
১৯ মার্চ, ২০২৬ ২৩:৫৮
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে মাটির চুলা থেকে মরিয়ম (৪) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বাবা-ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের মারুয়াখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মরিয়ম ওই গ্রামের মিজানুর রহমান ও রিমা আক্তার দম্পতির একমাত্র সন্তান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে বাড়ি থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় শিশু মরিয়ম। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
একই দিন ইফতারের আগে বাড়ির পাশের একটি মাটির চুলা থেকে মরিয়মের নিথর দেহ উদ্ধার করেন স্বজনরা।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়দের মধ্যে উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। এমন নৃশংস ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দোষীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মরিয়মের মামা হাবিবুর রহমান বলেন, আমার ভাগনির জন্য ঈদের নতুন জামাকাপড় কিনেছিলেন তার বাবা-মা। আমিও নতুন জামা কিনতে মার্কেটে গিয়েছিলাম। এমন সময় খবর আসে, মরিয়মকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, মরিয়মের গলায় একটি রূপার চেইন ছিল। সেই চেইন ছিনতাই করার সময় চিৎকার শুরু করে মরিয়ম। ধারণা করা হচ্ছে, এ সময় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি গোপন করতে মরদেহ চুলার ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়। আমরা নিষ্পাপ শিশু হত্যার বিচার চাই।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা সন্দেহভাজন হিসেবে ওই এলাকার ইয়াছিন মিয়াকে (১৬) আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এ সময় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইয়াছিনের বাবা সাদ্দাম মিয়াকেও (৩৮) হেফাজতে নেয়।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. রবিউল আজম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে শিশু মরিয়মের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটির গলায় থাকা রূপার চেইন ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
এ ঘটনায় ইয়াছিন মিয়া নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তার বাবাকেও পুলিশ হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে মাটির চুলা থেকে মরিয়ম (৪) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বাবা-ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের মারুয়াখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মরিয়ম ওই গ্রামের মিজানুর রহমান ও রিমা আক্তার দম্পতির একমাত্র সন্তান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে বাড়ি থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় শিশু মরিয়ম। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
একই দিন ইফতারের আগে বাড়ির পাশের একটি মাটির চুলা থেকে মরিয়মের নিথর দেহ উদ্ধার করেন স্বজনরা।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়দের মধ্যে উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। এমন নৃশংস ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দোষীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মরিয়মের মামা হাবিবুর রহমান বলেন, আমার ভাগনির জন্য ঈদের নতুন জামাকাপড় কিনেছিলেন তার বাবা-মা। আমিও নতুন জামা কিনতে মার্কেটে গিয়েছিলাম। এমন সময় খবর আসে, মরিয়মকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, মরিয়মের গলায় একটি রূপার চেইন ছিল। সেই চেইন ছিনতাই করার সময় চিৎকার শুরু করে মরিয়ম। ধারণা করা হচ্ছে, এ সময় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি গোপন করতে মরদেহ চুলার ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়। আমরা নিষ্পাপ শিশু হত্যার বিচার চাই।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা সন্দেহভাজন হিসেবে ওই এলাকার ইয়াছিন মিয়াকে (১৬) আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এ সময় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইয়াছিনের বাবা সাদ্দাম মিয়াকেও (৩৮) হেফাজতে নেয়।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. রবিউল আজম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে শিশু মরিয়মের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটির গলায় থাকা রূপার চেইন ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
এ ঘটনায় ইয়াছিন মিয়া নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তার বাবাকেও পুলিশ হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ মে, ২০২৬ ১৭:০৩
ফটিকছড়িতে একটি জুয়েলারি দোকানের কর্মচারীদের চোখে মরিচের গুঁড়া ছুড়ে স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে এক নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন দোকান মালিক।
গতকাল মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ২টার দিকে থানার সামনে বিবিরহাট এলাকার টুন্টু জুয়েলার্সে এ ঘটনা ঘটে। আটক ওই নারীর নাম সালমা আক্তার (২৮)। তিনি উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দোকান সূত্রে জানা যায়, সালমা আক্তার ক্রেতা সেজে কৌশলে দোকানে প্রবেশ করে কিছুক্ষণ স্বর্ণালংকার দেখার ভান করেন। একপর্যায়ে তিনি সঙ্গে থাকা মরিচের গুঁড়া দোকানের দুই কর্মচারীর চোখে ছুড়ে মারেন।
এতে তারা সাময়িকভাবে দিশাহারা হয়ে পড়লেও একজন কর্মচারী বিচক্ষণতার সঙ্গে তাকে ধরে ফেলেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন দ্রুত দোকানে ছুটে এসে ওই নারীকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি সিসিটিভি ভিডিওতে দেখা যায়, দোকানে প্রবেশের পর হঠাৎ করেই ওই নারী কর্মচারীদের চোখে মরিচের গুঁড়া নিক্ষেপ করেন। তবে কর্মচারীদের তৎপরতায় তার ছিনতাইয়ের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।
ফটিকছড়ি থানার ওসি রবিউল আলম খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীকে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।
ফটিকছড়িতে একটি জুয়েলারি দোকানের কর্মচারীদের চোখে মরিচের গুঁড়া ছুড়ে স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে এক নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন দোকান মালিক।
গতকাল মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ২টার দিকে থানার সামনে বিবিরহাট এলাকার টুন্টু জুয়েলার্সে এ ঘটনা ঘটে। আটক ওই নারীর নাম সালমা আক্তার (২৮)। তিনি উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দোকান সূত্রে জানা যায়, সালমা আক্তার ক্রেতা সেজে কৌশলে দোকানে প্রবেশ করে কিছুক্ষণ স্বর্ণালংকার দেখার ভান করেন। একপর্যায়ে তিনি সঙ্গে থাকা মরিচের গুঁড়া দোকানের দুই কর্মচারীর চোখে ছুড়ে মারেন।
এতে তারা সাময়িকভাবে দিশাহারা হয়ে পড়লেও একজন কর্মচারী বিচক্ষণতার সঙ্গে তাকে ধরে ফেলেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন দ্রুত দোকানে ছুটে এসে ওই নারীকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি সিসিটিভি ভিডিওতে দেখা যায়, দোকানে প্রবেশের পর হঠাৎ করেই ওই নারী কর্মচারীদের চোখে মরিচের গুঁড়া নিক্ষেপ করেন। তবে কর্মচারীদের তৎপরতায় তার ছিনতাইয়ের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।
ফটিকছড়ি থানার ওসি রবিউল আলম খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীকে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।

১৩ মে, ২০২৬ ১৫:২৫
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় নীরবে গড়ে উঠেছে জুয়া ও মাদকের বিস্তৃত সাম্রাজ্য। প্রশাসনের চোখের সামনেই দিনের পর দিন প্রকাশ্যে বসছে জুয়ার আসর ও মাদকের হাট।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কোটি কোটি টাকার লেনদেন। এর প্রভাব পড়ছে পুরো জনপদে। বাড়ছে চুরি, ছিনতাই, মাদকসেবন, পারিবারিক কলহ ও সামাজিক অস্থিরতা। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উমেদপুর ইউনিয়নের নূরুল আমিন কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে বড় ধরনের জুয়ার আসর ও মাদক কারবার। এলাকাবাসীর দাবি, শীর্ষ জুয়াড়ি ও কথিত ইয়াবা কারবারি শওকত ঢালী, কালু ঢালী ও হালান ঢালীর নেতৃত্বে সেখানে প্রতিদিন জমে ওঠে জুয়ার আসর। শুধু জুয়াই নয়, সেখানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন ও কেনাবেচাও চলে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জুয়াড়িদের আনা-নেওয়ার জন্য গড়ে উঠেছে আলাদা মোটরসাইকেল সিন্ডিকেট। খবির খান ও বারেক নামের দুই মোটরসাইকেল চালকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িদের বহনের অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০টি মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িরা সেখানে আসেন। শুধু শিবচর নয়, জাজিরা, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, ভাঙ্গা, কালকিনি, নাওডোবা, খাসেরহাটসহ আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও লোকজন এসব জুয়ার আসরে অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অন্তত পাঁচটি স্থানে নিয়মিত বসছে জুয়ার আসর। এর মধ্যে রয়েছে চান্দেরচর কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা, চান্দেরচর ইটভাটার পাশে লিওন ঢালীর গরুর খামারের পার্শ্ববর্তী এলাকা, কুতুবপুর সীমান্তে পিলারের নিচে সামু মাদবরের বাড়ির পাশ, মাদবরচর ইউনিয়নের নাসিরের মোড় এলাকা এবং ভদ্রাসন ইউনিয়নের ক্রোকচর এলাকায় জব্বার মেম্বারের বাড়ির সংলগ্ন স্থান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকে। বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে অবস্থান নেয়। গভীর রাত পর্যন্ত চলে জুয়ার আসর ও মাদক সেবন। প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। অনেকেই আতঙ্কে মুখ খুলতে চান না।
একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জুয়ার টেবিলে মানুষ শুধু অর্থ হারায় না, হারায় নিজের বিবেক, পরিবারের শান্তি ও ভবিষ্যৎ। আজ যারা জুয়ার সঙ্গে জড়াচ্ছে, আগামী দিনে তারাই বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়বে।’
সচেতন মহলের মতে, যেখানে প্রতিদিন শতাধিক মানুষের সমাগম ঘটে, অসংখ্য মোটরসাইকেলের বহর চলাচল করে এবং রাতভর প্রকাশ্যে জুয়ার আসর বসে, সেখানে প্রশাসন কিছুই জানে না—এমনটি বিশ্বাস করা কঠিন। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করা না গেলে যুবসমাজ আরও বিপথে যাবে এবং পুরো এলাকায় ভয়াবহ সামাজিক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিবচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন কাদের বলেন, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জুয়ার আসর ও মাদক কারবার বন্ধ করতে হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় শিবচরের বিস্তীর্ণ জনপদ সামাজিক অবক্ষয়ের গভীর সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় নীরবে গড়ে উঠেছে জুয়া ও মাদকের বিস্তৃত সাম্রাজ্য। প্রশাসনের চোখের সামনেই দিনের পর দিন প্রকাশ্যে বসছে জুয়ার আসর ও মাদকের হাট।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কোটি কোটি টাকার লেনদেন। এর প্রভাব পড়ছে পুরো জনপদে। বাড়ছে চুরি, ছিনতাই, মাদকসেবন, পারিবারিক কলহ ও সামাজিক অস্থিরতা। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উমেদপুর ইউনিয়নের নূরুল আমিন কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে বড় ধরনের জুয়ার আসর ও মাদক কারবার। এলাকাবাসীর দাবি, শীর্ষ জুয়াড়ি ও কথিত ইয়াবা কারবারি শওকত ঢালী, কালু ঢালী ও হালান ঢালীর নেতৃত্বে সেখানে প্রতিদিন জমে ওঠে জুয়ার আসর। শুধু জুয়াই নয়, সেখানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন ও কেনাবেচাও চলে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জুয়াড়িদের আনা-নেওয়ার জন্য গড়ে উঠেছে আলাদা মোটরসাইকেল সিন্ডিকেট। খবির খান ও বারেক নামের দুই মোটরসাইকেল চালকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িদের বহনের অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০টি মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িরা সেখানে আসেন। শুধু শিবচর নয়, জাজিরা, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, ভাঙ্গা, কালকিনি, নাওডোবা, খাসেরহাটসহ আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও লোকজন এসব জুয়ার আসরে অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অন্তত পাঁচটি স্থানে নিয়মিত বসছে জুয়ার আসর। এর মধ্যে রয়েছে চান্দেরচর কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা, চান্দেরচর ইটভাটার পাশে লিওন ঢালীর গরুর খামারের পার্শ্ববর্তী এলাকা, কুতুবপুর সীমান্তে পিলারের নিচে সামু মাদবরের বাড়ির পাশ, মাদবরচর ইউনিয়নের নাসিরের মোড় এলাকা এবং ভদ্রাসন ইউনিয়নের ক্রোকচর এলাকায় জব্বার মেম্বারের বাড়ির সংলগ্ন স্থান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকে। বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে অবস্থান নেয়। গভীর রাত পর্যন্ত চলে জুয়ার আসর ও মাদক সেবন। প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। অনেকেই আতঙ্কে মুখ খুলতে চান না।
একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জুয়ার টেবিলে মানুষ শুধু অর্থ হারায় না, হারায় নিজের বিবেক, পরিবারের শান্তি ও ভবিষ্যৎ। আজ যারা জুয়ার সঙ্গে জড়াচ্ছে, আগামী দিনে তারাই বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়বে।’
সচেতন মহলের মতে, যেখানে প্রতিদিন শতাধিক মানুষের সমাগম ঘটে, অসংখ্য মোটরসাইকেলের বহর চলাচল করে এবং রাতভর প্রকাশ্যে জুয়ার আসর বসে, সেখানে প্রশাসন কিছুই জানে না—এমনটি বিশ্বাস করা কঠিন। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করা না গেলে যুবসমাজ আরও বিপথে যাবে এবং পুরো এলাকায় ভয়াবহ সামাজিক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিবচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন কাদের বলেন, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জুয়ার আসর ও মাদক কারবার বন্ধ করতে হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় শিবচরের বিস্তীর্ণ জনপদ সামাজিক অবক্ষয়ের গভীর সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

১৩ মে, ২০২৬ ১৫:১৭
নীলফামারীর সৈয়দপুর থানায় একটি সালিশি বৈঠকে গিয়ে পৌর মহিলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলার কাজী জাহানারা পারভীনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সৈয়দপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাতে একটি সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে কাজী জাহানারা বেগম থানায় আসেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত মহিলা দলের কয়েকজন নেত্রীর সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে তা বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয়। পরে তিনি থানা থেকে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে থানার ভেতরেই আটক করে।
আটকের পরও থানায় উপস্থিত মহিলা দলের নেত্রীদের সঙ্গে ফের তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানার একটি মামলায় আটক দেখিয়ে সেখানে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে পুলিশ।
বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় কাজী জাহানারা বেগম ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার।’ এ ঘটনায় থানায় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পরপরই সৈয়দপুর থানায় তার সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজা জানান, নীলফামারীর একটি মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে।
তবে কোন মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানায় সোপর্দের জন্য পাঠানো হয়।
নীলফামারীর সৈয়দপুর থানায় একটি সালিশি বৈঠকে গিয়ে পৌর মহিলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলার কাজী জাহানারা পারভীনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সৈয়দপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাতে একটি সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে কাজী জাহানারা বেগম থানায় আসেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত মহিলা দলের কয়েকজন নেত্রীর সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে তা বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয়। পরে তিনি থানা থেকে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে থানার ভেতরেই আটক করে।
আটকের পরও থানায় উপস্থিত মহিলা দলের নেত্রীদের সঙ্গে ফের তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানার একটি মামলায় আটক দেখিয়ে সেখানে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে পুলিশ।
বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় কাজী জাহানারা বেগম ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার।’ এ ঘটনায় থানায় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পরপরই সৈয়দপুর থানায় তার সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজা জানান, নীলফামারীর একটি মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে।
তবে কোন মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানায় সোপর্দের জন্য পাঠানো হয়।