
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:২৫
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শেরেবাংলা হলে গভীর রাতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈছাআ) সমন্বয়কসহ দুই আবাসিক শিক্ষার্থীকে হলরুম থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে শারীরিক হেনস্তা, মানসিক নির্যাতন এবং এমনকি হত্যার হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী দুই শিক্ষার্থী সোমবার (১৫ নভেম্বর) পৃথকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর এবং হল প্রভোস্ট বরাবর তিনটি আলাদা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, গত ১২ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা থেকে ১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে শেরেবাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আইন বিভাগের এস. এম. ওয়াহিদুর রহমান এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল বাদশাকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হল থেকে ডেকে ও জোরপূর্বক ধরে নিচে নিয়ে শারীরিক হেনস্তা, মানসিক নির্যাতনসহ হত্যার হুমকি দেয়।
বৈছাআ সমন্বয়ক এস. এম. ওয়াহিদুর রহমান তার অভিযোগ পত্রে লিখেছেন, তাকে হলের মূল ফটকের সামনে নিয়ে ছাত্রদলের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, আহসান উল্লাহ্, আকিবুর রহমান, সোহানুর রহমান সিফাত, রবিন মিয়াসহ কয়েকজন অজ্ঞাতনামা নেতাকর্মী ঘিরে ধরেন। তার দেহ তল্লাশি করা হয় এবং হলে বৈধভাবে থাকার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ দিয়ে আওয়ামী লীগের আমলে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে হলে থাকার অভিযোগ আনা হয়। পূর্বের একটি ব্যক্তিগত বিরোধের জের ধরে রবিন মিয়া তাকে হত্যার হুমকি দেন এবং ভবিষ্যতে “বাঁচতে দেওয়া হবে না” বলে ভয় দেখান। এ সময় তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ এবং সংঘবদ্ধভাবে মানসিকভাবে হেয় করা হয়।
ফয়সাল বাদশার অভিযোগ পত্রে লিখেছেন, একই রাতে মুক্তমঞ্চে উচ্চশব্দে কনসার্টের প্রতিবাদ করা হলে ফেরার পর রাত ১ টার দিকে তাকে রুমের সামনে থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাকে লুঙ্গি ছাড়া অন্য কোনো পোশাক পরার সুযোগ দেওয়া হয়নি। খালি গায়েই শীতের মধ্যে টেনে-হিঁচড়ে হলের নিচে নেওয়া হয়। তাকে প্রায় এক ঘণ্টা যাবত হলের নিচের বেঞ্চ ও গেস্টরুমে বসিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করা হয়। “অবৈধ শিক্ষার্থী” এবং “শিবির সংশ্লিষ্টতার” অভিযোগ তুলে তাকে জোরপূর্বক ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় যে, তাকে খালি গায়ের ভিডিও ধারণ করে পা ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে।
দুই শিক্ষার্থীই অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, চারুকলা সংসদ আয়োজিত ‘মাঘমল্লার’ অনুষ্ঠানে গভীর রাত পর্যন্ত শব্দদূষণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের ক্ষোভের দায় তাদের ওপর চাপানো হয়। তাদের হুমকি দেওয়া হয় যে ভবিষ্যতে ছাত্রদলের নির্দেশ না মানলে “চরম পরিণতি” ভোগ করতে হবে।
ভুক্তভোগীরা জানান, এই ঘটনার পর তারা চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং হলে স্বাভাবিকভাবে বসবাস ও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন। তারা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতাকর্মী সোহানুর রহমান সিফাত ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, “এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনার তো কোনো প্রাসঙ্গিকতা নাই। হল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছে কিন্তু তারাও তো আমাদের এখনো কিছু জানাননি।”
অপর অভিযুক্ত ববি ছাত্রদল সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “এবিষয়ে আমি প্রথম শুনলাম। এমন কোনো ঘটনার কথা জানি না। আমি কিংবা মিজান কেউ সেখানে ছিলাম না। তবে ছাত্রদলের অন্য কেউ ছিল কিনা সেটা জানি না।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাহাত হোসেন ফয়সাল (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, “এ বিষয়টি আমি শুনেছি। ঘটনার সত্যতা পেলে প্রশাসন এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিবে।”
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শেরেবাংলা হলে গভীর রাতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈছাআ) সমন্বয়কসহ দুই আবাসিক শিক্ষার্থীকে হলরুম থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে শারীরিক হেনস্তা, মানসিক নির্যাতন এবং এমনকি হত্যার হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী দুই শিক্ষার্থী সোমবার (১৫ নভেম্বর) পৃথকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর এবং হল প্রভোস্ট বরাবর তিনটি আলাদা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, গত ১২ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা থেকে ১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে শেরেবাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আইন বিভাগের এস. এম. ওয়াহিদুর রহমান এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল বাদশাকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হল থেকে ডেকে ও জোরপূর্বক ধরে নিচে নিয়ে শারীরিক হেনস্তা, মানসিক নির্যাতনসহ হত্যার হুমকি দেয়।
বৈছাআ সমন্বয়ক এস. এম. ওয়াহিদুর রহমান তার অভিযোগ পত্রে লিখেছেন, তাকে হলের মূল ফটকের সামনে নিয়ে ছাত্রদলের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, আহসান উল্লাহ্, আকিবুর রহমান, সোহানুর রহমান সিফাত, রবিন মিয়াসহ কয়েকজন অজ্ঞাতনামা নেতাকর্মী ঘিরে ধরেন। তার দেহ তল্লাশি করা হয় এবং হলে বৈধভাবে থাকার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ দিয়ে আওয়ামী লীগের আমলে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে হলে থাকার অভিযোগ আনা হয়। পূর্বের একটি ব্যক্তিগত বিরোধের জের ধরে রবিন মিয়া তাকে হত্যার হুমকি দেন এবং ভবিষ্যতে “বাঁচতে দেওয়া হবে না” বলে ভয় দেখান। এ সময় তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ এবং সংঘবদ্ধভাবে মানসিকভাবে হেয় করা হয়।
ফয়সাল বাদশার অভিযোগ পত্রে লিখেছেন, একই রাতে মুক্তমঞ্চে উচ্চশব্দে কনসার্টের প্রতিবাদ করা হলে ফেরার পর রাত ১ টার দিকে তাকে রুমের সামনে থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাকে লুঙ্গি ছাড়া অন্য কোনো পোশাক পরার সুযোগ দেওয়া হয়নি। খালি গায়েই শীতের মধ্যে টেনে-হিঁচড়ে হলের নিচে নেওয়া হয়। তাকে প্রায় এক ঘণ্টা যাবত হলের নিচের বেঞ্চ ও গেস্টরুমে বসিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করা হয়। “অবৈধ শিক্ষার্থী” এবং “শিবির সংশ্লিষ্টতার” অভিযোগ তুলে তাকে জোরপূর্বক ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় যে, তাকে খালি গায়ের ভিডিও ধারণ করে পা ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে।
দুই শিক্ষার্থীই অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, চারুকলা সংসদ আয়োজিত ‘মাঘমল্লার’ অনুষ্ঠানে গভীর রাত পর্যন্ত শব্দদূষণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের ক্ষোভের দায় তাদের ওপর চাপানো হয়। তাদের হুমকি দেওয়া হয় যে ভবিষ্যতে ছাত্রদলের নির্দেশ না মানলে “চরম পরিণতি” ভোগ করতে হবে।
ভুক্তভোগীরা জানান, এই ঘটনার পর তারা চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং হলে স্বাভাবিকভাবে বসবাস ও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন। তারা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতাকর্মী সোহানুর রহমান সিফাত ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, “এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনার তো কোনো প্রাসঙ্গিকতা নাই। হল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছে কিন্তু তারাও তো আমাদের এখনো কিছু জানাননি।”
অপর অভিযুক্ত ববি ছাত্রদল সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “এবিষয়ে আমি প্রথম শুনলাম। এমন কোনো ঘটনার কথা জানি না। আমি কিংবা মিজান কেউ সেখানে ছিলাম না। তবে ছাত্রদলের অন্য কেউ ছিল কিনা সেটা জানি না।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাহাত হোসেন ফয়সাল (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, “এ বিষয়টি আমি শুনেছি। ঘটনার সত্যতা পেলে প্রশাসন এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিবে।”

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ এর একটি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরমোনাই ঘাটে লঞ্চটির ৩২৫ নম্বর কেবিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় কেবিনে কেউ অবস্থান করছিলেন না। আগুন টের পেয়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে কেবিনের ভেতরের মালামাল পুড়ে গেলেও আগুন বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে চরমোনাই ঘাটে একই সময়ে আরও বেশ কয়েকটি বিলাসহুল লঞ্চ নোঙর করা ছিল। যেখানে হাজারো যাত্রী রাত্রিযাপন করছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মাহফিলের নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ এর একটি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরমোনাই ঘাটে লঞ্চটির ৩২৫ নম্বর কেবিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় কেবিনে কেউ অবস্থান করছিলেন না। আগুন টের পেয়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে কেবিনের ভেতরের মালামাল পুড়ে গেলেও আগুন বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে চরমোনাই ঘাটে একই সময়ে আরও বেশ কয়েকটি বিলাসহুল লঞ্চ নোঙর করা ছিল। যেখানে হাজারো যাত্রী রাত্রিযাপন করছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মাহফিলের নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫
বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের উত্তরপাড় ইউনিটির উদ্যোগে এলাকায় যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার প্রবণতা রোধে নেওয়া হয়েছে প্রশংসনীয় সামাজিক উদ্যোগ। স্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপন ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছয়টি নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। বুধবার
পহেলা মে, বাদ জোহর এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ তাওহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ডাস্টবিনগুলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উত্তরপাড় ইউনিটির সদস্যরা—মোঃ রাব্বি সরদার, মোঃ সজিব, শাহাদাত হোসাইন, মাহমুদুল হাসান, মেহেদী মাসুদ মাসুম, নাইম মৃধাসহ আরও অনেকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোঃ নাজমুল হাসান জুয়েল বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও রোগজীবাণু থেকে মানুষকে বাঁচাতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণের অংশ এবং ঈমানী দায়িত্ব। পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা এলাকার আংশিক অংশে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উত্তরপাড় ইউনিটি।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের উত্তরপাড় ইউনিটির উদ্যোগে এলাকায় যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার প্রবণতা রোধে নেওয়া হয়েছে প্রশংসনীয় সামাজিক উদ্যোগ। স্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপন ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছয়টি নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। বুধবার
পহেলা মে, বাদ জোহর এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ তাওহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ডাস্টবিনগুলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উত্তরপাড় ইউনিটির সদস্যরা—মোঃ রাব্বি সরদার, মোঃ সজিব, শাহাদাত হোসাইন, মাহমুদুল হাসান, মেহেদী মাসুদ মাসুম, নাইম মৃধাসহ আরও অনেকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোঃ নাজমুল হাসান জুয়েল বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও রোগজীবাণু থেকে মানুষকে বাঁচাতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণের অংশ এবং ঈমানী দায়িত্ব। পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা এলাকার আংশিক অংশে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উত্তরপাড় ইউনিটি।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫০
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ্যডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন মহানগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করনে গণমাধ্যম কর্মীদর সহযোগিতা চেয়েছেন।
সবার সহযোগীতা নিয়ে ঐতিহ্যবাহী একটি জনবান্ধব নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে সম্ভব সবকিছু করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে, নগর ভবনকে দুর্নীতির রাহু গ্রাস থেকে মুক্ত করতে সম্ভব সব কিছু করার কথাও জানান নগর প্রশাসক।
বুধবার (১ মার্চ) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বরিশালের প্রথম নারী প্রশাসক শিরিন জানান, নগরবাসীর স্বার্থে তার এ স্বল্পতম কর্মকালে তিনি সব কিছু করার চেষ্টা করে যাবেন। এক্ষেত্রে তিনি নগরবাসীর পাশাপাশি গণমাধ্যমের সহযোগীতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
নগর প্রশাসক নগরীর বিভিন্ন সমস্যাসমুহ সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি নিজের অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানান। নগর প্রশাসক বরিশাল প্রেসক্লাবে তার অতীত স্মৃতির কথা উল্লেখ করে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সম্ভব সবকিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ্যডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন মহানগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করনে গণমাধ্যম কর্মীদর সহযোগিতা চেয়েছেন।
সবার সহযোগীতা নিয়ে ঐতিহ্যবাহী একটি জনবান্ধব নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে সম্ভব সবকিছু করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে, নগর ভবনকে দুর্নীতির রাহু গ্রাস থেকে মুক্ত করতে সম্ভব সব কিছু করার কথাও জানান নগর প্রশাসক।
বুধবার (১ মার্চ) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বরিশালের প্রথম নারী প্রশাসক শিরিন জানান, নগরবাসীর স্বার্থে তার এ স্বল্পতম কর্মকালে তিনি সব কিছু করার চেষ্টা করে যাবেন। এক্ষেত্রে তিনি নগরবাসীর পাশাপাশি গণমাধ্যমের সহযোগীতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
নগর প্রশাসক নগরীর বিভিন্ন সমস্যাসমুহ সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি নিজের অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানান। নগর প্রশাসক বরিশাল প্রেসক্লাবে তার অতীত স্মৃতির কথা উল্লেখ করে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সম্ভব সবকিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:১৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২