
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১৯:১৭
মাত্র এক’শ টাকার বিরোধকে কেন্দ্র করে বরগুনার আমতলীতে নৃশংস হামলায় আহত পোশাক শ্রমিক সজিব আকন (২০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামের আয়নালী আকন প্রতিবেশী সোনা মিয়া প্যাদার কাছ থেকে ৭০০ টাকায় দুই মণ কুড়া (ধানের খশি) ক্রয় করেন। পরে সোনা মিয়া আরও এক’শ টাকা দাবি করলে এ নিয়ে গত ৫ মার্চ উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আয়নালী আকনকে মারধর করা হয়।
এর জের ধরে গত ২১ মার্চ, ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ১০টার দিকে আয়নালী আকনের ছেলেরা বিষয়টি নিয়ে সোনা মিয়া প্যাদার কাছে জানতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর সোনা মিয়া প্যাদার নেতৃত্বে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী আয়নালী আকনের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আয়নালী আকন, তার ছেলে সজিব আকন, আল আমিন আকন, রোকেয়া বেগমসহ মোট ছয়জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
আহতদের প্রথমে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে এবং সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ দিন পর সোমবার দুপুরে সজিব আকন মারা যান। অন্য আহতরা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ২২ মার্চ নিহতের বড় ভাই রুহুল আমিন আকন বাদী হয়ে সোনা মিয়া প্যাদাকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে ২৪ মার্চ মামলার ৮ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।
নিহত সজিব আকন ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২০ মার্চ তিনি বাড়িতে আসেন।নিহতের ভগ্নিপতি আশরাফুল ইসলাম জুয়েল জানান, “এক’শ টাকার জন্যই আমার শ্বশুরকে মারধর করা হয় এবং পরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে আমার শ্যালকসহ পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে জখম করা হয়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “৮ জন আসামি আদালত থেকে জামিনে রয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
মাত্র এক’শ টাকার বিরোধকে কেন্দ্র করে বরগুনার আমতলীতে নৃশংস হামলায় আহত পোশাক শ্রমিক সজিব আকন (২০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামের আয়নালী আকন প্রতিবেশী সোনা মিয়া প্যাদার কাছ থেকে ৭০০ টাকায় দুই মণ কুড়া (ধানের খশি) ক্রয় করেন। পরে সোনা মিয়া আরও এক’শ টাকা দাবি করলে এ নিয়ে গত ৫ মার্চ উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আয়নালী আকনকে মারধর করা হয়।
এর জের ধরে গত ২১ মার্চ, ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ১০টার দিকে আয়নালী আকনের ছেলেরা বিষয়টি নিয়ে সোনা মিয়া প্যাদার কাছে জানতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর সোনা মিয়া প্যাদার নেতৃত্বে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী আয়নালী আকনের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আয়নালী আকন, তার ছেলে সজিব আকন, আল আমিন আকন, রোকেয়া বেগমসহ মোট ছয়জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
আহতদের প্রথমে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে এবং সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ দিন পর সোমবার দুপুরে সজিব আকন মারা যান। অন্য আহতরা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ২২ মার্চ নিহতের বড় ভাই রুহুল আমিন আকন বাদী হয়ে সোনা মিয়া প্যাদাকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে ২৪ মার্চ মামলার ৮ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।
নিহত সজিব আকন ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২০ মার্চ তিনি বাড়িতে আসেন।নিহতের ভগ্নিপতি আশরাফুল ইসলাম জুয়েল জানান, “এক’শ টাকার জন্যই আমার শ্বশুরকে মারধর করা হয় এবং পরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে আমার শ্যালকসহ পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে জখম করা হয়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “৮ জন আসামি আদালত থেকে জামিনে রয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

০৯ মে, ২০২৬ ১৩:১৪
বরগুনার আকাশে হঠাৎ দেখা মিলেছে অদ্ভুত আলোর ঝলকানি, যা অল্পসময় স্থায়ী হয়। শুক্রবার (০৮ মে) সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করে পাথরঘাটার আকাশে দেখা মেলে এ অদ্ভুত আলোর। কয়েকবার এই অদ্ভুত আলোর দেখা যায়।
এদিকে এমন আলো দেখা যাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। মুহূর্তেই সেই আলোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়।
জহির নামের এক অটোচালক বলেন, আমি গাড়ি চালাচ্ছিলাম হঠাৎ করেই আকাশে এমন অদ্ভুত আলো দেখতে পাই। আসলে এটা কী হতে পারে তা আমি নিজেও জানি না৷
এই অদ্ভুত আলো নিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, এটা কী হতে পারে? ইব্রাহিম নামে একজন লেখেন, পশ্চিম-দক্ষিণ কোণের আকাশে আজ সন্ধ্যায় এটা কী দেখা গেছে?
এই অদ্ভুত আলো নিয়ে পাথরঘাটায় চলছে আলোচনা। অনেকেই এর কারণ খোঁজারও চেষ্টা করছেন। অনেকেই দিচ্ছেন আবার ভিন্ন মতামত।
বরগুনার আকাশে হঠাৎ দেখা মিলেছে অদ্ভুত আলোর ঝলকানি, যা অল্পসময় স্থায়ী হয়। শুক্রবার (০৮ মে) সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করে পাথরঘাটার আকাশে দেখা মেলে এ অদ্ভুত আলোর। কয়েকবার এই অদ্ভুত আলোর দেখা যায়।
এদিকে এমন আলো দেখা যাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। মুহূর্তেই সেই আলোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়।
জহির নামের এক অটোচালক বলেন, আমি গাড়ি চালাচ্ছিলাম হঠাৎ করেই আকাশে এমন অদ্ভুত আলো দেখতে পাই। আসলে এটা কী হতে পারে তা আমি নিজেও জানি না৷
এই অদ্ভুত আলো নিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, এটা কী হতে পারে? ইব্রাহিম নামে একজন লেখেন, পশ্চিম-দক্ষিণ কোণের আকাশে আজ সন্ধ্যায় এটা কী দেখা গেছে?
এই অদ্ভুত আলো নিয়ে পাথরঘাটায় চলছে আলোচনা। অনেকেই এর কারণ খোঁজারও চেষ্টা করছেন। অনেকেই দিচ্ছেন আবার ভিন্ন মতামত।

০৯ মে, ২০২৬ ১২:৫৭
বরগুনার পাথরঘাটায় মালামালবোঝাই একটি টমটম নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে ইলিয়াস হোসেন (৪১) নামে এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় চালকসহ আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার মুন্সিরহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেওয়ার পথে বিকেল ৫টার দিকে ইলিয়াস হোসেনের মৃত্যু হয়।
নিহত ইলিয়াস হোসেন উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের কালিবাড়ি এলাকার নুর ইসলামের ছেলে। আহতরা হলেন— চরদুয়ানী ইউনিয়নের হোগলাপাশা এলাকার আল আমিন (৩৮) ও মোশাররফ হোসেন (৩৮)।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ইট-বালি পরিবহনে ব্যবহৃত একটি টমটম কাঁঠালতলী এলাকার দিকে যাওয়ার সময় মুন্সিরহাট বাজার এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।
এতে টমটমে থাকা তিনজনই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে বরিশালে নেওয়ার পথে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া এলাকায় পৌঁছালে ইলিয়াস হোসেনের মৃত্যু হয়।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক প্রদীপ দত্ত জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের আঘাত গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বরগুনার পাথরঘাটায় মালামালবোঝাই একটি টমটম নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে ইলিয়াস হোসেন (৪১) নামে এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় চালকসহ আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার মুন্সিরহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেওয়ার পথে বিকেল ৫টার দিকে ইলিয়াস হোসেনের মৃত্যু হয়।
নিহত ইলিয়াস হোসেন উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের কালিবাড়ি এলাকার নুর ইসলামের ছেলে। আহতরা হলেন— চরদুয়ানী ইউনিয়নের হোগলাপাশা এলাকার আল আমিন (৩৮) ও মোশাররফ হোসেন (৩৮)।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ইট-বালি পরিবহনে ব্যবহৃত একটি টমটম কাঁঠালতলী এলাকার দিকে যাওয়ার সময় মুন্সিরহাট বাজার এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।
এতে টমটমে থাকা তিনজনই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে বরিশালে নেওয়ার পথে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া এলাকায় পৌঁছালে ইলিয়াস হোসেনের মৃত্যু হয়।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক প্রদীপ দত্ত জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের আঘাত গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৮
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৫৩
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩২
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:০৮
০৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯