রাজশাহীর তানোরে ভুয়া প্রতিবন্ধী সাজিয়ে বাবা-মা ও স্ত্রীকে কার্ড দিয়ে ভাতা তোলার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে।
উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের আট নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সময় এটি করেছেন। প্রতিবন্ধী কার্ড গ্রহণকারী জাহাঙ্গীরের স্ত্রী পলিয়ারাও একই ইউপির সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য।
অভিযোগ উঠেছে, এই দম্পতি শুধু নিজের পরিবারের সদস্য নয়, সুস্থ ও স্বাভাবিক ৩৫ জন নারী-পুরুষকে প্রতিবন্ধী কার্ড প্রদানে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। প্রকৃত দুস্থ এবং অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের বঞ্চিত করে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে হাতিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা।
এ ঘটনায় আট নম্বর ওয়ার্ডের শিবরামপুর এলাকার বাসিন্দা সাদিউর রহমান ভুয়া প্রতিবন্ধী সনদ বাতিল এবং জড়িত দম্পতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সমাজসেবা অধিদপ্তর তদন্ত শুরু করেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, ইতোমধ্যে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতাও মিলেছে। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই ইউপি সদস্য দম্পতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর তার বাবা নুরুল ইসলাম, মা জাহানারা বেগম এবং স্ত্রী পলিয়ারাকে দৃষ্টি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী সাজিয়ে ভুয়া সনদ তৈরি করেছেন। অথচ তারা তিনজনই শারীরিকভাবে সুস্থ।
এ ছাড়া অভিযোগে এই তিনজনসহ আরও ১৪ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে। অজ্ঞাত হিসাবে রয়েছেন আরও ১০ থেকে ১৫ জন। তারা সবাই জাহাঙ্গীর আলমের আট নম্বর ওয়ার্ড শিবরামপুর এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, যাদের প্রতিবন্ধী কার্ড দেওয়া হয়েছে, তারা কেউ শারীরিক এবং মানসিক প্রতিবন্ধী নয়। ভুয়া তথ্য দিয়ে সমাজসেবা অফিস থেকে প্রতিবন্ধী কার্ড নিয়েছেন। এরপর তারা সরকার প্রদত্ত প্রতিবন্ধী ভাতা এবং সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন।
এ ঘটনার সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম এবং তার স্ত্রী (৭, ৮ ও ৯) নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী সদস্য পলিয়ারা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। এই অনৈতিক কাজের জন্য এ দম্পতি প্রত্যেকের কাছ থেকে সাত থেকে নয় হাজার টাকা গ্রহণ করেছেন।
এদিকে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমকে শিবরামপুরের সুশীল নামে শারীরিক এক প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেওয়ার জন্য চার হাজার টাকা দেন। তবে তাকে কার্ড দেননি জাহাঙ্গীর। এ ধরনের প্রতারণার একটি ভিডিও দেখা গেছে। ভিডিওতে ওই আদিবাসী প্রতিবন্ধী তার সঙ্গে প্রতারণার বর্ণনা দিয়েছেন। তবে, পরে তার টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জাহাঙ্গীর মেম্বার দাবি করেছেন।
অভিযোগকারী সাদিউর রহমান বলেন, ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর বাধাইড় ইউনিয়ন কৃষক লীগের নেতা। আওয়ামী লীগ এবং যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচির অসংখ্য ছবি এবং ভিডিও রয়েছে। দলীয় দাপটেই তিনি স্ত্রী এবং বাবা-মাকে অনিয়মের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী কার্ড করে দিয়েছেন।
সচ্ছল ব্যক্তিদের কাছ থেকেও টাকা নিয়ে কার্ড দিয়ে দরিদ্র অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের বঞ্চিত করেছেন। এ ছাড়া তার স্ত্রী পলিয়ারা সাত নম্বর ওয়ার্ডের জুমারপাড়া এলাকার একটি পরিবারের চার সদস্যকে প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেওয়ার নামে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে প্রতারণা করেছেন।
অভিযোগ সম্পর্কে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সুশীলের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। আমার মা কয়েকদিন থেকে খুবই অসুস্থ। হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আমার কথা বলার সময় নেই, পরে সাক্ষাতে অভিযোগ সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন বলে গণমাধ্যমকর্মীদের এড়িয়ে যান তিনি। এ ছাড়া তার স্ত্রী পলিয়ারাকে ফোন দেওয়া হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে তানোর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মাদ হোসেন খান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। অভিযোগে যে ১৭ ব্যক্তির নাম উল্লেখ রয়েছে, এর মধ্যে সাতজনের কার্ড আছে। এদের মধ্যে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী এবং বাবা-মা আছেন। বাকি ১০ জনের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সাতজনের ভাতা বন্ধ করে কয়েকদিন আগেই তাদের নোটিশ করেছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, বিষয়টি নিয়ে সমাজসেবা অফিসকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ইউপি সদস্য দম্পতির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:১৮
রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তিনি বলেছেন, নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে যেসব এলাকায় ফুটপাত দখল করে রাখা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে সেসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। উচ্ছেদের পর কেউ আবার ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলাকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখল করে চকি-মাচা, দোকানসহ নানা স্থাপনা বসানোর কারণে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নগরবাসীর চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতেই এসব দখল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, সম্প্রতি ডিএনসিসির অন্যতম দখলকবলিত এলাকা ১০ নম্বর থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। এ কাজে স্থানীয় বাসিন্দারা সহযোগিতা করেছেন।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার পর সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১৩ থেকে ২০ বছর ধরে তারা ওইভাবে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারেননি। ফুটপাত উন্মুক্ত হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
শুধু উচ্ছেদ অভিযান নয়, দখলমুক্ত ফুটপাত পুনরায় দখল ঠেকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণ, সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম প্রতিদিন সকাল, দুপুর, বিকেল ও সন্ধ্যায় ফুটপাতগুলো পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি ফুটপাতে কাউকে বসতে না দেওয়ার বিষয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
ফার্মগেটসহ ডিএনসিসির বিভিন্ন এলাকায় এখনও কিছু ফুটপাত দখলে রয়েছে বলে জানান শফিকুল ইসলাম খান। এসব এলাকায় আগেও একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট দখলও সরানো হবে বলে জানান তিনি।
তার ভাষায়, যেখানে ফুটপাত দখলমুক্ত করা প্রয়োজন, সেখানেই প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হবে। নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে এ ক্ষেত্রে কারও অনুমতির প্রয়োজন নেই।
ফুটপাত দখলের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রসঙ্গে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ সিটি কর্পোরেশনই নিয়েছে। নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি বিএনপির একজন কর্মী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজ করছেন।
দীর্ঘদিনের অবৈধ দখল, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ডিএনসিসি প্রশাসক স্পষ্ট করে বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম সাময়িক নয়। পর্যায়ক্রমে নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলবে। উচ্ছেদের পর কেউ পুনরায় ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এ সময় কিছু মহল সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্টদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দলের ভেতরে কিংবা বাইরে কেউ দুষ্কৃতমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার খবর প্রকাশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়াও তুলে ধরতে হবে। এতে নগরবাসীর মধ্যে সচেতনতা বাড়বে।
নগরবাসী সচেতন হয়ে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করলে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং নগরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিএনসিসির অঞ্চল-৫-এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, ডেঙ্গু ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, রেড ক্রিসেন্ট ও বিডি ক্লিনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তিনি বলেছেন, নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে যেসব এলাকায় ফুটপাত দখল করে রাখা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে সেসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। উচ্ছেদের পর কেউ আবার ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলাকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখল করে চকি-মাচা, দোকানসহ নানা স্থাপনা বসানোর কারণে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নগরবাসীর চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতেই এসব দখল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, সম্প্রতি ডিএনসিসির অন্যতম দখলকবলিত এলাকা ১০ নম্বর থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। এ কাজে স্থানীয় বাসিন্দারা সহযোগিতা করেছেন।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার পর সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১৩ থেকে ২০ বছর ধরে তারা ওইভাবে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারেননি। ফুটপাত উন্মুক্ত হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
শুধু উচ্ছেদ অভিযান নয়, দখলমুক্ত ফুটপাত পুনরায় দখল ঠেকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণ, সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম প্রতিদিন সকাল, দুপুর, বিকেল ও সন্ধ্যায় ফুটপাতগুলো পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি ফুটপাতে কাউকে বসতে না দেওয়ার বিষয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
ফার্মগেটসহ ডিএনসিসির বিভিন্ন এলাকায় এখনও কিছু ফুটপাত দখলে রয়েছে বলে জানান শফিকুল ইসলাম খান। এসব এলাকায় আগেও একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট দখলও সরানো হবে বলে জানান তিনি।
তার ভাষায়, যেখানে ফুটপাত দখলমুক্ত করা প্রয়োজন, সেখানেই প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হবে। নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে এ ক্ষেত্রে কারও অনুমতির প্রয়োজন নেই।
ফুটপাত দখলের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রসঙ্গে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ সিটি কর্পোরেশনই নিয়েছে। নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি বিএনপির একজন কর্মী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজ করছেন।
দীর্ঘদিনের অবৈধ দখল, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ডিএনসিসি প্রশাসক স্পষ্ট করে বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম সাময়িক নয়। পর্যায়ক্রমে নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলবে। উচ্ছেদের পর কেউ পুনরায় ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এ সময় কিছু মহল সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্টদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দলের ভেতরে কিংবা বাইরে কেউ দুষ্কৃতমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার খবর প্রকাশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়াও তুলে ধরতে হবে। এতে নগরবাসীর মধ্যে সচেতনতা বাড়বে।
নগরবাসী সচেতন হয়ে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করলে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং নগরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিএনসিসির অঞ্চল-৫-এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, ডেঙ্গু ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, রেড ক্রিসেন্ট ও বিডি ক্লিনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৮
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

০৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:২৪
রাজশাহীর তানোরে ভুয়া প্রতিবন্ধী সাজিয়ে বাবা-মা ও স্ত্রীকে কার্ড দিয়ে ভাতা তোলার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে।
উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের আট নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সময় এটি করেছেন। প্রতিবন্ধী কার্ড গ্রহণকারী জাহাঙ্গীরের স্ত্রী পলিয়ারাও একই ইউপির সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য।
অভিযোগ উঠেছে, এই দম্পতি শুধু নিজের পরিবারের সদস্য নয়, সুস্থ ও স্বাভাবিক ৩৫ জন নারী-পুরুষকে প্রতিবন্ধী কার্ড প্রদানে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। প্রকৃত দুস্থ এবং অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের বঞ্চিত করে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে হাতিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা।
এ ঘটনায় আট নম্বর ওয়ার্ডের শিবরামপুর এলাকার বাসিন্দা সাদিউর রহমান ভুয়া প্রতিবন্ধী সনদ বাতিল এবং জড়িত দম্পতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সমাজসেবা অধিদপ্তর তদন্ত শুরু করেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, ইতোমধ্যে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতাও মিলেছে। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই ইউপি সদস্য দম্পতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর তার বাবা নুরুল ইসলাম, মা জাহানারা বেগম এবং স্ত্রী পলিয়ারাকে দৃষ্টি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী সাজিয়ে ভুয়া সনদ তৈরি করেছেন। অথচ তারা তিনজনই শারীরিকভাবে সুস্থ।
এ ছাড়া অভিযোগে এই তিনজনসহ আরও ১৪ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে। অজ্ঞাত হিসাবে রয়েছেন আরও ১০ থেকে ১৫ জন। তারা সবাই জাহাঙ্গীর আলমের আট নম্বর ওয়ার্ড শিবরামপুর এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, যাদের প্রতিবন্ধী কার্ড দেওয়া হয়েছে, তারা কেউ শারীরিক এবং মানসিক প্রতিবন্ধী নয়। ভুয়া তথ্য দিয়ে সমাজসেবা অফিস থেকে প্রতিবন্ধী কার্ড নিয়েছেন। এরপর তারা সরকার প্রদত্ত প্রতিবন্ধী ভাতা এবং সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন।
এ ঘটনার সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম এবং তার স্ত্রী (৭, ৮ ও ৯) নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী সদস্য পলিয়ারা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। এই অনৈতিক কাজের জন্য এ দম্পতি প্রত্যেকের কাছ থেকে সাত থেকে নয় হাজার টাকা গ্রহণ করেছেন।
এদিকে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমকে শিবরামপুরের সুশীল নামে শারীরিক এক প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেওয়ার জন্য চার হাজার টাকা দেন। তবে তাকে কার্ড দেননি জাহাঙ্গীর। এ ধরনের প্রতারণার একটি ভিডিও দেখা গেছে। ভিডিওতে ওই আদিবাসী প্রতিবন্ধী তার সঙ্গে প্রতারণার বর্ণনা দিয়েছেন। তবে, পরে তার টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জাহাঙ্গীর মেম্বার দাবি করেছেন।
অভিযোগকারী সাদিউর রহমান বলেন, ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর বাধাইড় ইউনিয়ন কৃষক লীগের নেতা। আওয়ামী লীগ এবং যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচির অসংখ্য ছবি এবং ভিডিও রয়েছে। দলীয় দাপটেই তিনি স্ত্রী এবং বাবা-মাকে অনিয়মের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী কার্ড করে দিয়েছেন।
সচ্ছল ব্যক্তিদের কাছ থেকেও টাকা নিয়ে কার্ড দিয়ে দরিদ্র অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের বঞ্চিত করেছেন। এ ছাড়া তার স্ত্রী পলিয়ারা সাত নম্বর ওয়ার্ডের জুমারপাড়া এলাকার একটি পরিবারের চার সদস্যকে প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেওয়ার নামে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে প্রতারণা করেছেন।
অভিযোগ সম্পর্কে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সুশীলের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। আমার মা কয়েকদিন থেকে খুবই অসুস্থ। হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আমার কথা বলার সময় নেই, পরে সাক্ষাতে অভিযোগ সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন বলে গণমাধ্যমকর্মীদের এড়িয়ে যান তিনি। এ ছাড়া তার স্ত্রী পলিয়ারাকে ফোন দেওয়া হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে তানোর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মাদ হোসেন খান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। অভিযোগে যে ১৭ ব্যক্তির নাম উল্লেখ রয়েছে, এর মধ্যে সাতজনের কার্ড আছে। এদের মধ্যে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী এবং বাবা-মা আছেন। বাকি ১০ জনের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সাতজনের ভাতা বন্ধ করে কয়েকদিন আগেই তাদের নোটিশ করেছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, বিষয়টি নিয়ে সমাজসেবা অফিসকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ইউপি সদস্য দম্পতির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:৫২
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১০
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০৩
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২১