বরিশাল নগরীর নবগ্রাম রোডের ললিত দাস পোল এলাকায় সন্ত্রাসী হামলা ও একজনকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্নের ঘটনাসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী হামলা, মাদকের আখড়া ও কিশোর গ্যাং দৌরাত্মের প্রতিবাদ ও নির্মূলের দাবীতে মহাসড়ক আটকে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে চৌমাথা এলাকাবাসী।
সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর চৌমাথা এলাকার মানববন্ধন করে এবং মহাসড়ক অবরোধ করে প্রায় ঘন্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। পরে পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। এসময় কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুনুল ইসলাম বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামীদের গ্রেপ্তার করা হবে।
সমাবেশে বক্তারা নবগ্রাম রোডের ললিত দাস পোল এলাকায় নির্মাণাধীন ঘরের জন্য আনা বালু রাখাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে দ্বীন ইসলাম খান ওরফে মুন্না (২১)কে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্নসহ নৃশংসতা তুলে ধরে বলেন, সামান্য তর্কাতর্কি থেকে যদি এতো বড় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের চেষ্টা হয় তাহলে বরিশালের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কি অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়।
ইতিপূর্বে নগরীর পলাশপুর, রূপাতলী, কাউনিয়া এলাকায় একাধিক নৃশংসতার ঘটনা ঘটেছে। এরা সবাই মাদকাসক্ত ও কিশোর গ্যাং সদস্য। এমন পরিস্থিতিতে মাদকের আখড়া ও বাণিজ্য আগে বন্ধ করতে হবে। নগরী থেকে কিশোর গ্যাং সম্পূর্ণ নির্মূল করার জোর দাবী জানান বক্তারা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চৌমাথা এলাকার বাসিন্দা মহসিন খান বাশার, ফারুক খান, হুমায়ুন খান, রাসেল, কবির খান, সবুজ খান, সুরুজ খান, রকি খান, রাকিব, রফিক খান, জসিম খান, সজিব হাওলাদার, নজরুল ইসলাম, রুবেল মৃধা, আলিফ খান, আজিম খান, হামিম, সোহেল খান, মুন্নার সহপাঠী ও নারী-পুরুষ সহ প্রায় তিন শতাধিক এলাকাবাসী এই মানববন্ধন ও সমাবেশে অংশগ্রহন করেন।
এর আগে গত ৩ জুন বরিশাল মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকেও এ ঘটনার প্রতিবাদে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তারা বলছেন, এর সাথে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানা গেছে, গত রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরিশাল নগরীর নবগ্রাম রোডের ললিত দাস পোল এলাকায় নির্মাণাধীন ঘরের জন্য আনা বালু রাখাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে দ্বীন ইসলাম খান ওরফে মুন্না (২১) নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত মুন্না নগরীর নবগ্রাম রোড এলাকার বাসিন্দা লিটন খানের ছেলে।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মুন্না নামে একজনকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ রেফার করেছেন।
এবিষয়ে আহতের বাবা লিটন খান বলেছেন, গত শুক্রবার ২৯ মে রাতে তাদের নির্মাণাধীন ঘরের জন্য আনা বালু সুপারি গাছের নিচে রাখাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়ার ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে বলে তারা মনে করেছিলেন। কিন্তু রোববার সকালে কাজের উদ্দেশ্যে বের হলে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ মিলন ও রানাসহ তাদের লোকজন মুন্নার ওপর হামলা চালায়।
তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মুন্নাকে গুরুতর আহত করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল তাকে হত্যা করা।
এসময় আহতের মা কুলসুম বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। এই মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, হামলার ঘটনায় একই এলাকার মিলন খান (৩০), রানা খান (২৮), হিমেল (২২), কালাম খান (৫৫) ও নার্গিস বেগম (৫০)-কে আসামি করা হয়েছে।
মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, রোববার সকাল আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে নলিনী দাস পোল এলাকার সড়কে মুন্নার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয় এবং তিনি গুরুতর জখম হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহতের মা কুলসুম বেগম বলেন, “আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনার বিচার ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।”
এদিকে মামলা করার পর থেকে অভিযুক্তরা এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ও বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। মিলন ও রানা স্থানীয় বিএনপির ছত্রছায়ায় এলাকায় রীতিমতো তাণ্ডব চালাতো বলেও একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিএনপির নাম এই সন্ত্রাসীদের সাথে যুক্ত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, এসব সন্ত্রাসী ও মাদকাসক্তদের পক্ষে কোনো বিএনপি নেতা বা কর্মী কথা বললে তার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মীর জাহিদের এই বক্তব্যকে সমর্থন করে বিবৃতি দিয়েছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকও। তিনি বলেছেন, মাদকাসক্ত ও সন্ত্রাসীরা কখনো কোনো দলের হতে পারেনা। এরা শুধু টাকার দলে। যে টাকা দেবে তার দলের। এদের বিপক্ষেই আমাদের অবস্থান সবসময়। সমাজ থেকে মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং দৌরাত্ম দূর করতে হলে এদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৩৯
বরিশালের বানারীপাড়ায় সাইবার মামলায় উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের আহমদাবাদ (বেতাল) হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসা'র সদ্য সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিমকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটের, দিকে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার লুৎফুর রহমান সড়কের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে র্যাব-৮ তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করেন। মামলা দায়েরের বিষয়ে বাদী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা জুবায়ের বলেন, ওই মাদরাসার সাবেক শিক্ষক তার মরহুম পিতা আব্দুল জব্বার ফকিরের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিম কিছুদিন পূর্বে স্থানীয় এক সাংবাদিককে দেওয়া ভিডিও বার্তায় অসত্য, আপত্তিজনক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন। তার এ ভিডিও বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়।
এতে তার মরহুম পিতা ও তার পরিবারের সম্মানহানি হয়েছে। ফলে তিনি বাদী হয়ে মাওলানা আব্দুল হালিম এবং ভিডিও বক্তব্যধারণ ও প্রচারকারী ওই সাংবাদিককে আসামী করে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় মাওলানা আব্দুল হালিমকে শনিবার বরিশাল নগরী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান,সাইবার মামলার আসামী মাওলনা আব্দুল হালিমকে র্যাব গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করার পরে এদিন (শনিবার) বিকালে তাকে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, নিজ হাতে ঘষামাজা সার্টিফিকেট, আর্থিক অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে গুরুতর অসাদাচারণসহ নানা অভিযোগে তাকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গত ১৪ জুলাই সকালে রুহুল আমিন জসিমের সভাপতিত্বে মাদরাসার গর্ভনিংবডির সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে উপাধ্যক্ষ মো. অলিউল্লাহ্কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
বরিশালের বানারীপাড়ায় সাইবার মামলায় উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের আহমদাবাদ (বেতাল) হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসা'র সদ্য সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিমকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটের, দিকে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার লুৎফুর রহমান সড়কের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে র্যাব-৮ তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করেন। মামলা দায়েরের বিষয়ে বাদী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা জুবায়ের বলেন, ওই মাদরাসার সাবেক শিক্ষক তার মরহুম পিতা আব্দুল জব্বার ফকিরের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিম কিছুদিন পূর্বে স্থানীয় এক সাংবাদিককে দেওয়া ভিডিও বার্তায় অসত্য, আপত্তিজনক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন। তার এ ভিডিও বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়।
এতে তার মরহুম পিতা ও তার পরিবারের সম্মানহানি হয়েছে। ফলে তিনি বাদী হয়ে মাওলানা আব্দুল হালিম এবং ভিডিও বক্তব্যধারণ ও প্রচারকারী ওই সাংবাদিককে আসামী করে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় মাওলানা আব্দুল হালিমকে শনিবার বরিশাল নগরী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান,সাইবার মামলার আসামী মাওলনা আব্দুল হালিমকে র্যাব গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করার পরে এদিন (শনিবার) বিকালে তাকে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, নিজ হাতে ঘষামাজা সার্টিফিকেট, আর্থিক অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে গুরুতর অসাদাচারণসহ নানা অভিযোগে তাকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গত ১৪ জুলাই সকালে রুহুল আমিন জসিমের সভাপতিত্বে মাদরাসার গর্ভনিংবডির সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে উপাধ্যক্ষ মো. অলিউল্লাহ্কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪৯
বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশের অভিযানে বিপুলসংখ্যক ইয়াবাসহ মনু ইসলাম ওরফে মনির (৩৮) নামের এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। শনিবার বেলা দেড়টার দিকে তাকে থানাধীন কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, জামালপুরের শ্রীচন্দ্রবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা যুবক মনু ইসলাম ওরফে মনির চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে থাকেন। শনিবার সেই ধারাবাহিকতায় তিনি ১৪০০ পিস ইয়াবার একটি চালান বরিশালে নিয়ে আসেন এবং গন্তব্যের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে টুপি-পাঞ্জাবী পরিহিত এই ব্যক্তিকে কাশিপুরের কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন এসআই মো. জাহিদ হাসান। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, মাদকের চালানটি বরিশাল শহরের এক ব্যবসায়ীকে পৌছে দেওয়ার উদ্দেশে নিয়ে আসেন মনু ইসলাম ওরফে মনির। কিন্তু এর আগেই তাকে পাকড়াও করা হয়।
এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ।’
বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশের অভিযানে বিপুলসংখ্যক ইয়াবাসহ মনু ইসলাম ওরফে মনির (৩৮) নামের এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। শনিবার বেলা দেড়টার দিকে তাকে থানাধীন কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, জামালপুরের শ্রীচন্দ্রবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা যুবক মনু ইসলাম ওরফে মনির চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে থাকেন। শনিবার সেই ধারাবাহিকতায় তিনি ১৪০০ পিস ইয়াবার একটি চালান বরিশালে নিয়ে আসেন এবং গন্তব্যের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে টুপি-পাঞ্জাবী পরিহিত এই ব্যক্তিকে কাশিপুরের কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন এসআই মো. জাহিদ হাসান। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, মাদকের চালানটি বরিশাল শহরের এক ব্যবসায়ীকে পৌছে দেওয়ার উদ্দেশে নিয়ে আসেন মনু ইসলাম ওরফে মনির। কিন্তু এর আগেই তাকে পাকড়াও করা হয়।
এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ।’

২৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:২৬
কারও বাবা নেই, কারও মা নেই! তবে সকলেই মেধাবী, আগামীর স্বপ্নে বিভোর- এই ধরনের ২০ শিশুর অগ্রযাত্রায় সারথী হতে এগিয়ে এসেছে বরিশালের আলোচিত ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা শিশু সুরক্ষা কমিটির অভিভাবক সমাবেশ ও শিক্ষা বৃত্তির আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটি দারিদ্র্য শিশুদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করে। অবশ্য এই সংগঠনটি এরআগেও এই ধরনের সমাজকল্যাণ এবং মানবিক কর্মকান্ডে অংশ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করে।
সংগঠনটি জানায়, বৃহস্পতিবার আয়োজন করে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’ চার শিশুর ৬ মাসের শিক্ষা অভিভাবকত্ব গ্রহণ করাসহ প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের এই ধরনের মানবিক কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে আরও ১৬ শিশুর দায়িত্ব নিয়েছেন সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষা বৃত্তি বিতরণ করেন বিভাগীয় পরিচালক শাহ্ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’সংশ্লিষ্টরা জানান, বহুমুখী প্রতিকূল পরিবেশ এবং দারিদ্র্যতার মধ্যেও ২০ শিশু পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছে, যার প্রেক্ষিতে সংগঠনটি এই আয়োজন করেছে। এবং আগামীতে পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে।
একটি শিশুর স্বপ্ন যেনো দারিদ্র্যের কাছে যেনো হার না মানে। এবং তাদের চোখের স্বপ্নগুলো বেঁচে থাকুক ও আলোর পথে এগিয়ে যাক- এমন স্লোগানে আগামীর পথে হাঁটছে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’।
কারও বাবা নেই, কারও মা নেই! তবে সকলেই মেধাবী, আগামীর স্বপ্নে বিভোর- এই ধরনের ২০ শিশুর অগ্রযাত্রায় সারথী হতে এগিয়ে এসেছে বরিশালের আলোচিত ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা শিশু সুরক্ষা কমিটির অভিভাবক সমাবেশ ও শিক্ষা বৃত্তির আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটি দারিদ্র্য শিশুদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করে। অবশ্য এই সংগঠনটি এরআগেও এই ধরনের সমাজকল্যাণ এবং মানবিক কর্মকান্ডে অংশ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করে।
সংগঠনটি জানায়, বৃহস্পতিবার আয়োজন করে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’ চার শিশুর ৬ মাসের শিক্ষা অভিভাবকত্ব গ্রহণ করাসহ প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের এই ধরনের মানবিক কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে আরও ১৬ শিশুর দায়িত্ব নিয়েছেন সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষা বৃত্তি বিতরণ করেন বিভাগীয় পরিচালক শাহ্ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’সংশ্লিষ্টরা জানান, বহুমুখী প্রতিকূল পরিবেশ এবং দারিদ্র্যতার মধ্যেও ২০ শিশু পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছে, যার প্রেক্ষিতে সংগঠনটি এই আয়োজন করেছে। এবং আগামীতে পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে।
একটি শিশুর স্বপ্ন যেনো দারিদ্র্যের কাছে যেনো হার না মানে। এবং তাদের চোখের স্বপ্নগুলো বেঁচে থাকুক ও আলোর পথে এগিয়ে যাক- এমন স্লোগানে আগামীর পথে হাঁটছে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’।

০৪ জুন, ২০২৬ ২০:১৪
বরিশাল নগরীর নবগ্রাম রোডের ললিত দাস পোল এলাকায় সন্ত্রাসী হামলা ও একজনকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্নের ঘটনাসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী হামলা, মাদকের আখড়া ও কিশোর গ্যাং দৌরাত্মের প্রতিবাদ ও নির্মূলের দাবীতে মহাসড়ক আটকে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে চৌমাথা এলাকাবাসী।
সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর চৌমাথা এলাকার মানববন্ধন করে এবং মহাসড়ক অবরোধ করে প্রায় ঘন্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। পরে পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। এসময় কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুনুল ইসলাম বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামীদের গ্রেপ্তার করা হবে।
সমাবেশে বক্তারা নবগ্রাম রোডের ললিত দাস পোল এলাকায় নির্মাণাধীন ঘরের জন্য আনা বালু রাখাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে দ্বীন ইসলাম খান ওরফে মুন্না (২১)কে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্নসহ নৃশংসতা তুলে ধরে বলেন, সামান্য তর্কাতর্কি থেকে যদি এতো বড় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের চেষ্টা হয় তাহলে বরিশালের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কি অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়।
ইতিপূর্বে নগরীর পলাশপুর, রূপাতলী, কাউনিয়া এলাকায় একাধিক নৃশংসতার ঘটনা ঘটেছে। এরা সবাই মাদকাসক্ত ও কিশোর গ্যাং সদস্য। এমন পরিস্থিতিতে মাদকের আখড়া ও বাণিজ্য আগে বন্ধ করতে হবে। নগরী থেকে কিশোর গ্যাং সম্পূর্ণ নির্মূল করার জোর দাবী জানান বক্তারা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চৌমাথা এলাকার বাসিন্দা মহসিন খান বাশার, ফারুক খান, হুমায়ুন খান, রাসেল, কবির খান, সবুজ খান, সুরুজ খান, রকি খান, রাকিব, রফিক খান, জসিম খান, সজিব হাওলাদার, নজরুল ইসলাম, রুবেল মৃধা, আলিফ খান, আজিম খান, হামিম, সোহেল খান, মুন্নার সহপাঠী ও নারী-পুরুষ সহ প্রায় তিন শতাধিক এলাকাবাসী এই মানববন্ধন ও সমাবেশে অংশগ্রহন করেন।
এর আগে গত ৩ জুন বরিশাল মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকেও এ ঘটনার প্রতিবাদে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তারা বলছেন, এর সাথে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানা গেছে, গত রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরিশাল নগরীর নবগ্রাম রোডের ললিত দাস পোল এলাকায় নির্মাণাধীন ঘরের জন্য আনা বালু রাখাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে দ্বীন ইসলাম খান ওরফে মুন্না (২১) নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত মুন্না নগরীর নবগ্রাম রোড এলাকার বাসিন্দা লিটন খানের ছেলে।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মুন্না নামে একজনকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ রেফার করেছেন।
এবিষয়ে আহতের বাবা লিটন খান বলেছেন, গত শুক্রবার ২৯ মে রাতে তাদের নির্মাণাধীন ঘরের জন্য আনা বালু সুপারি গাছের নিচে রাখাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়ার ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে বলে তারা মনে করেছিলেন। কিন্তু রোববার সকালে কাজের উদ্দেশ্যে বের হলে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ মিলন ও রানাসহ তাদের লোকজন মুন্নার ওপর হামলা চালায়।
তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মুন্নাকে গুরুতর আহত করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল তাকে হত্যা করা।
এসময় আহতের মা কুলসুম বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। এই মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, হামলার ঘটনায় একই এলাকার মিলন খান (৩০), রানা খান (২৮), হিমেল (২২), কালাম খান (৫৫) ও নার্গিস বেগম (৫০)-কে আসামি করা হয়েছে।
মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, রোববার সকাল আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে নলিনী দাস পোল এলাকার সড়কে মুন্নার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয় এবং তিনি গুরুতর জখম হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহতের মা কুলসুম বেগম বলেন, “আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনার বিচার ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।”
এদিকে মামলা করার পর থেকে অভিযুক্তরা এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ও বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। মিলন ও রানা স্থানীয় বিএনপির ছত্রছায়ায় এলাকায় রীতিমতো তাণ্ডব চালাতো বলেও একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিএনপির নাম এই সন্ত্রাসীদের সাথে যুক্ত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, এসব সন্ত্রাসী ও মাদকাসক্তদের পক্ষে কোনো বিএনপি নেতা বা কর্মী কথা বললে তার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মীর জাহিদের এই বক্তব্যকে সমর্থন করে বিবৃতি দিয়েছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকও। তিনি বলেছেন, মাদকাসক্ত ও সন্ত্রাসীরা কখনো কোনো দলের হতে পারেনা। এরা শুধু টাকার দলে। যে টাকা দেবে তার দলের। এদের বিপক্ষেই আমাদের অবস্থান সবসময়। সমাজ থেকে মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং দৌরাত্ম দূর করতে হলে এদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৪৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৩৫
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২২
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২০