Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:১৫
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’ এর লিখিত পরীক্ষা আগামী ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আবেদনকারীদের নিজ নিজ জেলায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ওইদিন দুপুর ২টার মধ্যেই পরীক্ষার্থীদের স্ব স্ব কেন্দ্রে প্রবেশের জন্য বলা হয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই বেলা ২টার মধ্যে নির্ধারিত পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
পরীক্ষার পরিবর্তিত তারিখ ও সময় সংক্রান্ত তথ্য প্রার্থীদের আবেদনে উল্লেখিত মোবাইল নম্বরে ০১৫৫২-১৪৬০৫৬ নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে যেসব প্রার্থী প্রবেশপত্র ডাউনলোড করেছেন, তারা ওই প্রবেশপত্র ব্যবহার করেই লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।
যেসব প্রার্থী এখনো প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারেননি, তারা admit.dpe.gov.bd ওয়েবসাইটে ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে অথবা এসএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড ও পাসের সন ব্যবহার করে লগইন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবেন।
একইসাথে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের অবশ্যই ডাউনলোড করা প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট কপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি (এনআইডি বা স্মার্টকার্ড) সঙ্গে আনতে হবে। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশনাসহ পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রবেশপত্রেই উল্লেখ থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জানিয়েছে, দুই ধাপে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। সে হিসাবে গড়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রায় ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থী।
আর প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ হাজার ২১৯টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি। দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১ জন প্রার্থী।
পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
প্রবেশের সময় : পরীক্ষা বিকেল ৩টায় শুরু হলেও পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই অন্তত ১ ঘণ্টা আগে (দুপুর ২টার মধ্যে) কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এরপর আর কোনো প্রার্থীকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
কান উন্মুক্ত রাখা : ব্লুটুথ বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস শনাক্ত করতে এবার পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শর্ত দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের উভয় কান উন্মুক্ত রাখতে হবে। তল্লাশির সময় প্রয়োজনে টর্চলাইট দিয়ে কান পরীক্ষা করা হবে।
নিষিদ্ধ সামগ্রী : কেন্দ্রে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, স্মার্ট ওয়াচ, যেকোনো ধরনের ঘড়ি, পার্টস বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব সামগ্রী পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র : পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য রঙিন প্রিন্ট করা প্রবেশপত্র ও মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে আনা বাধ্যতামূলক। উত্তরপত্র (ওএমআর) পূরণে অবশ্যই কালো কালির বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে।
সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। নিয়োগের নামে কোনো অসাধু চক্রের সঙ্গে লেনদেন না করার জন্য প্রার্থীদের সতর্ক করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’ এর লিখিত পরীক্ষা আগামী ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আবেদনকারীদের নিজ নিজ জেলায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ওইদিন দুপুর ২টার মধ্যেই পরীক্ষার্থীদের স্ব স্ব কেন্দ্রে প্রবেশের জন্য বলা হয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই বেলা ২টার মধ্যে নির্ধারিত পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
পরীক্ষার পরিবর্তিত তারিখ ও সময় সংক্রান্ত তথ্য প্রার্থীদের আবেদনে উল্লেখিত মোবাইল নম্বরে ০১৫৫২-১৪৬০৫৬ নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে যেসব প্রার্থী প্রবেশপত্র ডাউনলোড করেছেন, তারা ওই প্রবেশপত্র ব্যবহার করেই লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।
যেসব প্রার্থী এখনো প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারেননি, তারা admit.dpe.gov.bd ওয়েবসাইটে ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে অথবা এসএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড ও পাসের সন ব্যবহার করে লগইন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবেন।
একইসাথে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের অবশ্যই ডাউনলোড করা প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট কপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি (এনআইডি বা স্মার্টকার্ড) সঙ্গে আনতে হবে। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশনাসহ পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রবেশপত্রেই উল্লেখ থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জানিয়েছে, দুই ধাপে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। সে হিসাবে গড়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রায় ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থী।
আর প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ হাজার ২১৯টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি। দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১ জন প্রার্থী।
পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
প্রবেশের সময় : পরীক্ষা বিকেল ৩টায় শুরু হলেও পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই অন্তত ১ ঘণ্টা আগে (দুপুর ২টার মধ্যে) কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এরপর আর কোনো প্রার্থীকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
কান উন্মুক্ত রাখা : ব্লুটুথ বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস শনাক্ত করতে এবার পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শর্ত দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের উভয় কান উন্মুক্ত রাখতে হবে। তল্লাশির সময় প্রয়োজনে টর্চলাইট দিয়ে কান পরীক্ষা করা হবে।
নিষিদ্ধ সামগ্রী : কেন্দ্রে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, স্মার্ট ওয়াচ, যেকোনো ধরনের ঘড়ি, পার্টস বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব সামগ্রী পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র : পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য রঙিন প্রিন্ট করা প্রবেশপত্র ও মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে আনা বাধ্যতামূলক। উত্তরপত্র (ওএমআর) পূরণে অবশ্যই কালো কালির বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে।
সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। নিয়োগের নামে কোনো অসাধু চক্রের সঙ্গে লেনদেন না করার জন্য প্রার্থীদের সতর্ক করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:৪৬

১৭ জুন, ২০২৬ ২০:০৫
বরিশালের হিজলা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের শুভ উদ্বোধন করেন গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেটের মৌলভীবাজার জেলা থেকে ভ্যাচুয়ালে এ উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশের ২০ টি জেলার ৯ হাজার ৮২ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। তাতে হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নে ১ হাজার ৬৫ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সেতু বিভাগ ও নৌ , মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসান, বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার বান্না, হিজলা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, উপজেলা সহকারী কমিশনার উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহ, যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু, হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শতশত নারী মোবাইল ফোনে নগদ অর্থ পেয়ে আনন্দে উল্লসিত হয়েছেন। নির্বাচন কালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বাসায় তল্লাশি চালিয়ে সাতটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার
নাম তার আকাশ হাওলাদার। কিন্তু শহরের বাসিন্দাদের কাছে তিনি মাসুদ ওরফে কালা মাসুদ নামে পরিচিত। তবে এই পরিচিতির বাইরে তার নামের পূর্বের একটি ভয়ংকর ট্যাগ রয়েছে, ‘ধারালো দা’ চালাতে পারদর্শী হওয়ায় তিনি ‘দাও মাসুদ’ নামেই সমাধিক পরিচিত। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকা ঘেটে এমন তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়। বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের এই বাসিন্দা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বদৌলতে নিজের নামের পূর্বে এমন একটি বিশেষণ যুক্ত করতে পেরেছে, যা নিয়ে তিনি দম্ভোক্তিও করেন!
২৬ টি বিচারাধীন মামলায় অভিযুক্ত মাসুদ চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বরিশাল শহরের পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাট এলাকায় গভীর রাতে বাহিনীসমেত অস্ত্রের মহড়া দিয়ে তুমুল আলোচনা তৈরি করে। সেই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এনিয়ে বরিশালটাইমস অনলাইন নিউজপোর্টালে মাসুদের ছবিসংবলিত একটি সংবাদ গুরুত্ব দিয়ে মোটাদাগে প্রকাশ করে। ১৭ জানুয়ারি ‘বরিশালে নয়া সন্ত্রাস কালা মাসুদের উত্থান’, গভীর রাতে বাহিনী নিয়ে অস্ত্রের মহড়া-আতঙ্ক, এই শিরোনাম সংবাদটি প্রকাশ পেলে তাকে বাগে আনতে দৌড়ঝাপ শুরু করে পুলিশ। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের খবর প্রাপ্তির পরেই তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে অন্তর্ধানে চলে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, মাসুদ ওরফে দা মাসুদের বিরুদ্ধে বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন থানায় মাদক, দস্যুতা এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগে অন্তত ২৫টির বেশি মামলা বিচারাধীন আছে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের একটি চৌকশ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালত মাসুদকে কারাগারে পাঠিয়ে দিলেও কিছুদিন না যেতেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের আগেই মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, সদর উপজেলার গিলাতলী গ্রামের বাসিন্দা কালা মাসুদ বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে টার্গেট ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত ও হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। বরিশাল নগরীর ছিনতাইকারীদের গডফাদার ও ভাড়াটে খুনি নামে পরিচিত তিনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়াও কালা মাসুদের রয়েছে ছিনতাইকারী কয়েকটি চক্র। সূত্রগুলো জানায়, শহরের ধোপাবাড়ির মোড়, কলেজ অ্যাভিনিউ, বৈদ্যপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে রয়েছে কালা মাসুদের সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা। তারা টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকেন।
বরিশালের এই আলোচিত সন্ত্রাসীকে বৃহস্পতিবার খুব সকালে তার গ্রামের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এসময় তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে দুটি চাপাতিসহ ৭টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এই সফল অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ ও স্থানীয়দের অভিযোগ, কালা মাসুদ আওয়ামী লীগের গোটা শাসনামলে বরিশাল শহরের ত্রাস চালিয়েছে। এবং বিভিন্ন ঘটনাচক্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও প্রেরণ করে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরে তার যেনো নতুন ভাবে উত্থান ঘটে। এই চিহ্নিত অপরাধীকে সময় বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করতে শোনা যায়!
কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মাসুদ পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাট এলাকায় গভীর রাতে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সেই ঘটনায় বরিশালটাইমস পত্রিকায় তাকে নিয়ে একটি নেতিবাচক একটি সংবাদ প্রকাশ করে। তখন তিনি গাঢাকা দেন এবং একপর্যায়ে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাকে আর আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম মো. নাসিমুল হক বরিশালটাইমসকে জানান, নয়া সন্ত্রাসী দাও মাসুদের অত্যাচারে গিলাতলী গ্রামের সাধারণ মানুষও ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছিল। পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে তিনি শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে গোয়েন্দা তথ্যে অভিযান চালিয়ে মাসুদ ওরফে দাও মাসুদকে গিলাতলী গ্রামের বাসা থেকে পুলিশের জালে নিয়ে আসা হয়।
এই ভয়ংকর সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে নতুন করে অস্ত্র আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়। এবং সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা টিপু সুলতান বরিশালটাইমসকে জানান, মাসুদকে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে ৫ দিনের রিমান্ড চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদালত মঞ্জুর করলে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, মন্তব্য করেন পুলিশ কর্মকর্তা।
কীর্তনখোলা নদীতীর জনপদের এই মূর্তিমাণ সন্ত্রাসীকে পুলিশ বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের খবর জনমনে স্বস্তি জুগিয়েছে। বিশেষ করে পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাটসহ গিলাতলী গ্রামের বাসিন্দা-ব্যবসায়ীরা পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছে।’
বাসায় তল্লাশি চালিয়ে সাতটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার
নাম তার আকাশ হাওলাদার। কিন্তু শহরের বাসিন্দাদের কাছে তিনি মাসুদ ওরফে কালা মাসুদ নামে পরিচিত। তবে এই পরিচিতির বাইরে তার নামের পূর্বের একটি ভয়ংকর ট্যাগ রয়েছে, ‘ধারালো দা’ চালাতে পারদর্শী হওয়ায় তিনি ‘দাও মাসুদ’ নামেই সমাধিক পরিচিত। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকা ঘেটে এমন তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়। বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের এই বাসিন্দা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বদৌলতে নিজের নামের পূর্বে এমন একটি বিশেষণ যুক্ত করতে পেরেছে, যা নিয়ে তিনি দম্ভোক্তিও করেন!
২৬ টি বিচারাধীন মামলায় অভিযুক্ত মাসুদ চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বরিশাল শহরের পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাট এলাকায় গভীর রাতে বাহিনীসমেত অস্ত্রের মহড়া দিয়ে তুমুল আলোচনা তৈরি করে। সেই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এনিয়ে বরিশালটাইমস অনলাইন নিউজপোর্টালে মাসুদের ছবিসংবলিত একটি সংবাদ গুরুত্ব দিয়ে মোটাদাগে প্রকাশ করে। ১৭ জানুয়ারি ‘বরিশালে নয়া সন্ত্রাস কালা মাসুদের উত্থান’, গভীর রাতে বাহিনী নিয়ে অস্ত্রের মহড়া-আতঙ্ক, এই শিরোনাম সংবাদটি প্রকাশ পেলে তাকে বাগে আনতে দৌড়ঝাপ শুরু করে পুলিশ। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের খবর প্রাপ্তির পরেই তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে অন্তর্ধানে চলে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, মাসুদ ওরফে দা মাসুদের বিরুদ্ধে বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন থানায় মাদক, দস্যুতা এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগে অন্তত ২৫টির বেশি মামলা বিচারাধীন আছে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের একটি চৌকশ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালত মাসুদকে কারাগারে পাঠিয়ে দিলেও কিছুদিন না যেতেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের আগেই মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, সদর উপজেলার গিলাতলী গ্রামের বাসিন্দা কালা মাসুদ বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে টার্গেট ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত ও হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। বরিশাল নগরীর ছিনতাইকারীদের গডফাদার ও ভাড়াটে খুনি নামে পরিচিত তিনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়াও কালা মাসুদের রয়েছে ছিনতাইকারী কয়েকটি চক্র। সূত্রগুলো জানায়, শহরের ধোপাবাড়ির মোড়, কলেজ অ্যাভিনিউ, বৈদ্যপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে রয়েছে কালা মাসুদের সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা। তারা টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকেন।
বরিশালের এই আলোচিত সন্ত্রাসীকে বৃহস্পতিবার খুব সকালে তার গ্রামের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এসময় তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে দুটি চাপাতিসহ ৭টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এই সফল অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ ও স্থানীয়দের অভিযোগ, কালা মাসুদ আওয়ামী লীগের গোটা শাসনামলে বরিশাল শহরের ত্রাস চালিয়েছে। এবং বিভিন্ন ঘটনাচক্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও প্রেরণ করে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরে তার যেনো নতুন ভাবে উত্থান ঘটে। এই চিহ্নিত অপরাধীকে সময় বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করতে শোনা যায়!
কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মাসুদ পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাট এলাকায় গভীর রাতে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সেই ঘটনায় বরিশালটাইমস পত্রিকায় তাকে নিয়ে একটি নেতিবাচক একটি সংবাদ প্রকাশ করে। তখন তিনি গাঢাকা দেন এবং একপর্যায়ে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাকে আর আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম মো. নাসিমুল হক বরিশালটাইমসকে জানান, নয়া সন্ত্রাসী দাও মাসুদের অত্যাচারে গিলাতলী গ্রামের সাধারণ মানুষও ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছিল। পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে তিনি শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে গোয়েন্দা তথ্যে অভিযান চালিয়ে মাসুদ ওরফে দাও মাসুদকে গিলাতলী গ্রামের বাসা থেকে পুলিশের জালে নিয়ে আসা হয়।
এই ভয়ংকর সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে নতুন করে অস্ত্র আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়। এবং সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা টিপু সুলতান বরিশালটাইমসকে জানান, মাসুদকে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে ৫ দিনের রিমান্ড চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদালত মঞ্জুর করলে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, মন্তব্য করেন পুলিশ কর্মকর্তা।
কীর্তনখোলা নদীতীর জনপদের এই মূর্তিমাণ সন্ত্রাসীকে পুলিশ বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের খবর জনমনে স্বস্তি জুগিয়েছে। বিশেষ করে পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাটসহ গিলাতলী গ্রামের বাসিন্দা-ব্যবসায়ীরা পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের শুভ উদ্বোধন করেন গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেটের মৌলভীবাজার জেলা থেকে ভ্যাচুয়ালে এ উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশের ২০ টি জেলার ৯ হাজার ৮২ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। তাতে হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নে ১ হাজার ৬৫ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সেতু বিভাগ ও নৌ , মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসান, বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার বান্না, হিজলা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, উপজেলা সহকারী কমিশনার উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহ, যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু, হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শতশত নারী মোবাইল ফোনে নগদ অর্থ পেয়ে আনন্দে উল্লসিত হয়েছেন। নির্বাচন কালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:৪৬
১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:২৩
১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:১০