ছবি- সংগৃহীত
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরিশালে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রচারিত সংবাদ অনুযায়ী, সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ময়দানখোলা এলাকার একদল ব্যক্তি বন্যপ্রাণী শিয়াল হত্যা করে ফেসবুকে মাংস বিক্রি বিজ্ঞাপন ও সাতটি শিয়াল ধরে জবাই করে রুটির সঙ্গে খেয়েছেন এমন একটি সংবাদ নেট দুনিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়।
এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে—শিয়ালের গোশত খাওয়া কি ইসলামে বৈধ? কেউ বলছেন, এটি সম্পূর্ণ হারাম। আবার কেউ দাবি করছেন, বিশেষ কিছু রোগের চিকিৎসায় শিয়ালের গোশত বা চর্বি ব্যবহার করা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এ ধরনের বিষয়ে আবেগ, প্রচলিত ধারণা বা লোকবিশ্বাসের পরিবর্তে কোরআন, সুন্নাহ ও নির্ভরযোগ্য ফিকহের আলোকে বিষয়টি জানা জরুরি।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে মানুষ! পৃথিবীতে যা কিছু হালাল ও পবিত্র আছে, তা থেকে আহার করো এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কোরো না।’ (সুরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৬৮)।
অন্য আয়াতে তিনি বলেন, ‘তিনি তাদের জন্য পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করেন এবং অপবিত্র বস্তুসমূহ হারাম করেন।’ (সুরা আল-আরাফ, আয়াত: ১৫৭)। অর্থাৎ, কোনো প্রাণী হালাল না হারাম—তা মানুষের রুচি, সংস্কৃতি বা প্রচলিত বিশ্বাস দ্বারা নির্ধারিত হয় না; বরং আল্লাহ ও তার রাসুল (সা.)-এর নির্দেশই এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত।
সহিহ হাদিসে এসেছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট হিংস্র জন্তুর গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৯৩৩)। শিয়াল একটি হিংস্র ও শিকারি প্রাণী। এটি ধারালো দাঁত ও নখরের সাহায্যে শিকার ধরে এবং মাংস ভক্ষণ করে। এ কারণে অধিকাংশ ফকিহ শিয়ালকে হিংস্র জন্তুর অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
আল্লামা আলাউদ্দিন কাসানি (রহ.) বলেন, ‘প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট হিংস্র জন্তুর গোশত হারাম।’ (বাদায়েউস সানায়ে, ৫/৩৫)।
ইমাম ইবনে আবেদীন (রহ.) বলেন, ‘যেসব হিংস্র জন্তু দাঁত দিয়ে শিকার করে, সেগুলোর গোশত খাওয়া হারাম।’ (রদ্দুল মুহতার, ৬/৩০৭)। তাই নির্ভরযোগ্য ফিকহের গ্রন্থসমূহে শিয়ালকে হারাম প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অনেকে দাবি করেন, শিয়ালের গোশত বা চর্বি বিভিন্ন রোগের ওষুধ। কিন্তু শরিয়তের দৃষ্টিতে সাধারণভাবে হারাম বস্তু দিয়ে চিকিৎসা করা বৈধ নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহ তোমাদের রোগ সৃষ্টি করেছেন এবং তার চিকিৎসাও সৃষ্টি করেছেন। অতএব, চিকিৎসা গ্রহণ করো; তবে হারাম বস্তু দ্বারা চিকিৎসা করো না।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৮৭৪।
অন্য এক হাদিসে এসেছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের জন্য যা হারাম করেছেন, তাতে তোমাদের আরোগ্য রাখেননি।’ (সহিহ ইবনে হিব্বান)। সুতরাং, লোকমুখে প্রচলিত বিশ্বাস বা কুসংস্কারের ভিত্তিতে শিয়ালের গোশত খাওয়া কিংবা তা দিয়ে চিকিৎসা নেওয়া শরিয়তসম্মত নয়।
তবে ইসলামের মূলনীতি হলো, যদি জীবন রক্ষার মতো চরম ও অনিবার্য পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং কোনো বিশ্বস্ত ও দক্ষ চিকিৎসক নিশ্চিতভাবে বলেন যে হারাম বস্তু ছাড়া অন্য কোনো কার্যকর বিকল্প চিকিৎসা নেই, আর তা ব্যবহার না করলে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে, তাহলে প্রয়োজনের সীমার মধ্যে ব্যতিক্রমী বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। তবে এটি অত্যন্ত ব্যতিক্রমী অবস্থা; সাধারণ নিয়ম নয়।
যদি কেউ জেনে-শুনে শিয়ালের গোশত খেয়ে থাকে, তাহলে তার উচিত আন্তরিকভাবে আল্লাহ তাআলার কাছে তাওবা করা, ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার দৃঢ় সংকল্প করা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
শুধু শরিয়তের দৃষ্টিতেই নয়, বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ীও শিয়াল শিকার, হত্যা, ক্রয়-বিক্রয় ও অবৈধভাবে সংরক্ষণ দণ্ডনীয় অপরাধ।
সারকথা হলো, শিয়ালের গোশত খাওয়া ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে হারাম। কারণ এটি দাঁত ও নখর দিয়ে শিকার করা হিংস্র প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত, আর রাসুলুল্লাহ (সা.) এ ধরনের প্রাণীর গোশত ভক্ষণ থেকে স্পষ্টভাবে নিষেধ করেছেন। অসুস্থতার অজুহাতে বা লোকমুখে প্রচলিত ধারণার ভিত্তিতে শিয়ালের গোশত খাওয়াও বৈধ নয়। কেবল জীবনরক্ষার মতো চরম ও অনিবার্য পরিস্থিতিতে শরিয়তের নির্ধারিত কঠোর শর্ত পূরণ হলে সীমিত পরিসরে ব্যতিক্রমী বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। তাই একজন মুসলমানের উচিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব বা প্রচারণার পরিবর্তে কোরআন, সহিহ সুন্নাহ এবং নির্ভরযোগ্য আলেমদের গবেষণা ও ফিকহের আলোকে নিজের জীবন পরিচালনা করা।
কেননা, হালাল খাদ্য শুধু দেহের পুষ্টিই নিশ্চিত করে না; বরং ঈমান, ইবাদত ও দোয়া কবুল হওয়ার ক্ষেত্রেও গভীর প্রভাব ফেলে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হালাল-হারাম সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন এবং সর্বদা হালাল রিজিক গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
বরিশাল টাইমস

১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:২১
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, এই সরকার ৬ মাসের মধ্যে দেশের মানুষের মধ্যে আস্থা ও ভরসা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। আমরা বলছি, সংকট আছে। সেই সংকট সমাধানের চেষ্টা করছি। মানুষকে মিথ্যা আশ্বাস আমরা দেই না। রোববার অপরাহ্ণে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির প্রস্তাবিত ১০ তলা ভবনের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
শান্ত স্নিগ্ধ কীর্তনখোলা তীর জনপদের রূপ সৌন্দর্যে বিমোহিত মন্ত্রী বলেন, জীবনানন্দ দাশের বরিশালে বেড়াতে এসে মনে হচ্ছে, কবি যেমন বলেছিলেন, মানুষের ব্যথা আমি পেয়ে গেছি পৃথিবীর পথে এসে। তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে বলতে পারি, আইনজীবীদের ব্যথা আমি পেয়ে গেছি বরিশাল বারে এসে।
আইনজীবীদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা শুনে আইনমন্ত্রী বলেন, বারের সংস্কারের জন্য ২০ লাখ টাকা এবং বই কেনার জন্য ৫ লাখ টাকা আপাতত দিলাম। ভবন নির্মাণের জন্য যা যা করা দরকার, তা করা হবে।
তিনি বিএনপি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বলেন, এই সরকার ৬ মাসের মধ্যে দেশের মানুষের মধ্যে আস্থা ও ভরসা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছে। আমরা বলছি, সংকট আছে। সেই সংকট সমাধানের চেষ্টা করছি। মানুষকে মিথ্যা আশ্বাস আমরা দেই না।
ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, পুরো পৃথিবী যখন বিপর্যস্ত, তখন বিশ্বের সব দেশেই তেলের দাম বেড়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি সবার শেষে তেলের দাম বাড়াতে।
ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকে যারা গুপ্ত-সুপ্ত আছে, তারা ফ্যামিলি কার্ডের বিপক্ষে ছিলেন। বিএনপি ক্ষমতায় এসে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। আগামী ৫ বছরে দেশের সব পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে যাবে।
বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী সমালোচনা করে বলেন, বিএনপি করার অপরাধে ৬০ লাখের বেশি বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় এমন ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে, যিনি ২০ বছর আগেই মারা গেছেন।
মতবিনিময় সভায় বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা আইনজীবীদের বিভিন্ন সমস্যা, অবকাঠামোগত সংকট ও দাবিদাওয়া তুলে ধরেন। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ, সদস্য এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, এই সরকার ৬ মাসের মধ্যে দেশের মানুষের মধ্যে আস্থা ও ভরসা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। আমরা বলছি, সংকট আছে। সেই সংকট সমাধানের চেষ্টা করছি। মানুষকে মিথ্যা আশ্বাস আমরা দেই না। রোববার অপরাহ্ণে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির প্রস্তাবিত ১০ তলা ভবনের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
শান্ত স্নিগ্ধ কীর্তনখোলা তীর জনপদের রূপ সৌন্দর্যে বিমোহিত মন্ত্রী বলেন, জীবনানন্দ দাশের বরিশালে বেড়াতে এসে মনে হচ্ছে, কবি যেমন বলেছিলেন, মানুষের ব্যথা আমি পেয়ে গেছি পৃথিবীর পথে এসে। তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে বলতে পারি, আইনজীবীদের ব্যথা আমি পেয়ে গেছি বরিশাল বারে এসে।
আইনজীবীদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা শুনে আইনমন্ত্রী বলেন, বারের সংস্কারের জন্য ২০ লাখ টাকা এবং বই কেনার জন্য ৫ লাখ টাকা আপাতত দিলাম। ভবন নির্মাণের জন্য যা যা করা দরকার, তা করা হবে।
তিনি বিএনপি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বলেন, এই সরকার ৬ মাসের মধ্যে দেশের মানুষের মধ্যে আস্থা ও ভরসা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছে। আমরা বলছি, সংকট আছে। সেই সংকট সমাধানের চেষ্টা করছি। মানুষকে মিথ্যা আশ্বাস আমরা দেই না।
ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, পুরো পৃথিবী যখন বিপর্যস্ত, তখন বিশ্বের সব দেশেই তেলের দাম বেড়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি সবার শেষে তেলের দাম বাড়াতে।
ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকে যারা গুপ্ত-সুপ্ত আছে, তারা ফ্যামিলি কার্ডের বিপক্ষে ছিলেন। বিএনপি ক্ষমতায় এসে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। আগামী ৫ বছরে দেশের সব পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে যাবে।
বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী সমালোচনা করে বলেন, বিএনপি করার অপরাধে ৬০ লাখের বেশি বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় এমন ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে, যিনি ২০ বছর আগেই মারা গেছেন।
মতবিনিময় সভায় বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা আইনজীবীদের বিভিন্ন সমস্যা, অবকাঠামোগত সংকট ও দাবিদাওয়া তুলে ধরেন। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ, সদস্য এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:১৩
বরিশালের বানারীপাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট সংযোগ প্রকল্পের বিল পরিশোধকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন প্রকল্পের আওতায় কাজ করা একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে একটি হাতে লেখা হিসাবের নথিতে বিভিন্ন সময় টাকা নেওয়ার তথ্য উঠে আসায় নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগকারী নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, তিনি স্কাই ভিউ অনলাইন কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে বরিশালে কর্মরত রয়েছেন। তার দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন প্রকল্পের আওতায় গত অর্থবছরের বিল সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ২০২৫ সালের জুন মাসে বানারীপাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেওয়া হয়। যাচাই-বাছাই শেষে প্রায় ৮ লাখ টাকার বিল চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়।
তবে বিল পাওয়ার কয়েক দিন পর বানারীপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম মিঠু ফোন করে অর্থ দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। নুরে আলম সিদ্দিকীর ভাষ্য, তাকে বলা হয়,এখানে ব্যবসা করতে হলে আমাদের টাকা দিতে হবে।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, প্রথমে তিনি ১ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও তা প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং ৩ লাখ টাকার বেশি অর্থ দাবি করা হয়। ভবিষ্যতে এলাকায় ব্যবসা পরিচালনার স্বার্থে তিনি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।এদিকে, হাতে লেখা একটি নোট বা হিসাবপত্রেও বিভিন্ন সময় অর্থ গ্রহণের তথ্য পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নথিতে ১ হাজার টাকা, ২ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন অঙ্কের অর্থ লেনদেনের উল্লেখ রয়েছে। কোথাও ফি, কোথাও প্রয়োজনীয় খরচের কথা বলে টাকা নেওয়ার হিসাব লেখা আছে। তবে ওই অর্থ কোন খাতে, কার কাছে এবং কী উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে,তা নথি দেখে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম মিঠু নিয়মিত তার বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে শিক্ষা অফিসে প্রভাব বিস্তার ও দালালির মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মনিরুল আলম মিঠুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক।
বরিশালের বানারীপাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট সংযোগ প্রকল্পের বিল পরিশোধকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন প্রকল্পের আওতায় কাজ করা একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে একটি হাতে লেখা হিসাবের নথিতে বিভিন্ন সময় টাকা নেওয়ার তথ্য উঠে আসায় নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগকারী নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, তিনি স্কাই ভিউ অনলাইন কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে বরিশালে কর্মরত রয়েছেন। তার দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন প্রকল্পের আওতায় গত অর্থবছরের বিল সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ২০২৫ সালের জুন মাসে বানারীপাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেওয়া হয়। যাচাই-বাছাই শেষে প্রায় ৮ লাখ টাকার বিল চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়।
তবে বিল পাওয়ার কয়েক দিন পর বানারীপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম মিঠু ফোন করে অর্থ দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। নুরে আলম সিদ্দিকীর ভাষ্য, তাকে বলা হয়,এখানে ব্যবসা করতে হলে আমাদের টাকা দিতে হবে।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, প্রথমে তিনি ১ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও তা প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং ৩ লাখ টাকার বেশি অর্থ দাবি করা হয়। ভবিষ্যতে এলাকায় ব্যবসা পরিচালনার স্বার্থে তিনি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।এদিকে, হাতে লেখা একটি নোট বা হিসাবপত্রেও বিভিন্ন সময় অর্থ গ্রহণের তথ্য পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নথিতে ১ হাজার টাকা, ২ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন অঙ্কের অর্থ লেনদেনের উল্লেখ রয়েছে। কোথাও ফি, কোথাও প্রয়োজনীয় খরচের কথা বলে টাকা নেওয়ার হিসাব লেখা আছে। তবে ওই অর্থ কোন খাতে, কার কাছে এবং কী উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে,তা নথি দেখে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম মিঠু নিয়মিত তার বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে শিক্ষা অফিসে প্রভাব বিস্তার ও দালালির মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মনিরুল আলম মিঠুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক।

১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৪৮
ডিজিটাল বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপ দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। রোববার (১৬ আগস্ট) বেলা ১২টায় বরিশাল শহরের কাশিপুরে ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে বিভাগীয় আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণকাজ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, নির্মাণ হতে যাওয়া আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সে বিশ্বের সবচেয়ে তথ্য সমৃদ্ধ আর্কাইভসহ প্রযুক্তিতে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি সেবা দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার দেশে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির তথ্য কমপ্লেক্স তৈরির কাজ চালাচ্ছে। প্রযুক্তির বিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে বাংলাদেশও এগিয়ে যাবে আগামীর পথে। এছাড়াও প্রচলিত অর্থেই উন্নয়ন নয়, আধুনিক জ্ঞাননির্ভর উন্নতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাখেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল জলিল প্রমুখ।
ডিজিটাল বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপ দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। রোববার (১৬ আগস্ট) বেলা ১২টায় বরিশাল শহরের কাশিপুরে ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে বিভাগীয় আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণকাজ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, নির্মাণ হতে যাওয়া আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সে বিশ্বের সবচেয়ে তথ্য সমৃদ্ধ আর্কাইভসহ প্রযুক্তিতে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি সেবা দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার দেশে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির তথ্য কমপ্লেক্স তৈরির কাজ চালাচ্ছে। প্রযুক্তির বিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে বাংলাদেশও এগিয়ে যাবে আগামীর পথে। এছাড়াও প্রচলিত অর্থেই উন্নয়ন নয়, আধুনিক জ্ঞাননির্ভর উন্নতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাখেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল জলিল প্রমুখ।

১১ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরিশালে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রচারিত সংবাদ অনুযায়ী, সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ময়দানখোলা এলাকার একদল ব্যক্তি বন্যপ্রাণী শিয়াল হত্যা করে ফেসবুকে মাংস বিক্রি বিজ্ঞাপন ও সাতটি শিয়াল ধরে জবাই করে রুটির সঙ্গে খেয়েছেন এমন একটি সংবাদ নেট দুনিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়।
এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে—শিয়ালের গোশত খাওয়া কি ইসলামে বৈধ? কেউ বলছেন, এটি সম্পূর্ণ হারাম। আবার কেউ দাবি করছেন, বিশেষ কিছু রোগের চিকিৎসায় শিয়ালের গোশত বা চর্বি ব্যবহার করা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এ ধরনের বিষয়ে আবেগ, প্রচলিত ধারণা বা লোকবিশ্বাসের পরিবর্তে কোরআন, সুন্নাহ ও নির্ভরযোগ্য ফিকহের আলোকে বিষয়টি জানা জরুরি।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে মানুষ! পৃথিবীতে যা কিছু হালাল ও পবিত্র আছে, তা থেকে আহার করো এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কোরো না।’ (সুরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৬৮)।
অন্য আয়াতে তিনি বলেন, ‘তিনি তাদের জন্য পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করেন এবং অপবিত্র বস্তুসমূহ হারাম করেন।’ (সুরা আল-আরাফ, আয়াত: ১৫৭)। অর্থাৎ, কোনো প্রাণী হালাল না হারাম—তা মানুষের রুচি, সংস্কৃতি বা প্রচলিত বিশ্বাস দ্বারা নির্ধারিত হয় না; বরং আল্লাহ ও তার রাসুল (সা.)-এর নির্দেশই এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত।
সহিহ হাদিসে এসেছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট হিংস্র জন্তুর গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৯৩৩)। শিয়াল একটি হিংস্র ও শিকারি প্রাণী। এটি ধারালো দাঁত ও নখরের সাহায্যে শিকার ধরে এবং মাংস ভক্ষণ করে। এ কারণে অধিকাংশ ফকিহ শিয়ালকে হিংস্র জন্তুর অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
আল্লামা আলাউদ্দিন কাসানি (রহ.) বলেন, ‘প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট হিংস্র জন্তুর গোশত হারাম।’ (বাদায়েউস সানায়ে, ৫/৩৫)।
ইমাম ইবনে আবেদীন (রহ.) বলেন, ‘যেসব হিংস্র জন্তু দাঁত দিয়ে শিকার করে, সেগুলোর গোশত খাওয়া হারাম।’ (রদ্দুল মুহতার, ৬/৩০৭)। তাই নির্ভরযোগ্য ফিকহের গ্রন্থসমূহে শিয়ালকে হারাম প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অনেকে দাবি করেন, শিয়ালের গোশত বা চর্বি বিভিন্ন রোগের ওষুধ। কিন্তু শরিয়তের দৃষ্টিতে সাধারণভাবে হারাম বস্তু দিয়ে চিকিৎসা করা বৈধ নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহ তোমাদের রোগ সৃষ্টি করেছেন এবং তার চিকিৎসাও সৃষ্টি করেছেন। অতএব, চিকিৎসা গ্রহণ করো; তবে হারাম বস্তু দ্বারা চিকিৎসা করো না।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৮৭৪।
অন্য এক হাদিসে এসেছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের জন্য যা হারাম করেছেন, তাতে তোমাদের আরোগ্য রাখেননি।’ (সহিহ ইবনে হিব্বান)। সুতরাং, লোকমুখে প্রচলিত বিশ্বাস বা কুসংস্কারের ভিত্তিতে শিয়ালের গোশত খাওয়া কিংবা তা দিয়ে চিকিৎসা নেওয়া শরিয়তসম্মত নয়।
তবে ইসলামের মূলনীতি হলো, যদি জীবন রক্ষার মতো চরম ও অনিবার্য পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং কোনো বিশ্বস্ত ও দক্ষ চিকিৎসক নিশ্চিতভাবে বলেন যে হারাম বস্তু ছাড়া অন্য কোনো কার্যকর বিকল্প চিকিৎসা নেই, আর তা ব্যবহার না করলে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে, তাহলে প্রয়োজনের সীমার মধ্যে ব্যতিক্রমী বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। তবে এটি অত্যন্ত ব্যতিক্রমী অবস্থা; সাধারণ নিয়ম নয়।
যদি কেউ জেনে-শুনে শিয়ালের গোশত খেয়ে থাকে, তাহলে তার উচিত আন্তরিকভাবে আল্লাহ তাআলার কাছে তাওবা করা, ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার দৃঢ় সংকল্প করা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
শুধু শরিয়তের দৃষ্টিতেই নয়, বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ীও শিয়াল শিকার, হত্যা, ক্রয়-বিক্রয় ও অবৈধভাবে সংরক্ষণ দণ্ডনীয় অপরাধ।
সারকথা হলো, শিয়ালের গোশত খাওয়া ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে হারাম। কারণ এটি দাঁত ও নখর দিয়ে শিকার করা হিংস্র প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত, আর রাসুলুল্লাহ (সা.) এ ধরনের প্রাণীর গোশত ভক্ষণ থেকে স্পষ্টভাবে নিষেধ করেছেন। অসুস্থতার অজুহাতে বা লোকমুখে প্রচলিত ধারণার ভিত্তিতে শিয়ালের গোশত খাওয়াও বৈধ নয়। কেবল জীবনরক্ষার মতো চরম ও অনিবার্য পরিস্থিতিতে শরিয়তের নির্ধারিত কঠোর শর্ত পূরণ হলে সীমিত পরিসরে ব্যতিক্রমী বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। তাই একজন মুসলমানের উচিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব বা প্রচারণার পরিবর্তে কোরআন, সহিহ সুন্নাহ এবং নির্ভরযোগ্য আলেমদের গবেষণা ও ফিকহের আলোকে নিজের জীবন পরিচালনা করা।
কেননা, হালাল খাদ্য শুধু দেহের পুষ্টিই নিশ্চিত করে না; বরং ঈমান, ইবাদত ও দোয়া কবুল হওয়ার ক্ষেত্রেও গভীর প্রভাব ফেলে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হালাল-হারাম সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন এবং সর্বদা হালাল রিজিক গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
বরিশাল টাইমস
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫৬
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৪
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩২
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫০