
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
একটি ফরম। কয়েকটি কলাম। নাম, পেশা, আয়, সম্পদ। নির্বাচন এলেই এই কাগজটাই হয়ে ওঠে প্রার্থীদের অবস্থার নীরব দলিল।
বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের হলফনামা খুললে দেখা যায়, সেখানে কাগজে লেখা রয়েছে দুই রকম নারীর গল্প। একজনের ঘরে কোটি টাকা, আরেকজনের ঘরে শূন্য। দুজনই প্রার্থীর স্ত্রী। কিন্তু তাঁদের ব্যক্তিগত পৃথিবী এক নয়।
প্রার্থীদের হলফনামা বলছে, রাজনীতির ময়দানে তাঁদের অবস্থান যেমন বৈচিত্র্যে ভরা, তেমনি বৈচিত্র্য তাঁদের স্ত্রীদের আর্থিক অবস্থায়ও। কোনো কোনো হলফনামার নির্ধারিত ঘরে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ, কোথাও আবার শূন্য ঘর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে ৪১ জন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে চারজন প্রার্থীর স্ত্রী কোটিপতি। আর প্রায় কোটিপতি রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এই চিত্র।
বরিশাল-৩ আসনের একটি হলফনামায় চোখ আটকে যায়। পেশার ঘরে লেখা ‘গৃহিনী’। ঠিক নিচেই সম্পদের অঙ্ক, পাঁচ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি। এই গৃহিনীর নাম ফাহমিদা কিবরিয়া। তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী কারান্তরীণ সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুর স্ত্রী। ঘর-সংসার সামলানো এই নারীর নামে রয়েছে জমি, ভবন, নগদ অর্থ- সব মিলিয়ে প্রায় ছয় কোটি টাকা।
এর পরই রয়েছেন বরিশাল-৫ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার। গৃহিনী ও ব্যবসায়ী পরিচয়ের এই নারীর সম্পদের পরিমাণ তিন কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
বরিশাল-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী জহিরউদ্দিন স্বপনের স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ডালিয়া রহমান। তাঁর সঞ্চয় দুই কোটি ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৬ টাকা। একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা আবদুস সোবহানের স্ত্রী পারভীন সুলতানা। পেশায় ব্যবসায়ী পারভীন সুলতানার সম্পদ এক কোটি তিন লাখ ৯৬ হাজার ৩৬৭ টাকা।
কোটির ঘরে পৌঁছাতে সামান্য দূরত্বে রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। বরিশাল-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খানের স্ত্রী সেলিনা হোসেনের সম্পদের পরিমাণ ৯৭ লাখ ৬৪ হাজার ২৩৪ টাকা। বরিশাল-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর স্ত্রী নাসিমা আহমেদের সম্পদ ৯৫ লাখ ৪৬ হাজার ১৪৫ টাকা। আবুল হোসেন খান সাবেক সংসদ সদস্য।
বরিশালের নির্বাচনী মাঠে লাখোপতি স্ত্রীদের তালিকাও দীর্ঘ। বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলীর গৃহিনী স্ত্রী নাছিমা বেগমের সম্পদ ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বরিশাল-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল মান্নানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা স্ত্রী মাহফুজা বেগমের সম্পদ ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা।
বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী মনিকা আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮৬ টাকা। একই আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আসাদুজ্জামান ফুয়াদের স্ত্রী রুমা মারজানের সম্পদ মাত্র দুই লাখ ১৮ হাজার টাকা।
বরিশাল-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলালের শিক্ষিকা স্ত্রী নাঈমা তাহেরার সম্পদের পরিমাণ ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৪২২ টাকা। এই কাগজে লেখা নেই, প্রার্থীদের স্ত্রীরা কীভাবে এই সম্পদের মালিক হলেন। আইনও সেই প্রশ্ন করে না। শুধু সংখ্যাটা রেখে দেয় ভোটারের সামনে। হলফনামাও সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আরেকটি হলফনামা। বরিশাল-৪ আসনের এক প্রার্থীর কাগজ। স্ত্রীর সম্পদের ঘরে লেখা আছে, ‘প্রযোজ্য নয়’। আরো কিছু হলফনামায় লেখা, ‘স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ নেই। একেবারে কিছুই না’। এই নারীদের নাম রয়েছে কাগজে। কিন্তু তাঁদের পাশে কোনো অঙ্ক নেই। নেই স্বর্ণালংকার, জমি কিংবা ব্যাংক হিসাব। কেবল একটি ফাঁকা জায়গা।
ফয়জুল করিম, গোলাম কিবরিয়া টিপু (ওপরে বাঁম থেকে), জহির উদ্দিন স্বপন, আবদুস সোবাহান (নিচে বাঁম থেকে) : ছবি সংগৃহীত
একটি ফরম। কয়েকটি কলাম। নাম, পেশা, আয়, সম্পদ। নির্বাচন এলেই এই কাগজটাই হয়ে ওঠে প্রার্থীদের অবস্থার নীরব দলিল।
বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের হলফনামা খুললে দেখা যায়, সেখানে কাগজে লেখা রয়েছে দুই রকম নারীর গল্প। একজনের ঘরে কোটি টাকা, আরেকজনের ঘরে শূন্য। দুজনই প্রার্থীর স্ত্রী। কিন্তু তাঁদের ব্যক্তিগত পৃথিবী এক নয়।
প্রার্থীদের হলফনামা বলছে, রাজনীতির ময়দানে তাঁদের অবস্থান যেমন বৈচিত্র্যে ভরা, তেমনি বৈচিত্র্য তাঁদের স্ত্রীদের আর্থিক অবস্থায়ও। কোনো কোনো হলফনামার নির্ধারিত ঘরে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ, কোথাও আবার শূন্য ঘর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে ৪১ জন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে চারজন প্রার্থীর স্ত্রী কোটিপতি। আর প্রায় কোটিপতি রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এই চিত্র।
বরিশাল-৩ আসনের একটি হলফনামায় চোখ আটকে যায়। পেশার ঘরে লেখা ‘গৃহিনী’। ঠিক নিচেই সম্পদের অঙ্ক, পাঁচ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি। এই গৃহিনীর নাম ফাহমিদা কিবরিয়া। তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী কারান্তরীণ সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুর স্ত্রী। ঘর-সংসার সামলানো এই নারীর নামে রয়েছে জমি, ভবন, নগদ অর্থ- সব মিলিয়ে প্রায় ছয় কোটি টাকা।
এর পরই রয়েছেন বরিশাল-৫ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার। গৃহিনী ও ব্যবসায়ী পরিচয়ের এই নারীর সম্পদের পরিমাণ তিন কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
বরিশাল-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী জহিরউদ্দিন স্বপনের স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ডালিয়া রহমান। তাঁর সঞ্চয় দুই কোটি ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৬ টাকা। একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা আবদুস সোবহানের স্ত্রী পারভীন সুলতানা। পেশায় ব্যবসায়ী পারভীন সুলতানার সম্পদ এক কোটি তিন লাখ ৯৬ হাজার ৩৬৭ টাকা।
কোটির ঘরে পৌঁছাতে সামান্য দূরত্বে রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। বরিশাল-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খানের স্ত্রী সেলিনা হোসেনের সম্পদের পরিমাণ ৯৭ লাখ ৬৪ হাজার ২৩৪ টাকা। বরিশাল-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর স্ত্রী নাসিমা আহমেদের সম্পদ ৯৫ লাখ ৪৬ হাজার ১৪৫ টাকা। আবুল হোসেন খান সাবেক সংসদ সদস্য।
বরিশালের নির্বাচনী মাঠে লাখোপতি স্ত্রীদের তালিকাও দীর্ঘ। বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলীর গৃহিনী স্ত্রী নাছিমা বেগমের সম্পদ ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বরিশাল-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল মান্নানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা স্ত্রী মাহফুজা বেগমের সম্পদ ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা।
বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী মনিকা আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮৬ টাকা। একই আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আসাদুজ্জামান ফুয়াদের স্ত্রী রুমা মারজানের সম্পদ মাত্র দুই লাখ ১৮ হাজার টাকা।
বরিশাল-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলালের শিক্ষিকা স্ত্রী নাঈমা তাহেরার সম্পদের পরিমাণ ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৪২২ টাকা। এই কাগজে লেখা নেই, প্রার্থীদের স্ত্রীরা কীভাবে এই সম্পদের মালিক হলেন। আইনও সেই প্রশ্ন করে না। শুধু সংখ্যাটা রেখে দেয় ভোটারের সামনে। হলফনামাও সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আরেকটি হলফনামা। বরিশাল-৪ আসনের এক প্রার্থীর কাগজ। স্ত্রীর সম্পদের ঘরে লেখা আছে, ‘প্রযোজ্য নয়’। আরো কিছু হলফনামায় লেখা, ‘স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ নেই। একেবারে কিছুই না’। এই নারীদের নাম রয়েছে কাগজে। কিন্তু তাঁদের পাশে কোনো অঙ্ক নেই। নেই স্বর্ণালংকার, জমি কিংবা ব্যাংক হিসাব। কেবল একটি ফাঁকা জায়গা।

১৭ জুন, ২০২৬ ২০:০৫
বরিশালের হিজলা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের শুভ উদ্বোধন করেন গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেটের মৌলভীবাজার জেলা থেকে ভ্যাচুয়ালে এ উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশের ২০ টি জেলার ৯ হাজার ৮২ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। তাতে হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নে ১ হাজার ৬৫ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সেতু বিভাগ ও নৌ , মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসান, বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার বান্না, হিজলা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, উপজেলা সহকারী কমিশনার উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহ, যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু, হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শতশত নারী মোবাইল ফোনে নগদ অর্থ পেয়ে আনন্দে উল্লসিত হয়েছেন। নির্বাচন কালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
বরিশালের হিজলা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের শুভ উদ্বোধন করেন গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেটের মৌলভীবাজার জেলা থেকে ভ্যাচুয়ালে এ উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশের ২০ টি জেলার ৯ হাজার ৮২ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। তাতে হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নে ১ হাজার ৬৫ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সেতু বিভাগ ও নৌ , মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসান, বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার বান্না, হিজলা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, উপজেলা সহকারী কমিশনার উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহ, যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু, হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শতশত নারী মোবাইল ফোনে নগদ অর্থ পেয়ে আনন্দে উল্লসিত হয়েছেন। নির্বাচন কালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৩
বরিশালে নিখোঁজ অটোরিকশাচালক বিশোর্ধ্ব নাজমুল হোসেনের সন্দেহভাজন খুনির বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) খুব সকালে বরিশাল সদর উপজেলার জাগুয়া ইউনিয়নের নতুনের হাট এলাকায় বসতঘরটিতে আগুন দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে অভিযুক্ত মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করে পুলিশ। এর আগে সোমবার (১৫ জুন) সকালে একই এলাকার বাসিন্দা অটোরিকশা চালক নাজমুল হোসেনের লাশটি পার্শ্ববর্তী কালিজিরা নদীর পূর্বপাড় থেকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাকরকাঠি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল রশিদ মোল্লার ছেলে নাজমুল হোসেন গত শনিবার (১৩ জুন) সকালে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এদিন দুপুর থেকে নাজমুলের ফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করে তার কোনো সন্ধান পাননি। ছেলে নিখোঁজের এই ঘটনায় রোববার (১৪ জুন) আব্দুল রশিদ মোল্লা সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির একদিন বাদে ১৫ জুন যুবক নাজমুলের লাশটি নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড ও জাগুয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কালিজিরা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এবং নাজমুলের বাবার সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, অটোরিকশা চালক নাজমুল খুনের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। পাশপাশি সন্ধিগ্ধ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে বরিশাল শহর বিভিন্ন স্থানসমূহে দুদিন ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে নতুন হাট এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে পঁচিশোর্ধ্ব মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করা হয়।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার খুব সকালে অভিযুক্ত মিরাজকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এবং বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে তার বসতঘরটি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে এসময় ঘরের অভ্যন্তরের কেউ ছিলেন না বলে জানা গেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার (উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আব্দুল হান্নান জানান, অটোচালক নাজমুল হোসেনের মৃত্যুর সাথে মিরাজের যোগসূত্র থাকতে পারে, এই ধরনের কিছু আলামত পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার ভোর রাতে এই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি আরও তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের খবরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মিরাজের বাসায় আগুন দিয়েছে। অটোরিকশা চালক খুন এবং সন্দেভাজন খুনির বাসায় আগুন দেওয়ার দুটি ঘটনাই তদন্ত করা হচ্ছে, জানান এই শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা।’
বরিশালে নিখোঁজ অটোরিকশাচালক বিশোর্ধ্ব নাজমুল হোসেনের সন্দেহভাজন খুনির বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) খুব সকালে বরিশাল সদর উপজেলার জাগুয়া ইউনিয়নের নতুনের হাট এলাকায় বসতঘরটিতে আগুন দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে অভিযুক্ত মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করে পুলিশ। এর আগে সোমবার (১৫ জুন) সকালে একই এলাকার বাসিন্দা অটোরিকশা চালক নাজমুল হোসেনের লাশটি পার্শ্ববর্তী কালিজিরা নদীর পূর্বপাড় থেকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাকরকাঠি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল রশিদ মোল্লার ছেলে নাজমুল হোসেন গত শনিবার (১৩ জুন) সকালে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এদিন দুপুর থেকে নাজমুলের ফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করে তার কোনো সন্ধান পাননি। ছেলে নিখোঁজের এই ঘটনায় রোববার (১৪ জুন) আব্দুল রশিদ মোল্লা সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির একদিন বাদে ১৫ জুন যুবক নাজমুলের লাশটি নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড ও জাগুয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কালিজিরা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এবং নাজমুলের বাবার সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, অটোরিকশা চালক নাজমুল খুনের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। পাশপাশি সন্ধিগ্ধ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে বরিশাল শহর বিভিন্ন স্থানসমূহে দুদিন ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে নতুন হাট এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে পঁচিশোর্ধ্ব মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করা হয়।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার খুব সকালে অভিযুক্ত মিরাজকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এবং বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে তার বসতঘরটি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে এসময় ঘরের অভ্যন্তরের কেউ ছিলেন না বলে জানা গেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার (উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আব্দুল হান্নান জানান, অটোচালক নাজমুল হোসেনের মৃত্যুর সাথে মিরাজের যোগসূত্র থাকতে পারে, এই ধরনের কিছু আলামত পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার ভোর রাতে এই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি আরও তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের খবরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মিরাজের বাসায় আগুন দিয়েছে। অটোরিকশা চালক খুন এবং সন্দেভাজন খুনির বাসায় আগুন দেওয়ার দুটি ঘটনাই তদন্ত করা হচ্ছে, জানান এই শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা।’

১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:২৪
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মিছিলে অংশ নেয়ার সবার মুখ ঢাকা ছিল।
দাবি করা হচ্ছে মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর বর্ধিত এলাকা ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালী সড়কে এই মশাল মিছিল বের করা হয়।
এমন একটি মিছিলের ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ এসেছে প্রতিবেদকের হাতে। ভিডিওতে দেখা যায় মিছিলে অংশ নেয়া অনেকের মুখে মাস্কপড়া। কারও মুখ খোলা। তারা মশাল হাতে আওয়ামী লীগের স্লোগান দিচ্ছেন।
তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিলের এমন কোন খবর জানা নেই বলে দাবি করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম।
টিয়াখালী এলাকায় খোঁজ নিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানাগেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় হঠাৎ করে কয়েকজন লোক মশাল মিছিল বের করে। মিছিল থেকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নাম নিয়ে স্লোগান দিতে শোনা যায়। মিছিলটি স্থায়ীত্ব ১০-১৫ মিনিট ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খানের অনুসারীরা মশাল মিছিলটি বের করে। মিছিল থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের মশাল মিছিল হয়েছে এমন কোন খবর জানা নেই। এখন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পুরানো কিনা সেটা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবেন বলে তিনি।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মিছিলে অংশ নেয়ার সবার মুখ ঢাকা ছিল।
দাবি করা হচ্ছে মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর বর্ধিত এলাকা ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালী সড়কে এই মশাল মিছিল বের করা হয়।
এমন একটি মিছিলের ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ এসেছে প্রতিবেদকের হাতে। ভিডিওতে দেখা যায় মিছিলে অংশ নেয়া অনেকের মুখে মাস্কপড়া। কারও মুখ খোলা। তারা মশাল হাতে আওয়ামী লীগের স্লোগান দিচ্ছেন।
তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিলের এমন কোন খবর জানা নেই বলে দাবি করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম।
টিয়াখালী এলাকায় খোঁজ নিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানাগেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় হঠাৎ করে কয়েকজন লোক মশাল মিছিল বের করে। মিছিল থেকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নাম নিয়ে স্লোগান দিতে শোনা যায়। মিছিলটি স্থায়ীত্ব ১০-১৫ মিনিট ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খানের অনুসারীরা মশাল মিছিলটি বের করে। মিছিল থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের মশাল মিছিল হয়েছে এমন কোন খবর জানা নেই। এখন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পুরানো কিনা সেটা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবেন বলে তিনি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.