Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:২৪
রাজশাহীর তানোরে ভুয়া প্রতিবন্ধী সাজিয়ে বাবা-মা ও স্ত্রীকে কার্ড দিয়ে ভাতা তোলার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে।
উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের আট নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সময় এটি করেছেন। প্রতিবন্ধী কার্ড গ্রহণকারী জাহাঙ্গীরের স্ত্রী পলিয়ারাও একই ইউপির সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য।
অভিযোগ উঠেছে, এই দম্পতি শুধু নিজের পরিবারের সদস্য নয়, সুস্থ ও স্বাভাবিক ৩৫ জন নারী-পুরুষকে প্রতিবন্ধী কার্ড প্রদানে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। প্রকৃত দুস্থ এবং অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের বঞ্চিত করে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে হাতিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা।
এ ঘটনায় আট নম্বর ওয়ার্ডের শিবরামপুর এলাকার বাসিন্দা সাদিউর রহমান ভুয়া প্রতিবন্ধী সনদ বাতিল এবং জড়িত দম্পতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সমাজসেবা অধিদপ্তর তদন্ত শুরু করেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, ইতোমধ্যে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতাও মিলেছে। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই ইউপি সদস্য দম্পতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর তার বাবা নুরুল ইসলাম, মা জাহানারা বেগম এবং স্ত্রী পলিয়ারাকে দৃষ্টি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী সাজিয়ে ভুয়া সনদ তৈরি করেছেন। অথচ তারা তিনজনই শারীরিকভাবে সুস্থ।
এ ছাড়া অভিযোগে এই তিনজনসহ আরও ১৪ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে। অজ্ঞাত হিসাবে রয়েছেন আরও ১০ থেকে ১৫ জন। তারা সবাই জাহাঙ্গীর আলমের আট নম্বর ওয়ার্ড শিবরামপুর এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, যাদের প্রতিবন্ধী কার্ড দেওয়া হয়েছে, তারা কেউ শারীরিক এবং মানসিক প্রতিবন্ধী নয়। ভুয়া তথ্য দিয়ে সমাজসেবা অফিস থেকে প্রতিবন্ধী কার্ড নিয়েছেন। এরপর তারা সরকার প্রদত্ত প্রতিবন্ধী ভাতা এবং সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন।
এ ঘটনার সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম এবং তার স্ত্রী (৭, ৮ ও ৯) নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী সদস্য পলিয়ারা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। এই অনৈতিক কাজের জন্য এ দম্পতি প্রত্যেকের কাছ থেকে সাত থেকে নয় হাজার টাকা গ্রহণ করেছেন।
এদিকে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমকে শিবরামপুরের সুশীল নামে শারীরিক এক প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেওয়ার জন্য চার হাজার টাকা দেন। তবে তাকে কার্ড দেননি জাহাঙ্গীর। এ ধরনের প্রতারণার একটি ভিডিও দেখা গেছে। ভিডিওতে ওই আদিবাসী প্রতিবন্ধী তার সঙ্গে প্রতারণার বর্ণনা দিয়েছেন। তবে, পরে তার টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জাহাঙ্গীর মেম্বার দাবি করেছেন।
অভিযোগকারী সাদিউর রহমান বলেন, ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর বাধাইড় ইউনিয়ন কৃষক লীগের নেতা। আওয়ামী লীগ এবং যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচির অসংখ্য ছবি এবং ভিডিও রয়েছে। দলীয় দাপটেই তিনি স্ত্রী এবং বাবা-মাকে অনিয়মের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী কার্ড করে দিয়েছেন।
সচ্ছল ব্যক্তিদের কাছ থেকেও টাকা নিয়ে কার্ড দিয়ে দরিদ্র অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের বঞ্চিত করেছেন। এ ছাড়া তার স্ত্রী পলিয়ারা সাত নম্বর ওয়ার্ডের জুমারপাড়া এলাকার একটি পরিবারের চার সদস্যকে প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেওয়ার নামে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে প্রতারণা করেছেন।
অভিযোগ সম্পর্কে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সুশীলের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। আমার মা কয়েকদিন থেকে খুবই অসুস্থ। হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আমার কথা বলার সময় নেই, পরে সাক্ষাতে অভিযোগ সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন বলে গণমাধ্যমকর্মীদের এড়িয়ে যান তিনি। এ ছাড়া তার স্ত্রী পলিয়ারাকে ফোন দেওয়া হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে তানোর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মাদ হোসেন খান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। অভিযোগে যে ১৭ ব্যক্তির নাম উল্লেখ রয়েছে, এর মধ্যে সাতজনের কার্ড আছে। এদের মধ্যে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী এবং বাবা-মা আছেন। বাকি ১০ জনের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সাতজনের ভাতা বন্ধ করে কয়েকদিন আগেই তাদের নোটিশ করেছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, বিষয়টি নিয়ে সমাজসেবা অফিসকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ইউপি সদস্য দম্পতির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজশাহীর তানোরে ভুয়া প্রতিবন্ধী সাজিয়ে বাবা-মা ও স্ত্রীকে কার্ড দিয়ে ভাতা তোলার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে।
উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের আট নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সময় এটি করেছেন। প্রতিবন্ধী কার্ড গ্রহণকারী জাহাঙ্গীরের স্ত্রী পলিয়ারাও একই ইউপির সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য।
অভিযোগ উঠেছে, এই দম্পতি শুধু নিজের পরিবারের সদস্য নয়, সুস্থ ও স্বাভাবিক ৩৫ জন নারী-পুরুষকে প্রতিবন্ধী কার্ড প্রদানে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। প্রকৃত দুস্থ এবং অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের বঞ্চিত করে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে হাতিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা।
এ ঘটনায় আট নম্বর ওয়ার্ডের শিবরামপুর এলাকার বাসিন্দা সাদিউর রহমান ভুয়া প্রতিবন্ধী সনদ বাতিল এবং জড়িত দম্পতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সমাজসেবা অধিদপ্তর তদন্ত শুরু করেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, ইতোমধ্যে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতাও মিলেছে। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই ইউপি সদস্য দম্পতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর তার বাবা নুরুল ইসলাম, মা জাহানারা বেগম এবং স্ত্রী পলিয়ারাকে দৃষ্টি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী সাজিয়ে ভুয়া সনদ তৈরি করেছেন। অথচ তারা তিনজনই শারীরিকভাবে সুস্থ।
এ ছাড়া অভিযোগে এই তিনজনসহ আরও ১৪ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে। অজ্ঞাত হিসাবে রয়েছেন আরও ১০ থেকে ১৫ জন। তারা সবাই জাহাঙ্গীর আলমের আট নম্বর ওয়ার্ড শিবরামপুর এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, যাদের প্রতিবন্ধী কার্ড দেওয়া হয়েছে, তারা কেউ শারীরিক এবং মানসিক প্রতিবন্ধী নয়। ভুয়া তথ্য দিয়ে সমাজসেবা অফিস থেকে প্রতিবন্ধী কার্ড নিয়েছেন। এরপর তারা সরকার প্রদত্ত প্রতিবন্ধী ভাতা এবং সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন।
এ ঘটনার সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম এবং তার স্ত্রী (৭, ৮ ও ৯) নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী সদস্য পলিয়ারা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। এই অনৈতিক কাজের জন্য এ দম্পতি প্রত্যেকের কাছ থেকে সাত থেকে নয় হাজার টাকা গ্রহণ করেছেন।
এদিকে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমকে শিবরামপুরের সুশীল নামে শারীরিক এক প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেওয়ার জন্য চার হাজার টাকা দেন। তবে তাকে কার্ড দেননি জাহাঙ্গীর। এ ধরনের প্রতারণার একটি ভিডিও দেখা গেছে। ভিডিওতে ওই আদিবাসী প্রতিবন্ধী তার সঙ্গে প্রতারণার বর্ণনা দিয়েছেন। তবে, পরে তার টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জাহাঙ্গীর মেম্বার দাবি করেছেন।
অভিযোগকারী সাদিউর রহমান বলেন, ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর বাধাইড় ইউনিয়ন কৃষক লীগের নেতা। আওয়ামী লীগ এবং যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচির অসংখ্য ছবি এবং ভিডিও রয়েছে। দলীয় দাপটেই তিনি স্ত্রী এবং বাবা-মাকে অনিয়মের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী কার্ড করে দিয়েছেন।
সচ্ছল ব্যক্তিদের কাছ থেকেও টাকা নিয়ে কার্ড দিয়ে দরিদ্র অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের বঞ্চিত করেছেন। এ ছাড়া তার স্ত্রী পলিয়ারা সাত নম্বর ওয়ার্ডের জুমারপাড়া এলাকার একটি পরিবারের চার সদস্যকে প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেওয়ার নামে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে প্রতারণা করেছেন।
অভিযোগ সম্পর্কে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সুশীলের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। আমার মা কয়েকদিন থেকে খুবই অসুস্থ। হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আমার কথা বলার সময় নেই, পরে সাক্ষাতে অভিযোগ সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন বলে গণমাধ্যমকর্মীদের এড়িয়ে যান তিনি। এ ছাড়া তার স্ত্রী পলিয়ারাকে ফোন দেওয়া হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে তানোর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মাদ হোসেন খান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। অভিযোগে যে ১৭ ব্যক্তির নাম উল্লেখ রয়েছে, এর মধ্যে সাতজনের কার্ড আছে। এদের মধ্যে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী এবং বাবা-মা আছেন। বাকি ১০ জনের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সাতজনের ভাতা বন্ধ করে কয়েকদিন আগেই তাদের নোটিশ করেছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, বিষয়টি নিয়ে সমাজসেবা অফিসকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ইউপি সদস্য দম্পতির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান আলীর (রা.) মাজারসংলগ্ন দীঘিতে কুমিরের মুখে কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ বলে অবহিত করেছেন তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গায়িকা।
সংশ্লিষ্ট একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে কনকচাঁপা লিখেছেন, কুমির, কুকুর, হায়েনা, বাঘ-সিংহ কেউ না। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ।
পরে স্ট্যাটাসটি দ্রুতই সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ সময় অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থীদের কেউ কেউ ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকলেও অসহায় প্রাণীটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি।
এতে মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারকা থেকে সাধারণ মানুষও। এ ঘটনাটি শুধু একটি প্রাণীর মৃত্যুই নয়; বরং সমাজের মানবিক মূল্যবোধ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন ওঠে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকালে খানজাহান আলী (রা.) মাজারের দক্ষিণ পাশের প্রধান ঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মাজারসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি অসুস্থ কুকুর শিশুসহ কয়েকজনকে কামড় দেয়। পরে স্থানীয়রা লাঠি ছুড়ে কুকুরটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করলে সেটি দৌড়ে মূল ঘাটের দিকে যায়। সেখানে মাজারের নিরাপত্তাপ্রহরী ফোরকানকে আঁচড় দিলে তিনি পা ঝাড়া দেন। এতে কুকুরটি দীঘির পানিতে পড়ে যায়। মুহূর্তেই কুমির এসে কুকুরটিকে ধরে পানির নিচে চলে যায়।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫১
জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে তারা অনশন ভাঙেন। পরে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অনশনরত তিনজনের মধ্যে সাদিক মনোয়ার মুনেম ও সাকিবুর রহমানকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অনশনরত অন্যজন শেখ মুস্তাফিজ ঢামেক থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। এ সময় জুলাইয়ের শহীদ জাবিরের বাবা, শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা, শহীদ সাইদুল ইসলামের বাবা, শহীদ সৈকতের বাবাসহ একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিক মুনেম অনশনে বসেন। পরে সন্ধ্যায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান এবং পরদিন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শেখ মুস্তাফিজ অনশনে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তাদের সঙ্গে দেখা করে অনশন ভাঙার অনুরোধ করলেও তারা অনশন চালিয়ে যান।
অনশনে বসার পর তাদের সঙ্গে পাবনা-১ আসনের এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির, ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের এমপি কামাল হোসেন, শেরপুর-১ আসনের এমপি রাশেদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী প্রমুখ সংহতি জানান।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৩
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে এক কথিত পীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় কথিত পীর শামীম (জাহাঙ্গীর) ও তার অনুসারীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শামীম রেজা (জাহাঙ্গীর) স্থানীয়ভাবে ‘ভণ্ডপীর’ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ধর্মবিরোধী কথাবার্তা বলার অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শামীম রেজার ইসলামবিরোধী বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এলাকাবাসীর ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। স্থানীয়দের দাবি, তিনি প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যও করেছেন, যা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
শনিবার সকালে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগেই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
জানা যায়, ফিলিপনগর গ্রামের মৃত জেছের আলী মাস্টারের ছেলে শামীম রেজা ঢাকায় মাস্টার্স সম্পন্ন করে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে এলাকায় ফিরে এসে একটি আস্তানা গড়ে তোলেন এবং ধীরে ধীরে বিতর্কিত ধর্মীয় কার্যক্রম শুরু করেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২১ সালের মে মাসে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সে সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে তিনি পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ড শুরু করেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা তারা দেখেছেন। ভিডিওটি পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভিডিওটি দেখে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায়।
বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। এমন কর্মকাণ্ড চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এলাকাবাসীর দাবি, সমাজে ধর্মীয় শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান আলীর (রা.) মাজারসংলগ্ন দীঘিতে কুমিরের মুখে কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ বলে অবহিত করেছেন তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গায়িকা।
সংশ্লিষ্ট একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে কনকচাঁপা লিখেছেন, কুমির, কুকুর, হায়েনা, বাঘ-সিংহ কেউ না। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ।
পরে স্ট্যাটাসটি দ্রুতই সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ সময় অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থীদের কেউ কেউ ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকলেও অসহায় প্রাণীটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি।
এতে মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারকা থেকে সাধারণ মানুষও। এ ঘটনাটি শুধু একটি প্রাণীর মৃত্যুই নয়; বরং সমাজের মানবিক মূল্যবোধ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন ওঠে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকালে খানজাহান আলী (রা.) মাজারের দক্ষিণ পাশের প্রধান ঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মাজারসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি অসুস্থ কুকুর শিশুসহ কয়েকজনকে কামড় দেয়। পরে স্থানীয়রা লাঠি ছুড়ে কুকুরটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করলে সেটি দৌড়ে মূল ঘাটের দিকে যায়। সেখানে মাজারের নিরাপত্তাপ্রহরী ফোরকানকে আঁচড় দিলে তিনি পা ঝাড়া দেন। এতে কুকুরটি দীঘির পানিতে পড়ে যায়। মুহূর্তেই কুমির এসে কুকুরটিকে ধরে পানির নিচে চলে যায়।
জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে তারা অনশন ভাঙেন। পরে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অনশনরত তিনজনের মধ্যে সাদিক মনোয়ার মুনেম ও সাকিবুর রহমানকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অনশনরত অন্যজন শেখ মুস্তাফিজ ঢামেক থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। এ সময় জুলাইয়ের শহীদ জাবিরের বাবা, শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা, শহীদ সাইদুল ইসলামের বাবা, শহীদ সৈকতের বাবাসহ একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিক মুনেম অনশনে বসেন। পরে সন্ধ্যায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান এবং পরদিন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শেখ মুস্তাফিজ অনশনে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তাদের সঙ্গে দেখা করে অনশন ভাঙার অনুরোধ করলেও তারা অনশন চালিয়ে যান।
অনশনে বসার পর তাদের সঙ্গে পাবনা-১ আসনের এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির, ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের এমপি কামাল হোসেন, শেরপুর-১ আসনের এমপি রাশেদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী প্রমুখ সংহতি জানান।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে এক কথিত পীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় কথিত পীর শামীম (জাহাঙ্গীর) ও তার অনুসারীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শামীম রেজা (জাহাঙ্গীর) স্থানীয়ভাবে ‘ভণ্ডপীর’ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ধর্মবিরোধী কথাবার্তা বলার অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শামীম রেজার ইসলামবিরোধী বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এলাকাবাসীর ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। স্থানীয়দের দাবি, তিনি প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যও করেছেন, যা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
শনিবার সকালে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগেই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
জানা যায়, ফিলিপনগর গ্রামের মৃত জেছের আলী মাস্টারের ছেলে শামীম রেজা ঢাকায় মাস্টার্স সম্পন্ন করে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে এলাকায় ফিরে এসে একটি আস্তানা গড়ে তোলেন এবং ধীরে ধীরে বিতর্কিত ধর্মীয় কার্যক্রম শুরু করেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২১ সালের মে মাসে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সে সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে তিনি পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ড শুরু করেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা তারা দেখেছেন। ভিডিওটি পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভিডিওটি দেখে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায়।
বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। এমন কর্মকাণ্ড চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এলাকাবাসীর দাবি, সমাজে ধর্মীয় শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৬
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৯