
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২৩:৪৪
খুলনা আড়ংঘাটা থানার শলুয়া এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে সাংবাদিক এমদাদুল হক মিলন (৪৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দেবা (৪৩) নামে একজন আহত হয়েছেন। আড়ংঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজাহান আহমেদকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত এমদাদুল হক মিলন একটি অনলাইন পত্রিকায় কাজ করতেন এবং আড়ংঘাটা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ২০ মিনিটে আড়ংঘাটায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এমদাদুল হক মিলন শলুয়া বাজারে অবস্থিত জনতা ব্যাংকের পাশে চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে দুইটি মোটরসাইকেলে চারজন দুর্বৃত্ত এসে গুলি করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মিলন খুলনার বর্তমান সময় নামে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে কর্মরত ছিলেন। চায়ের দোকানে বসে থাকা দেবা নামে অপর একজন আহত হন। দেবাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
আড়ংঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজাহান আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, আমরা অপরাধীদের ধরতে অভিযান শুরু করেছি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।’
খুলনা আড়ংঘাটা থানার শলুয়া এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে সাংবাদিক এমদাদুল হক মিলন (৪৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দেবা (৪৩) নামে একজন আহত হয়েছেন। আড়ংঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজাহান আহমেদকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত এমদাদুল হক মিলন একটি অনলাইন পত্রিকায় কাজ করতেন এবং আড়ংঘাটা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ২০ মিনিটে আড়ংঘাটায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এমদাদুল হক মিলন শলুয়া বাজারে অবস্থিত জনতা ব্যাংকের পাশে চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে দুইটি মোটরসাইকেলে চারজন দুর্বৃত্ত এসে গুলি করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মিলন খুলনার বর্তমান সময় নামে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে কর্মরত ছিলেন। চায়ের দোকানে বসে থাকা দেবা নামে অপর একজন আহত হন। দেবাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
আড়ংঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজাহান আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, আমরা অপরাধীদের ধরতে অভিযান শুরু করেছি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।’

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৪

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৫

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মজিবর রহমান মাদবরকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। অভিযানের সময় তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাজিরা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশরাফ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়নের সদর আলী মাদবর কান্দি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মজিবর রহমান মাদবর দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০১২ সালে দলীয় প্রতীক নৌকার বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে সক্রিয়ভাবে রাজনীতি শুরু করেন।
প্রশাসন সূত্র জানায়, তার কাছে অবৈধ অস্ত্র থাকার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী মঙ্গলবার রাতে তার বাড়িতে অভিযান চালায়। বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলের কভার, পিস্তলের স্লাইড, অস্ত্র পরিষ্কারের ওয়েল ব্রাশসহ আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন অংশ এবং চাপাতি, ছুরিসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
জানতে চাইলে জাজিরা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশরাফ আহমেদ বলেন, অভিযানের সময় এক নারীসহ তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তল্লাশিতে আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার হয়। পরে তাদের পুলিশ হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জাজিরা থানার ওসি সালেহ্ আহম্মেদ বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযানে সাবেক চেয়ারম্যানকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগে হাবিবুর রহমান হেলালী নামে এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে থানায় নিয়ে যান। এ সময় তাঁর কাছ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে স্থানীয় জামায়াত নেতাদের দাবি, এটি ‘ষড়যন্ত্র’।
আজ বুধবার সকালে উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের নেয়ামতকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুপুরে ওই জামায়াত নেতাকে আটক করে থানায় আনা হয়।
আটক হাবিবুর রহমান হেলালী উপজেলার ধামঘর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির। তাঁর বাড়িও সেখানে। তিনি উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক।
স্থানীয় লোকজনের দাবি, আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণ করছিলেন হাবিবুর রহমান হেলালী। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে ১ হাজার টাকার দুটি বান্ডিলে নগদ ২ লাখ টাকাসহ হাবিবুর রহমান হেলালীকে আটক করে মুরাদনগর থানায় নেওয়া হয়।
আটকের পর অভিযোগ অস্বীকার করে হাবিবুর রহমান হেলালী দাবি করেন, তাঁর কাছে এত টাকা ছিল না। নির্বাচনী কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত জামায়াতে ইসলামীর এজেন্টদের খাবার খরচের জন্য অল্প কিছু টাকা ছিল। তাঁর গাড়িতে জোর করে অতিরিক্ত টাকা রেখে বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।
একই দাবি করেছেন মুরাদনগর উপজেলা জামায়াতের আমির আ ন ম ইলিয়াস। আজ দুপুরে তিনি বলেন, ‘ওই ইউনিয়নে আমাদের দায়িত্বশীল তেমন কেউ না থাকায় ধামঘর ইউনিয়নের হাবিবুর রহমান হেলালীকে ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ সকালে তিনি আমাদের নির্বাচনী এজেন্টদের কাছে যাচ্ছিলেন। এমন সময় স্থানীয় লোকজনের নামে মূলত বিএনপির লোকজন তাঁকে আটক করে। কিন্তু তাঁর সঙ্গে টাকা ছিল না। যারা তাঁকে আটক করেছে, তারাই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একটি বাজারের ব্যাগে দুই লাখ টাকা ভরে ব্যাগটি হাবিবুর রহমান হেলালীর গাড়ির পেছনের মালামাল রাখার জায়গায় রেখে দেয়। বিষয়টি পুরোপুরি তাদের ষড়যন্ত্র। জামায়াতে ইসলামী এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়।’
তবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা জামায়াত নেতার এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন ও বানোয়াট’ বলে দাবি করেছেন। মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘জামায়াত কুমিল্লা-৩ আসনের প্রতিটি এলাকায় এভাবে টাকা বিতরণ করে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে। তারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করে উল্টো মিথ্যাচার করছে। আজ সকালে একটি এলাকায় টাকা বিতরণের সময় তাদের একজনকে হাতেনাতে আটক করেন স্থানীয় লোকজন। আমাদের মনে হয়, জামায়াত ভোটের পরিবেশ নষ্ট করে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে।’
আজ বেলা ৩টার দিকে মুরাদনগর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুর রহমান বলেন, ‘টাকা বিতরণের খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। এরপর ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। যেহেতু ওই ব্যক্তিকে টাকা বিতরণের সময় হাতেনাতে আটক করতে পারেননি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, এ জন্য আমরা বিষয়টি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছি। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।’
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে ভোটে লড়ছেন ৯ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি আসনটির পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য। আর ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ইউসুফ সোহেল।’
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগে হাবিবুর রহমান হেলালী নামে এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে থানায় নিয়ে যান। এ সময় তাঁর কাছ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে স্থানীয় জামায়াত নেতাদের দাবি, এটি ‘ষড়যন্ত্র’।
আজ বুধবার সকালে উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের নেয়ামতকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুপুরে ওই জামায়াত নেতাকে আটক করে থানায় আনা হয়।
আটক হাবিবুর রহমান হেলালী উপজেলার ধামঘর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির। তাঁর বাড়িও সেখানে। তিনি উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক।
স্থানীয় লোকজনের দাবি, আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণ করছিলেন হাবিবুর রহমান হেলালী। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে ১ হাজার টাকার দুটি বান্ডিলে নগদ ২ লাখ টাকাসহ হাবিবুর রহমান হেলালীকে আটক করে মুরাদনগর থানায় নেওয়া হয়।
আটকের পর অভিযোগ অস্বীকার করে হাবিবুর রহমান হেলালী দাবি করেন, তাঁর কাছে এত টাকা ছিল না। নির্বাচনী কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত জামায়াতে ইসলামীর এজেন্টদের খাবার খরচের জন্য অল্প কিছু টাকা ছিল। তাঁর গাড়িতে জোর করে অতিরিক্ত টাকা রেখে বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।
একই দাবি করেছেন মুরাদনগর উপজেলা জামায়াতের আমির আ ন ম ইলিয়াস। আজ দুপুরে তিনি বলেন, ‘ওই ইউনিয়নে আমাদের দায়িত্বশীল তেমন কেউ না থাকায় ধামঘর ইউনিয়নের হাবিবুর রহমান হেলালীকে ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ সকালে তিনি আমাদের নির্বাচনী এজেন্টদের কাছে যাচ্ছিলেন। এমন সময় স্থানীয় লোকজনের নামে মূলত বিএনপির লোকজন তাঁকে আটক করে। কিন্তু তাঁর সঙ্গে টাকা ছিল না। যারা তাঁকে আটক করেছে, তারাই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একটি বাজারের ব্যাগে দুই লাখ টাকা ভরে ব্যাগটি হাবিবুর রহমান হেলালীর গাড়ির পেছনের মালামাল রাখার জায়গায় রেখে দেয়। বিষয়টি পুরোপুরি তাদের ষড়যন্ত্র। জামায়াতে ইসলামী এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়।’
তবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা জামায়াত নেতার এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন ও বানোয়াট’ বলে দাবি করেছেন। মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘জামায়াত কুমিল্লা-৩ আসনের প্রতিটি এলাকায় এভাবে টাকা বিতরণ করে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে। তারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করে উল্টো মিথ্যাচার করছে। আজ সকালে একটি এলাকায় টাকা বিতরণের সময় তাদের একজনকে হাতেনাতে আটক করেন স্থানীয় লোকজন। আমাদের মনে হয়, জামায়াত ভোটের পরিবেশ নষ্ট করে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে।’
আজ বেলা ৩টার দিকে মুরাদনগর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুর রহমান বলেন, ‘টাকা বিতরণের খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। এরপর ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। যেহেতু ওই ব্যক্তিকে টাকা বিতরণের সময় হাতেনাতে আটক করতে পারেননি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, এ জন্য আমরা বিষয়টি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছি। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।’
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে ভোটে লড়ছেন ৯ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি আসনটির পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য। আর ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ইউসুফ সোহেল।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার চুরি ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা রোধে ব্যানারের ওপর সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছেন নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মওলানা মো. ছাইফ উল্লাহসহ তার দলের কর্মীরা। সম্প্রতি এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন-ওয়ার্ডগুলোতে জামায়েতের নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার ও পোস্টার চুরি এবং ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে, তারই প্রেক্ষিতে একাধিকবার প্রশাসনকে জানানোর পরও এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই জামায়াতের কর্মীরা তাদের নিজ উদ্যোগে ব্যানারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আমিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে নির্বাচনী ব্যানার থেকে ৫০ গজ দূরে দোকান ঘরের পাশে একটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে রাখা হয়েছে, আরেকটি সিসি ক্যামেরা সরাসরি ব্যানারের উপরে সংযোজন করা হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা উত্তর ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং প্রচারণার স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মওলানা মো. ছাইফ উল্লাহ সাংবাদিককে বলেন, আমার দলের নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার বারবার চুরি ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটছে। আমি প্রশাসনকে বারবার এ বিষয়টা নিয়ে অভিযোগ করার পরও প্রশাসনের তরফ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায়, দলের কর্মীরাসহ আমি বাধ্য হয়েই ব্যানারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছি।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ী উপজেলার ইউএনও নাছরিন আকতার সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনী আচরণবিধি সংক্রান্ত সব ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রতিটি অভিযোগ সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে আমরা বদ্ধপরিকর, এ জন্য সবাইকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।
এদিকে সংসদীয় আসনটিতে চাটখিল উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত।
এই আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মো. ছাইফ উল্যাহ, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহিরুল ইসলাম, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মো. নুরুল আমিন, ডাব প্রতীকে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. মনিনুল ইসলাম, আপেল, প্রতীকে ইনসানিয়াত বাংলাদেশের মো. মশিউর রহমান এবং তারা প্রতীকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) মনোনীত প্রার্থী রেহানা বেগম।
উল্লেখ্য, নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী আংশিক) সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫২ হাজার ৪২৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭১১ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ১৮ হাজার ৭১৪ জন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার চুরি ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা রোধে ব্যানারের ওপর সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছেন নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মওলানা মো. ছাইফ উল্লাহসহ তার দলের কর্মীরা। সম্প্রতি এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন-ওয়ার্ডগুলোতে জামায়েতের নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার ও পোস্টার চুরি এবং ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে, তারই প্রেক্ষিতে একাধিকবার প্রশাসনকে জানানোর পরও এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই জামায়াতের কর্মীরা তাদের নিজ উদ্যোগে ব্যানারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আমিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে নির্বাচনী ব্যানার থেকে ৫০ গজ দূরে দোকান ঘরের পাশে একটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে রাখা হয়েছে, আরেকটি সিসি ক্যামেরা সরাসরি ব্যানারের উপরে সংযোজন করা হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা উত্তর ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং প্রচারণার স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মওলানা মো. ছাইফ উল্লাহ সাংবাদিককে বলেন, আমার দলের নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার বারবার চুরি ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটছে। আমি প্রশাসনকে বারবার এ বিষয়টা নিয়ে অভিযোগ করার পরও প্রশাসনের তরফ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায়, দলের কর্মীরাসহ আমি বাধ্য হয়েই ব্যানারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছি।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ী উপজেলার ইউএনও নাছরিন আকতার সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনী আচরণবিধি সংক্রান্ত সব ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রতিটি অভিযোগ সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে আমরা বদ্ধপরিকর, এ জন্য সবাইকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।
এদিকে সংসদীয় আসনটিতে চাটখিল উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত।
এই আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মো. ছাইফ উল্যাহ, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহিরুল ইসলাম, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মো. নুরুল আমিন, ডাব প্রতীকে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. মনিনুল ইসলাম, আপেল, প্রতীকে ইনসানিয়াত বাংলাদেশের মো. মশিউর রহমান এবং তারা প্রতীকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) মনোনীত প্রার্থী রেহানা বেগম।
উল্লেখ্য, নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী আংশিক) সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫২ হাজার ৪২৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭১১ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ১৮ হাজার ৭১৪ জন।
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মজিবর রহমান মাদবরকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। অভিযানের সময় তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাজিরা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশরাফ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়নের সদর আলী মাদবর কান্দি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মজিবর রহমান মাদবর দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০১২ সালে দলীয় প্রতীক নৌকার বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে সক্রিয়ভাবে রাজনীতি শুরু করেন।
প্রশাসন সূত্র জানায়, তার কাছে অবৈধ অস্ত্র থাকার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী মঙ্গলবার রাতে তার বাড়িতে অভিযান চালায়। বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলের কভার, পিস্তলের স্লাইড, অস্ত্র পরিষ্কারের ওয়েল ব্রাশসহ আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন অংশ এবং চাপাতি, ছুরিসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
জানতে চাইলে জাজিরা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশরাফ আহমেদ বলেন, অভিযানের সময় এক নারীসহ তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তল্লাশিতে আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার হয়। পরে তাদের পুলিশ হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জাজিরা থানার ওসি সালেহ্ আহম্মেদ বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযানে সাবেক চেয়ারম্যানকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৪
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৩
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫