‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে’- বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, যে গণভোটে ৭০ ভাগ জনগণ রায় দিয়েছে, সেই একই দিনের ভোটে আপনারা সরকার গঠন করার দাবি করছেন। ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও গ্রহণযোগ্য হবে না। গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। জনগণ গণভোটের রায় মানতে বাধ্য করবে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন দাবিতে এ বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
বিএনপির উদ্দেশে জামায়াতের আমির বলেন, ১৯৯১ সালের পর ক্ষমতায় এসে আপনারা বুঝতে পারেননি কেয়ারটেকার সরকার কী। শেষ পর্যন্ত বুঝেছেন। আমরা বলবো, জাতির ক্ষতি করে নয়, এখনই বিষয়টি বুঝুন।
তিনি বলেন, আমরা রাজপথে থাকতে চাই না। আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে চাই। কিন্তু যেভাবে আমাদের রাজপথের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, রাজপথ উত্তপ্ত হলে তার পরিণতি ভালো হবে না।
সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।’

১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৪
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে রাতের মধ্যে বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ১৫ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের দেওয়া রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আজ রাত ১টার মধ্যে বরিশাল, পটুয়াখালী, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সমুদ্রবন্দরের সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সাগরে এই নিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।’
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে রাতের মধ্যে বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ১৫ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের দেওয়া রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আজ রাত ১টার মধ্যে বরিশাল, পটুয়াখালী, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সমুদ্রবন্দরের সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সাগরে এই নিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।’

১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫০
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিগত ১৭ বছরে অর্থাৎ আওয়ামী লীগের বিএনপির সাড়ে চার হাজারের বেশি নেতাকর্মী ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন। সাতশর অধিক নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছিলেন। যাদের স্বজনেরা এখনো তাহাজ্জুদ নামাজ শেষে জায়নামাজে বসে স্বজন ফেরার প্রতীক্ষায় থাকে। গতকাল রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে বরিশালের গৌরনদীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়ার অবিস্মরণীয় ভূমিকা ও বর্তমান প্রেক্ষিত শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির দিশারি হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে পেরেছিলেন তার একমাত্র কারণ পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার মতো স্ত্রী। জিয়াউর রহমানের প্রতিটি কাজের ছায়াসঙ্গী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ’
তিনি বলেন, ‘দেশি-বিদেশ ষড়যন্ত্রে যখন জিয়াউর রহমানকে হত্যাকাণ্ডের শিকার ঘটানো হয়। তখন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গৃহবধূ। নাবালক দুইটি সন্তান নিয়ে যখন পরিবারের হাল ধরেছিলেন তিনি, তখন বিএনপির অবস্থাও করুণ। তখন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা বলেছিলেন, আপনাকে বিএনপির হাল ধরতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘একদিকে দুটি নাবালক সন্তানসহ সংসারের হাল। অন্যদিকে গোটা বিএনপি পরিবারের হাল ধরে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির জন্য, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও স্বৈরাচার হটানোর জন্য বেগম খালেদা জিয়া আপষহীন নেত্রী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের জন্য মুক্তির দিসারী ছিলেন।’
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা জুলাইকে ছোট করে দেখতে চাইনা। জুলাই বিপ্লব সফল হয়েছে বিগত ১৬ বছর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের যে সূচনা হয়েছিল তার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে।’
আলোচনা সভায় সভা প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্যসচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ এবং ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব সফিকুর রহমান শরীফ স্বপন প্রমুখ।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিগত ১৭ বছরে অর্থাৎ আওয়ামী লীগের বিএনপির সাড়ে চার হাজারের বেশি নেতাকর্মী ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন। সাতশর অধিক নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছিলেন। যাদের স্বজনেরা এখনো তাহাজ্জুদ নামাজ শেষে জায়নামাজে বসে স্বজন ফেরার প্রতীক্ষায় থাকে। গতকাল রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে বরিশালের গৌরনদীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়ার অবিস্মরণীয় ভূমিকা ও বর্তমান প্রেক্ষিত শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির দিশারি হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে পেরেছিলেন তার একমাত্র কারণ পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার মতো স্ত্রী। জিয়াউর রহমানের প্রতিটি কাজের ছায়াসঙ্গী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ’
তিনি বলেন, ‘দেশি-বিদেশ ষড়যন্ত্রে যখন জিয়াউর রহমানকে হত্যাকাণ্ডের শিকার ঘটানো হয়। তখন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গৃহবধূ। নাবালক দুইটি সন্তান নিয়ে যখন পরিবারের হাল ধরেছিলেন তিনি, তখন বিএনপির অবস্থাও করুণ। তখন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা বলেছিলেন, আপনাকে বিএনপির হাল ধরতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘একদিকে দুটি নাবালক সন্তানসহ সংসারের হাল। অন্যদিকে গোটা বিএনপি পরিবারের হাল ধরে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির জন্য, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও স্বৈরাচার হটানোর জন্য বেগম খালেদা জিয়া আপষহীন নেত্রী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের জন্য মুক্তির দিসারী ছিলেন।’
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা জুলাইকে ছোট করে দেখতে চাইনা। জুলাই বিপ্লব সফল হয়েছে বিগত ১৬ বছর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের যে সূচনা হয়েছিল তার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে।’
আলোচনা সভায় সভা প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্যসচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ এবং ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব সফিকুর রহমান শরীফ স্বপন প্রমুখ।

১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩৫
আজ ১৮ আগস্ট ২০২৬ইং, সোমবার ভাষা সৈনিক মরহুম শেখ এ মালেকের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০২ সালের এই দিনে তিনি নিজ পৈতৃক বাড়ি “শেখের হাট লজ” আমানতগঞ্জ, বরিশাল-এ ৭৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। তিনি একাধারে নাট্যকর্মী, সমাজসেবক ও দক্ষ সংগঠক এবং সাংবাদিক ছিলেন। প্রখ্যাত সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক ছিল। এছাড়া বরিশালের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সাথে তার সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ট। কর্ম জীবনে তিনি বরিশাল প্রধান ডাকঘরের প্রধান পোস্টমাস্টার (এপিএমজি) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি একাধারে প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি, সাপ্তাহিক খাদেম পত্রিকার সহসম্পাদক, শের-ই বাংলা স্মৃতি সংসদের সভাপতি, সাহিত্য পরিষদ, পাবলিক লাইব্রেরী, ফোকলোল, নাট্য নিকেতন, শিল্পকলা একাডেমি, মুকুল ফৌজসহ নানা সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।
ছাত্রজীবনে তিনি একে স্কুল ও বি এম কলেজে অধ্যয়ন করেন। ১৯৪১-৪৭ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক সম্মুখ সক্রিয় সৈনিক। এবং তিনি ব্রিটিশের বিরুদ্বে কালো পতাকা উত্তলোনকারী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বরিশাল জেলা সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন। ১১ মার্চ ফকিরবাড়ি রোডের জনসভা থেকে আন্দোলরত অবস্থায় তিনি গ্রেপ্তার হন। ১৯৭১ সালে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি, বিএম কলেজের ভিপি মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট শেখ আবদুর রব ও ঝালকাঠি থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ঝালকাঠি আইনজীবী সমিতির সভাপতি মরহুম অ্যাডভোকেট শেখ আবদুছ শুকুর (অনারারি মেজিস্ট্রেট) তাদেরই বড় ভাই হওয়ায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে অফিস থেকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল ওয়াপদার টর্চার সেলে নিয়ে যায় এবং তার ওপর নির্মমভাবে শারীরিক নির্যাতন চালায়। স্বাধীনতার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত আমানতগঞ্জ রেডক্রসের তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নিজ গ্রাম শেখেরহাটে বহু প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। পোস্ট অফিস, লঞ্চ/স্টিমার ঘাট, টেলিফোন অফিস, পুলিশ ফাড়ি, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ অন্যতম। রোকেয়া খাতুন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রাথমিক কার্যক্রম নিজ কাচারি বাড়িতে শুরু করেন। এককথায় শেখেরহাটের উন্নয়নমূলক কাজে তার সক্রিয় ভূমিকা আজো প্রবাদপ্রতিম। শেখেরহাটের আনজিৎ শাহ (র:) এর মাজারের আধুনিকায়নে তার ভূমিকা অনন্য। সদালাপি, সদাহাস্যোজ্জ্বল শেখ আবদুল মালেক কারও কাছে মালেক ভাই, কারো মালেক দা হিসাবে বিশেষ পরিচিত ছিলেন।
আজকের এই মৃত্যুবার্ষিকীতে তার পৈতৃক বাড়ি “শেখের হাট লজ” আমানতগঞ্জ, বরিশাল ও শেখের হাটে (রাজপাশা) নিজেদের প্রতিষ্ঠিত আরএসএম মাদ্রাসা, মসজিদে কোরাআন খতম, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর পরিবার সকল শুভাকাঙ্খি ও স্বজনদের কাছে মরহুমের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন।’
আজ ১৮ আগস্ট ২০২৬ইং, সোমবার ভাষা সৈনিক মরহুম শেখ এ মালেকের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০২ সালের এই দিনে তিনি নিজ পৈতৃক বাড়ি “শেখের হাট লজ” আমানতগঞ্জ, বরিশাল-এ ৭৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। তিনি একাধারে নাট্যকর্মী, সমাজসেবক ও দক্ষ সংগঠক এবং সাংবাদিক ছিলেন। প্রখ্যাত সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক ছিল। এছাড়া বরিশালের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সাথে তার সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ট। কর্ম জীবনে তিনি বরিশাল প্রধান ডাকঘরের প্রধান পোস্টমাস্টার (এপিএমজি) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি একাধারে প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি, সাপ্তাহিক খাদেম পত্রিকার সহসম্পাদক, শের-ই বাংলা স্মৃতি সংসদের সভাপতি, সাহিত্য পরিষদ, পাবলিক লাইব্রেরী, ফোকলোল, নাট্য নিকেতন, শিল্পকলা একাডেমি, মুকুল ফৌজসহ নানা সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।
ছাত্রজীবনে তিনি একে স্কুল ও বি এম কলেজে অধ্যয়ন করেন। ১৯৪১-৪৭ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক সম্মুখ সক্রিয় সৈনিক। এবং তিনি ব্রিটিশের বিরুদ্বে কালো পতাকা উত্তলোনকারী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বরিশাল জেলা সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন। ১১ মার্চ ফকিরবাড়ি রোডের জনসভা থেকে আন্দোলরত অবস্থায় তিনি গ্রেপ্তার হন। ১৯৭১ সালে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি, বিএম কলেজের ভিপি মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট শেখ আবদুর রব ও ঝালকাঠি থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ঝালকাঠি আইনজীবী সমিতির সভাপতি মরহুম অ্যাডভোকেট শেখ আবদুছ শুকুর (অনারারি মেজিস্ট্রেট) তাদেরই বড় ভাই হওয়ায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে অফিস থেকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল ওয়াপদার টর্চার সেলে নিয়ে যায় এবং তার ওপর নির্মমভাবে শারীরিক নির্যাতন চালায়। স্বাধীনতার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত আমানতগঞ্জ রেডক্রসের তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নিজ গ্রাম শেখেরহাটে বহু প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। পোস্ট অফিস, লঞ্চ/স্টিমার ঘাট, টেলিফোন অফিস, পুলিশ ফাড়ি, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ অন্যতম। রোকেয়া খাতুন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রাথমিক কার্যক্রম নিজ কাচারি বাড়িতে শুরু করেন। এককথায় শেখেরহাটের উন্নয়নমূলক কাজে তার সক্রিয় ভূমিকা আজো প্রবাদপ্রতিম। শেখেরহাটের আনজিৎ শাহ (র:) এর মাজারের আধুনিকায়নে তার ভূমিকা অনন্য। সদালাপি, সদাহাস্যোজ্জ্বল শেখ আবদুল মালেক কারও কাছে মালেক ভাই, কারো মালেক দা হিসাবে বিশেষ পরিচিত ছিলেন।
আজকের এই মৃত্যুবার্ষিকীতে তার পৈতৃক বাড়ি “শেখের হাট লজ” আমানতগঞ্জ, বরিশাল ও শেখের হাটে (রাজপাশা) নিজেদের প্রতিষ্ঠিত আরএসএম মাদ্রাসা, মসজিদে কোরাআন খতম, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর পরিবার সকল শুভাকাঙ্খি ও স্বজনদের কাছে মরহুমের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন।’

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৩
‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে’- বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, যে গণভোটে ৭০ ভাগ জনগণ রায় দিয়েছে, সেই একই দিনের ভোটে আপনারা সরকার গঠন করার দাবি করছেন। ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও গ্রহণযোগ্য হবে না। গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। জনগণ গণভোটের রায় মানতে বাধ্য করবে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন দাবিতে এ বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
বিএনপির উদ্দেশে জামায়াতের আমির বলেন, ১৯৯১ সালের পর ক্ষমতায় এসে আপনারা বুঝতে পারেননি কেয়ারটেকার সরকার কী। শেষ পর্যন্ত বুঝেছেন। আমরা বলবো, জাতির ক্ষতি করে নয়, এখনই বিষয়টি বুঝুন।
তিনি বলেন, আমরা রাজপথে থাকতে চাই না। আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে চাই। কিন্তু যেভাবে আমাদের রাজপথের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, রাজপথ উত্তপ্ত হলে তার পরিণতি ভালো হবে না।
সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।’
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫৬
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৪
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩২
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫০