
১৪ মে, ২০২৬ ১৪:১২
ভোলা সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে অবৈধভাবে আহরিত ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ জব্দ করে কোস্ট গার্ড।
যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় প্রায় ১ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। জব্দকৃত ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা,মাদরাসা,গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দিনগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন। এর আগে,মঙ্গলবার (১২ মে) দিনগত রাতে উপজেলা শহরের পানপট্টি সংলগ্ন এলাকায় ৩টি ট্রাক থেকে এসব অবৈধ ইলিশ জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন,সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন,উৎপাদন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা ও মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ভোলা সদর উপজেলার পানপট্টি বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক ৩টি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,“পরবর্তীতে জব্দকৃত মাছ ভোলা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে স্থানীয় এতিমখানা, মাদ্রাসা, গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।”
ভোলা সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে অবৈধভাবে আহরিত ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ জব্দ করে কোস্ট গার্ড।
যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় প্রায় ১ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। জব্দকৃত ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা,মাদরাসা,গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দিনগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন। এর আগে,মঙ্গলবার (১২ মে) দিনগত রাতে উপজেলা শহরের পানপট্টি সংলগ্ন এলাকায় ৩টি ট্রাক থেকে এসব অবৈধ ইলিশ জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন,সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন,উৎপাদন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা ও মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ভোলা সদর উপজেলার পানপট্টি বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক ৩টি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,“পরবর্তীতে জব্দকৃত মাছ ভোলা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে স্থানীয় এতিমখানা, মাদ্রাসা, গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।”

১৩ মে, ২০২৬ ১৮:৩৯
ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ভোলার তজুমদ্দিনে ইলিশ অভয়াশ্রম এলাকার জেলেদের মাঝে বিনামূল্যে খাদ্য সহায়তার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে মশুরডাল ৮কেজি, সয়াবিল তেল ১০লিটার, লবন ৪কেজি, চিনি কেজি, আটা ১২কেজি, আলু ১৬ কেজি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
মাছ ধরা নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের কষ্ট লাঘবে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। জেলেরা সরকারের নির্দেশনা মেনে চললে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, অভয়াশ্রম রক্ষা ও অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ, এটি সংরক্ষণে জেলে ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) তজুমদ্দিন অন্তরা সরকার অদ্রি, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন, ভোলা জেলা সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান শুভ, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু প্রমুখ।
সহায়তা পাওয়া জেলেরা সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, খাদ্য সহায়তা ঈদের আগমুহুর্তে দেয়ায় তাদের অনেক উপকারে আসবে। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে জেলেদেও মাঝে খাদ্য সহায়তার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। হেলাল উদ্দিন লিটন
ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ভোলার তজুমদ্দিনে ইলিশ অভয়াশ্রম এলাকার জেলেদের মাঝে বিনামূল্যে খাদ্য সহায়তার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে মশুরডাল ৮কেজি, সয়াবিল তেল ১০লিটার, লবন ৪কেজি, চিনি কেজি, আটা ১২কেজি, আলু ১৬ কেজি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
মাছ ধরা নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের কষ্ট লাঘবে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। জেলেরা সরকারের নির্দেশনা মেনে চললে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, অভয়াশ্রম রক্ষা ও অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ, এটি সংরক্ষণে জেলে ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) তজুমদ্দিন অন্তরা সরকার অদ্রি, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন, ভোলা জেলা সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান শুভ, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু প্রমুখ।
সহায়তা পাওয়া জেলেরা সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, খাদ্য সহায়তা ঈদের আগমুহুর্তে দেয়ায় তাদের অনেক উপকারে আসবে। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে জেলেদেও মাঝে খাদ্য সহায়তার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। হেলাল উদ্দিন লিটন

১২ মে, ২০২৬ ১৮:২৭
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নিজেদের বসতঘর থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় সানজিদা (১৩) নামে এক মাদরাসা ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেল আনুমানিক পৌনে ৫টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফরাজি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সানজিদা একই বাড়ির বাসিন্দা দিনমজুর মো.আলাউদ্দিনের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন বলেও জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার বিকেলে নিহতের মা-বাবা কাজের সুবাদে বাড়ির বাহিরে অবস্থান করায় ঘরেই ছিলেন সানজিদা। পরবর্তীতে তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ঘরে ফেরে সানজিদার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তার রুমে গিয়ে দেখেন সে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলে আছে।
এরপর তাদের ডাক চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মরদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু দায়ের হয়েছে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নিজেদের বসতঘর থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় সানজিদা (১৩) নামে এক মাদরাসা ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেল আনুমানিক পৌনে ৫টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফরাজি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সানজিদা একই বাড়ির বাসিন্দা দিনমজুর মো.আলাউদ্দিনের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন বলেও জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার বিকেলে নিহতের মা-বাবা কাজের সুবাদে বাড়ির বাহিরে অবস্থান করায় ঘরেই ছিলেন সানজিদা। পরবর্তীতে তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ঘরে ফেরে সানজিদার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তার রুমে গিয়ে দেখেন সে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলে আছে।
এরপর তাদের ডাক চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মরদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু দায়ের হয়েছে।

১২ মে, ২০২৬ ১২:৫৩
ভোলায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বিক্রির উদ্দেশে ২২ মণ ওজনের ‘কালাচান’ ও ১৮ মণ ওজনের ‘সাদাচান’ নামে দুটি গরু প্রস্তুত করেছেন এক খামারি। যা আশপাশের লোকজনের মধ্যে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চরমনোষা গ্রামের বেপারি বাড়িতে দুলাল বেপারি আসন্ন ঈদকে ঘিরে তার খামারে পরমযত্নে দেশীয় পদ্ধতিতে মোট ১০টি গরু লালন-পালন করছেন। এরমধ্যেই রয়েছে হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের কালাচান ও সাদাচান।
কালাচানের দাম হাঁকাচ্ছেন ৮ লাখ টাকা ও সাদাচানের দাম ৭ লাখ টাকা। প্রতিটি গরুকে ভিন্নভাবে দৈনিক দুই বেলায় খাওয়ানো হয় ৯ কেজি করে ১৮ কেজি দাদানার খাবার। এ ছাড়া, খামারটির ছোট সাইজের আরও সাতটি গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
সরেজমিনে খামারটি ঘুরে দেখা যায়, শেষ মুহূর্তের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি। এতে জড়িত রয়েছেন খামারির স্ত্রী ও ছেলে। এ যেন নিজেদের পরিবারেরই সদস্যে পরিণত হয়েছে গরুগুলো।
খামারি জানান, স্থানীয় মালেরহাট এলাকার একটি খামার থেকে কালাচান ও সাদাচানের মাকে ক্রয় করেন তিনি।
বাচ্চা প্রসবের পর পুনরায় প্রজনন ক্ষমতা হারানোয় হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের সেসব গরু বিক্রি করে বাচ্চা দুটিকে লালন-পালন শুরু করেন। বর্তমানে কালাচান ও সাদাচানের বয়স প্রায় তিন বছর।
খামারি দুলাল বেপারি বলেন, আমি পেশায় একজন গরুর বেপারী, কেনাবেচা করি। আমার খামারের হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের দুটি গাভীর বাচ্চা হচ্ছে কালাচান আর সাদাচান।
গত তিন বছর ধরে দেশীয় পদ্ধতিতে লালন-পালন করতেছি। কালাচানের ওজন প্রায় ২২ মণ আর সাদাচানের ওজন প্রায় ১৮ মণ। কালাচানের দাম নির্ধারণ করেছি ৮ লাখ আর সাদাচানের দাম ৭ লাখ। মোট ১৫ লাখ টাকার কমে গরু দুটি বিক্রি করলে ক্ষতি হবে।
তিনি আরও বলেন, কালাচান আর সাদাচান আমার অনেক শখের গরু। গরুগুলোকে সন্তানের মতো আদর-যত্নে বড় করেছি। প্রতিটি গরুকে সকাল-বিকেল ৯ কেজি করে দানাদার খাবার খাওয়াই, এরমধ্যে রয়েছে ২ কেজি মিস্টি কুমড়া, ১ কেজি আলু, ১ কেজি গরুর ফিড, আড়াই কেজি ভুট্টার ভূসি ও আড়াই কেজি গমের ভূসি। এ ছাড়া, প্রতিদিন দুপুরে ৫ কেজি করে খেতে উৎপাদিত জার্মান ঘাস (নল ঘাস) খাওয়াই।
প্রতি শুক্রবারে ১ কেজি করে আপেল অথবা কমলা খাওয়াই। আসলে গত দেড় বছর ধরে গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, ৫০ কেজির প্রতি বস্তা ভূসির দাম বেড়েছে প্রকারভেদে ২৫০-৪০০ টাকা, এতে বেড়েছে উৎপাদন খরচ।
খামারি দুলাল বেপারি আরও বলেন, আমি গরু দুটির আকাশছোঁয়া দাম নির্ধারণ করেনি, ১৫ লাখ টাকার কমে বিক্রি করলে আমার মূলধন উঠবে না, খরচ হয়েছে বেশি। এর কমে হলে গরুগুলো বিক্রি করবো না, খামারে রেখে আরও একবছর পালবো।
আমার গরুর কোনো ঝুঁকি নেই, কোনো অসৎ উপায়ে গরু মোটাতাজা করিনি। এ ছাড়া, আমার খামারের ১০টি গরুর মধ্যে ৯টি গরু বিক্রি করবো, পরবর্তীতে আবার কিনবো। মূলত গরু পালন করার উদ্দেশ হলো- প্রতিদিন অল্পঅল্প করে বিনিয়োগ করি, পরবর্তীতে গরু বিক্রি করলে একসঙ্গে টাকা পাই। তবে আশা করছি, এ বছর ন্যায্য দামে আমার গরুগুলো বিক্রি করতে পারবো, এতে লাভবান হবো।
খামারির ছেলে মো. আমিন বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে লালন-পালন করতে করতে কালাচান ও সাদাচান আমাদের পরিবারের সদস্যে পরিণত হয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি খামারে গরুর যত্ন নেই। এতবড় গরু, অথচ আমাদের সঙ্গে শিশুর মতো আচরণ করে, গরুগুলো বিক্রির কথা মাথায় আসলে মন খারাপ হয়ে যায়।
ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. সাইফুল আজিজুল ও সালাম বেপারি ঢাকা পোস্টকে বলেন, কালাচান ও সাদাচানের মতো এত বড় গরু আমাদের গ্রামে আর নেই। গরুগুলো দেখতে দূরদূরান্তের মানুষজন আসেন। সময় পেলেই আমরা গরুগুলো দেখতে যাই। আমাদেরও ইচ্ছে আছে দুলাল বেপারির মতো গরুর খামার দেব এবং বড় বড় গরু পালবো।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন বলেন, খামারি দুলাল বেপারি আমাদের সঙ্গে সার্বিক পরামর্শ করে প্রাকৃতিক উপায়ে কালাচান ও সাদাচানকে লালন-পালন করছেন। আশা করছি তিনি কাঙ্খিত দামে গরুগুলো বিক্রি করতে পারবেন এবং তিনি লাভবান হবেন। খামারিরা যেন লাভবান হতে পারেন সেজন্য আমরা তাদেরকে প্রযুক্তিগত অন্যান্য পরামর্শ প্রদান করছি।
ভোলায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বিক্রির উদ্দেশে ২২ মণ ওজনের ‘কালাচান’ ও ১৮ মণ ওজনের ‘সাদাচান’ নামে দুটি গরু প্রস্তুত করেছেন এক খামারি। যা আশপাশের লোকজনের মধ্যে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চরমনোষা গ্রামের বেপারি বাড়িতে দুলাল বেপারি আসন্ন ঈদকে ঘিরে তার খামারে পরমযত্নে দেশীয় পদ্ধতিতে মোট ১০টি গরু লালন-পালন করছেন। এরমধ্যেই রয়েছে হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের কালাচান ও সাদাচান।
কালাচানের দাম হাঁকাচ্ছেন ৮ লাখ টাকা ও সাদাচানের দাম ৭ লাখ টাকা। প্রতিটি গরুকে ভিন্নভাবে দৈনিক দুই বেলায় খাওয়ানো হয় ৯ কেজি করে ১৮ কেজি দাদানার খাবার। এ ছাড়া, খামারটির ছোট সাইজের আরও সাতটি গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
সরেজমিনে খামারটি ঘুরে দেখা যায়, শেষ মুহূর্তের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি। এতে জড়িত রয়েছেন খামারির স্ত্রী ও ছেলে। এ যেন নিজেদের পরিবারেরই সদস্যে পরিণত হয়েছে গরুগুলো।
খামারি জানান, স্থানীয় মালেরহাট এলাকার একটি খামার থেকে কালাচান ও সাদাচানের মাকে ক্রয় করেন তিনি।
বাচ্চা প্রসবের পর পুনরায় প্রজনন ক্ষমতা হারানোয় হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের সেসব গরু বিক্রি করে বাচ্চা দুটিকে লালন-পালন শুরু করেন। বর্তমানে কালাচান ও সাদাচানের বয়স প্রায় তিন বছর।
খামারি দুলাল বেপারি বলেন, আমি পেশায় একজন গরুর বেপারী, কেনাবেচা করি। আমার খামারের হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের দুটি গাভীর বাচ্চা হচ্ছে কালাচান আর সাদাচান।
গত তিন বছর ধরে দেশীয় পদ্ধতিতে লালন-পালন করতেছি। কালাচানের ওজন প্রায় ২২ মণ আর সাদাচানের ওজন প্রায় ১৮ মণ। কালাচানের দাম নির্ধারণ করেছি ৮ লাখ আর সাদাচানের দাম ৭ লাখ। মোট ১৫ লাখ টাকার কমে গরু দুটি বিক্রি করলে ক্ষতি হবে।
তিনি আরও বলেন, কালাচান আর সাদাচান আমার অনেক শখের গরু। গরুগুলোকে সন্তানের মতো আদর-যত্নে বড় করেছি। প্রতিটি গরুকে সকাল-বিকেল ৯ কেজি করে দানাদার খাবার খাওয়াই, এরমধ্যে রয়েছে ২ কেজি মিস্টি কুমড়া, ১ কেজি আলু, ১ কেজি গরুর ফিড, আড়াই কেজি ভুট্টার ভূসি ও আড়াই কেজি গমের ভূসি। এ ছাড়া, প্রতিদিন দুপুরে ৫ কেজি করে খেতে উৎপাদিত জার্মান ঘাস (নল ঘাস) খাওয়াই।
প্রতি শুক্রবারে ১ কেজি করে আপেল অথবা কমলা খাওয়াই। আসলে গত দেড় বছর ধরে গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, ৫০ কেজির প্রতি বস্তা ভূসির দাম বেড়েছে প্রকারভেদে ২৫০-৪০০ টাকা, এতে বেড়েছে উৎপাদন খরচ।
খামারি দুলাল বেপারি আরও বলেন, আমি গরু দুটির আকাশছোঁয়া দাম নির্ধারণ করেনি, ১৫ লাখ টাকার কমে বিক্রি করলে আমার মূলধন উঠবে না, খরচ হয়েছে বেশি। এর কমে হলে গরুগুলো বিক্রি করবো না, খামারে রেখে আরও একবছর পালবো।
আমার গরুর কোনো ঝুঁকি নেই, কোনো অসৎ উপায়ে গরু মোটাতাজা করিনি। এ ছাড়া, আমার খামারের ১০টি গরুর মধ্যে ৯টি গরু বিক্রি করবো, পরবর্তীতে আবার কিনবো। মূলত গরু পালন করার উদ্দেশ হলো- প্রতিদিন অল্পঅল্প করে বিনিয়োগ করি, পরবর্তীতে গরু বিক্রি করলে একসঙ্গে টাকা পাই। তবে আশা করছি, এ বছর ন্যায্য দামে আমার গরুগুলো বিক্রি করতে পারবো, এতে লাভবান হবো।
খামারির ছেলে মো. আমিন বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে লালন-পালন করতে করতে কালাচান ও সাদাচান আমাদের পরিবারের সদস্যে পরিণত হয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি খামারে গরুর যত্ন নেই। এতবড় গরু, অথচ আমাদের সঙ্গে শিশুর মতো আচরণ করে, গরুগুলো বিক্রির কথা মাথায় আসলে মন খারাপ হয়ে যায়।
ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. সাইফুল আজিজুল ও সালাম বেপারি ঢাকা পোস্টকে বলেন, কালাচান ও সাদাচানের মতো এত বড় গরু আমাদের গ্রামে আর নেই। গরুগুলো দেখতে দূরদূরান্তের মানুষজন আসেন। সময় পেলেই আমরা গরুগুলো দেখতে যাই। আমাদেরও ইচ্ছে আছে দুলাল বেপারির মতো গরুর খামার দেব এবং বড় বড় গরু পালবো।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন বলেন, খামারি দুলাল বেপারি আমাদের সঙ্গে সার্বিক পরামর্শ করে প্রাকৃতিক উপায়ে কালাচান ও সাদাচানকে লালন-পালন করছেন। আশা করছি তিনি কাঙ্খিত দামে গরুগুলো বিক্রি করতে পারবেন এবং তিনি লাভবান হবেন। খামারিরা যেন লাভবান হতে পারেন সেজন্য আমরা তাদেরকে প্রযুক্তিগত অন্যান্য পরামর্শ প্রদান করছি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.