
০৬ মে, ২০২৬ ১৬:১৮
পিরোজপুর নেছারাবাদের স্বরূপকাঠি পৌরসভায় বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন পেতে গিয়ে এক বছরের বেশি সময় ধরেও কোনো সমাধান না পেয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে বসেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী। অভিযোগ রয়েছে, ফাইল এগিয়ে নিতে ধাপে ধাপে বিভিন্ন টেবিলে টাকা দেওয়ার পরও মেলেনি কাঙ্ক্ষিত অনুমোদন।
ভুক্তভোগী মোসা. মৌসুমী আক্তারের অভিযোগ, নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর কক্ষ পর্যন্ত একাধিকবার টাকা দিতে হয়েছে তাকে। প্রতিবারই নতুন করে ‘খরচ’ দাবি করা হয়েছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার (৫ মে) অফিসে গিয়ে কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে আবারও ৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ তার। এসময় তিনি অফিসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।
মৌসুমী আক্তার অভিযোগে জানান, প্রবাসে কর্মরত স্বামীর পাঠানো কষ্টার্জিত টাকায় জমি কিনে একটি তিনতলা বাড়ি করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ৫৩ হাজার টাকা খরচ করেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে, অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা টাকা নেওয়ার বিষয়টি আংশিক স্বীকার করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে স্বরূপকাঠি পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মহসিন বলেন, ওই নারী কাজের জন্য আমার কাছে এসেছিল। কাজের ফি বাবদ টাকা চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে কত দিয়েছিল তা মনে নেই।
একটি তিনতলা বাড়ি নির্মাণের জন্য কত টাকা অনুমোদন ফি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওটা আমি বলতে পারব না। অফিসের এসও মামুনের কাছে ফাইল, তিনি বলতে পারবেন।
অভিযুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আমি ওই নারীর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছিলাম। তবে সে টাকা আমি খাইনি। তাকে বরিশাল থেকে প্ল্যান এনে দিয়েছি। বরিশালের কোন সংস্থা বা ইঞ্জিনিয়ার প্ল্যান করেছে জানতে চাইলে তিনি তা বলতে পারেননি। আবার নতুন করে ৫ হাজার টাকা চাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।
স্বরূপকাঠি পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মামুন মিয়া বলেন, আমরা ওই মহিলার এক টাকাও খাইনি। সয়েল টেস্ট, প্ল্যান, সরকারি জমা এবং আবেদনের জন্য নানা খাতে প্রায় ৪৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
সয়েল টেস্ট, প্ল্যান কোন সংস্থা করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই এত কিছুর দরকার কী? বাড়ি অনুমোদনে আবেদন ফি প্রতি স্কয়ার ফুট কত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফাইল না দেখে বলা যাবেনা।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক অমিত দত্ত সাংবাদিকদের জানান, সরকারি ফি ছাড়া কোনো টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুর নেছারাবাদের স্বরূপকাঠি পৌরসভায় বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন পেতে গিয়ে এক বছরের বেশি সময় ধরেও কোনো সমাধান না পেয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে বসেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী। অভিযোগ রয়েছে, ফাইল এগিয়ে নিতে ধাপে ধাপে বিভিন্ন টেবিলে টাকা দেওয়ার পরও মেলেনি কাঙ্ক্ষিত অনুমোদন।
ভুক্তভোগী মোসা. মৌসুমী আক্তারের অভিযোগ, নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর কক্ষ পর্যন্ত একাধিকবার টাকা দিতে হয়েছে তাকে। প্রতিবারই নতুন করে ‘খরচ’ দাবি করা হয়েছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার (৫ মে) অফিসে গিয়ে কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে আবারও ৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ তার। এসময় তিনি অফিসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।
মৌসুমী আক্তার অভিযোগে জানান, প্রবাসে কর্মরত স্বামীর পাঠানো কষ্টার্জিত টাকায় জমি কিনে একটি তিনতলা বাড়ি করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ৫৩ হাজার টাকা খরচ করেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে, অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা টাকা নেওয়ার বিষয়টি আংশিক স্বীকার করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে স্বরূপকাঠি পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মহসিন বলেন, ওই নারী কাজের জন্য আমার কাছে এসেছিল। কাজের ফি বাবদ টাকা চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে কত দিয়েছিল তা মনে নেই।
একটি তিনতলা বাড়ি নির্মাণের জন্য কত টাকা অনুমোদন ফি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওটা আমি বলতে পারব না। অফিসের এসও মামুনের কাছে ফাইল, তিনি বলতে পারবেন।
অভিযুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আমি ওই নারীর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছিলাম। তবে সে টাকা আমি খাইনি। তাকে বরিশাল থেকে প্ল্যান এনে দিয়েছি। বরিশালের কোন সংস্থা বা ইঞ্জিনিয়ার প্ল্যান করেছে জানতে চাইলে তিনি তা বলতে পারেননি। আবার নতুন করে ৫ হাজার টাকা চাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।
স্বরূপকাঠি পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মামুন মিয়া বলেন, আমরা ওই মহিলার এক টাকাও খাইনি। সয়েল টেস্ট, প্ল্যান, সরকারি জমা এবং আবেদনের জন্য নানা খাতে প্রায় ৪৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
সয়েল টেস্ট, প্ল্যান কোন সংস্থা করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই এত কিছুর দরকার কী? বাড়ি অনুমোদনে আবেদন ফি প্রতি স্কয়ার ফুট কত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফাইল না দেখে বলা যাবেনা।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক অমিত দত্ত সাংবাদিকদের জানান, সরকারি ফি ছাড়া কোনো টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৭ জুন, ২০২৬ ১২:৩৬
পিরোজপুরের জিয়ানগরে সুমাইয়া আক্তার (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর অন্তরঙ্গ ছবি ছড়িয়ে পড়ায় বিষপানে মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের চর-গাজীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমাইয়া আক্তার বারইখালী সপ্তগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী এবং চর-গাজীপুর গ্রামের মো. মামুন শেখের মেয়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সুমাইয়ার সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সালমানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্কের কিছু অন্তরঙ্গ ছবি স্থানীয় সিয়াম নামে এক যুবকের মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে সিয়াম ওই ছবিগুলো রিয়াজ নামে আরেক যুবককে দেখায়। পরবর্তীতে রিয়াজ সবাইকে জানিয়ে দেয়। বিষয়টি নিয়ে সিয়াম ও রিয়াজসহ কয়েকজন যুবকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এগুলো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সুমাইয়া ও তার পরিবার সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সুমাইয়ার বাবা তাকে বকাঝকা করেন। এতে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। একপর্যায়ে ঘরে থাকা উকুননাশক ওষুধ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর স্বজনরা তাকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বাবা মো. মামুন শেখ বলেন, মেয়েকে ওই বিষয়টি নিষেধ করার পর সে অভিমান করে বিষাক্ত ওষুধ পান করে।
এ বিষয়ে সিয়াম ও রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহাব্বাত খান জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত করছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের জিয়ানগরে সুমাইয়া আক্তার (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর অন্তরঙ্গ ছবি ছড়িয়ে পড়ায় বিষপানে মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের চর-গাজীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমাইয়া আক্তার বারইখালী সপ্তগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী এবং চর-গাজীপুর গ্রামের মো. মামুন শেখের মেয়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সুমাইয়ার সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সালমানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্কের কিছু অন্তরঙ্গ ছবি স্থানীয় সিয়াম নামে এক যুবকের মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে সিয়াম ওই ছবিগুলো রিয়াজ নামে আরেক যুবককে দেখায়। পরবর্তীতে রিয়াজ সবাইকে জানিয়ে দেয়। বিষয়টি নিয়ে সিয়াম ও রিয়াজসহ কয়েকজন যুবকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এগুলো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সুমাইয়া ও তার পরিবার সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সুমাইয়ার বাবা তাকে বকাঝকা করেন। এতে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। একপর্যায়ে ঘরে থাকা উকুননাশক ওষুধ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর স্বজনরা তাকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বাবা মো. মামুন শেখ বলেন, মেয়েকে ওই বিষয়টি নিষেধ করার পর সে অভিমান করে বিষাক্ত ওষুধ পান করে।
এ বিষয়ে সিয়াম ও রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহাব্বাত খান জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত করছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৬ জুন, ২০২৬ ১২:৩৩
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় আলোচিত পোশাক ব্যবসায়ী আবদুল কাইয়ুম হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। আদালতে নিহতের মা মিনারা বেগম (৫৩) নিজে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, গত ২৪ মে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার মিনারা বেগম আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আবদুল কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। ঘটনার দিন মাদকের টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মা ও ছেলের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে মিনারা বেগম ঘরে থাকা কুড়াল দিয়ে ছেলেকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় কাইয়ুমের মৃত্যু হয়।
নিহতের ব্যবহৃত মানিব্যাগ তল্লাশি করে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনার বিভিন্ন আলামত, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় আলোচিত পোশাক ব্যবসায়ী আবদুল কাইয়ুম হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। আদালতে নিহতের মা মিনারা বেগম (৫৩) নিজে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, গত ২৪ মে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার মিনারা বেগম আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আবদুল কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। ঘটনার দিন মাদকের টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মা ও ছেলের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে মিনারা বেগম ঘরে থাকা কুড়াল দিয়ে ছেলেকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় কাইয়ুমের মৃত্যু হয়।
নিহতের ব্যবহৃত মানিব্যাগ তল্লাশি করে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনার বিভিন্ন আলামত, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:১৮
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় গৃহবধূর পরকীয়া দেখে ফেলায় নমিতা রানী নামে এক বৃদ্ধকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামাল পঞ্চায়েতকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮।
রোববার (১৪ জুন) রাত ৮টার দিকে জেলার ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকানুয়া এলাকার জামাল কাজীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কামাল পঞ্চায়েত জিয়ানগর উপজেলার দক্ষিণ চণ্ডীপুর গ্রামের মৃত আবু পঞ্চায়েতের ছেলে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির মধ্যে থাকা কামাল পঞ্চায়েত গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে আসছিলেন। গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ এর সদস্যরা ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকানু এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সেখানে আত্মগোপনে থাকা নমিতা রানী হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামাল পঞ্চায়েতকে আটক করা হয়।
জিয়ানগর থানার ওসি মো. মোহব্বত খান বলেন, রাত ৯টার দিকে ভান্ডারিয়া উপজেলা থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামালকে র্যাব-৮ সদস্যরা গ্রেপ্তার করেছেন। পরে আসামিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে আসামি কামালকে হত্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
এর আগে গত (২৮ মে) জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কলারন গ্রামের রাধেশ্যাম চন্দ্র পালের স্ত্রী নমিতা রানী পালকে পুত্রবধূ বন্যা রানী পাল ও তার পরকীয়া প্রেমিক কামাল পঞ্চায়েত শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ ঘটনায় পরদিন ২৯ মে নিহতের স্বামী রাধেশ্যাম চন্দ্র জিয়ানগরের ইন্দুরকানী থানায় বাদী হয়ে অভিযুক্ত পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এ সময় ওই গৃহবধূ বন্যা রানী (৩২) ও তার মামা তাপস দেবনাথকে (৪৪) গ্রেপ্তার করে।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যা রানী ও কামাল পঞ্চায়েতের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক থাকায় শাশুড়ি প্রায় সময় বাধা দিত। ঘটনার দিন অন্তরঙ্গ অবস্থায় তাদের দেখে ফেলায় অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ বিচার দাবি জানিয়েছেন।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় গৃহবধূর পরকীয়া দেখে ফেলায় নমিতা রানী নামে এক বৃদ্ধকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামাল পঞ্চায়েতকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮।
রোববার (১৪ জুন) রাত ৮টার দিকে জেলার ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকানুয়া এলাকার জামাল কাজীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কামাল পঞ্চায়েত জিয়ানগর উপজেলার দক্ষিণ চণ্ডীপুর গ্রামের মৃত আবু পঞ্চায়েতের ছেলে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির মধ্যে থাকা কামাল পঞ্চায়েত গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে আসছিলেন। গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ এর সদস্যরা ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকানু এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সেখানে আত্মগোপনে থাকা নমিতা রানী হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামাল পঞ্চায়েতকে আটক করা হয়।
জিয়ানগর থানার ওসি মো. মোহব্বত খান বলেন, রাত ৯টার দিকে ভান্ডারিয়া উপজেলা থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামালকে র্যাব-৮ সদস্যরা গ্রেপ্তার করেছেন। পরে আসামিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে আসামি কামালকে হত্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
এর আগে গত (২৮ মে) জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কলারন গ্রামের রাধেশ্যাম চন্দ্র পালের স্ত্রী নমিতা রানী পালকে পুত্রবধূ বন্যা রানী পাল ও তার পরকীয়া প্রেমিক কামাল পঞ্চায়েত শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ ঘটনায় পরদিন ২৯ মে নিহতের স্বামী রাধেশ্যাম চন্দ্র জিয়ানগরের ইন্দুরকানী থানায় বাদী হয়ে অভিযুক্ত পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এ সময় ওই গৃহবধূ বন্যা রানী (৩২) ও তার মামা তাপস দেবনাথকে (৪৪) গ্রেপ্তার করে।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যা রানী ও কামাল পঞ্চায়েতের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক থাকায় শাশুড়ি প্রায় সময় বাধা দিত। ঘটনার দিন অন্তরঙ্গ অবস্থায় তাদের দেখে ফেলায় অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ বিচার দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.