
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৪
ভুয়া কাগজ তৈরি করে ১২টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৪৩৩ কোটি ৯৬ লাখ ১৮ হাজার ৯ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পিকে হালদার) ৩৫ জনের নামে ১২টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুদকের উপ-পরিচালক মশিউর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি-১৮৬০ এর ৪০৬/৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ বাদী হয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক মশিউর রহমান ও উপ-সহকারী পরিচালক ইমরান আকন মামলা গুলো দায়ের করেন।
মামলাগুলোতে ঋণের সুদসহ আসামিদের বিরুদ্ধে ৫৩১ কোটি ৮ লাখ ৬৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ সৃজন করে প্রতিটি ঋণ হিসাবের ১-২ টি কিস্তি পরিশোধ করেন এবং কোনো কোনো ঋণের বিপরীতে কোনো কিস্তিই পরিশোধ করা হয়নি।
তারপরও দেখা যায় যে, উক্ত ঋণ সমূহ কোনো ধরনের আপত্তি ছাড়াই বোর্ড সভায় রিসিডিইল করা হয়। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের কোনো কার্যক্রম বিদ্যমান না থাকার পরও ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ দেওয়া হয়।
আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের রেকর্ডপত্র যাচাই করে দেখা যায় যে, প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের জন্য যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে সেসব যায়গায় বর্তমানে উক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সমূহের কোনো অস্তিত্ব নেই। এছাড়াও দেখা যায় যে, যেসব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ঋণ দেওয়া হয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠান একবারে নতুন তাদের ব্যবসার কোনো কার্যক্রম বিদ্যমান ছিল না।
পিকে হালদার ছাড়াও মামলার আসামিরা হলেন, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লি. এর সাবেক চেয়ারম্যান মো. ছিদ্দিকুর রহমান, মাহফুজা রহমান বেবী, মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজ, আব্দুল মোতালিব আহমেদ।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির সাবেক এমডি মো. রাসেল শাহরিয়ার মো. মফিজ উদ্দিন চৌধুরী, উজ্জল কুমার নন্দী, মো. ওমর শরীফ, মো. মোস্তফা, মোস্তফা আমনিুর রশীদ, প্রিতীশ কুমার হালদার,বাসু দেব ব্যানার্জী, তাসিন বিন তানজীর, মো. ওমর ফারুক মো. রফিকুল ইসলাম, উৎপল মজুমদার, সুকুমার সাহা, রামপ্রসাদ রায়, গোপাল চন্দ্র গাঙ্গুলী, আবু রাজীব মারুফ, অমল চন্দ্র দাস, সাবেক পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. নুরুল হক গাজী মো. আবুল শাহজাহান, অঞ্জন কুমার রায়, কাজী মাহজাবিন মমতাজ, সোমা ঘোষ, মো. মোস্তাইন বিল্লাহ অরুন কুমার কুন্ডু, প্রদীপ কুমার নন্দী, উদ্ধব মল্লিক, মো: আতাহারুল ইসলাম, বীরেন্দ্র কুমার সোম, অনিতা কর ও আসামি হয়েছেন।
পি কে হালদারের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগের বিষয়ে ২০১৯ সালে অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেছে দুদক।
ভুয়া কাগজ তৈরি করে ১২টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৪৩৩ কোটি ৯৬ লাখ ১৮ হাজার ৯ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পিকে হালদার) ৩৫ জনের নামে ১২টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুদকের উপ-পরিচালক মশিউর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি-১৮৬০ এর ৪০৬/৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ বাদী হয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক মশিউর রহমান ও উপ-সহকারী পরিচালক ইমরান আকন মামলা গুলো দায়ের করেন।
মামলাগুলোতে ঋণের সুদসহ আসামিদের বিরুদ্ধে ৫৩১ কোটি ৮ লাখ ৬৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ সৃজন করে প্রতিটি ঋণ হিসাবের ১-২ টি কিস্তি পরিশোধ করেন এবং কোনো কোনো ঋণের বিপরীতে কোনো কিস্তিই পরিশোধ করা হয়নি।
তারপরও দেখা যায় যে, উক্ত ঋণ সমূহ কোনো ধরনের আপত্তি ছাড়াই বোর্ড সভায় রিসিডিইল করা হয়। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের কোনো কার্যক্রম বিদ্যমান না থাকার পরও ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ দেওয়া হয়।
আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের রেকর্ডপত্র যাচাই করে দেখা যায় যে, প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের জন্য যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে সেসব যায়গায় বর্তমানে উক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সমূহের কোনো অস্তিত্ব নেই। এছাড়াও দেখা যায় যে, যেসব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ঋণ দেওয়া হয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠান একবারে নতুন তাদের ব্যবসার কোনো কার্যক্রম বিদ্যমান ছিল না।
পিকে হালদার ছাড়াও মামলার আসামিরা হলেন, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লি. এর সাবেক চেয়ারম্যান মো. ছিদ্দিকুর রহমান, মাহফুজা রহমান বেবী, মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজ, আব্দুল মোতালিব আহমেদ।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির সাবেক এমডি মো. রাসেল শাহরিয়ার মো. মফিজ উদ্দিন চৌধুরী, উজ্জল কুমার নন্দী, মো. ওমর শরীফ, মো. মোস্তফা, মোস্তফা আমনিুর রশীদ, প্রিতীশ কুমার হালদার,বাসু দেব ব্যানার্জী, তাসিন বিন তানজীর, মো. ওমর ফারুক মো. রফিকুল ইসলাম, উৎপল মজুমদার, সুকুমার সাহা, রামপ্রসাদ রায়, গোপাল চন্দ্র গাঙ্গুলী, আবু রাজীব মারুফ, অমল চন্দ্র দাস, সাবেক পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. নুরুল হক গাজী মো. আবুল শাহজাহান, অঞ্জন কুমার রায়, কাজী মাহজাবিন মমতাজ, সোমা ঘোষ, মো. মোস্তাইন বিল্লাহ অরুন কুমার কুন্ডু, প্রদীপ কুমার নন্দী, উদ্ধব মল্লিক, মো: আতাহারুল ইসলাম, বীরেন্দ্র কুমার সোম, অনিতা কর ও আসামি হয়েছেন।
পি কে হালদারের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগের বিষয়ে ২০১৯ সালে অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেছে দুদক।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩০
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৯
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২১
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.