Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:১৫
উপকূলীয় কৃষিপ্রধান জনপদ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তরমুজ চাষে রেকর্ড আবাদ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৩৮০ হেক্টর জমি।
তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৩৬৭ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। এতে কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরাসরি তরমুজ চাষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন প্রায় পাঁচ হাজার কৃষক। অনুকূল আবহাওয়া ও বাজারে ভালো দামের প্রত্যাশায় কৃষকদের আগ্রহ দিনদিন বাড়ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হচ্ছে। কৃষকরা আধুনিক পদ্ধতি ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করে ফলন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ জমিতে ভালো ফলন ধরেছে। তবে ফল বড় ও মিষ্টি করতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত মিষ্টি পানি। আর সেখানেই দেখা দিয়েছে বড় সংকট। অনেক কৃষক দূরবর্তী স্থান থেকে মোটরের মাধ্যমে পানি এনে সেচ দিচ্ছেন, যা ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।
পানির সংকটে দুশ্চিন্তা কৃষকদের তাদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এলাকায় স্পষ্ট। খাল-বিল ও প্রাকৃতিক জলাধার ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। পানির স্বল্পতা ও লবণাক্ততার ঝুঁকি কৃষির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খালগুলো সচল থাকলে আরও বেশি জমিতে তরমুজ আবাদ সম্ভব হতো বলে মনে করছেন তারা।
লতাচাপলী ইউনিয়নের কৃষক মো. বেলাল জানান, গত ১০ বছর ধরে তরমুজ চাষ করছি। এ বছর তিন একর জমিতে প্রায় চার লাখ টাকা খরচ করেছি। কিন্তু প্রতিবছর বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ কিনতে গিয়ে প্রতারণা ও মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা পোহাতে হয়। কৃষিপণ্যের দামের লাগাম টানতে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
অন্যদিকে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, আমরা পুরোপুরি আধুনিক কৃষক হতে পারিনি। তবে কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে এসে খোঁজখবর রাখছেন এবং বিনামূল্যে সার ও বীজ দিচ্ছেন। এ সহযোগিতা আরও বাড়লে কৃষকরা পিছিয়ে থাকবে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন বলেন, সঠিক পরিচর্যা ও অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এ বছর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। খাল পুনঃখনন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া গেলে ভবিষ্যতে তরমুজসহ অন্যান্য ফসলের আবাদ আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, কৃষকদের প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে তরমুজ চাষ স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এতে কৃষকদের আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
উপকূলীয় কৃষিপ্রধান জনপদ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তরমুজ চাষে রেকর্ড আবাদ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৩৮০ হেক্টর জমি।
তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৩৬৭ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। এতে কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরাসরি তরমুজ চাষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন প্রায় পাঁচ হাজার কৃষক। অনুকূল আবহাওয়া ও বাজারে ভালো দামের প্রত্যাশায় কৃষকদের আগ্রহ দিনদিন বাড়ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হচ্ছে। কৃষকরা আধুনিক পদ্ধতি ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করে ফলন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ জমিতে ভালো ফলন ধরেছে। তবে ফল বড় ও মিষ্টি করতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত মিষ্টি পানি। আর সেখানেই দেখা দিয়েছে বড় সংকট। অনেক কৃষক দূরবর্তী স্থান থেকে মোটরের মাধ্যমে পানি এনে সেচ দিচ্ছেন, যা ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।
পানির সংকটে দুশ্চিন্তা কৃষকদের তাদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এলাকায় স্পষ্ট। খাল-বিল ও প্রাকৃতিক জলাধার ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। পানির স্বল্পতা ও লবণাক্ততার ঝুঁকি কৃষির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খালগুলো সচল থাকলে আরও বেশি জমিতে তরমুজ আবাদ সম্ভব হতো বলে মনে করছেন তারা।
লতাচাপলী ইউনিয়নের কৃষক মো. বেলাল জানান, গত ১০ বছর ধরে তরমুজ চাষ করছি। এ বছর তিন একর জমিতে প্রায় চার লাখ টাকা খরচ করেছি। কিন্তু প্রতিবছর বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ কিনতে গিয়ে প্রতারণা ও মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা পোহাতে হয়। কৃষিপণ্যের দামের লাগাম টানতে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
অন্যদিকে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, আমরা পুরোপুরি আধুনিক কৃষক হতে পারিনি। তবে কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে এসে খোঁজখবর রাখছেন এবং বিনামূল্যে সার ও বীজ দিচ্ছেন। এ সহযোগিতা আরও বাড়লে কৃষকরা পিছিয়ে থাকবে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন বলেন, সঠিক পরিচর্যা ও অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এ বছর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। খাল পুনঃখনন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া গেলে ভবিষ্যতে তরমুজসহ অন্যান্য ফসলের আবাদ আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, কৃষকদের প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে তরমুজ চাষ স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এতে কৃষকদের আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩১
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৩
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯