
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৫
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ‘পীর’ শামীম রেজা (এনআইডি নাম : আব্দুর রহমান) হত্যাকাণ্ডের তিনদিন পর অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান সান্টু বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় এই মামলা করেন।
মামলায় রাজিব মিস্ত্রি (৩২) নামে এক যুবককে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। রাজিব ওই এলাকার গাজী মিস্ত্রির ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে জামায়াতের কর্মী হিসেবে পরিচিত। শুরুতে নিরাপত্তার আশঙ্কায় নিহতের পরিবার মামলা করতে দ্বিধাবোধ করলেও, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে তারা আইনি পদক্ষেপ নেন।
গত শনিবার দুপুরে ‘কোরআন অবমাননার’ অভিযোগ তুলে রাজিবসহ কয়েকজনের নেতৃত্বে শতাধিক উচ্ছৃঙ্খল জনতা শামীম রেজার দরবারে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে কক্ষ থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে এবং পরে দোতলা থেকে নিচে ফেলে দেয়। এরপর তারা দরবারে ব্যাপক ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১৯ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। পুলিশের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এ ঘটনায় অন্তত দুটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সুজা উদ্দীন জোয়ার্দ্দার দাবি করেন, এটি এলাকাবাসীর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হতে পারে এবং এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের লোক থাকতে পারে।
অন্যদিকে দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য খাজা আহম্মেদ জানান, প্রধান আসামি রাজিবের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কোনো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, মামলার প্রধান আসামি রাজিবসহ শতাধিক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। খুব দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এখন পর্যন্ত এই মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হলেও, ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচন ও জড়িতদের ধরতে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ‘পীর’ শামীম রেজা (এনআইডি নাম : আব্দুর রহমান) হত্যাকাণ্ডের তিনদিন পর অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান সান্টু বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় এই মামলা করেন।
মামলায় রাজিব মিস্ত্রি (৩২) নামে এক যুবককে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। রাজিব ওই এলাকার গাজী মিস্ত্রির ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে জামায়াতের কর্মী হিসেবে পরিচিত। শুরুতে নিরাপত্তার আশঙ্কায় নিহতের পরিবার মামলা করতে দ্বিধাবোধ করলেও, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে তারা আইনি পদক্ষেপ নেন।
গত শনিবার দুপুরে ‘কোরআন অবমাননার’ অভিযোগ তুলে রাজিবসহ কয়েকজনের নেতৃত্বে শতাধিক উচ্ছৃঙ্খল জনতা শামীম রেজার দরবারে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে কক্ষ থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে এবং পরে দোতলা থেকে নিচে ফেলে দেয়। এরপর তারা দরবারে ব্যাপক ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১৯ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। পুলিশের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এ ঘটনায় অন্তত দুটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সুজা উদ্দীন জোয়ার্দ্দার দাবি করেন, এটি এলাকাবাসীর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হতে পারে এবং এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের লোক থাকতে পারে।
অন্যদিকে দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য খাজা আহম্মেদ জানান, প্রধান আসামি রাজিবের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কোনো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, মামলার প্রধান আসামি রাজিবসহ শতাধিক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। খুব দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এখন পর্যন্ত এই মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হলেও, ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচন ও জড়িতদের ধরতে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

০৯ মে, ২০২৬ ১৩:৫১
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার একটি বাড়ির খড়ের পালা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি রিভলবার উদ্ধার করেছে বেলকুচি থানা পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে উপজেলার ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের চাঁদ মেটুয়ানি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া রিভলবারটি প্রথম দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাজু সরকারের ১০ বছর বয়সি ছেলে ছোয়াদ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রাজু সরকারের স্ত্রী খাদিজা বেগম খড় রোদে শুকাতে দিলে শিশু ছোয়াদ সেখানে একটি বস্তু দেখতে পেয়ে খেলনা মনে করে মায়ের কাছে নিয়ে আসে। পরে সেটি রিভলবার বলে শনাক্ত হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে বেলকুচি সার্কেলের নেতৃত্বে বেলকুচি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দুপুর ২টার দিকে খড়ের পালা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রিভলবারটি উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর বলেন, মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রিভলবারটি উদ্ধার করে।
প্রাথমিক তদন্তে রাজু সরকারের পরিবারের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার তিন ভাইয়ের মধ্যে দুইজন প্রবাসে এবং একজন ঢাকায় কর্মরত বলে জানান তিনি।

০৯ মে, ২০২৬ ১৩:৩৫
শারীরিক প্রতিবন্ধী কলেজছাত্র ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কার পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

০৮ মে, ২০২৬ ০১:৩৪
চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় রাজু নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় রেশমি আক্তার নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিবাগত রাতে থানার রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত রাজুর বাড়ি রাউজান উপজেলায়। তিনি নগরীর রৌফাবাদ এলাকায় বোনের বাসায় বেড়াতে এসে এ হামলার শিকার হন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় হঠাৎ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা রাজু গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় পথচারী শিশু রেশমি আক্তারও গুলিবিদ্ধ হয়।
গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ থানার ওসি মো. আবদুল করিম। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে এবং কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এদিকে গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমি আক্তারকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ঘটনার বিষয়ে শিশুটির ভাই ফয়সাল মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার বিস্তারিত আমি জানি না। আমি দোকান করি। আমাদের বাসা রৌফাবাদ এলাকায়। আমার ছোট বোন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। শুনেছি, আম্মু তাকে একটি কাজে বাইরে পাঠিয়েছিলেন। তখন সে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায়। বর্তমানে আমার বোন হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায়।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এ গোলাগুলির সঙ্গে জড়িত এবং এটি পূর্ব শত্রুতার জেরে নাকি অন্য কোনো কারণে সংঘটিত হয়েছে—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।'
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার একটি বাড়ির খড়ের পালা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি রিভলবার উদ্ধার করেছে বেলকুচি থানা পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে উপজেলার ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের চাঁদ মেটুয়ানি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া রিভলবারটি প্রথম দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাজু সরকারের ১০ বছর বয়সি ছেলে ছোয়াদ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রাজু সরকারের স্ত্রী খাদিজা বেগম খড় রোদে শুকাতে দিলে শিশু ছোয়াদ সেখানে একটি বস্তু দেখতে পেয়ে খেলনা মনে করে মায়ের কাছে নিয়ে আসে। পরে সেটি রিভলবার বলে শনাক্ত হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে বেলকুচি সার্কেলের নেতৃত্বে বেলকুচি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দুপুর ২টার দিকে খড়ের পালা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রিভলবারটি উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর বলেন, মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রিভলবারটি উদ্ধার করে।
প্রাথমিক তদন্তে রাজু সরকারের পরিবারের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার তিন ভাইয়ের মধ্যে দুইজন প্রবাসে এবং একজন ঢাকায় কর্মরত বলে জানান তিনি।
শারীরিক প্রতিবন্ধী কলেজছাত্র ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কার পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় রাজু নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় রেশমি আক্তার নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিবাগত রাতে থানার রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত রাজুর বাড়ি রাউজান উপজেলায়। তিনি নগরীর রৌফাবাদ এলাকায় বোনের বাসায় বেড়াতে এসে এ হামলার শিকার হন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় হঠাৎ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা রাজু গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় পথচারী শিশু রেশমি আক্তারও গুলিবিদ্ধ হয়।
গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ থানার ওসি মো. আবদুল করিম। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে এবং কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এদিকে গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমি আক্তারকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ঘটনার বিষয়ে শিশুটির ভাই ফয়সাল মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার বিস্তারিত আমি জানি না। আমি দোকান করি। আমাদের বাসা রৌফাবাদ এলাকায়। আমার ছোট বোন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। শুনেছি, আম্মু তাকে একটি কাজে বাইরে পাঠিয়েছিলেন। তখন সে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায়। বর্তমানে আমার বোন হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায়।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এ গোলাগুলির সঙ্গে জড়িত এবং এটি পূর্ব শত্রুতার জেরে নাকি অন্য কোনো কারণে সংঘটিত হয়েছে—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।'
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৫৩
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩২
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:০৮
০৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯