Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:৫২
পটুয়াখালীর দুমকিতে ইলিশ শিকারবিরোধী অভিযানে মৎস্য বিভাগের টিমের ওপর সংঘবদ্ধ জেলেদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার আলগি এলাকার পায়রা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা-ইলিশ শিকার বন্ধে উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও পুলিশ যৌথভাবে নদীতে অভিযান চালায়। এ সময় কর্মকর্তারা কয়েকটি নৌকা ও জাল জব্দের চেষ্টা করলে আলগি এলাকার একদল জেলে ও তাদের স্বজনরা লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে ট্রলারের ওপর হামলা চালায়।
হামলাকারীরা পুলিশ ও মৎস্য কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপ করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। হামলার মুখে অভিযানে ব্যবহৃত ট্রলারটি নদীর আলগি চরে নিরাপদ দূরত্বে সরে যায়।
এতে বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও ট্রলারের বেশ কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে দুমকি ও পটুয়াখালী সদর থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে অভিযান টিমকে নিরাপদে উদ্ধার করে।
উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ফিল্ড অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আমরা নদীতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করে কিছু জেলে সংগঠিত হয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রজনন মৌসুমে মা-ইলিশ রক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলায় চলছে ২২ দিনের বিশেষ অভিযান। তবে কিছু এলাকায় জেলেদের প্রতিরোধ ও হামলার আশঙ্কায় অভিযান পরিচালনায় ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে ইলিশ শিকারবিরোধী অভিযানে মৎস্য বিভাগের টিমের ওপর সংঘবদ্ধ জেলেদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার আলগি এলাকার পায়রা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা-ইলিশ শিকার বন্ধে উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও পুলিশ যৌথভাবে নদীতে অভিযান চালায়। এ সময় কর্মকর্তারা কয়েকটি নৌকা ও জাল জব্দের চেষ্টা করলে আলগি এলাকার একদল জেলে ও তাদের স্বজনরা লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে ট্রলারের ওপর হামলা চালায়।
হামলাকারীরা পুলিশ ও মৎস্য কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপ করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। হামলার মুখে অভিযানে ব্যবহৃত ট্রলারটি নদীর আলগি চরে নিরাপদ দূরত্বে সরে যায়।
এতে বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও ট্রলারের বেশ কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে দুমকি ও পটুয়াখালী সদর থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে অভিযান টিমকে নিরাপদে উদ্ধার করে।
উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ফিল্ড অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আমরা নদীতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করে কিছু জেলে সংগঠিত হয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রজনন মৌসুমে মা-ইলিশ রক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলায় চলছে ২২ দিনের বিশেষ অভিযান। তবে কিছু এলাকায় জেলেদের প্রতিরোধ ও হামলার আশঙ্কায় অভিযান পরিচালনায় ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

১১ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৪

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:১০

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:০৯
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে বিয়ের আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের চোখের পাশে গুরুতর আঘাত লেগেছে।
ঘটনাটি উপজেলার মোল্লা বাড়ির পোল এলাকায় মোহন ও বিথী আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, খাবার পরিবেশনের সময় অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা ধীরে ধীরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের দাওয়াতে অতিথিদের খাবার পরিবেশন চলছিল। এ সময় ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা খাবার পরিবেশনকারী কনের চাচা রাসেল মোল্লার কাছে অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চান। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কথার লড়াই একপর্যায়ে উত্তেজনায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অতিথিদের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষে আহত হয়েছেন পলাশ মোল্লা (২৯), জুলহাস মোল্লা (২৫) ও রাসেল মোল্লা (২২)। তাদের মধ্যে রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আহত রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কনের মামা বাবলু আকন অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান। এরপরই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
তবে এ বিষয়ে ছেলে পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় লিপি আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূকে হাত–পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী শাহ জামাল (৩৫) এবং শ্বশুর মোসলেম মৃধাকে (৭০) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই নারীর করা মামলায় পরে স্বামী ও শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীকে নির্যাতনের একটি ভিডিও ইতিমধ্যে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
২ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, টমটমের ওপর এক নারীর হাত বেঁধে তাঁকে মারধর করা হচ্ছে। মারধরের শিকার ওই নারী চিৎকার করে সাহায্য চাইছেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি টমটম থামিয়ে তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে নির্যাতনে যুক্ত দুই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে অভিযুক্ত দুজনকে আটক করেন এবং দশমিনা থানা-পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের হেফাজতে নেয়।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ভুক্তভোগী লিপি আক্তারকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল মৃধা (৬৫) আহত হন। অভিযোগ আছে, এ সময় লিপি আক্তারের শ্বশুর হাতে থাকা লাঠি দিয়ে হেলাল মৃধার মাথায় আঘাত করেন। এতে হেলালের মাথা ফেটে যায় এবং তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আহত অবস্থায় হেলাল মৃধা বলেন, ওই নারীর চিৎকার শুনে তিনি এবং আরও কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে টমটমটি থামান। তখন টমটমে থাকা শাহ জামাল ও তাঁর বাবা মোসলেম মৃধা তাঁদের ওপর চড়াও হন এবং হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের আটক করে পুলিশে খবর দেন।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন লিপি আক্তার বলেন, তাঁর দুই ছেলে ও তিন মেয়ে আছে। তাঁর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। এর পর থেকে তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছিল। স্বামী শাহ জামাল ও শ্বশুর মোসলেম মৃধা প্রায়ই তাঁর ওপর নির্যাতন চালাতেন। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিসবৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
লিপি আক্তারের ভাষ্য, গতকাল সকালে মারধরের একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে জ্ঞান ফিরলে দেখেন, তাঁর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় টমটমে করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তখন চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে স্বামী শাহ জামাল দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে প্রথম স্ত্রী লিপি আক্তারের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। গতকালও তাঁকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে স্বামী ও শ্বশুর কোথাও নিয়ে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।’
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় লিপি আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূকে হাত–পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী শাহ জামাল (৩৫) এবং শ্বশুর মোসলেম মৃধাকে (৭০) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই নারীর করা মামলায় পরে স্বামী ও শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীকে নির্যাতনের একটি ভিডিও ইতিমধ্যে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
২ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, টমটমের ওপর এক নারীর হাত বেঁধে তাঁকে মারধর করা হচ্ছে। মারধরের শিকার ওই নারী চিৎকার করে সাহায্য চাইছেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি টমটম থামিয়ে তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে নির্যাতনে যুক্ত দুই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে অভিযুক্ত দুজনকে আটক করেন এবং দশমিনা থানা-পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের হেফাজতে নেয়।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ভুক্তভোগী লিপি আক্তারকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল মৃধা (৬৫) আহত হন। অভিযোগ আছে, এ সময় লিপি আক্তারের শ্বশুর হাতে থাকা লাঠি দিয়ে হেলাল মৃধার মাথায় আঘাত করেন। এতে হেলালের মাথা ফেটে যায় এবং তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আহত অবস্থায় হেলাল মৃধা বলেন, ওই নারীর চিৎকার শুনে তিনি এবং আরও কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে টমটমটি থামান। তখন টমটমে থাকা শাহ জামাল ও তাঁর বাবা মোসলেম মৃধা তাঁদের ওপর চড়াও হন এবং হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের আটক করে পুলিশে খবর দেন।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন লিপি আক্তার বলেন, তাঁর দুই ছেলে ও তিন মেয়ে আছে। তাঁর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। এর পর থেকে তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছিল। স্বামী শাহ জামাল ও শ্বশুর মোসলেম মৃধা প্রায়ই তাঁর ওপর নির্যাতন চালাতেন। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিসবৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
লিপি আক্তারের ভাষ্য, গতকাল সকালে মারধরের একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে জ্ঞান ফিরলে দেখেন, তাঁর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় টমটমে করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তখন চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে স্বামী শাহ জামাল দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে প্রথম স্ত্রী লিপি আক্তারের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। গতকালও তাঁকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে স্বামী ও শ্বশুর কোথাও নিয়ে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।’
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণচেষ্টা মামলা আপস করতে ১০ লাখ টাকা দাবি করেছেন বড় বোন। এ খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, গত ৩১ মে বিদ্যুৎ সংযোগ মেরামত কাজ করতে গিয়ে কলাপাড়া পৌরশহরের বাদুরতলী এলাকার এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টা চালায় ইলেকট্রিশিয়ান ফোরকান হাওলাদার। এমন অভিযোগে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফোরকানের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ওই ইলেকট্রিশিয়ানকে আটক করে আদালতে পাঠায়। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন।
তবে এ ঘটনা সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত এবং সাজানো ষড়যন্ত্র বলে স্থানীয়সহ আটক ব্যক্তির পরিবার দাবি করছেন। ফোরকানের স্ত্রী রেহেনার অভিযোগ, ফোন করে ডেকে নিয়ে কোনো কিছু না বলেই ঘরের দরজা বন্ধ করে হাতুড়িসহ লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে তার স্বামীকে আহত করে তার ননদ বাড়ির লোকজন। তিনি বলেন, অভিযোগকারী ননদ তার স্বামীর চেয়ে বয়সে অন্তত ১৩ বছরের বড়।
তিনি আরও বলেন, বেশ কিছুদিন আগে তার ননদ পরিবার ৫০ হাজার টাকা ধার নেয় তার স্বামী ফোরকানের কাছ থেকে। পরে ইলেকট্রনিকস বিভিন্ন মালমাল নিয়ে আরও ২৫ হাজার টাকা দেনা করে। কিন্তু এসব টাকা ফেরত চাইলেই টালবাহানা শুরু করেন তারা। এরই মধ্যে ননদের মেয়ে জামাতাকে ইয়াবাকাণ্ডে ধরিয়ে দেয় আমার স্বামী। এরপরই ওই পরিবার কৌশলে ডেকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দিয়ে এখন উল্টো ১০ লাখ টাকা দাবি করছে।
আটক ফোরকানের ছোট ভাই কালাম জানান, ৫ ওয়াক্ত নামাজি একজন মানুষকে ডেকে নিয়ে অহেতুক মারধর করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসিয়ে দিল। মূলত টাকা না দেওয়া আর জামাইয়ের শোধ নিতে তার শাশুড়ি মান সম্মান হারানোর জন্য জঘন্য এই অপবাদ দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ আর পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য কৌশলে একজনকে ফাঁসানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি দেশজুড়ে ধর্ষণের বিষয়ে উত্তাল পরিস্থিতিতে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে অভিযোগকারীরা।
অপরদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. ফকরুল বলেন, আমি ভাইবোনের বিষয় শুনে ওই নারীর স্বামীকে ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু স্বামীর ফোন দিয়ে তিনি আমাকে সরাসরি বলেন ১০ লাখ টাকা দিলেই মামলা তুলে নেবে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী নারীর স্বামী ফকু বিশ্বাস বলেন, আমরা কোনো টাকা চাইনি। অন্য একজন এ কথা বলেছিল। আর কোনো ঘটনা মিথ্যা না।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। আমরা সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য আর কিছু বলতে পারব না। সঠিক বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণচেষ্টা মামলা আপস করতে ১০ লাখ টাকা দাবি করেছেন বড় বোন। এ খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, গত ৩১ মে বিদ্যুৎ সংযোগ মেরামত কাজ করতে গিয়ে কলাপাড়া পৌরশহরের বাদুরতলী এলাকার এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টা চালায় ইলেকট্রিশিয়ান ফোরকান হাওলাদার। এমন অভিযোগে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফোরকানের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ওই ইলেকট্রিশিয়ানকে আটক করে আদালতে পাঠায়। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন।
তবে এ ঘটনা সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত এবং সাজানো ষড়যন্ত্র বলে স্থানীয়সহ আটক ব্যক্তির পরিবার দাবি করছেন। ফোরকানের স্ত্রী রেহেনার অভিযোগ, ফোন করে ডেকে নিয়ে কোনো কিছু না বলেই ঘরের দরজা বন্ধ করে হাতুড়িসহ লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে তার স্বামীকে আহত করে তার ননদ বাড়ির লোকজন। তিনি বলেন, অভিযোগকারী ননদ তার স্বামীর চেয়ে বয়সে অন্তত ১৩ বছরের বড়।
তিনি আরও বলেন, বেশ কিছুদিন আগে তার ননদ পরিবার ৫০ হাজার টাকা ধার নেয় তার স্বামী ফোরকানের কাছ থেকে। পরে ইলেকট্রনিকস বিভিন্ন মালমাল নিয়ে আরও ২৫ হাজার টাকা দেনা করে। কিন্তু এসব টাকা ফেরত চাইলেই টালবাহানা শুরু করেন তারা। এরই মধ্যে ননদের মেয়ে জামাতাকে ইয়াবাকাণ্ডে ধরিয়ে দেয় আমার স্বামী। এরপরই ওই পরিবার কৌশলে ডেকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দিয়ে এখন উল্টো ১০ লাখ টাকা দাবি করছে।
আটক ফোরকানের ছোট ভাই কালাম জানান, ৫ ওয়াক্ত নামাজি একজন মানুষকে ডেকে নিয়ে অহেতুক মারধর করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসিয়ে দিল। মূলত টাকা না দেওয়া আর জামাইয়ের শোধ নিতে তার শাশুড়ি মান সম্মান হারানোর জন্য জঘন্য এই অপবাদ দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ আর পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য কৌশলে একজনকে ফাঁসানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি দেশজুড়ে ধর্ষণের বিষয়ে উত্তাল পরিস্থিতিতে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে অভিযোগকারীরা।
অপরদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. ফকরুল বলেন, আমি ভাইবোনের বিষয় শুনে ওই নারীর স্বামীকে ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু স্বামীর ফোন দিয়ে তিনি আমাকে সরাসরি বলেন ১০ লাখ টাকা দিলেই মামলা তুলে নেবে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী নারীর স্বামী ফকু বিশ্বাস বলেন, আমরা কোনো টাকা চাইনি। অন্য একজন এ কথা বলেছিল। আর কোনো ঘটনা মিথ্যা না।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। আমরা সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য আর কিছু বলতে পারব না। সঠিক বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে বিয়ের আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের চোখের পাশে গুরুতর আঘাত লেগেছে।
ঘটনাটি উপজেলার মোল্লা বাড়ির পোল এলাকায় মোহন ও বিথী আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, খাবার পরিবেশনের সময় অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা ধীরে ধীরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের দাওয়াতে অতিথিদের খাবার পরিবেশন চলছিল। এ সময় ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা খাবার পরিবেশনকারী কনের চাচা রাসেল মোল্লার কাছে অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চান। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কথার লড়াই একপর্যায়ে উত্তেজনায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অতিথিদের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষে আহত হয়েছেন পলাশ মোল্লা (২৯), জুলহাস মোল্লা (২৫) ও রাসেল মোল্লা (২২)। তাদের মধ্যে রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আহত রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কনের মামা বাবলু আকন অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান। এরপরই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
তবে এ বিষয়ে ছেলে পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।