
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৪
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক তোফাজ্জল হত্যার ঘটনায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট আদালত আমলে নিয়েছেন। আদালত একই সঙ্গে মামলার পলাতক ২২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশও দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে এক যুবককে আটকে রেখে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করে। আদালত চার্জশিটটি গ্রহণ করে পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আজ আদালত পুলিশের দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট আমলে নিয়েছেন। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য বদলির নির্দেশ দেন আদালত। যদিও এ চার্জশিটের ওপর বাদীর নারাজি দেওয়ার কথা ছিল, তবে তিনি তা দেননি।
২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হান্নানুল ইসলাম ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন। আর ১০ মার্চ মামলায় দাখিলকৃত চার্জশিট গ্রহণযোগ্যতা শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করেন আদালত।
চার্জশিটে নাম আসা আসামিরা হলেন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জালাল মিয়া (২৬), মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের সুমন মিয়া (২১), পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ (২৪), ভূগোল বিভাগের আল হোসেন সাজ্জাদ (২৩), ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ (২৪), ওয়াজিবুল আলম (২২), মো. ফিরোজ কবির (২৩), মো. আব্দুস সামাদ (২৪), মো. সাকিব রায়হান (২২), মো. ইয়াছিন আলী গাইন (২১), মো. ইয়ামুজ্জামান ওরফে ইয়াম (২২), মো. ফজলে রাব্বি (২৪), শাহরিয়ার কবির শোভন (২৪), মো. মেহেদী হাসান ইমরান (২৫), মো. রাতুল হাসান (২০), মো. সুলতান মিয়া (২৪), মো. নাসির উদ্দীন (২৩), মো. মোবাশ্বের বিল্লাহ (২৫), শিশির আহমেদ (২২), মো. মহসিন উদ্দিন ওরফে শাফি (২৩), আব্দুল্লাহিল কাফি (২১), শেখ রমজান আলী রকি (২৫), মো. রাশেদ কামাল অনিক (২৩), মো. মনিরুজ্জামান সোহাগ (২৪), মো. আবু রায়হান (২৩), রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ (২৪), রাব্বিকুল রিয়াদ (২৩) ও মো. আশরাফ আলী মুন্সী (২৬)।
আসামির মধ্যে দু’জন (আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ ও ওয়াজিবুল আলম) জামিনে আছেন। এছাড়া গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন চারজন। তারা হলেন, জালাল মিয়া, আল হোসেন সাজ্জাদ, মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ ও সুমন মিয়া।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হান্নানুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী অব্যাহতি প্রাপ্ত আটজনের বিরুদ্ধে তদন্ত করেছি। গত ১৭ ডিসেম্বর আগের তদন্ত কর্মকর্তার তদন্তে উঠে আসা ২১ জনসহ মোট ২৮ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছি। এ ঘটনায় ২৮ জনের বাইরে আর কাউকে আসামি হিসেবে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে একজন যুবক ফজলুল হক মুসলিম হলের গেটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র তাকে আটক করে প্রথমে হলের মূল ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে যান। মোবাইল চুরির অভিযোগ এনে তারা ওই যুবককে মারধর করেন। পরে মানসিক রোগী ভেবে তাকে হলের ক্যান্টিনে নিয়ে খাওয়ান ওই ছাত্ররা। ক্যান্টিনে খাওয়ানোর পর তোফাজ্জলকে হলের দক্ষিণ ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে জানালার সঙ্গে হাত বেঁধে স্টাম্প, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে আবার তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে তার মৃত্যু হয়। তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। পরে ২৫ সেপ্টেম্বর ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শাহ মুহাম্মদ মাসুমসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তৎকালীন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামানের আদালতে মামলার আবেদন করেন নিহতের ফুফাতো বোন মোসাম্মৎ আসমা আক্তার। আদালত সেদিন বাদীর জবানবন্দি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা মামলা একইসঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দেয়।
বরিশাল টাইমস
তোফাজ্জল। সংগৃহীত ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক তোফাজ্জল হত্যার ঘটনায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট আদালত আমলে নিয়েছেন। আদালত একই সঙ্গে মামলার পলাতক ২২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশও দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে এক যুবককে আটকে রেখে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করে। আদালত চার্জশিটটি গ্রহণ করে পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আজ আদালত পুলিশের দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট আমলে নিয়েছেন। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য বদলির নির্দেশ দেন আদালত। যদিও এ চার্জশিটের ওপর বাদীর নারাজি দেওয়ার কথা ছিল, তবে তিনি তা দেননি।
২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হান্নানুল ইসলাম ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন। আর ১০ মার্চ মামলায় দাখিলকৃত চার্জশিট গ্রহণযোগ্যতা শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করেন আদালত।
চার্জশিটে নাম আসা আসামিরা হলেন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জালাল মিয়া (২৬), মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের সুমন মিয়া (২১), পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ (২৪), ভূগোল বিভাগের আল হোসেন সাজ্জাদ (২৩), ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ (২৪), ওয়াজিবুল আলম (২২), মো. ফিরোজ কবির (২৩), মো. আব্দুস সামাদ (২৪), মো. সাকিব রায়হান (২২), মো. ইয়াছিন আলী গাইন (২১), মো. ইয়ামুজ্জামান ওরফে ইয়াম (২২), মো. ফজলে রাব্বি (২৪), শাহরিয়ার কবির শোভন (২৪), মো. মেহেদী হাসান ইমরান (২৫), মো. রাতুল হাসান (২০), মো. সুলতান মিয়া (২৪), মো. নাসির উদ্দীন (২৩), মো. মোবাশ্বের বিল্লাহ (২৫), শিশির আহমেদ (২২), মো. মহসিন উদ্দিন ওরফে শাফি (২৩), আব্দুল্লাহিল কাফি (২১), শেখ রমজান আলী রকি (২৫), মো. রাশেদ কামাল অনিক (২৩), মো. মনিরুজ্জামান সোহাগ (২৪), মো. আবু রায়হান (২৩), রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ (২৪), রাব্বিকুল রিয়াদ (২৩) ও মো. আশরাফ আলী মুন্সী (২৬)।
আসামির মধ্যে দু’জন (আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ ও ওয়াজিবুল আলম) জামিনে আছেন। এছাড়া গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন চারজন। তারা হলেন, জালাল মিয়া, আল হোসেন সাজ্জাদ, মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ ও সুমন মিয়া।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হান্নানুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী অব্যাহতি প্রাপ্ত আটজনের বিরুদ্ধে তদন্ত করেছি। গত ১৭ ডিসেম্বর আগের তদন্ত কর্মকর্তার তদন্তে উঠে আসা ২১ জনসহ মোট ২৮ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছি। এ ঘটনায় ২৮ জনের বাইরে আর কাউকে আসামি হিসেবে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে একজন যুবক ফজলুল হক মুসলিম হলের গেটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র তাকে আটক করে প্রথমে হলের মূল ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে যান। মোবাইল চুরির অভিযোগ এনে তারা ওই যুবককে মারধর করেন। পরে মানসিক রোগী ভেবে তাকে হলের ক্যান্টিনে নিয়ে খাওয়ান ওই ছাত্ররা। ক্যান্টিনে খাওয়ানোর পর তোফাজ্জলকে হলের দক্ষিণ ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে জানালার সঙ্গে হাত বেঁধে স্টাম্প, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে আবার তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে তার মৃত্যু হয়। তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। পরে ২৫ সেপ্টেম্বর ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শাহ মুহাম্মদ মাসুমসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তৎকালীন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামানের আদালতে মামলার আবেদন করেন নিহতের ফুফাতো বোন মোসাম্মৎ আসমা আক্তার। আদালত সেদিন বাদীর জবানবন্দি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা মামলা একইসঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দেয়।
বরিশাল টাইমস

২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। রোববার (২৯ জুন) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে কাউনিয়া থানার দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক ব্যক্তি মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫)। তিনি কাউনিয়া থানাধীন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর (মামুন মিয়ার ঘের সংলগ্ন) এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় একাধিক মাদক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় রাসেল হাওলাদার ও তার সহযোগী আখি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছেন। তথ্যের সত্যতা যাচাই শেষে কাউনিয়া থানার একটি চৌকস দল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে রাসেলকে আটক করে তার হেফাজত থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় সহযোগী আখি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজীত চন্দ্র নাথ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে। পলাতক আসামি আখিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আটক ও পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে কাউনিয়া থানার অভিযান চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। রোববার (২৯ জুন) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে কাউনিয়া থানার দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক ব্যক্তি মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫)। তিনি কাউনিয়া থানাধীন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর (মামুন মিয়ার ঘের সংলগ্ন) এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় একাধিক মাদক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় রাসেল হাওলাদার ও তার সহযোগী আখি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছেন। তথ্যের সত্যতা যাচাই শেষে কাউনিয়া থানার একটি চৌকস দল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে রাসেলকে আটক করে তার হেফাজত থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় সহযোগী আখি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজীত চন্দ্র নাথ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে। পলাতক আসামি আখিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আটক ও পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে কাউনিয়া থানার অভিযান চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
বরিশাল নগরীতে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা ও থ্রি-হুইলারের ভাড়া না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। সোমবার (২৯ জুন) নগর ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় ত্রিপক্ষীয় প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে আগামী ১ জুলাই থেকে লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ থ্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে সম্মিলিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। সমন্বয় সভায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিএম কলেজের ছাত্রশিক্ষক প্রতিনিধিসহ থ্রিহুইলার চালক-মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মহানগরীর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়। সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, থ্রি-হুইলারের বর্তমান ভাড়ার হার অপরিবর্তিত থাকবে এবং যাত্রীসাধারণকে বিদ্যমান ভাড়াতেই সেবা দেওয়া হবে।
একই সঙ্গে থ্রি-হুইলারের বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় জানানো হয়, যেসব থ্রি-হুইলারের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি বা বৈধ কাগজপত্র নেই, তাদের বিরুদ্ধে আগামী ১ জুলাই থেকে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, নগরবাসীর স্বার্থে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে সুরক্ষা দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের সভাপতিত্বে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল কবির সুমন, সরকারি বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম, বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান।
এর আগে রোববার সকালে অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শতাধিক থ্রিহুইলার আটকে রাখে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়াও তারা যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে। তারপর সোমবারের মধ্যে এ সংকট সমাধানের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি স্থগিত করে। বর্তমানে নগরীর থ্রি-হুইলার চালকরা দূরত্ব ভেদে ৫-১০ টাকা বেশি ভাড়া আদায় করছে। এ নিয়ে প্রতিদিনই চালক ও যাত্রীদের মধ্যে ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা। তথ্যমতে, ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল নগরীতে বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে ৩০ হাজার সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত থ্রিহুইলার চলাচল করছে।’
বরিশাল নগরীতে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা ও থ্রি-হুইলারের ভাড়া না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। সোমবার (২৯ জুন) নগর ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় ত্রিপক্ষীয় প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে আগামী ১ জুলাই থেকে লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ থ্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে সম্মিলিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। সমন্বয় সভায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিএম কলেজের ছাত্রশিক্ষক প্রতিনিধিসহ থ্রিহুইলার চালক-মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মহানগরীর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়। সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, থ্রি-হুইলারের বর্তমান ভাড়ার হার অপরিবর্তিত থাকবে এবং যাত্রীসাধারণকে বিদ্যমান ভাড়াতেই সেবা দেওয়া হবে।
একই সঙ্গে থ্রি-হুইলারের বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় জানানো হয়, যেসব থ্রি-হুইলারের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি বা বৈধ কাগজপত্র নেই, তাদের বিরুদ্ধে আগামী ১ জুলাই থেকে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, নগরবাসীর স্বার্থে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে সুরক্ষা দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের সভাপতিত্বে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল কবির সুমন, সরকারি বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম, বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান।
এর আগে রোববার সকালে অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শতাধিক থ্রিহুইলার আটকে রাখে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়াও তারা যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে। তারপর সোমবারের মধ্যে এ সংকট সমাধানের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি স্থগিত করে। বর্তমানে নগরীর থ্রি-হুইলার চালকরা দূরত্ব ভেদে ৫-১০ টাকা বেশি ভাড়া আদায় করছে। এ নিয়ে প্রতিদিনই চালক ও যাত্রীদের মধ্যে ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা। তথ্যমতে, ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল নগরীতে বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে ৩০ হাজার সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত থ্রিহুইলার চলাচল করছে।’
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩
২৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১৪