
২৭ জুন, ২০২৫ ২২:৫৮
ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদ। সেই পবিত্র প্রাঙ্গণেই এবার গান ও নাচের অনুমতি দিল ইসরায়েল। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের এ অনুমতি প্রদান করেন।
শুক্রবার (২৭ জুন) ইসরায়েলি চ্যানেল ৭-এর বরাতে আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানায়, এটি গত কয়েক দশকে নজিরবিহীন ঘটনা।
ইসরায়েলি পুলিশ কমিশনার কোবি শাবতাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন পুরো আল-আকসা প্রাঙ্গণজুড়ে ইহুদিদের প্রার্থনার পাশাপাশি গান ও সঙ্গীত পরিবেশনের সুযোগ দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তিন সপ্তাহ আগে বেন-গভির তার দপ্তরে আল-আকসায় ইহুদি প্রবেশাধিকার দাবিকারী কয়েকটি সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে প্রাঙ্গণে গান-বাজনার অনুমতি বাড়ানোর প্রস্তাবও আসে।
বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীর দাবিকে সমর্থন জানিয়ে বেন-গভির বলেন, “আমার নীতি হলো—আল-আকসার প্রতিটি অংশে গান গাওয়ার অনুমতি নিশ্চিত করা।”
এর আগে গত মে মাসেও তিনি ইহুদিদের আল-আকসায় প্রার্থনার অনুমতি দেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, ‘এখন থেকে ইহুদিরা আল-আকসায় সেজদাসহ পূর্ণাঙ্গ প্রার্থনার সুযোগ পাবে।’
মুসলমানদের কাছে পবিত্রতম স্থানগুলোর একটি আল-আকসা মসজিদ। ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে জেরুসালেম দখলের পরও এ মসজিদ পরিচালনার দায়িত্ব জর্ডানের ওয়াকফ বোর্ডের হাতে থাকে।
তথাকথিত ‘স্থিতাবস্থা চুক্তি’ অনুযায়ী, মসজিদে কেবল মুসলমানদেরই নামাজ পড়ার অনুমতি রয়েছে, যদিও ইহুদিরা পর্যটক হিসেবে প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারে।
কিন্তু সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলোকে বিশ্লেষকরা এই ‘স্থিতাবস্থা’র সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন। অনেকেই বলছেন, মুসলমানদের ওপর ধর্মীয় দখলদারির কৌশলগত চাপ বাড়াচ্ছে ইসরায়েল।
ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদ। সেই পবিত্র প্রাঙ্গণেই এবার গান ও নাচের অনুমতি দিল ইসরায়েল। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের এ অনুমতি প্রদান করেন।
শুক্রবার (২৭ জুন) ইসরায়েলি চ্যানেল ৭-এর বরাতে আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানায়, এটি গত কয়েক দশকে নজিরবিহীন ঘটনা।
ইসরায়েলি পুলিশ কমিশনার কোবি শাবতাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন পুরো আল-আকসা প্রাঙ্গণজুড়ে ইহুদিদের প্রার্থনার পাশাপাশি গান ও সঙ্গীত পরিবেশনের সুযোগ দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তিন সপ্তাহ আগে বেন-গভির তার দপ্তরে আল-আকসায় ইহুদি প্রবেশাধিকার দাবিকারী কয়েকটি সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে প্রাঙ্গণে গান-বাজনার অনুমতি বাড়ানোর প্রস্তাবও আসে।
বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীর দাবিকে সমর্থন জানিয়ে বেন-গভির বলেন, “আমার নীতি হলো—আল-আকসার প্রতিটি অংশে গান গাওয়ার অনুমতি নিশ্চিত করা।”
এর আগে গত মে মাসেও তিনি ইহুদিদের আল-আকসায় প্রার্থনার অনুমতি দেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, ‘এখন থেকে ইহুদিরা আল-আকসায় সেজদাসহ পূর্ণাঙ্গ প্রার্থনার সুযোগ পাবে।’
মুসলমানদের কাছে পবিত্রতম স্থানগুলোর একটি আল-আকসা মসজিদ। ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে জেরুসালেম দখলের পরও এ মসজিদ পরিচালনার দায়িত্ব জর্ডানের ওয়াকফ বোর্ডের হাতে থাকে।
তথাকথিত ‘স্থিতাবস্থা চুক্তি’ অনুযায়ী, মসজিদে কেবল মুসলমানদেরই নামাজ পড়ার অনুমতি রয়েছে, যদিও ইহুদিরা পর্যটক হিসেবে প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারে।
কিন্তু সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলোকে বিশ্লেষকরা এই ‘স্থিতাবস্থা’র সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন। অনেকেই বলছেন, মুসলমানদের ওপর ধর্মীয় দখলদারির কৌশলগত চাপ বাড়াচ্ছে ইসরায়েল।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ০১:৩৬
ইরানের উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে হামলার পর, এখন আর চোখের বদলে চোখ নীতি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এয়ারোস্পেস কমান্ডার সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স -এ দেওয়া এক বার্তায় মুসাভি বলেন, ‘ইরানের উৎপাদন স্থাপনায় হামলার পর পরিস্থিতি আগের মতো চোখের বদলে চোখ নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘তোমরা আগেও আমাদের পরীক্ষা করেছো। বিশ্ব আবার দেখেছে যে তোমরাই আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করেছো এবং অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছো।’
মুসাভি হুঁশিয়ারি দেন, ‘এবার সমীকরণ আর ‘চোখের বদলে চোখ’ থাকবে না! অপেক্ষা করুন এবং দেখুন!’ তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকান এবং জায়নবাদী শাসনের সাথে যুক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের উচিত নিজেদের জীবন বিপন্ন করা এড়াতে দ্রুত তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করা।’
ইরানের উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে হামলার পর, এখন আর চোখের বদলে চোখ নীতি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এয়ারোস্পেস কমান্ডার সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স -এ দেওয়া এক বার্তায় মুসাভি বলেন, ‘ইরানের উৎপাদন স্থাপনায় হামলার পর পরিস্থিতি আগের মতো চোখের বদলে চোখ নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘তোমরা আগেও আমাদের পরীক্ষা করেছো। বিশ্ব আবার দেখেছে যে তোমরাই আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করেছো এবং অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছো।’
মুসাভি হুঁশিয়ারি দেন, ‘এবার সমীকরণ আর ‘চোখের বদলে চোখ’ থাকবে না! অপেক্ষা করুন এবং দেখুন!’ তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকান এবং জায়নবাদী শাসনের সাথে যুক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের উচিত নিজেদের জীবন বিপন্ন করা এড়াতে দ্রুত তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করা।’

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৫
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকায় রুশ দূতাবাস থেকে টেলিগ্রামে এ তথ্য জানানো হয়।
রুশ দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
অভিনন্দন বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আগামীতেও উত্তরোত্তর সুদৃঢ় হবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকায় রুশ দূতাবাস থেকে টেলিগ্রামে এ তথ্য জানানো হয়।
রুশ দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
অভিনন্দন বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আগামীতেও উত্তরোত্তর সুদৃঢ় হবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৫
ভারতের চণ্ডীগড়ে নতুন আবগারি নীতির আওতায় এখন থেকে পেট্রল পাম্পে মদ বিক্রি করা যাবে। এছাড়া ডিপার্টমেন্টাল স্টোরেও মিলবে মদ। এর ফলে শহরের বাসিন্দাদের জন্য অ্যালকোহল কেনা আরও সহজ হয়ে উঠবে। আগে যেখানে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট মদের দোকানের ওপর নির্ভর করতে হতো, এখন সেই সীমাবদ্ধতা আর থাকছে না। খবর এনডিটিভির।
চণ্ডীগড়ের ডেপুটি কমিশনার নিশান্ত কুমার যাদব জানান, নির্দিষ্ট কিছু পেট্রোল পাম্প ও বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে এই সুবিধা চালু করা হবে, তবে এর জন্য কঠোর যোগ্যতার মানদণ্ড রাখা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান বার্ষিক জিএসটি টার্নওভার ৩ কোটি রুপির বেশি, তারাই কেবল এই লাইসেন্স পাবে। এই লাইসেন্স দেওয়া হবে সেকশন ১০বি-এর অধীনে।
প্রশাসনের মতে, এই সিদ্ধান্ত চণ্ডীগড়ের মদ বিক্রির ব্যবস্থাকে আধুনিক করার একটি পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিকভাবে যেমন সংগঠিত খুচরা বিপণিতে অ্যালকোহল বিক্রি করা হয়, সেই ধাঁচেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এতে বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক ও নারীদের জন্য কেনাকাটা আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে, কারণ অনেকেই প্রচলিত মদের দোকানে যেতে অস্বস্তি বোধ করেন।
বর্তমানে চণ্ডীগড়ে পেট্রোল পাম্পের ভেতরে বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোর নেই। তবে ভবিষ্যতে যদি এমন কোনো প্রতিষ্ঠান চালু হয় এবং নির্ধারিত টার্নওভার পূরণ করে, তাহলে তারা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে স্বতন্ত্র পেট্রোল পাম্পগুলোর ক্ষেত্রেও।
এছাড়া, মদের দোকানগুলোর খোলার সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এসব দোকান খোলা রাখা যাবে। আশপাশের রাজ্যগুলোর সময়সূচি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বর্তমানে মাত্র চারটি মদের দোকান এখনো নিলামে তোলা হয়নি এবং ১ এপ্রিলের মধ্যে সবগুলো দোকান চালু করার চেষ্টা চলছে।
গত বছরের মতো সমস্যার পুনরাবৃত্তি এড়াতে এবার একটি নতুন আর্থিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। লাইসেন্স পেতে আগ্রহীদের সম্ভাব্য বার্ষিক আয়ের ১৭ শতাংশ অগ্রিম জমা দিতে হবে। এর ফলে লাইসেন্সধারীদের দায়বদ্ধতা বাড়বে এবং মাঝপথে চুক্তি বাতিলের ঝুঁকি কমবে।
এই নতুন নীতিমালা ইতোমধ্যেই আর্থিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সাম্প্রতিক বরাদ্দ থেকে প্রশাসন অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন করেছে। সব মিলিয়ে, এই নীতি চণ্ডীগড়ের মদ বিক্রির ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনছে, যেখানে ভোক্তাদের সুবিধা, কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব বৃদ্ধির মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।’
ভারতের চণ্ডীগড়ে নতুন আবগারি নীতির আওতায় এখন থেকে পেট্রল পাম্পে মদ বিক্রি করা যাবে। এছাড়া ডিপার্টমেন্টাল স্টোরেও মিলবে মদ। এর ফলে শহরের বাসিন্দাদের জন্য অ্যালকোহল কেনা আরও সহজ হয়ে উঠবে। আগে যেখানে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট মদের দোকানের ওপর নির্ভর করতে হতো, এখন সেই সীমাবদ্ধতা আর থাকছে না। খবর এনডিটিভির।
চণ্ডীগড়ের ডেপুটি কমিশনার নিশান্ত কুমার যাদব জানান, নির্দিষ্ট কিছু পেট্রোল পাম্প ও বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে এই সুবিধা চালু করা হবে, তবে এর জন্য কঠোর যোগ্যতার মানদণ্ড রাখা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান বার্ষিক জিএসটি টার্নওভার ৩ কোটি রুপির বেশি, তারাই কেবল এই লাইসেন্স পাবে। এই লাইসেন্স দেওয়া হবে সেকশন ১০বি-এর অধীনে।
প্রশাসনের মতে, এই সিদ্ধান্ত চণ্ডীগড়ের মদ বিক্রির ব্যবস্থাকে আধুনিক করার একটি পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিকভাবে যেমন সংগঠিত খুচরা বিপণিতে অ্যালকোহল বিক্রি করা হয়, সেই ধাঁচেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এতে বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক ও নারীদের জন্য কেনাকাটা আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে, কারণ অনেকেই প্রচলিত মদের দোকানে যেতে অস্বস্তি বোধ করেন।
বর্তমানে চণ্ডীগড়ে পেট্রোল পাম্পের ভেতরে বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোর নেই। তবে ভবিষ্যতে যদি এমন কোনো প্রতিষ্ঠান চালু হয় এবং নির্ধারিত টার্নওভার পূরণ করে, তাহলে তারা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে স্বতন্ত্র পেট্রোল পাম্পগুলোর ক্ষেত্রেও।
এছাড়া, মদের দোকানগুলোর খোলার সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এসব দোকান খোলা রাখা যাবে। আশপাশের রাজ্যগুলোর সময়সূচি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বর্তমানে মাত্র চারটি মদের দোকান এখনো নিলামে তোলা হয়নি এবং ১ এপ্রিলের মধ্যে সবগুলো দোকান চালু করার চেষ্টা চলছে।
গত বছরের মতো সমস্যার পুনরাবৃত্তি এড়াতে এবার একটি নতুন আর্থিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। লাইসেন্স পেতে আগ্রহীদের সম্ভাব্য বার্ষিক আয়ের ১৭ শতাংশ অগ্রিম জমা দিতে হবে। এর ফলে লাইসেন্সধারীদের দায়বদ্ধতা বাড়বে এবং মাঝপথে চুক্তি বাতিলের ঝুঁকি কমবে।
এই নতুন নীতিমালা ইতোমধ্যেই আর্থিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সাম্প্রতিক বরাদ্দ থেকে প্রশাসন অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন করেছে। সব মিলিয়ে, এই নীতি চণ্ডীগড়ের মদ বিক্রির ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনছে, যেখানে ভোক্তাদের সুবিধা, কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব বৃদ্ধির মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.