
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৭
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।

২৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০০
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:২২
ভোলার মনপুরার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে রাজা ইলিশ। মাছটির ওজন দুই কেজি ৮০০ গ্রাম। মাছটি নিলামে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ মৎস্য ঘাটে আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে বিক্রি করা হয়।
আড়তের ম্যানেজার নাহিদ বলেন, শনিবার সকালে কলাতলীচর আবাসন খালের কামাল মাঝিসহ সঙ্গীয় জেলেরা রামনেওয়াজ সংলগ্ন মেঘনায় মাছ শিকার করছিল। এই সময় জারে ওঠে আসে রাজা ইলিশ মাছটি। উপকূলের জেলে ও মৎস্য আড়তদাররা বড় সাইজের ইলিশকে রাজা মাছ বলে।
মৎস্য ঘাটের বেপারি আইয়ুব পাটোয়ারী বলেন, আমিসহ অন্য বেপারির উপস্থিতিতে মাছটি আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হয়। পরে সর্বোচ্চ দাম ৯ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী।
ব্যবসায়ী রাজিব চৌধুরী বলেন, ঢাকার পাইকারি আড়তে বড় সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি। ঢাকার পাইকারি আড়তে বেশি দামে মাছটি বিক্রি করতে পারব বলে আশাবাদী।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক বলেন, প্রতিবছর ইলিশ প্রজনন মৌসুম সফল হওয়ায় জেলের জালে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়েছে। সামনে বর্ষায় বৃষ্টিপাত বাড়লে আরও বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশাবাদী।
ভোলার মনপুরার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে রাজা ইলিশ। মাছটির ওজন দুই কেজি ৮০০ গ্রাম। মাছটি নিলামে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ মৎস্য ঘাটে আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে বিক্রি করা হয়।
আড়তের ম্যানেজার নাহিদ বলেন, শনিবার সকালে কলাতলীচর আবাসন খালের কামাল মাঝিসহ সঙ্গীয় জেলেরা রামনেওয়াজ সংলগ্ন মেঘনায় মাছ শিকার করছিল। এই সময় জারে ওঠে আসে রাজা ইলিশ মাছটি। উপকূলের জেলে ও মৎস্য আড়তদাররা বড় সাইজের ইলিশকে রাজা মাছ বলে।
মৎস্য ঘাটের বেপারি আইয়ুব পাটোয়ারী বলেন, আমিসহ অন্য বেপারির উপস্থিতিতে মাছটি আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হয়। পরে সর্বোচ্চ দাম ৯ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী।
ব্যবসায়ী রাজিব চৌধুরী বলেন, ঢাকার পাইকারি আড়তে বড় সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি। ঢাকার পাইকারি আড়তে বেশি দামে মাছটি বিক্রি করতে পারব বলে আশাবাদী।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক বলেন, প্রতিবছর ইলিশ প্রজনন মৌসুম সফল হওয়ায় জেলের জালে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়েছে। সামনে বর্ষায় বৃষ্টিপাত বাড়লে আরও বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশাবাদী।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৫
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.