
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:৪৩
বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে পূর্বঘোষিত আদালত বর্জনের কর্মসূচি স্থগিত করেছেন বরিশালের আইনজীবীরা। একই সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, বরিশাল ইউনিটও। ফলে আগামী ১ মার্চ থেকে বরিশালের আদালতগুলোতে স্বাভাবিক বিচারিক কার্যক্রম চলবে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আদালত বর্জন কর্মসূচি স্থগিতের কথা জানায় বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতি
এর আগে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসের জামিন আদেশ ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাসে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতিসহ অন্তত ২০ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়। মামলায় সমিতির সভাপতি এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
ওই ঘটনার পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতার জামিন বাতিল, সংশ্লিষ্ট বিচারকের অপসারণ এবং সমিতির সভাপতি লিংকনের মুক্তির দাবিতে টানা তিন দিন আদালত বর্জন কর্মসূচি পালন করেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। তবে বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা এজলাস ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে নিয়মিত আদালত কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার আদালত বর্জন স্থগিতের ঘোষণা আসে।
জেলা আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মির্জা মো. রিয়াজ হোসেন বলেন, সাধারণ মানুষ ও বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়েছে। সে কারণে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সব আইনজীবীকে আদালতের কাজে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।
আইনজীবী সমিতির এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বরিশাল ইউনিট। পৃথক বিবৃতিতে সংগঠনটির আহ্বায়ক মো. নাজিম উদ্দিন আহমেদ পান্না ও সদস্যসচিব আবুল কালাম আজাদ ইমন জানান, পরে কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত আদালত বর্জনের কর্মসূচি স্থগিত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে পূর্বঘোষিত আদালত বর্জনের কর্মসূচি স্থগিত করেছেন বরিশালের আইনজীবীরা। একই সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, বরিশাল ইউনিটও। ফলে আগামী ১ মার্চ থেকে বরিশালের আদালতগুলোতে স্বাভাবিক বিচারিক কার্যক্রম চলবে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আদালত বর্জন কর্মসূচি স্থগিতের কথা জানায় বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতি
এর আগে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসের জামিন আদেশ ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাসে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতিসহ অন্তত ২০ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়। মামলায় সমিতির সভাপতি এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
ওই ঘটনার পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতার জামিন বাতিল, সংশ্লিষ্ট বিচারকের অপসারণ এবং সমিতির সভাপতি লিংকনের মুক্তির দাবিতে টানা তিন দিন আদালত বর্জন কর্মসূচি পালন করেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। তবে বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা এজলাস ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে নিয়মিত আদালত কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার আদালত বর্জন স্থগিতের ঘোষণা আসে।
জেলা আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মির্জা মো. রিয়াজ হোসেন বলেন, সাধারণ মানুষ ও বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়েছে। সে কারণে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সব আইনজীবীকে আদালতের কাজে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।
আইনজীবী সমিতির এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বরিশাল ইউনিট। পৃথক বিবৃতিতে সংগঠনটির আহ্বায়ক মো. নাজিম উদ্দিন আহমেদ পান্না ও সদস্যসচিব আবুল কালাম আজাদ ইমন জানান, পরে কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত আদালত বর্জনের কর্মসূচি স্থগিত থাকবে।
বরিশাল টাইমস

৩০ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৪
বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কের উজিরপুরের গুঠিয়া ব্রিজে কালিমা খচিত "রহস্যময়' সাদা পতাকায় ছেয়ে গেছে। গত চার-পাঁচ দিন পূর্বে কে বা কাহারা ব্রিজের দুপ্রান্তে এ পতাকা সাঁটিয়েছেন তা স্থানীয় কেউ জানেন না। সাদা পতাকার মাঝে বাংলাদেশের কয়েকটি জাতীয় পতাকাও রয়েছে।
ব্রিজের পূর্ব প্রান্তের ঢাল লাগোয়া পোল্ট্রি মুরগী ব্যবসায়ী ইলিয়াস হোসেন জানান, গত শুক্রবার সকালে দোকান খুলতে এসে তিনি এ পতাকা দেখতে পান।
উজিরপুর মডেল থানার ওসি মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, গুঠিয়া ব্রিজে সাদা পতাকা সাঁটানোর খবর শুনেছি। তবে প্রাথমিকভাবে এটার সঙ্গে ক্রিমিনাল এক্টিভিটিজের কোন যোগসুত্র পাওয়া যায়নি।
এদিকে হঠাৎ করে কলেমা খচিত এ ধরণের "রহস্যময়' পতাকা নিয়ে জনমনে না প্রশ্নের উদ্রেক সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরণের পতাকা স্থানীয়রা আগে কখনও দেখেননি বলে জানান।

৩০ জুন, ২০২৬ ১৮:১৮
পটুয়াখালীর বাউফলে কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের,উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ মনির মোল্লা'র বাসভবন ও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ হাওলাদার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) উপজেলার কালাইয়া বাণিজ্যিক বন্দর এলাকায় পৃথক এ ঘটনা ঘটে।
কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদার অভিযোগ করেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লার বাসভবন এবং তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় তাকে মারধর করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ফিরোজ হাওলাদার আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সোমবার তারা মিছিল নিয়ে এসে তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতারা বলেন, গত শনিবার রাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল চলাকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন।
তাদের দাবি, মিছিলটি গরুর হাট এলাকায় পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদারের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় তাকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হলে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে সিনিয়র নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন বলেও দাবি করেন তারা।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাবেক চেয়ারম্যানের বাসভবন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৩০ জুন, ২০২৬ ১৮:১৩
পটুয়াখালীর দুমকিতে একটি সন্দেহভাজন পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কুকুরটির আক্রমণে আহতরা চিকিৎসার জন্য দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া আরও অন্তত পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন— দুমকি উপজেলার আরাবী (৫), জিদান (৬) ও মুবিন (৮), বগা এলাকার মুরসালিন (৯), জলিশা এলাকার তাইবা (৫) ও নিঝুমসহ (১১) মোট ১০ জন। হাসপাতালে আসা আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালো-সাদা রঙের একটি কুকুর সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে পথচারী ও শিশুদের ওপর হামলা চালিয়ে কামড়ে আহত করছে। কুকুরটির আতঙ্কে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।
দুমকি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আশিক হাজরা বলেন, “বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। আমরা সমন্বয়ের মাধ্যমে খুব দ্রুত কুকুরটিকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, “মঙ্গলবার (৩০ জুন) এ পর্যন্ত ১০ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ বিভাগকে দ্রুত কুকুরটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অবহিত করা হয়েছে।”
এদিকে কুকুরটি এখনও ধরা না পড়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত কুকুরটিকে আটক বা নিস্তেজ করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কের উজিরপুরের গুঠিয়া ব্রিজে কালিমা খচিত "রহস্যময়' সাদা পতাকায় ছেয়ে গেছে। গত চার-পাঁচ দিন পূর্বে কে বা কাহারা ব্রিজের দুপ্রান্তে এ পতাকা সাঁটিয়েছেন তা স্থানীয় কেউ জানেন না। সাদা পতাকার মাঝে বাংলাদেশের কয়েকটি জাতীয় পতাকাও রয়েছে।
ব্রিজের পূর্ব প্রান্তের ঢাল লাগোয়া পোল্ট্রি মুরগী ব্যবসায়ী ইলিয়াস হোসেন জানান, গত শুক্রবার সকালে দোকান খুলতে এসে তিনি এ পতাকা দেখতে পান।
উজিরপুর মডেল থানার ওসি মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, গুঠিয়া ব্রিজে সাদা পতাকা সাঁটানোর খবর শুনেছি। তবে প্রাথমিকভাবে এটার সঙ্গে ক্রিমিনাল এক্টিভিটিজের কোন যোগসুত্র পাওয়া যায়নি।
এদিকে হঠাৎ করে কলেমা খচিত এ ধরণের "রহস্যময়' পতাকা নিয়ে জনমনে না প্রশ্নের উদ্রেক সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরণের পতাকা স্থানীয়রা আগে কখনও দেখেননি বলে জানান।
পটুয়াখালীর বাউফলে কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের,উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ মনির মোল্লা'র বাসভবন ও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ হাওলাদার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) উপজেলার কালাইয়া বাণিজ্যিক বন্দর এলাকায় পৃথক এ ঘটনা ঘটে।
কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদার অভিযোগ করেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লার বাসভবন এবং তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় তাকে মারধর করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ফিরোজ হাওলাদার আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সোমবার তারা মিছিল নিয়ে এসে তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতারা বলেন, গত শনিবার রাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল চলাকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন।
তাদের দাবি, মিছিলটি গরুর হাট এলাকায় পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদারের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় তাকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হলে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে সিনিয়র নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন বলেও দাবি করেন তারা।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাবেক চেয়ারম্যানের বাসভবন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে একটি সন্দেহভাজন পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কুকুরটির আক্রমণে আহতরা চিকিৎসার জন্য দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া আরও অন্তত পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন— দুমকি উপজেলার আরাবী (৫), জিদান (৬) ও মুবিন (৮), বগা এলাকার মুরসালিন (৯), জলিশা এলাকার তাইবা (৫) ও নিঝুমসহ (১১) মোট ১০ জন। হাসপাতালে আসা আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালো-সাদা রঙের একটি কুকুর সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে পথচারী ও শিশুদের ওপর হামলা চালিয়ে কামড়ে আহত করছে। কুকুরটির আতঙ্কে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।
দুমকি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আশিক হাজরা বলেন, “বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। আমরা সমন্বয়ের মাধ্যমে খুব দ্রুত কুকুরটিকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, “মঙ্গলবার (৩০ জুন) এ পর্যন্ত ১০ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ বিভাগকে দ্রুত কুকুরটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অবহিত করা হয়েছে।”
এদিকে কুকুরটি এখনও ধরা না পড়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত কুকুরটিকে আটক বা নিস্তেজ করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।