
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৪
ইরানের নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অপমান’ করছে বলে কঠোর মন্তব্য করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ ম্যার্ৎস।
সোমবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তেহরান মার্কিন কর্মকর্তাদের আলোচনার অজুহাতে পাকিস্তানে নিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো ধরনের ফলাফল ছাড়াই তাদের খালি হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনের সামনে এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো কার্যকর পথ তিনি দেখছেন না।
জার্মানির নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া অঙ্গরাজ্যের মার্সবার্গ শহরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপকালে ম্যার্ৎস বলেন, ‘ইরানিরা আলোচনায় খুবই দক্ষ, অথবা বলা যায় আলোচনা না করার কৌশলে তারা বেশি পারদর্শী। তারা আমেরিকানদের ইসলামাবাদ পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো ফল ছাড়াই ফিরিয়ে দিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি পুরো জাতি (যুক্তরাষ্ট্র) ইরানি নেতৃত্ব, বিশেষ করে তাদের রেভল্যুশনারি গার্ডসের হাতে অপমানিত হচ্ছে। আমি আশা করি এই পরিস্থিতির দ্রুত অবসান ঘটবে।’
ইউক্রেনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের সম্পর্ক আগে থেকেই টানাপড়েনে ছিল। ইরান যুদ্ধ সেই দূরত্বকে আরও বাড়িয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে বলেন, হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে তারা নৌবাহিনী পাঠিয়ে সহযোগিতা করছে না।
যুদ্ধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বর্তমানে প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা তৈরি করেছে।
জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্ৎস আরও স্মরণ করিয়ে দেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে হামলা শুরু করে, তখন জার্মানি বা ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি।
তিনি জানান, হামলার পরপরই তিনি ট্রাম্পকে এ বিষয়ে তার সংশয়ের কথা জানিয়েছিলেন।
বর্তমান পরিস্থিতিকে ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘যদি জানতাম পরিস্থিতি পাঁচ-ছয় সপ্তাহ ধরে এভাবে চলবে এবং ক্রমেই খারাপ হবে, তাহলে আমি ট্রাম্পকে আরও জোরালোভাবে হামলা না করার কথা বলতাম।’
সম্প্রতি ট্রাম্প তার দুই বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের ইসলামাবাদ সফর বাতিল করার পর শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
অন্যদিকে, পাকিস্তান ও ওমানে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সোমবার রাশিয়া সফরে যান।
হরমুজ প্রণালিতে মাইন পাতা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ম্যার্ৎস। তিনি বলেন, ‘আমরা ইউরোপীয়দের পক্ষ থেকে জার্মানির মাইনসুইপার জাহাজ পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছি, যাতে জলপথটি পরিষ্কার করা যায়।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই যুদ্ধের কারণে জার্মানিকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে এবং দেশের অর্থনৈতিক শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অপমান’ করছে বলে কঠোর মন্তব্য করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ ম্যার্ৎস।
সোমবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তেহরান মার্কিন কর্মকর্তাদের আলোচনার অজুহাতে পাকিস্তানে নিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো ধরনের ফলাফল ছাড়াই তাদের খালি হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনের সামনে এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো কার্যকর পথ তিনি দেখছেন না।
জার্মানির নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া অঙ্গরাজ্যের মার্সবার্গ শহরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপকালে ম্যার্ৎস বলেন, ‘ইরানিরা আলোচনায় খুবই দক্ষ, অথবা বলা যায় আলোচনা না করার কৌশলে তারা বেশি পারদর্শী। তারা আমেরিকানদের ইসলামাবাদ পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো ফল ছাড়াই ফিরিয়ে দিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি পুরো জাতি (যুক্তরাষ্ট্র) ইরানি নেতৃত্ব, বিশেষ করে তাদের রেভল্যুশনারি গার্ডসের হাতে অপমানিত হচ্ছে। আমি আশা করি এই পরিস্থিতির দ্রুত অবসান ঘটবে।’
ইউক্রেনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের সম্পর্ক আগে থেকেই টানাপড়েনে ছিল। ইরান যুদ্ধ সেই দূরত্বকে আরও বাড়িয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে বলেন, হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে তারা নৌবাহিনী পাঠিয়ে সহযোগিতা করছে না।
যুদ্ধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বর্তমানে প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা তৈরি করেছে।
জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্ৎস আরও স্মরণ করিয়ে দেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে হামলা শুরু করে, তখন জার্মানি বা ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি।
তিনি জানান, হামলার পরপরই তিনি ট্রাম্পকে এ বিষয়ে তার সংশয়ের কথা জানিয়েছিলেন।
বর্তমান পরিস্থিতিকে ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘যদি জানতাম পরিস্থিতি পাঁচ-ছয় সপ্তাহ ধরে এভাবে চলবে এবং ক্রমেই খারাপ হবে, তাহলে আমি ট্রাম্পকে আরও জোরালোভাবে হামলা না করার কথা বলতাম।’
সম্প্রতি ট্রাম্প তার দুই বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের ইসলামাবাদ সফর বাতিল করার পর শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
অন্যদিকে, পাকিস্তান ও ওমানে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সোমবার রাশিয়া সফরে যান।
হরমুজ প্রণালিতে মাইন পাতা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ম্যার্ৎস। তিনি বলেন, ‘আমরা ইউরোপীয়দের পক্ষ থেকে জার্মানির মাইনসুইপার জাহাজ পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছি, যাতে জলপথটি পরিষ্কার করা যায়।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই যুদ্ধের কারণে জার্মানিকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে এবং দেশের অর্থনৈতিক শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বরিশাল টাইমস

২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:০৮
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।

২৫ জুন, ২০২৬ ১২:৫৭
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”

২২ জুন, ২০২৬ ২০:৪১
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.