
০৩ মার্চ, ২০২৬ ২২:৩৯
বরিশাল বিভাগের পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে বিয়ের অভিনয়ে ইউসুফ আলী (৪৮) নামে এক সৌদি প্রবাসীর অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দুই সন্তানের জননী হাসিবা আক্তার (৩০) নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। প্রবাসী ইউসুফ আলী নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সানারপাড় ইউনিয়নের নয়াআটি-রসুলবাগ এলাকার ফরিদ মিয়ার ছেলে। হাসিবা আক্তার ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া গ্রামের রুহুল আমিন খানের মেয়ে।
ভুক্তভোগী প্রবাসীর অভিযোগ, সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় মোবাইলফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে হাসিবার সঙ্গে। সেই সুবাদে দীর্ঘ ৭/৮ বছর সম্পর্ক চলে তাদের। ওই সময় ভিডিও কলের মাধ্যমে ২০২৪ সালের মে মাসের ২৬ তারিখে তাদের বিয়ে হয়। পরে প্রবাস থেকে দেশে এসে বালিপাড়া গ্রামের পার্শ্ববর্তী পশ্চিম বালিপাড়া এলাকায় হাসিবার দুলাভাইয়ের বাসায় দুলাভাই মাসুম বয়াতিকে স্বাক্ষী রেখে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ১৭ তারিখে পুনরায় তারা কাজীর মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে করেন। তখন ৭ ভরি স্বর্ণালংকার উপহার হিসেবে হাসিবাকে দেন ইউসুফ।
সরেজমিন জানা যায়, পূর্বে হাসিবা আক্তারের পশ্চিম বালিপাড়া গ্রামের শাহ আলী ফরাজির ছেলে রুহুল আমিন ফরাজির (৪০) সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। সেখানে তাদের একটি মেয়ে এবং একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। পরে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখে হাসিবা তার পূর্বের স্বামী রুহুলকে তালাক দেন। এরপর ইউসুফকে তালাক দিয়ে একই বছরের অক্টোবর মাসের ২২ তারিখে পূর্বের স্বামী রুহুল আমিন এর কাছে ফিরে যান। এ ঘটনায় পরিবারের একেক সদস্য দিচ্ছেন ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য।
দুলাভাই মাসুম বয়াতি বলেন, আমার শালিকা হাসিবা ভাই হিসেবে ইউসুফকে আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। সেই হিসেবে আমার বাড়ি বেড়াতে এসেছিল ইউসুফ। তখন আমার শ্বশুর, শাশুড়ি এবং শ্যালক বাসার ও আমিনুলও বেড়াতে এসেছিল। বিয়েতে স্বাক্ষীর বিষয়ে তিনি বলেন- আমাকে হাসিবা ও ইউসুফ বলেছে- ইউসুফ প্রবাসে থাকা অবস্থায় ফোনে বিয়ে হয়েছে। তার জন্য আমি কাজীর ফোন নম্বর ওদের দিই। ওরা কাজীকে কল দিলে তিনি আমার বাড়িতে এসে হাসিবা ও ইউসুফের বিয়ে পড়িয়ে যান। এ বিয়েতে আমি স্বাক্ষী ছিলাম।
হাসিবার ভাই আমিনুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি।
ওই নারীর বর্তমান স্বামী রুহুল আমিন বলেন, আমার স্ত্রীর দুলাভাই, শ্বশুর, শাশুড়ি এবং স্ত্রীর বড় ভাই টাকার লোভে পড়ে এ কাজ করেছে। আমি আমার আগের স্ত্রীকে আবারও গ্রাম্য শুরা দিয়ে বিয়ে করেছি।
অভিযুক্ত হাসিবা বলেন, বিয়ে করলে কি ডিভোর্স দেওয়া যাবে না? আমার বিভিন্ন ছবি ছড়িয়ে দিয়েছে তাই ইউসুফের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছি। যা বলার আদালতে বলব।
হাসিবার বাবার বাড়িতে সাংবাদিকরা গেলে পরিবারের লোকজনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, হাসিবার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই।
ভুক্তভোগী ইউসুফ আলী জানান, বিয়ের কিছুদিন পর আমার কাছে নগদ ১০ লাখ টাকা দাবি করে হাসিবা। আমি কিছুদিন সময় চাইলে সে উত্তেজিত হয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে এবং আমার সাথে সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আমি তখন বুঝতে পারি যে হানিট্রাপে পড়েছি। দুই সন্তানের জননী হাসিবা আক্তার আমার সঙ্গে বিয়ের অভিনয় করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার দাবি করছি।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা বলেন- এ ধরনের কর্মকাণ্ডে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ভুক্তভোগী ওই প্রবাসী ইউসুফ আলী হাসিবাকে বৈধ স্ত্রী দাবি করে পুনরায় সংসারে ফিরে পেতে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছে বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
বরিশাল বিভাগের পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে বিয়ের অভিনয়ে ইউসুফ আলী (৪৮) নামে এক সৌদি প্রবাসীর অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দুই সন্তানের জননী হাসিবা আক্তার (৩০) নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। প্রবাসী ইউসুফ আলী নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সানারপাড় ইউনিয়নের নয়াআটি-রসুলবাগ এলাকার ফরিদ মিয়ার ছেলে। হাসিবা আক্তার ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া গ্রামের রুহুল আমিন খানের মেয়ে।
ভুক্তভোগী প্রবাসীর অভিযোগ, সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় মোবাইলফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে হাসিবার সঙ্গে। সেই সুবাদে দীর্ঘ ৭/৮ বছর সম্পর্ক চলে তাদের। ওই সময় ভিডিও কলের মাধ্যমে ২০২৪ সালের মে মাসের ২৬ তারিখে তাদের বিয়ে হয়। পরে প্রবাস থেকে দেশে এসে বালিপাড়া গ্রামের পার্শ্ববর্তী পশ্চিম বালিপাড়া এলাকায় হাসিবার দুলাভাইয়ের বাসায় দুলাভাই মাসুম বয়াতিকে স্বাক্ষী রেখে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ১৭ তারিখে পুনরায় তারা কাজীর মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে করেন। তখন ৭ ভরি স্বর্ণালংকার উপহার হিসেবে হাসিবাকে দেন ইউসুফ।
সরেজমিন জানা যায়, পূর্বে হাসিবা আক্তারের পশ্চিম বালিপাড়া গ্রামের শাহ আলী ফরাজির ছেলে রুহুল আমিন ফরাজির (৪০) সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। সেখানে তাদের একটি মেয়ে এবং একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। পরে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখে হাসিবা তার পূর্বের স্বামী রুহুলকে তালাক দেন। এরপর ইউসুফকে তালাক দিয়ে একই বছরের অক্টোবর মাসের ২২ তারিখে পূর্বের স্বামী রুহুল আমিন এর কাছে ফিরে যান। এ ঘটনায় পরিবারের একেক সদস্য দিচ্ছেন ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য।
দুলাভাই মাসুম বয়াতি বলেন, আমার শালিকা হাসিবা ভাই হিসেবে ইউসুফকে আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। সেই হিসেবে আমার বাড়ি বেড়াতে এসেছিল ইউসুফ। তখন আমার শ্বশুর, শাশুড়ি এবং শ্যালক বাসার ও আমিনুলও বেড়াতে এসেছিল। বিয়েতে স্বাক্ষীর বিষয়ে তিনি বলেন- আমাকে হাসিবা ও ইউসুফ বলেছে- ইউসুফ প্রবাসে থাকা অবস্থায় ফোনে বিয়ে হয়েছে। তার জন্য আমি কাজীর ফোন নম্বর ওদের দিই। ওরা কাজীকে কল দিলে তিনি আমার বাড়িতে এসে হাসিবা ও ইউসুফের বিয়ে পড়িয়ে যান। এ বিয়েতে আমি স্বাক্ষী ছিলাম।
হাসিবার ভাই আমিনুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি।
ওই নারীর বর্তমান স্বামী রুহুল আমিন বলেন, আমার স্ত্রীর দুলাভাই, শ্বশুর, শাশুড়ি এবং স্ত্রীর বড় ভাই টাকার লোভে পড়ে এ কাজ করেছে। আমি আমার আগের স্ত্রীকে আবারও গ্রাম্য শুরা দিয়ে বিয়ে করেছি।
অভিযুক্ত হাসিবা বলেন, বিয়ে করলে কি ডিভোর্স দেওয়া যাবে না? আমার বিভিন্ন ছবি ছড়িয়ে দিয়েছে তাই ইউসুফের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছি। যা বলার আদালতে বলব।
হাসিবার বাবার বাড়িতে সাংবাদিকরা গেলে পরিবারের লোকজনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, হাসিবার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই।
ভুক্তভোগী ইউসুফ আলী জানান, বিয়ের কিছুদিন পর আমার কাছে নগদ ১০ লাখ টাকা দাবি করে হাসিবা। আমি কিছুদিন সময় চাইলে সে উত্তেজিত হয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে এবং আমার সাথে সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আমি তখন বুঝতে পারি যে হানিট্রাপে পড়েছি। দুই সন্তানের জননী হাসিবা আক্তার আমার সঙ্গে বিয়ের অভিনয় করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার দাবি করছি।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা বলেন- এ ধরনের কর্মকাণ্ডে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ভুক্তভোগী ওই প্রবাসী ইউসুফ আলী হাসিবাকে বৈধ স্ত্রী দাবি করে পুনরায় সংসারে ফিরে পেতে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছে বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
বরিশাল টাইমস
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৬
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩

৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৬
বরিশালের বাবুগঞ্জে ইনক্লুসিভ আই হেলথ (IEH) প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিনামূল্যে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) উদ্যোগে সোমবার (২৯ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ওই অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা।
সভায় অতিথিদের মধ্যে মতবিনিময় ও আলোচনায় অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এ.কে.এম মনিরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়েদা আক্তার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসিমা বেগম, জাতীয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সংস্থার বরিশাল জেলা শাখার পরিচালক মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক আরতি রাণী, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহফুজুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মহসিন উদ্দিন শামীম প্রমুখ।
অবহিতকরণ সভায় ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) প্রজেক্ট ম্যানেজার নূর আল সিদ্দিকুর খান। ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন কোডেকের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার আতিকুর রহমান। এসময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রতিবন্ধী সংগঠনের প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত অংশীজনরা প্রকল্পের উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন কৌশল এবং প্রত্যাশিত ও সম্ভাব্য ইতিবাচক ফলাফলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসাথে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও চোখের সমস্যা দূরীকরণে বিদ্যালয়ভিত্তিক চক্ষু পরীক্ষা কর্মসূচি, কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সহজপ্রাপ্য ও টেকসই চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপস্থিত সকলে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাপতির সমাপনী বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'বাবুগঞ্জ একটি ইতিবাচক জায়গা। দূর থেকে যে যা-ই বলুক, আমার এখানে কাজ করতে এসে এমনটাই মনে হয়েছে। কোডেক বাবুগঞ্জের প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রজেক্ট সফল হোক। আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে একটি সুন্দর মডেল বাবুগঞ্জ উপজেলা গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য সকলের সদিচ্ছা এবং আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জে ইনক্লুসিভ আই হেলথ (IEH) প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিনামূল্যে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) উদ্যোগে সোমবার (২৯ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ওই অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা।
সভায় অতিথিদের মধ্যে মতবিনিময় ও আলোচনায় অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এ.কে.এম মনিরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়েদা আক্তার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসিমা বেগম, জাতীয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সংস্থার বরিশাল জেলা শাখার পরিচালক মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক আরতি রাণী, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহফুজুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মহসিন উদ্দিন শামীম প্রমুখ।
অবহিতকরণ সভায় ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) প্রজেক্ট ম্যানেজার নূর আল সিদ্দিকুর খান। ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন কোডেকের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার আতিকুর রহমান। এসময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রতিবন্ধী সংগঠনের প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত অংশীজনরা প্রকল্পের উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন কৌশল এবং প্রত্যাশিত ও সম্ভাব্য ইতিবাচক ফলাফলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসাথে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও চোখের সমস্যা দূরীকরণে বিদ্যালয়ভিত্তিক চক্ষু পরীক্ষা কর্মসূচি, কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সহজপ্রাপ্য ও টেকসই চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপস্থিত সকলে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাপতির সমাপনী বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'বাবুগঞ্জ একটি ইতিবাচক জায়গা। দূর থেকে যে যা-ই বলুক, আমার এখানে কাজ করতে এসে এমনটাই মনে হয়েছে। কোডেক বাবুগঞ্জের প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রজেক্ট সফল হোক। আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে একটি সুন্দর মডেল বাবুগঞ্জ উপজেলা গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য সকলের সদিচ্ছা এবং আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।' #

২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। রোববার (২৯ জুন) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে কাউনিয়া থানার দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক ব্যক্তি মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫)। তিনি কাউনিয়া থানাধীন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর (মামুন মিয়ার ঘের সংলগ্ন) এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় একাধিক মাদক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় রাসেল হাওলাদার ও তার সহযোগী আখি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছেন। তথ্যের সত্যতা যাচাই শেষে কাউনিয়া থানার একটি চৌকস দল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে রাসেলকে আটক করে তার হেফাজত থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় সহযোগী আখি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজীত চন্দ্র নাথ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে। পলাতক আসামি আখিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আটক ও পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে কাউনিয়া থানার অভিযান চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। রোববার (২৯ জুন) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে কাউনিয়া থানার দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক ব্যক্তি মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫)। তিনি কাউনিয়া থানাধীন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর (মামুন মিয়ার ঘের সংলগ্ন) এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় একাধিক মাদক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় রাসেল হাওলাদার ও তার সহযোগী আখি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছেন। তথ্যের সত্যতা যাচাই শেষে কাউনিয়া থানার একটি চৌকস দল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে রাসেলকে আটক করে তার হেফাজত থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় সহযোগী আখি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজীত চন্দ্র নাথ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে। পলাতক আসামি আখিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আটক ও পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে কাউনিয়া থানার অভিযান চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.