
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১১
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের একটি পাম্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নিয়ম না মেনে তেল নেওয়ার দায়ে মোবারক হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস। দণ্ডপ্রাপ্ত মোবারকের বাড়ি উপজেলার তারুন্দিয়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে। সে ওই গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে আসা শত শত বাইকারদের ৫শ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছিল। বাইকার মোবারক হোসেনকেও ৫শ টাকার তেল দেওয়ার পরেও তিনি লাইন থেকে মোটরসাইকেল সরিয়ে নেননি।
তিনি আরও ৫শ টাকার তেল দাবি করেন। এসময় নিয়মের বাইরে তেল দিতে অপারগতা প্রকাশ করে পাম্প কর্তৃপক্ষ। এতে পাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় মোবারক হোসেনের।
বিষয়টি তৎক্ষণাৎ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমানকে জানায় পাম্প কর্তৃপক্ষ। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাম্প গিয়ে ওই যুবককে বুঝানোর চেষ্টা করলে সে ইউএনওর সঙ্গেও বাকবিতণ্ডা ও অশোভন আচরণ করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর-১৮৮ ধারা মোতাবেক সরকারি কর্মচারীর যথাযথভাবে জারিকৃত আদেশ অমান্য করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আইন অমান্য করে পাম্পে তেল গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে মোবারককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল আজম বলেন, সরকারি বিধি মোতাবেক ১৫ দিনের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোবারক হোসেনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের একটি পাম্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নিয়ম না মেনে তেল নেওয়ার দায়ে মোবারক হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস। দণ্ডপ্রাপ্ত মোবারকের বাড়ি উপজেলার তারুন্দিয়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে। সে ওই গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে আসা শত শত বাইকারদের ৫শ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছিল। বাইকার মোবারক হোসেনকেও ৫শ টাকার তেল দেওয়ার পরেও তিনি লাইন থেকে মোটরসাইকেল সরিয়ে নেননি।
তিনি আরও ৫শ টাকার তেল দাবি করেন। এসময় নিয়মের বাইরে তেল দিতে অপারগতা প্রকাশ করে পাম্প কর্তৃপক্ষ। এতে পাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় মোবারক হোসেনের।
বিষয়টি তৎক্ষণাৎ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমানকে জানায় পাম্প কর্তৃপক্ষ। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাম্প গিয়ে ওই যুবককে বুঝানোর চেষ্টা করলে সে ইউএনওর সঙ্গেও বাকবিতণ্ডা ও অশোভন আচরণ করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর-১৮৮ ধারা মোতাবেক সরকারি কর্মচারীর যথাযথভাবে জারিকৃত আদেশ অমান্য করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আইন অমান্য করে পাম্পে তেল গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে মোবারককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল আজম বলেন, সরকারি বিধি মোতাবেক ১৫ দিনের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোবারক হোসেনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০৪
ময়মনসিংহের ভালুকায় দলীয় কার্যালয় খোলা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় বাবা-ছেলেকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের মধ্যে সন্ত্রাস, হানাহানি ও রক্তপাতের ঘটনায় জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জামিরদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. খোকা মিয়া এবং সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি কর্মী, জামিরদিয়া ইউনিয়নের ভালুকা নিবাসী তোফায়েল আহমেদ রানাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জামিরদিয়া নারিশের গেইট এলাকায় বাবা ও ছেলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাবা খোকা মিয়াসহ দুইজন আহত হন।
সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবা খোকা মিয়া ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর সমর্থক ছিলেন। ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোর্শেদ আলমের সমর্থক। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
ঘটনার দিন রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে নির্বাচনের পর থেকে বন্ধ থাকা নারিশের মোড়ের রাজনৈতিক কার্যালয় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা খোলেন। বিষয়টি বাবা দেখে কার্যালয় বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন এবং তার সঙ্গীরা বাবা খোকা মিয়ার সঙ্গে থাকা লোকজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। গুলিবিদ্ধ খোকা মিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
ময়মনসিংহের ভালুকায় দলীয় কার্যালয় খোলা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় বাবা-ছেলেকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের মধ্যে সন্ত্রাস, হানাহানি ও রক্তপাতের ঘটনায় জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জামিরদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. খোকা মিয়া এবং সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি কর্মী, জামিরদিয়া ইউনিয়নের ভালুকা নিবাসী তোফায়েল আহমেদ রানাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জামিরদিয়া নারিশের গেইট এলাকায় বাবা ও ছেলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাবা খোকা মিয়াসহ দুইজন আহত হন।
সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবা খোকা মিয়া ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর সমর্থক ছিলেন। ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোর্শেদ আলমের সমর্থক। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
ঘটনার দিন রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে নির্বাচনের পর থেকে বন্ধ থাকা নারিশের মোড়ের রাজনৈতিক কার্যালয় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা খোলেন। বিষয়টি বাবা দেখে কার্যালয় বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন এবং তার সঙ্গীরা বাবা খোকা মিয়ার সঙ্গে থাকা লোকজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। গুলিবিদ্ধ খোকা মিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৮
যশোরের ঝিকরগাছায় পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী এক বিজিবি সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের ঝিকরগাছা উপজেলার বেনেয়ালী ব্র্যাক অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম মহিউদ্দিন (২৬)। তিনি বাঘারপাড়া উপজেলার পার্বতীপুর গ্রামের হাজী শহিদের ছেলে ও স্থানীয় দৈনিক গ্রামের কাগজের সাংবাদিক নাজমুস সাকিব আকাশের ছোট ভাই।
মহিউদ্দিন খাগড়াছড়ি ৩২ ব্যাটালিয়ন বিজিবিতে কর্মরত ছিলেন। এ দুর্ঘটনায় নিহতের বন্ধু কামরুল ইসলাম নান্টু (২৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নান্টু বাঘারপাড়ার চন্ডিপুর গ্রামের মুরাদ বিশ্বাসের ছেলে।
হতাহতের স্বজন ও স্থানীয় জানিয়েছেন, কিছু দিন আগে মহিউদ্দিন দুই মাসের ছুটি নিয়ে বাড়িতে আসেন। সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি (মহিউদ্দিন) এবং বন্ধু নান্টু মোটরসাইকেল করে শার্শা উপজেলার জামতলার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ঝিকরগাছার বেনেয়ালী ব্র্যাক অফিসের সামনে পৌঁছালে সামনে থেকে আসা একটি পিকআপ তাদের ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে তারা দুজন সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। এলাকার বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৫টার দিকে মহিউদ্দিনের মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা ডা. বিচিত্র মল্লিক জানান, মাথা ও বুকে প্রচন্ড আঘাত লাগার কারণে মহিউদ্দিনের মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত নান্টুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত নাভারণ হাইওয়ে থানার ওসি গোপাল কর্মকার জানান, ঘাতক পিকআপ ও চালককে আটক করা হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এদিকে সাংবাদিক আকাশের ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রামের কাগজের মফস্বল সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
যশোরের ঝিকরগাছায় পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী এক বিজিবি সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের ঝিকরগাছা উপজেলার বেনেয়ালী ব্র্যাক অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম মহিউদ্দিন (২৬)। তিনি বাঘারপাড়া উপজেলার পার্বতীপুর গ্রামের হাজী শহিদের ছেলে ও স্থানীয় দৈনিক গ্রামের কাগজের সাংবাদিক নাজমুস সাকিব আকাশের ছোট ভাই।
মহিউদ্দিন খাগড়াছড়ি ৩২ ব্যাটালিয়ন বিজিবিতে কর্মরত ছিলেন। এ দুর্ঘটনায় নিহতের বন্ধু কামরুল ইসলাম নান্টু (২৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নান্টু বাঘারপাড়ার চন্ডিপুর গ্রামের মুরাদ বিশ্বাসের ছেলে।
হতাহতের স্বজন ও স্থানীয় জানিয়েছেন, কিছু দিন আগে মহিউদ্দিন দুই মাসের ছুটি নিয়ে বাড়িতে আসেন। সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি (মহিউদ্দিন) এবং বন্ধু নান্টু মোটরসাইকেল করে শার্শা উপজেলার জামতলার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ঝিকরগাছার বেনেয়ালী ব্র্যাক অফিসের সামনে পৌঁছালে সামনে থেকে আসা একটি পিকআপ তাদের ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে তারা দুজন সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। এলাকার বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৫টার দিকে মহিউদ্দিনের মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা ডা. বিচিত্র মল্লিক জানান, মাথা ও বুকে প্রচন্ড আঘাত লাগার কারণে মহিউদ্দিনের মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত নান্টুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত নাভারণ হাইওয়ে থানার ওসি গোপাল কর্মকার জানান, ঘাতক পিকআপ ও চালককে আটক করা হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এদিকে সাংবাদিক আকাশের ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রামের কাগজের মফস্বল সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৪
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণ ও প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় ১৫ জন কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণ করেন ও গাছের চারা তুলে দেন।
প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯ উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেন। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী৷
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ। এছাড়া একজন কৃষক ও কৃষানি বক্তব্য রাখেন। এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান৷
এসময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, কৃষক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।
এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।
ফলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি অধিক লাভের আশা করছেন কৃষকরা। তাদের দাবি, মাঠ পর্যায়ে প্রকৃত কৃষকদের মাঝে কার্ড বিতরণ করলে উপকৃত হবে কৃষকরা। আর কৃষি কর্মকর্তা বলছেন, এই কার্ডের আওতায় ভর্তুকিসহ সরকারের অন্তত ১০টি সুবিধা পাবে কৃষকরা। প্রধানমন্ত্রী দুপুরে শহরের পৌর উদ্যানে আয়োজিত কৃষি মেলায় উদ্বোধন করবেন।
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণ ও প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় ১৫ জন কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণ করেন ও গাছের চারা তুলে দেন।
প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯ উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেন। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী৷
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ। এছাড়া একজন কৃষক ও কৃষানি বক্তব্য রাখেন। এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান৷
এসময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, কৃষক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।
এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।
ফলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি অধিক লাভের আশা করছেন কৃষকরা। তাদের দাবি, মাঠ পর্যায়ে প্রকৃত কৃষকদের মাঝে কার্ড বিতরণ করলে উপকৃত হবে কৃষকরা। আর কৃষি কর্মকর্তা বলছেন, এই কার্ডের আওতায় ভর্তুকিসহ সরকারের অন্তত ১০টি সুবিধা পাবে কৃষকরা। প্রধানমন্ত্রী দুপুরে শহরের পৌর উদ্যানে আয়োজিত কৃষি মেলায় উদ্বোধন করবেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০৪
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৬
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৩
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪২