরকারের সময় ডিজিএফআইয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
ডিবির একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে ওয়ান-ইলেভেনের সময় সরকারের দুই কুশীলব, বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
তারা বর্তমানে ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন। গ্রেপ্তার মো. আফজাল নাছের ২০০৭ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ে দায়িত্বরত ছিলেন।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪২
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে তিনি অন্যান্য আইন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
বরিশাল টাইমস
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে তিনি অন্যান্য আইন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৪
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) পাঠানো বার্তায় শি জিনপিং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশ সবসময় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রেখে রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্কের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
চীনের রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, তিনি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন এবং দুই দেশের রাজনৈতিক আস্থা আরও গভীর করা, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব জোরদার করা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চমানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
এদিকে একই উপলক্ষে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পৃথক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। এ ছাড়া চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) পাঠানো বার্তায় শি জিনপিং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশ সবসময় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রেখে রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্কের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
চীনের রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, তিনি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন এবং দুই দেশের রাজনৈতিক আস্থা আরও গভীর করা, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব জোরদার করা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চমানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
এদিকে একই উপলক্ষে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পৃথক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। এ ছাড়া চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.