
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৯
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় জেলেদের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ৪ জেলে আহত এবং ২ জেলে নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) গভীর রাতে পাথরঘাটা থেকে ১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে এ ঘটনা ঘটে। জেলে ও ট্রলার মালিকের বাড়ি পাথরঘাটার বিভিন্ন এলাকায়।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন চরদুয়ানী ইউনিয়নের আজিজ বয়াতির ছেলে মো. হিরু বয়াতি ও বেলায়েত গাজীর ছেলে জসিম গাজী। ঘটনার সময় প্রায় ৫ লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায় অপর ট্রলারের জেলেরা।
জানা যায়, উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের মনির আকনের মালিকানা এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের জেলেরা বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার করছিল। ঠিক এমন সময় অপর একটি ট্রলার জালে পেঁচিয়ে যায়। এ নিয়ে এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের জেলেদের ওপর অপর ট্রলারের জেলেদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে অপর ট্রলারের (নাম বিহীন) আরও দুটি ট্রলারসহ জেলেদের ডেকে এনে মনির আকনের ট্রলারের জেলেদের ওপর ট্রলারের শিকল নিক্ষেপ করে এতে ৪ জেলে আহত হয় এবং ২ জেলে ট্রলার থেকে পড়ে নিখোঁজ হয়।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, মাছ ধরার সময় মনির আকনের মালিকানা ট্রলারের জালে পেঁচানো নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। তিনটি ট্রলারের জেলেদের ছেলেরা মনির আকনের ট্রলারের হামলা করে। এতে ৪ জন আহত হয় এবং ২ জন নিখোঁজ হয়। আহতদের পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ দুই জেলের সন্ধান মেলেনি।
ট্রলারের মালিক ও মাঝি মনির আকন বলেন, আমরা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় এফবি মুন্না নামের একটি ট্রলিং আমাদের জালের ওপর ওঠে যায়। বাধা দিলে হামলাকারীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ট্রলার সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে কিছুক্ষণের মধ্যেই আরও তিনটি ট্রলিং আমাদের ঘিরে ফেলে। পরে তারা ট্রলারে ওঠে শিকল নিক্ষেপ করেন এবং এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
মনিরের অভিযোগ, হামলাকারীরা ট্রলার থেকে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। শুধু তাই নয়, তারা ট্রলারের জালও কেটে নিয়ে যায়।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত রয়েছে তবে ঝুঁকিমুক্ত।
ছবি: সংগৃহীত
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় জেলেদের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ৪ জেলে আহত এবং ২ জেলে নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) গভীর রাতে পাথরঘাটা থেকে ১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে এ ঘটনা ঘটে। জেলে ও ট্রলার মালিকের বাড়ি পাথরঘাটার বিভিন্ন এলাকায়।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন চরদুয়ানী ইউনিয়নের আজিজ বয়াতির ছেলে মো. হিরু বয়াতি ও বেলায়েত গাজীর ছেলে জসিম গাজী। ঘটনার সময় প্রায় ৫ লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায় অপর ট্রলারের জেলেরা।
জানা যায়, উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের মনির আকনের মালিকানা এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের জেলেরা বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার করছিল। ঠিক এমন সময় অপর একটি ট্রলার জালে পেঁচিয়ে যায়। এ নিয়ে এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের জেলেদের ওপর অপর ট্রলারের জেলেদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে অপর ট্রলারের (নাম বিহীন) আরও দুটি ট্রলারসহ জেলেদের ডেকে এনে মনির আকনের ট্রলারের জেলেদের ওপর ট্রলারের শিকল নিক্ষেপ করে এতে ৪ জেলে আহত হয় এবং ২ জেলে ট্রলার থেকে পড়ে নিখোঁজ হয়।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, মাছ ধরার সময় মনির আকনের মালিকানা ট্রলারের জালে পেঁচানো নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। তিনটি ট্রলারের জেলেদের ছেলেরা মনির আকনের ট্রলারের হামলা করে। এতে ৪ জন আহত হয় এবং ২ জন নিখোঁজ হয়। আহতদের পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ দুই জেলের সন্ধান মেলেনি।
ট্রলারের মালিক ও মাঝি মনির আকন বলেন, আমরা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় এফবি মুন্না নামের একটি ট্রলিং আমাদের জালের ওপর ওঠে যায়। বাধা দিলে হামলাকারীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ট্রলার সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে কিছুক্ষণের মধ্যেই আরও তিনটি ট্রলিং আমাদের ঘিরে ফেলে। পরে তারা ট্রলারে ওঠে শিকল নিক্ষেপ করেন এবং এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
মনিরের অভিযোগ, হামলাকারীরা ট্রলার থেকে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। শুধু তাই নয়, তারা ট্রলারের জালও কেটে নিয়ে যায়।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত রয়েছে তবে ঝুঁকিমুক্ত।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৩
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৪৪
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১১:৫২
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫৫
২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৫
২৭ মার্চ, ২০২৬ ০১:৪৩
২৬ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৩