
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৬
চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর ঝড়-বৃষ্টির সময় পা পিচলে তিনতলা ভবন থেকে পড়ে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে ঝড়ের দাপটে গাছ ভেঙে সড়কে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটেছে এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি হয়। এ সময় প্রবল বাতাসে পা পিছলে তিনতলা থেকে পড়ে মকলেছুর রহমান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের দৌলতদিয়াড় গ্রামের সরদারপাড়ার মৃত মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ির তিনতলার ছাদ থেকে টিন নামাচ্ছিলেন মকলেছুর রহমান। এ সময় হঠাৎ প্রবল বাতাসে ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ঝড়ের কারণে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের ডিঙ্গেদহ ও বিজিবি ক্যাম্প এলাকায় সড়কের পাশের বেশ কিছু গাছ ভেঙে পড়ে। এতে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাছ অপসারণে কাজ শুরু করেন।
এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ভেঙে পড়া ও ফসলের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সকালে নিরূপণ করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, রাত ৭টা ৫৫ মিনিট থেকে ৯টা ০৫ মিনিট পর্যন্ত জেলায় ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, তিনতলা ছাদ থেকে পড়ে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। বিস্তারিত জানতে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর ঝড়-বৃষ্টির সময় পা পিচলে তিনতলা ভবন থেকে পড়ে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে ঝড়ের দাপটে গাছ ভেঙে সড়কে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটেছে এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি হয়। এ সময় প্রবল বাতাসে পা পিছলে তিনতলা থেকে পড়ে মকলেছুর রহমান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের দৌলতদিয়াড় গ্রামের সরদারপাড়ার মৃত মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ির তিনতলার ছাদ থেকে টিন নামাচ্ছিলেন মকলেছুর রহমান। এ সময় হঠাৎ প্রবল বাতাসে ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ঝড়ের কারণে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের ডিঙ্গেদহ ও বিজিবি ক্যাম্প এলাকায় সড়কের পাশের বেশ কিছু গাছ ভেঙে পড়ে। এতে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাছ অপসারণে কাজ শুরু করেন।
এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ভেঙে পড়া ও ফসলের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সকালে নিরূপণ করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, রাত ৭টা ৫৫ মিনিট থেকে ৯টা ০৫ মিনিট পর্যন্ত জেলায় ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, তিনতলা ছাদ থেকে পড়ে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। বিস্তারিত জানতে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫৬
ময়মনসিংহের ত্রিশালে জমির বিরোধে মো. আল আমিন নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহ বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন। তারা হলেন- মোক্ষপুর ইউনিয়নের সেনেরচকপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিন (৪৯) ও তার স্ত্রী হুরেনা খাতুন (৪৫), ছেলে রিয়াদ (২৪) আবদুর রশিদ (৪১) ও তার স্ত্রী জুনাকি আক্তার (৩৭)।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেনেরচকপাড়া গ্রামের মো. আল আমিনকে ২০২৩ সালের ১৯ জুন জমির বিরোধে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তার চাচা মো. হাফিজুল ইসলাম বাদি হয়ে ২০ জুন প্রতিপক্ষ ৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে আদালত ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে। মামলার সকল আসামি ও বাদীর উপস্থিতিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. মাহবুব আলম মামুন বলেন, আসামি ও বাদি পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এর বিরোধে মো. আল আমিনকে হত্যা করে আসামিরা। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে ৫ আসামিকে আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
ময়মনসিংহ আদালত পরিদর্শক পি এস এম মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ত্রিশালের একটি হত্যা মামলায় একই পরিবারের ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
ময়মনসিংহের ত্রিশালে জমির বিরোধে মো. আল আমিন নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহ বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন। তারা হলেন- মোক্ষপুর ইউনিয়নের সেনেরচকপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিন (৪৯) ও তার স্ত্রী হুরেনা খাতুন (৪৫), ছেলে রিয়াদ (২৪) আবদুর রশিদ (৪১) ও তার স্ত্রী জুনাকি আক্তার (৩৭)।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেনেরচকপাড়া গ্রামের মো. আল আমিনকে ২০২৩ সালের ১৯ জুন জমির বিরোধে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তার চাচা মো. হাফিজুল ইসলাম বাদি হয়ে ২০ জুন প্রতিপক্ষ ৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে আদালত ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে। মামলার সকল আসামি ও বাদীর উপস্থিতিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. মাহবুব আলম মামুন বলেন, আসামি ও বাদি পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এর বিরোধে মো. আল আমিনকে হত্যা করে আসামিরা। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে ৫ আসামিকে আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
ময়মনসিংহ আদালত পরিদর্শক পি এস এম মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ত্রিশালের একটি হত্যা মামলায় একই পরিবারের ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩০
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সৃষ্টি হয়েছে চরম অস্থিরতা। মোটরসাইকেল প্রতি মাত্র ১০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির প্রশাসনিক নির্দেশ ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বাইকাররা। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মুখে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদলে ২০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির অনুমতি দিতে বাধ্য হয় প্রশাসন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার একমাত্র সাগর ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান সরেজমিনে পাম্প পরিদর্শন করে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সাময়িকভাবে ১০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির মৌখিক নির্দেশ দেন।
সকাল থেকেই নতুন নির্দেশনা কার্যকর করতে গেলে বিপত্তি বাধে। ১০০ টাকার বেশি পেট্রোল দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত বাইকার। অনেকে তেল না নিয়েই প্রতিবাদ শুরু করেন। একপর্যায়ে পাম্প এলাকা পরিণত হয় বিক্ষোভস্থলে, শুরু হয় হট্টগোল ও তর্ক-বিতর্ক।
পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানান, বরাদ্দ কমে যাওয়ায় চাহিদা মেটানো অসম্ভব হয়ে উঠেছে। শুধু চিলমারী নয়, আশপাশের উলিপুর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলচালকও এই পাম্পের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সীমিত সরবরাহে চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ।
সরেজমিনে দেখা যায়, আগের রাত থেকেই তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। ভোরের আলো ফুটতেই লাইনে দাঁড়ানো মানুষের সংখ্যা আরও বাড়ে। তবে ১০০ টাকার সীমা কার্যকর হওয়ায় ক্ষোভ চরমে পৌঁছে।
বাইকারদের অভিযোগ, বর্তমান বাজারদরে ১০০ টাকার পেট্রোলে এক লিটার তেলও পাওয়া যায় না। দূর-দূরান্ত থেকে আসা চালকদের জন্য এটি সম্পূর্ণ অপ্রতুল।
রহিম নামে এক বাইক চালক জানান, চিলমারীর পাম্পে প্রতিদিন তেল দেওয়ায় উলিপুর থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছে। এখন যদি ১০০ টাকার তেল দেওয়া হয় তাহলে উলিপুর যেতেই শেষ হবে।
মেহেদি নামে আরেক চালক বলেন, গতকাল সন্ধ্যা থেকে দীর্ঘ লাইন হয়ে পড়ে, বিশেষ করে অন্য উপজেলার বাইকের সংখ্যা বেশি হওয়ার স্থানীয়রাও এখন তেল পাচ্ছে না।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পাম্প কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা দ্রুত আলোচনায় বসেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা উত্তেজনার পর বাইকারদের দাবির মুখে ১০০ টাকার সীমা তুলে দিয়ে সর্বোচ্চ ২০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তেল বিক্রি শুরু হয়। এ বিষয়ে ইউএনও মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘সংকটের কারণে প্রথমে ১০০ টাকার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় তা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হয়েছে।’
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সৃষ্টি হয়েছে চরম অস্থিরতা। মোটরসাইকেল প্রতি মাত্র ১০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির প্রশাসনিক নির্দেশ ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বাইকাররা। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মুখে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদলে ২০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির অনুমতি দিতে বাধ্য হয় প্রশাসন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার একমাত্র সাগর ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান সরেজমিনে পাম্প পরিদর্শন করে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সাময়িকভাবে ১০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির মৌখিক নির্দেশ দেন।
সকাল থেকেই নতুন নির্দেশনা কার্যকর করতে গেলে বিপত্তি বাধে। ১০০ টাকার বেশি পেট্রোল দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত বাইকার। অনেকে তেল না নিয়েই প্রতিবাদ শুরু করেন। একপর্যায়ে পাম্প এলাকা পরিণত হয় বিক্ষোভস্থলে, শুরু হয় হট্টগোল ও তর্ক-বিতর্ক।
পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানান, বরাদ্দ কমে যাওয়ায় চাহিদা মেটানো অসম্ভব হয়ে উঠেছে। শুধু চিলমারী নয়, আশপাশের উলিপুর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলচালকও এই পাম্পের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সীমিত সরবরাহে চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ।
সরেজমিনে দেখা যায়, আগের রাত থেকেই তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। ভোরের আলো ফুটতেই লাইনে দাঁড়ানো মানুষের সংখ্যা আরও বাড়ে। তবে ১০০ টাকার সীমা কার্যকর হওয়ায় ক্ষোভ চরমে পৌঁছে।
বাইকারদের অভিযোগ, বর্তমান বাজারদরে ১০০ টাকার পেট্রোলে এক লিটার তেলও পাওয়া যায় না। দূর-দূরান্ত থেকে আসা চালকদের জন্য এটি সম্পূর্ণ অপ্রতুল।
রহিম নামে এক বাইক চালক জানান, চিলমারীর পাম্পে প্রতিদিন তেল দেওয়ায় উলিপুর থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছে। এখন যদি ১০০ টাকার তেল দেওয়া হয় তাহলে উলিপুর যেতেই শেষ হবে।
মেহেদি নামে আরেক চালক বলেন, গতকাল সন্ধ্যা থেকে দীর্ঘ লাইন হয়ে পড়ে, বিশেষ করে অন্য উপজেলার বাইকের সংখ্যা বেশি হওয়ার স্থানীয়রাও এখন তেল পাচ্ছে না।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পাম্প কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা দ্রুত আলোচনায় বসেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা উত্তেজনার পর বাইকারদের দাবির মুখে ১০০ টাকার সীমা তুলে দিয়ে সর্বোচ্চ ২০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তেল বিক্রি শুরু হয়। এ বিষয়ে ইউএনও মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘সংকটের কারণে প্রথমে ১০০ টাকার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় তা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হয়েছে।’

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫৫
ময়মনসিংহের ফুলপুর থানায় ওসির চেয়ারে বসা স্থানীয় সংসদ সদস্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে চেয়ারে বসা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন এমপি ও ওসি।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহর তার চেয়ারে বসার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহও ওসির চেয়ারে বসার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল সকালে ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে একটি প্যারেডে অংশ নিতে থানার বাইরে ছিলেন। এ সময় সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ করেই থানায় উপস্থিত হন ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ।
ৎ
থানায় প্রবেশ করে ওসির কক্ষে গিয়ে তিনি ওসির ব্যবহৃত চেয়ারে বসেন, যদিও পাশে অন্যান্য চেয়ার খালি ছিল। কিছু সময় সেখানে অবস্থান করে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পরে চলে যান।
ঘটনার ভিডিওটি সেদিন প্রকাশ না পেলেও কয়েকদিন পর হঠাৎ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, এমপি ওসির চেয়ারে বসে আছেন এবং সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিচ্ছেন। পাশে বসে আছেন থানার অন্য কর্মকর্তারাও।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। একটি রাজনৈতিক দলের আঞ্চলিক ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি পোস্ট করে প্রশ্ন তোলা হয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে। সেখানে বলা হয়, একজন এমপি যদি থানায় গিয়ে ওসির চেয়ারে বসেন আর ওসি অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে প্রশাসনের অবস্থান কোথায়- এ নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।
এ বিষয়ে ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ বলেন, ‘সেদিন আমার পূর্বনির্ধারিত মাস্টার প্যারেড ছিল, তাই সকালেই থানার বাইরে চলে যাই। এমপি সাহেবের থানায় আসার বিষয়ে আগে থেকে কোনো তথ্য ছিল না। তিনি থানায় আসার পর জানতে পারেন আমি নেই, তারপরও তিনি কক্ষে প্রবেশ করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে তিনি আমার চেয়ারে বসতে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন। তবে সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে বসতে অনুরোধ করেন। পরে তিনি কিছুক্ষণ বসে কথা বলে চলে যান। তবে নিয়ম অনুযায়ী ওসির চেয়ার অন্য কারও ব্যবহারের বিষয় নয়।’
অন্যদিকে সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ এ বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমি থানায় পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি ওসি নেই। তখন চলে আসতে চাইলেও সেখানে থাকা কর্মকর্তারা আমাকে জোর করে বসান। আমি কিছুক্ষণ বসে তাদের সঙ্গে কথা বলে চলে আসি। এতে কোনো অপরাধ হয়েছে বলে আমি মনে করি না।’
ঘটনাটি সামনে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে প্রোটোকল ভঙ্গ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন এটি পরিস্থিতির স্বাভাবিক ফল। তবে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি এখন ফুলপুরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
ময়মনসিংহের ফুলপুর থানায় ওসির চেয়ারে বসা স্থানীয় সংসদ সদস্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে চেয়ারে বসা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন এমপি ও ওসি।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহর তার চেয়ারে বসার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহও ওসির চেয়ারে বসার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল সকালে ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে একটি প্যারেডে অংশ নিতে থানার বাইরে ছিলেন। এ সময় সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ করেই থানায় উপস্থিত হন ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ।
ৎ
থানায় প্রবেশ করে ওসির কক্ষে গিয়ে তিনি ওসির ব্যবহৃত চেয়ারে বসেন, যদিও পাশে অন্যান্য চেয়ার খালি ছিল। কিছু সময় সেখানে অবস্থান করে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পরে চলে যান।
ঘটনার ভিডিওটি সেদিন প্রকাশ না পেলেও কয়েকদিন পর হঠাৎ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, এমপি ওসির চেয়ারে বসে আছেন এবং সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিচ্ছেন। পাশে বসে আছেন থানার অন্য কর্মকর্তারাও।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। একটি রাজনৈতিক দলের আঞ্চলিক ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি পোস্ট করে প্রশ্ন তোলা হয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে। সেখানে বলা হয়, একজন এমপি যদি থানায় গিয়ে ওসির চেয়ারে বসেন আর ওসি অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে প্রশাসনের অবস্থান কোথায়- এ নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।
এ বিষয়ে ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ বলেন, ‘সেদিন আমার পূর্বনির্ধারিত মাস্টার প্যারেড ছিল, তাই সকালেই থানার বাইরে চলে যাই। এমপি সাহেবের থানায় আসার বিষয়ে আগে থেকে কোনো তথ্য ছিল না। তিনি থানায় আসার পর জানতে পারেন আমি নেই, তারপরও তিনি কক্ষে প্রবেশ করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে তিনি আমার চেয়ারে বসতে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন। তবে সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে বসতে অনুরোধ করেন। পরে তিনি কিছুক্ষণ বসে কথা বলে চলে যান। তবে নিয়ম অনুযায়ী ওসির চেয়ার অন্য কারও ব্যবহারের বিষয় নয়।’
অন্যদিকে সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ এ বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমি থানায় পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি ওসি নেই। তখন চলে আসতে চাইলেও সেখানে থাকা কর্মকর্তারা আমাকে জোর করে বসান। আমি কিছুক্ষণ বসে তাদের সঙ্গে কথা বলে চলে আসি। এতে কোনো অপরাধ হয়েছে বলে আমি মনে করি না।’
ঘটনাটি সামনে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে প্রোটোকল ভঙ্গ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন এটি পরিস্থিতির স্বাভাবিক ফল। তবে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি এখন ফুলপুরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।