Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ মে, ২০২৬ ২০:৫৪
বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের সীমাহীন দুর্নীতি ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার অভিযোগে নিজ কার্যালয়ের প্রায় এক ডজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনত্র ও বিভিন্ন শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৬ কর্মচারীকে বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় বদলি করা হয়। এর আগে তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার আশংকায় শুরুতেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৫ কর্মকর্তাকে অনত্র বদলি করে দেন জেলা প্রশাসক। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অস্তিরতা ও বদলি আতংক বিরাজ করছে।
ঈদের ৫/৬ কর্মদিবসের আগে এমন বদলিকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের হিজলা-মুলাদী ও মেহেন্দিগঞ্জ- এ তিনটি উপজেলায় অতিরিক্ত অস্থায়ী ভোট কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ ভোটকেন্দ্র দেখিয়ে ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে।
শুধু অতিরিক্ত কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ কেন্দ্র দেখিয়েই টাকা আত্মসাৎ করা নয়, রিটার্নিং অফিসারের কন্ট্রোল রুম, ফলাফল সংগ্রহ, পরিবেশন, রিটার্নিং অফিসার ও তার দপ্তর, নির্বাচন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত পর্যবেক্ষক টিমসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত ১৪ লক্ষাধিক টাকার কানাকড়িও খরচ করেননি বলেও অভিযোগ উঠে ।
এছাড়া বিভিন্ন খাতে এসব খাতে বরাদ্দকৃত টাকার ভুয়া বিল-ভাউচার করে নিজেই তা আত্মসাৎ করেছেন- এমন আলোচনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়জুড়েই।
একইভাবে বরিশাল সদর উপজেলাসহ ১০টি উপজেলায় নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আপ্যায়ন বাবদ বিপুল অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে গত ৭ মে বৃহস্পতিবার আমার দেশ-এ জেলা প্রশাসকের অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরপরই বরিশালসহ সর্বত্র ব্যাপক আলোড়ন শুরু হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার সন্দেহে শুরুতেই নির্বাচনকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার হালদারকে সাধারণ শাখা থেকে সরিয়ে জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখায় বদলি করা হয়।
এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুজি কান্ত হাজংকে মানবসম্পদ ও উন্নয়ন শাখায় বদলি করেন। পথের কাঁটা সরাতে সম্প্রতি তাকে জোর করে নৌপরিবহন মন্ত্রাণালয়ে বদলি করতে ভূমিকা রাখেন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম ।
এছাড়া সহকারী কমিশনার হাসিবুল আজমকে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনে বদলি করা হয়েছে । এডিসি জেনারেল সুফল চন্দ্র গোলদারকে ওএসডি করে মানব সম্পদ শাখায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করেন। পরে তাকে রেল মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া এনডিসি আশ্রাফুল ইসলামকে তাকে সরিয়ে দিয়ে ৫ মাসের ট্রেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট সাকলাইনকে এনডিসি থেকে সরিয়ে একটি শাখায় বদলি করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটকে কম গুরুত্বপূর্ণ শাখায় সরিয়ে জুনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটদের গুরুত্বপূর্ণ শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ গতকাল অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মাহফুজুর রহমান খানকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসেবে, খাদিজা বেগমকে আইসিটি শাখায়, আনিছুর রহমানকে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে, মহিউদ্দীন খানকে নেজারত শাখায়, সার্টিফিকেট সহকারী সুবেকা সাদেকীনকে বাবুগঞ্জে এবং হিসাব সহকারী শফিকুল ইসলামকে বাকেরগঞ্জ বদলি করা হয়েছে।
আসন্ন ঈদের ৫/৬ কর্ম দিবসের আগে এমন বদলীকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন বদলি হওয়া কর্মচারীরা। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তারা।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ বলেন, বদলির বিষয়টি আমার জানা নেই।
বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের সীমাহীন দুর্নীতি ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার অভিযোগে নিজ কার্যালয়ের প্রায় এক ডজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনত্র ও বিভিন্ন শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৬ কর্মচারীকে বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় বদলি করা হয়। এর আগে তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার আশংকায় শুরুতেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৫ কর্মকর্তাকে অনত্র বদলি করে দেন জেলা প্রশাসক। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অস্তিরতা ও বদলি আতংক বিরাজ করছে।
ঈদের ৫/৬ কর্মদিবসের আগে এমন বদলিকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের হিজলা-মুলাদী ও মেহেন্দিগঞ্জ- এ তিনটি উপজেলায় অতিরিক্ত অস্থায়ী ভোট কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ ভোটকেন্দ্র দেখিয়ে ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে।
শুধু অতিরিক্ত কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ কেন্দ্র দেখিয়েই টাকা আত্মসাৎ করা নয়, রিটার্নিং অফিসারের কন্ট্রোল রুম, ফলাফল সংগ্রহ, পরিবেশন, রিটার্নিং অফিসার ও তার দপ্তর, নির্বাচন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত পর্যবেক্ষক টিমসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত ১৪ লক্ষাধিক টাকার কানাকড়িও খরচ করেননি বলেও অভিযোগ উঠে ।
এছাড়া বিভিন্ন খাতে এসব খাতে বরাদ্দকৃত টাকার ভুয়া বিল-ভাউচার করে নিজেই তা আত্মসাৎ করেছেন- এমন আলোচনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়জুড়েই।
একইভাবে বরিশাল সদর উপজেলাসহ ১০টি উপজেলায় নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আপ্যায়ন বাবদ বিপুল অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে গত ৭ মে বৃহস্পতিবার আমার দেশ-এ জেলা প্রশাসকের অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরপরই বরিশালসহ সর্বত্র ব্যাপক আলোড়ন শুরু হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার সন্দেহে শুরুতেই নির্বাচনকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার হালদারকে সাধারণ শাখা থেকে সরিয়ে জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখায় বদলি করা হয়।
এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুজি কান্ত হাজংকে মানবসম্পদ ও উন্নয়ন শাখায় বদলি করেন। পথের কাঁটা সরাতে সম্প্রতি তাকে জোর করে নৌপরিবহন মন্ত্রাণালয়ে বদলি করতে ভূমিকা রাখেন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম ।
এছাড়া সহকারী কমিশনার হাসিবুল আজমকে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনে বদলি করা হয়েছে । এডিসি জেনারেল সুফল চন্দ্র গোলদারকে ওএসডি করে মানব সম্পদ শাখায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করেন। পরে তাকে রেল মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া এনডিসি আশ্রাফুল ইসলামকে তাকে সরিয়ে দিয়ে ৫ মাসের ট্রেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট সাকলাইনকে এনডিসি থেকে সরিয়ে একটি শাখায় বদলি করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটকে কম গুরুত্বপূর্ণ শাখায় সরিয়ে জুনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটদের গুরুত্বপূর্ণ শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ গতকাল অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মাহফুজুর রহমান খানকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসেবে, খাদিজা বেগমকে আইসিটি শাখায়, আনিছুর রহমানকে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে, মহিউদ্দীন খানকে নেজারত শাখায়, সার্টিফিকেট সহকারী সুবেকা সাদেকীনকে বাবুগঞ্জে এবং হিসাব সহকারী শফিকুল ইসলামকে বাকেরগঞ্জ বদলি করা হয়েছে।
আসন্ন ঈদের ৫/৬ কর্ম দিবসের আগে এমন বদলীকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন বদলি হওয়া কর্মচারীরা। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তারা।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ বলেন, বদলির বিষয়টি আমার জানা নেই।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২
১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:১৮