ভুয়া কাগজ তৈরি করে ১২টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৪৩৩ কোটি ৯৬ লাখ ১৮ হাজার ৯ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পিকে হালদার) ৩৫ জনের নামে ১২টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুদকের উপ-পরিচালক মশিউর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি-১৮৬০ এর ৪০৬/৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ বাদী হয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক মশিউর রহমান ও উপ-সহকারী পরিচালক ইমরান আকন মামলা গুলো দায়ের করেন।
মামলাগুলোতে ঋণের সুদসহ আসামিদের বিরুদ্ধে ৫৩১ কোটি ৮ লাখ ৬৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ সৃজন করে প্রতিটি ঋণ হিসাবের ১-২ টি কিস্তি পরিশোধ করেন এবং কোনো কোনো ঋণের বিপরীতে কোনো কিস্তিই পরিশোধ করা হয়নি।
তারপরও দেখা যায় যে, উক্ত ঋণ সমূহ কোনো ধরনের আপত্তি ছাড়াই বোর্ড সভায় রিসিডিইল করা হয়। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের কোনো কার্যক্রম বিদ্যমান না থাকার পরও ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ দেওয়া হয়।
আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের রেকর্ডপত্র যাচাই করে দেখা যায় যে, প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের জন্য যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে সেসব যায়গায় বর্তমানে উক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সমূহের কোনো অস্তিত্ব নেই। এছাড়াও দেখা যায় যে, যেসব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ঋণ দেওয়া হয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠান একবারে নতুন তাদের ব্যবসার কোনো কার্যক্রম বিদ্যমান ছিল না।
পিকে হালদার ছাড়াও মামলার আসামিরা হলেন, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লি. এর সাবেক চেয়ারম্যান মো. ছিদ্দিকুর রহমান, মাহফুজা রহমান বেবী, মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজ, আব্দুল মোতালিব আহমেদ।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির সাবেক এমডি মো. রাসেল শাহরিয়ার মো. মফিজ উদ্দিন চৌধুরী, উজ্জল কুমার নন্দী, মো. ওমর শরীফ, মো. মোস্তফা, মোস্তফা আমনিুর রশীদ, প্রিতীশ কুমার হালদার,বাসু দেব ব্যানার্জী, তাসিন বিন তানজীর, মো. ওমর ফারুক মো. রফিকুল ইসলাম, উৎপল মজুমদার, সুকুমার সাহা, রামপ্রসাদ রায়, গোপাল চন্দ্র গাঙ্গুলী, আবু রাজীব মারুফ, অমল চন্দ্র দাস, সাবেক পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. নুরুল হক গাজী মো. আবুল শাহজাহান, অঞ্জন কুমার রায়, কাজী মাহজাবিন মমতাজ, সোমা ঘোষ, মো. মোস্তাইন বিল্লাহ অরুন কুমার কুন্ডু, প্রদীপ কুমার নন্দী, উদ্ধব মল্লিক, মো: আতাহারুল ইসলাম, বীরেন্দ্র কুমার সোম, অনিতা কর ও আসামি হয়েছেন।
পি কে হালদারের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগের বিষয়ে ২০১৯ সালে অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেছে দুদক।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৮
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০২
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।

১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৪
ভুয়া কাগজ তৈরি করে ১২টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৪৩৩ কোটি ৯৬ লাখ ১৮ হাজার ৯ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পিকে হালদার) ৩৫ জনের নামে ১২টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুদকের উপ-পরিচালক মশিউর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি-১৮৬০ এর ৪০৬/৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ বাদী হয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক মশিউর রহমান ও উপ-সহকারী পরিচালক ইমরান আকন মামলা গুলো দায়ের করেন।
মামলাগুলোতে ঋণের সুদসহ আসামিদের বিরুদ্ধে ৫৩১ কোটি ৮ লাখ ৬৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ সৃজন করে প্রতিটি ঋণ হিসাবের ১-২ টি কিস্তি পরিশোধ করেন এবং কোনো কোনো ঋণের বিপরীতে কোনো কিস্তিই পরিশোধ করা হয়নি।
তারপরও দেখা যায় যে, উক্ত ঋণ সমূহ কোনো ধরনের আপত্তি ছাড়াই বোর্ড সভায় রিসিডিইল করা হয়। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের কোনো কার্যক্রম বিদ্যমান না থাকার পরও ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ দেওয়া হয়।
আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের রেকর্ডপত্র যাচাই করে দেখা যায় যে, প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের জন্য যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে সেসব যায়গায় বর্তমানে উক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সমূহের কোনো অস্তিত্ব নেই। এছাড়াও দেখা যায় যে, যেসব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ঋণ দেওয়া হয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠান একবারে নতুন তাদের ব্যবসার কোনো কার্যক্রম বিদ্যমান ছিল না।
পিকে হালদার ছাড়াও মামলার আসামিরা হলেন, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লি. এর সাবেক চেয়ারম্যান মো. ছিদ্দিকুর রহমান, মাহফুজা রহমান বেবী, মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজ, আব্দুল মোতালিব আহমেদ।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির সাবেক এমডি মো. রাসেল শাহরিয়ার মো. মফিজ উদ্দিন চৌধুরী, উজ্জল কুমার নন্দী, মো. ওমর শরীফ, মো. মোস্তফা, মোস্তফা আমনিুর রশীদ, প্রিতীশ কুমার হালদার,বাসু দেব ব্যানার্জী, তাসিন বিন তানজীর, মো. ওমর ফারুক মো. রফিকুল ইসলাম, উৎপল মজুমদার, সুকুমার সাহা, রামপ্রসাদ রায়, গোপাল চন্দ্র গাঙ্গুলী, আবু রাজীব মারুফ, অমল চন্দ্র দাস, সাবেক পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. নুরুল হক গাজী মো. আবুল শাহজাহান, অঞ্জন কুমার রায়, কাজী মাহজাবিন মমতাজ, সোমা ঘোষ, মো. মোস্তাইন বিল্লাহ অরুন কুমার কুন্ডু, প্রদীপ কুমার নন্দী, উদ্ধব মল্লিক, মো: আতাহারুল ইসলাম, বীরেন্দ্র কুমার সোম, অনিতা কর ও আসামি হয়েছেন।
পি কে হালদারের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগের বিষয়ে ২০১৯ সালে অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেছে দুদক।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:৩৪
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৬
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১